সাইবারট্রাকের উৎপাদন বন্ধ করছে টেসলা

সাইবারট্রাকের উৎপাদন বন্ধ করছে টেসলা
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

কম বিক্রির মুখে শেষ পর্যন্ত বৈদ্যুতিক পিকআপ সাইবারট্রাকের উৎপাদন বন্ধ করার কথা ভাবছে মার্কিন প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান টেসলা। ২০২৭ সালের মাঝামাঝি নাগাদ টেক্সাসের কারখানা থেকে এইগাড়িটির উৎপাদন গুটিয়ে ফেলার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। এর বদলে কারখানাটির পুরো সক্ষমতা কাজে লাগানো হবে চালকবিহীন ট্যাক্সি ‘সাইবারক্যাব’ তৈরিতে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এক বার্তায় এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিজেই জানিয়েছেন টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। তিনি জানিয়েছেন, সাইবারট্রাকের উৎপাদন কমিয়ে কারখানার সক্ষমতা সাইবারক্যাব তৈরির কাজে ব্যবহার করা হবে। তবে সাইবারট্রাক বানানো কি একেবারেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, নাকি টেক্সাস থেকে সরিয়ে অন্য কোনো কারখানায় নিয়ে যাওয়া হবে-সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু জানাননি তিনি।
২০১৯ সালে যখন প্রথম সাইবারট্রাকের নকশা সামনে আনা হয়, তখন এর ব্যতিক্রমী কৌণিক রূপ আর স্টেইনলেস স্টিলের শরীর দেখে বেশ শোরগোল পড়েছিল। গ্রাহকদের হাতে গাড়িটি পৌঁছাতে পৌঁছাতে ২০২৩ সালের শেষ দিক গড়ায়। তখন ইলন মাস্ক বেশ হাঁকডাক করেই বলেছিলেন, বছরে অন্তত আড়াই লাখ সাইবারট্রাক বিক্রি করবেন তারা। কিন্তু বাস্তবতা সেই হিসেব মেলাতে পারেনি। গাড়ি বাজার বিশ্লেষক সংস্থা কেলি ব্লু বুকের তথ্য বলছে, ২০২৪ সালে যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে ৩৮ হাজার ৯৬৫টি সাইবারট্রাক বিক্রি হয়েছিল, সেখানে ২০২৫ সালে তা নেমে আসে মাত্র ২০ হাজার ২৩৭টিতে। অর্থাৎ বছর ঘুরতেই বিক্রি কমে গেছে প্রায় ৪৮ শতাংশ।
কেবল মন্দা বাজারই নয়, গাড়িটির মান ও পথনিরাপত্তা নিয়েও নানা টানাপোড়েন তৈরি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হাইওয়ে ট্রাফিক সেফটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের হিসেব অনুযায়ী, বাজারে আসার পর থেকে এ পর্যন্ত ১১ বার কারখানায় ফিরিয়ে নিয়ে মেরামত বা সংশোধন করতে হয়েছে সাইবারট্রাক। এর মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে সরাসরি যন্ত্রাংশ বদলাতে হয়েছে, আর কিছু ত্রুটি মেটানো গেছে সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে। অন্যদিকে এর ধারালো স্টেইনলেস স্টিলের বডি পথচারীদের জন্য কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে ইউরোপের বাজারে বড় ধরনের আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। ফলে সেখানে বাণিজ্যিকভাবে অনুমোদন পাওয়াটা অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
সাইবারট্রাক নিয়ে এ অনিশ্চয়তার বিপরীতে টেসলার নজর এখন পুরোটাই চালকবিহীন সাইবারক্যাবের দিকে। সম্পূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত এ গাড়িতে প্রচলিত কোনো স্টিয়ারিং হুইল, অ্যাক্সিলারেটর, ব্রেক কিংবা আয়না রাখা হয়নি। চালক ছাড়া পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাত্রী পরিবহনের জন্য তৈরি করা হয়েছে এটি।
ইতোমধ্যে সেপ্টেম্বর থেকে টেক্সাসের অস্টিন শহরে সীমিত পরিসরে ভাড়ায় চালকবিহীন এ ট্যাক্সি সেবা চালু করেছে টেসলা। তবে গাড়িটির সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমতির বিষয়টি এখনো মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাইবারট্রাক বন্ধের এ তোড়জোড় আসলে টেসলার ব্যবসায়িক কৌশলে এক বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিচ্ছে। প্রচলিত বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরির ধারা থেকে কিছুটা সরে এসে প্রতিষ্ঠানটি এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস ও চালকবিহীন যাতায়াত প্রযুক্তিতে নিজেদের মূল শক্তি ঢালতে চাইছে।
সূত্র: সিএনএন

কম বিক্রির মুখে শেষ পর্যন্ত বৈদ্যুতিক পিকআপ সাইবারট্রাকের উৎপাদন বন্ধ করার কথা ভাবছে মার্কিন প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান টেসলা। ২০২৭ সালের মাঝামাঝি নাগাদ টেক্সাসের কারখানা থেকে এইগাড়িটির উৎপাদন গুটিয়ে ফেলার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। এর বদলে কারখানাটির পুরো সক্ষমতা কাজে লাগানো হবে চালকবিহীন ট্যাক্সি ‘সাইবারক্যাব’ তৈরিতে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এক বার্তায় এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিজেই জানিয়েছেন টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। তিনি জানিয়েছেন, সাইবারট্রাকের উৎপাদন কমিয়ে কারখানার সক্ষমতা সাইবারক্যাব তৈরির কাজে ব্যবহার করা হবে। তবে সাইবারট্রাক বানানো কি একেবারেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, নাকি টেক্সাস থেকে সরিয়ে অন্য কোনো কারখানায় নিয়ে যাওয়া হবে-সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু জানাননি তিনি।
২০১৯ সালে যখন প্রথম সাইবারট্রাকের নকশা সামনে আনা হয়, তখন এর ব্যতিক্রমী কৌণিক রূপ আর স্টেইনলেস স্টিলের শরীর দেখে বেশ শোরগোল পড়েছিল। গ্রাহকদের হাতে গাড়িটি পৌঁছাতে পৌঁছাতে ২০২৩ সালের শেষ দিক গড়ায়। তখন ইলন মাস্ক বেশ হাঁকডাক করেই বলেছিলেন, বছরে অন্তত আড়াই লাখ সাইবারট্রাক বিক্রি করবেন তারা। কিন্তু বাস্তবতা সেই হিসেব মেলাতে পারেনি। গাড়ি বাজার বিশ্লেষক সংস্থা কেলি ব্লু বুকের তথ্য বলছে, ২০২৪ সালে যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে ৩৮ হাজার ৯৬৫টি সাইবারট্রাক বিক্রি হয়েছিল, সেখানে ২০২৫ সালে তা নেমে আসে মাত্র ২০ হাজার ২৩৭টিতে। অর্থাৎ বছর ঘুরতেই বিক্রি কমে গেছে প্রায় ৪৮ শতাংশ।
কেবল মন্দা বাজারই নয়, গাড়িটির মান ও পথনিরাপত্তা নিয়েও নানা টানাপোড়েন তৈরি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হাইওয়ে ট্রাফিক সেফটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের হিসেব অনুযায়ী, বাজারে আসার পর থেকে এ পর্যন্ত ১১ বার কারখানায় ফিরিয়ে নিয়ে মেরামত বা সংশোধন করতে হয়েছে সাইবারট্রাক। এর মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে সরাসরি যন্ত্রাংশ বদলাতে হয়েছে, আর কিছু ত্রুটি মেটানো গেছে সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে। অন্যদিকে এর ধারালো স্টেইনলেস স্টিলের বডি পথচারীদের জন্য কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে ইউরোপের বাজারে বড় ধরনের আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। ফলে সেখানে বাণিজ্যিকভাবে অনুমোদন পাওয়াটা অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
সাইবারট্রাক নিয়ে এ অনিশ্চয়তার বিপরীতে টেসলার নজর এখন পুরোটাই চালকবিহীন সাইবারক্যাবের দিকে। সম্পূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত এ গাড়িতে প্রচলিত কোনো স্টিয়ারিং হুইল, অ্যাক্সিলারেটর, ব্রেক কিংবা আয়না রাখা হয়নি। চালক ছাড়া পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাত্রী পরিবহনের জন্য তৈরি করা হয়েছে এটি।
ইতোমধ্যে সেপ্টেম্বর থেকে টেক্সাসের অস্টিন শহরে সীমিত পরিসরে ভাড়ায় চালকবিহীন এ ট্যাক্সি সেবা চালু করেছে টেসলা। তবে গাড়িটির সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমতির বিষয়টি এখনো মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাইবারট্রাক বন্ধের এ তোড়জোড় আসলে টেসলার ব্যবসায়িক কৌশলে এক বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিচ্ছে। প্রচলিত বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরির ধারা থেকে কিছুটা সরে এসে প্রতিষ্ঠানটি এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস ও চালকবিহীন যাতায়াত প্রযুক্তিতে নিজেদের মূল শক্তি ঢালতে চাইছে।
সূত্র: সিএনএন

সাইবারট্রাকের উৎপাদন বন্ধ করছে টেসলা
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

কম বিক্রির মুখে শেষ পর্যন্ত বৈদ্যুতিক পিকআপ সাইবারট্রাকের উৎপাদন বন্ধ করার কথা ভাবছে মার্কিন প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান টেসলা। ২০২৭ সালের মাঝামাঝি নাগাদ টেক্সাসের কারখানা থেকে এইগাড়িটির উৎপাদন গুটিয়ে ফেলার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। এর বদলে কারখানাটির পুরো সক্ষমতা কাজে লাগানো হবে চালকবিহীন ট্যাক্সি ‘সাইবারক্যাব’ তৈরিতে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এক বার্তায় এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিজেই জানিয়েছেন টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। তিনি জানিয়েছেন, সাইবারট্রাকের উৎপাদন কমিয়ে কারখানার সক্ষমতা সাইবারক্যাব তৈরির কাজে ব্যবহার করা হবে। তবে সাইবারট্রাক বানানো কি একেবারেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, নাকি টেক্সাস থেকে সরিয়ে অন্য কোনো কারখানায় নিয়ে যাওয়া হবে-সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু জানাননি তিনি।
২০১৯ সালে যখন প্রথম সাইবারট্রাকের নকশা সামনে আনা হয়, তখন এর ব্যতিক্রমী কৌণিক রূপ আর স্টেইনলেস স্টিলের শরীর দেখে বেশ শোরগোল পড়েছিল। গ্রাহকদের হাতে গাড়িটি পৌঁছাতে পৌঁছাতে ২০২৩ সালের শেষ দিক গড়ায়। তখন ইলন মাস্ক বেশ হাঁকডাক করেই বলেছিলেন, বছরে অন্তত আড়াই লাখ সাইবারট্রাক বিক্রি করবেন তারা। কিন্তু বাস্তবতা সেই হিসেব মেলাতে পারেনি। গাড়ি বাজার বিশ্লেষক সংস্থা কেলি ব্লু বুকের তথ্য বলছে, ২০২৪ সালে যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে ৩৮ হাজার ৯৬৫টি সাইবারট্রাক বিক্রি হয়েছিল, সেখানে ২০২৫ সালে তা নেমে আসে মাত্র ২০ হাজার ২৩৭টিতে। অর্থাৎ বছর ঘুরতেই বিক্রি কমে গেছে প্রায় ৪৮ শতাংশ।
কেবল মন্দা বাজারই নয়, গাড়িটির মান ও পথনিরাপত্তা নিয়েও নানা টানাপোড়েন তৈরি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হাইওয়ে ট্রাফিক সেফটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের হিসেব অনুযায়ী, বাজারে আসার পর থেকে এ পর্যন্ত ১১ বার কারখানায় ফিরিয়ে নিয়ে মেরামত বা সংশোধন করতে হয়েছে সাইবারট্রাক। এর মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে সরাসরি যন্ত্রাংশ বদলাতে হয়েছে, আর কিছু ত্রুটি মেটানো গেছে সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে। অন্যদিকে এর ধারালো স্টেইনলেস স্টিলের বডি পথচারীদের জন্য কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে ইউরোপের বাজারে বড় ধরনের আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। ফলে সেখানে বাণিজ্যিকভাবে অনুমোদন পাওয়াটা অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
সাইবারট্রাক নিয়ে এ অনিশ্চয়তার বিপরীতে টেসলার নজর এখন পুরোটাই চালকবিহীন সাইবারক্যাবের দিকে। সম্পূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত এ গাড়িতে প্রচলিত কোনো স্টিয়ারিং হুইল, অ্যাক্সিলারেটর, ব্রেক কিংবা আয়না রাখা হয়নি। চালক ছাড়া পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাত্রী পরিবহনের জন্য তৈরি করা হয়েছে এটি।
ইতোমধ্যে সেপ্টেম্বর থেকে টেক্সাসের অস্টিন শহরে সীমিত পরিসরে ভাড়ায় চালকবিহীন এ ট্যাক্সি সেবা চালু করেছে টেসলা। তবে গাড়িটির সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমতির বিষয়টি এখনো মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাইবারট্রাক বন্ধের এ তোড়জোড় আসলে টেসলার ব্যবসায়িক কৌশলে এক বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিচ্ছে। প্রচলিত বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরির ধারা থেকে কিছুটা সরে এসে প্রতিষ্ঠানটি এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস ও চালকবিহীন যাতায়াত প্রযুক্তিতে নিজেদের মূল শক্তি ঢালতে চাইছে।
সূত্র: সিএনএন

নিউজিল্যান্ডে তীরে আটকা পড়ে প্রাণ গেল ৪৩ পাইলট তিমির







