যে ৭ কাজ করার আদেশ ও নিষেধ করেছেন রাসূল (সা.)

যে ৭ কাজ করার আদেশ ও নিষেধ করেছেন রাসূল (সা.)
ধর্ম ডেস্ক

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ কেবল ব্যক্তিগত ইবাদতের ফ্রেমে বাঁধা নয়; এটি একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনের পরিপূর্ণ রূপরেখা। বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আবু উমারাহ বারা ইবনু আজেব (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদেরকে সাতটি কাজ করার আদেশ এবং সাতটি কাজ করতে নিষেধ করেছেন।
যে ৭টি কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
রোগীর শুশ্রূষা করা: অসুস্থ ব্যক্তির খোঁজখবর নেওয়া ও তাকে দেখতে যাওয়া।
জানাযায় শরিক হওয়া: মৃত ব্যক্তির জানাযায় অংশ নেওয়া ও অনুগমন করা।
হাঁচির উত্তর দেওয়া: কেউ হাঁচি দিয়ে 'আলহামদুলিল্লাহ' বললে উত্তরে 'ইয়ারহামুকাল্লাহ' বলা।
কসম পূরণে সাহায্য করা: কেউ কোনো সৎ কাজের শপথ করলে তা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা।
মাজলুমের পাশে দাঁড়ানো: নির্যাতিত ও অত্যাচারিত মানুষকে সাহায্য করা।
দাওয়াত কবুল করা: কোনো মুসলিম ভাই নিমন্ত্রণ জানালে তা গ্রহণ করা।
সালামের বিস্তার ঘটানো: চেনা-অচেনা সবার মাঝে সালাম আদান-প্রদান করা।
(অন্য বর্ণনায় হারানো বস্তু খুঁজে পেতে সাহায্য করার কথা উল্লেখ রয়েছে।)
যে ৭টি কাজ থেকে নিষেধ করা হয়েছে
স্বর্ণের আংটি ব্যবহার: পুরুষদের জন্য স্বর্ণের আংটি পরা।
রুপার পাত্রে পানাহার: রুপার তৈরি পাত্র বা পেয়ালা ব্যবহার করা।
রেশমি গদি বা আসন: রেশম নির্মিত বসার স্থান বা জিন ব্যবহার করা।
কাসসি পরিধান: মিসরীয় এক বিশেষ ধরনের রেশমি মিশ্রিত পোশাক পরা।
দিবাজ ব্যবহার: মোটা ও উন্নতমানের খাঁটি রেশমি বস্ত্র পরিধান করা।
ইস্তাবরাক পরা: একপ্রকার চকচকে ও ভারী রেশমি পোশাক গ্রহণ করা।
সাধারণ রেশমি বস্ত্র: যেকোনো ধরনের সাধারণ রেশমের পোশাক পরা। (যেহেতু রেশম বিলাসী ও অহংকারের প্রতীক, তাই পুরুষদের জন্য এগুলো নিষিদ্ধ।)
অন্য বর্ণনায় আছে-যে সাতটি জিনিস আদেশ করেছেন, তার মধ্যে একটি হলো, হারানো বস্তুর সন্ধান দেওয়া। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৬৩৫, সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৫৩৮৮, মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ১৮৫০৪)
এবি

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ কেবল ব্যক্তিগত ইবাদতের ফ্রেমে বাঁধা নয়; এটি একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনের পরিপূর্ণ রূপরেখা। বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আবু উমারাহ বারা ইবনু আজেব (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদেরকে সাতটি কাজ করার আদেশ এবং সাতটি কাজ করতে নিষেধ করেছেন।
যে ৭টি কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
রোগীর শুশ্রূষা করা: অসুস্থ ব্যক্তির খোঁজখবর নেওয়া ও তাকে দেখতে যাওয়া।
জানাযায় শরিক হওয়া: মৃত ব্যক্তির জানাযায় অংশ নেওয়া ও অনুগমন করা।
হাঁচির উত্তর দেওয়া: কেউ হাঁচি দিয়ে 'আলহামদুলিল্লাহ' বললে উত্তরে 'ইয়ারহামুকাল্লাহ' বলা।
কসম পূরণে সাহায্য করা: কেউ কোনো সৎ কাজের শপথ করলে তা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা।
মাজলুমের পাশে দাঁড়ানো: নির্যাতিত ও অত্যাচারিত মানুষকে সাহায্য করা।
দাওয়াত কবুল করা: কোনো মুসলিম ভাই নিমন্ত্রণ জানালে তা গ্রহণ করা।
সালামের বিস্তার ঘটানো: চেনা-অচেনা সবার মাঝে সালাম আদান-প্রদান করা।
(অন্য বর্ণনায় হারানো বস্তু খুঁজে পেতে সাহায্য করার কথা উল্লেখ রয়েছে।)
যে ৭টি কাজ থেকে নিষেধ করা হয়েছে
স্বর্ণের আংটি ব্যবহার: পুরুষদের জন্য স্বর্ণের আংটি পরা।
রুপার পাত্রে পানাহার: রুপার তৈরি পাত্র বা পেয়ালা ব্যবহার করা।
রেশমি গদি বা আসন: রেশম নির্মিত বসার স্থান বা জিন ব্যবহার করা।
কাসসি পরিধান: মিসরীয় এক বিশেষ ধরনের রেশমি মিশ্রিত পোশাক পরা।
দিবাজ ব্যবহার: মোটা ও উন্নতমানের খাঁটি রেশমি বস্ত্র পরিধান করা।
ইস্তাবরাক পরা: একপ্রকার চকচকে ও ভারী রেশমি পোশাক গ্রহণ করা।
সাধারণ রেশমি বস্ত্র: যেকোনো ধরনের সাধারণ রেশমের পোশাক পরা। (যেহেতু রেশম বিলাসী ও অহংকারের প্রতীক, তাই পুরুষদের জন্য এগুলো নিষিদ্ধ।)
অন্য বর্ণনায় আছে-যে সাতটি জিনিস আদেশ করেছেন, তার মধ্যে একটি হলো, হারানো বস্তুর সন্ধান দেওয়া। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৬৩৫, সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৫৩৮৮, মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ১৮৫০৪)
এবি

যে ৭ কাজ করার আদেশ ও নিষেধ করেছেন রাসূল (সা.)
ধর্ম ডেস্ক

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ কেবল ব্যক্তিগত ইবাদতের ফ্রেমে বাঁধা নয়; এটি একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনের পরিপূর্ণ রূপরেখা। বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আবু উমারাহ বারা ইবনু আজেব (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদেরকে সাতটি কাজ করার আদেশ এবং সাতটি কাজ করতে নিষেধ করেছেন।
যে ৭টি কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
রোগীর শুশ্রূষা করা: অসুস্থ ব্যক্তির খোঁজখবর নেওয়া ও তাকে দেখতে যাওয়া।
জানাযায় শরিক হওয়া: মৃত ব্যক্তির জানাযায় অংশ নেওয়া ও অনুগমন করা।
হাঁচির উত্তর দেওয়া: কেউ হাঁচি দিয়ে 'আলহামদুলিল্লাহ' বললে উত্তরে 'ইয়ারহামুকাল্লাহ' বলা।
কসম পূরণে সাহায্য করা: কেউ কোনো সৎ কাজের শপথ করলে তা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা।
মাজলুমের পাশে দাঁড়ানো: নির্যাতিত ও অত্যাচারিত মানুষকে সাহায্য করা।
দাওয়াত কবুল করা: কোনো মুসলিম ভাই নিমন্ত্রণ জানালে তা গ্রহণ করা।
সালামের বিস্তার ঘটানো: চেনা-অচেনা সবার মাঝে সালাম আদান-প্রদান করা।
(অন্য বর্ণনায় হারানো বস্তু খুঁজে পেতে সাহায্য করার কথা উল্লেখ রয়েছে।)
যে ৭টি কাজ থেকে নিষেধ করা হয়েছে
স্বর্ণের আংটি ব্যবহার: পুরুষদের জন্য স্বর্ণের আংটি পরা।
রুপার পাত্রে পানাহার: রুপার তৈরি পাত্র বা পেয়ালা ব্যবহার করা।
রেশমি গদি বা আসন: রেশম নির্মিত বসার স্থান বা জিন ব্যবহার করা।
কাসসি পরিধান: মিসরীয় এক বিশেষ ধরনের রেশমি মিশ্রিত পোশাক পরা।
দিবাজ ব্যবহার: মোটা ও উন্নতমানের খাঁটি রেশমি বস্ত্র পরিধান করা।
ইস্তাবরাক পরা: একপ্রকার চকচকে ও ভারী রেশমি পোশাক গ্রহণ করা।
সাধারণ রেশমি বস্ত্র: যেকোনো ধরনের সাধারণ রেশমের পোশাক পরা। (যেহেতু রেশম বিলাসী ও অহংকারের প্রতীক, তাই পুরুষদের জন্য এগুলো নিষিদ্ধ।)
অন্য বর্ণনায় আছে-যে সাতটি জিনিস আদেশ করেছেন, তার মধ্যে একটি হলো, হারানো বস্তুর সন্ধান দেওয়া। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৬৩৫, সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৫৩৮৮, মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ১৮৫০৪)
এবি








