নিউজিল্যান্ডে তীরে আটকা পড়ে প্রাণ গেল ৪৩ পাইলট তিমির

নিউজিল্যান্ডে তীরে আটকা পড়ে প্রাণ গেল ৪৩ পাইলট তিমির
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

নিউজিল্যান্ডের উত্তরে দুর্গম নাউই উপকূলে আটকা পড়ার পর মৃত্যু হয়েছে ৪৩টি পাইলট তিমির। সংরক্ষণ বিভাগ, স্থানীয় মাওরি গোষ্ঠী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের আপ্রান চেষ্টা সত্ত্বেও দুর্গম এলাকা, প্রবল ঢেউ ও পাথুরে ভূখণ্ডের কারণে প্রাণীগুলোকে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল আটটার কিছু পর সংরক্ষণ বিভাগকে তিমিগুলো আটকা পড়ার বিষয়টি জানানো হয়। খবর পাওয়ার পরপরই সংরক্ষণ কর্মী, মাওরি ইভি বা উপজাতি এবং স্বেচ্ছাসেবকরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং তিমিগুলোকে বাঁচানোর কাজ শুরু করেন। তবে ডিওসি ওয়াইরারাপার ভারপ্রাপ্ত অপারেশনস ম্যানেজার আরিয়ানা হাওয়িরা জানান, ধারণা করা হচ্ছে, এই তিমিগুলোর কোনোটিই বেঁচে নেই।
পাথরের মাঝে তিমিগুলোকে প্রথম দেখার পর উদ্ধারকারীরা বেঁচে থাকা কয়েকটি প্রাণীকে আবার সমুদ্রে ভাসানোর চেষ্টা করলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হন। এ উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া ‘প্রজেক্ট জোনাহ’ নামের একটি দল ফেসবুক পোস্টে জানায়, দুর্গম এলাকা, প্রবল ঢেউ এবং জোয়ার-ভাটার অঞ্চলের ধারালো পাথরের কারণে তাদের উদ্ধার প্রচেষ্টা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে প্রজেক্ট জোনাহ জানায়, যখন তিমিগুলোকে খুঁজে পাওয়া যায়, তখন আনুমানিক ৪০-৫০টি তিমি কয়েক কিলোমিটার উপকূলরেখা জুড়ে আটকা পড়েছিল। খুঁজে পাওয়ার আগেই অনেকগুলো মারা গিয়েছিল এবং দুঃখজনকভাবে, যে তিমিগুলোকে জীবিত পাওয়া গিয়েছিল, সেগুলোও পরে মারা যায়।
নিউজিল্যান্ডের সংরক্ষণ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে তিমি আটকা পড়ার ঘটনা বেশ পরিচিত। ১৮৪০ সাল থেকে নিউজিল্যান্ডে তিমি ও ডলফিনের ৫,০০০-এরও বেশি আটকা পড়ার ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। পাইলট তিমিরা মূলত ডলফিন পরিবারের সদস্য এবং এরা লম্বায় কয়েক মিটার ও ওজনে ৩ টন পর্যন্ত হতে পারে। আরিয়ানা হাওয়িরা জানান, এ প্রজাতিটি প্রায়ই তীরে আটকা পড়ে, যদিও ঠিক কী কারণে তারা এমন আচরণ করে তার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়।
সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট

নিউজিল্যান্ডের উত্তরে দুর্গম নাউই উপকূলে আটকা পড়ার পর মৃত্যু হয়েছে ৪৩টি পাইলট তিমির। সংরক্ষণ বিভাগ, স্থানীয় মাওরি গোষ্ঠী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের আপ্রান চেষ্টা সত্ত্বেও দুর্গম এলাকা, প্রবল ঢেউ ও পাথুরে ভূখণ্ডের কারণে প্রাণীগুলোকে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল আটটার কিছু পর সংরক্ষণ বিভাগকে তিমিগুলো আটকা পড়ার বিষয়টি জানানো হয়। খবর পাওয়ার পরপরই সংরক্ষণ কর্মী, মাওরি ইভি বা উপজাতি এবং স্বেচ্ছাসেবকরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং তিমিগুলোকে বাঁচানোর কাজ শুরু করেন। তবে ডিওসি ওয়াইরারাপার ভারপ্রাপ্ত অপারেশনস ম্যানেজার আরিয়ানা হাওয়িরা জানান, ধারণা করা হচ্ছে, এই তিমিগুলোর কোনোটিই বেঁচে নেই।
পাথরের মাঝে তিমিগুলোকে প্রথম দেখার পর উদ্ধারকারীরা বেঁচে থাকা কয়েকটি প্রাণীকে আবার সমুদ্রে ভাসানোর চেষ্টা করলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হন। এ উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া ‘প্রজেক্ট জোনাহ’ নামের একটি দল ফেসবুক পোস্টে জানায়, দুর্গম এলাকা, প্রবল ঢেউ এবং জোয়ার-ভাটার অঞ্চলের ধারালো পাথরের কারণে তাদের উদ্ধার প্রচেষ্টা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে প্রজেক্ট জোনাহ জানায়, যখন তিমিগুলোকে খুঁজে পাওয়া যায়, তখন আনুমানিক ৪০-৫০টি তিমি কয়েক কিলোমিটার উপকূলরেখা জুড়ে আটকা পড়েছিল। খুঁজে পাওয়ার আগেই অনেকগুলো মারা গিয়েছিল এবং দুঃখজনকভাবে, যে তিমিগুলোকে জীবিত পাওয়া গিয়েছিল, সেগুলোও পরে মারা যায়।
নিউজিল্যান্ডের সংরক্ষণ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে তিমি আটকা পড়ার ঘটনা বেশ পরিচিত। ১৮৪০ সাল থেকে নিউজিল্যান্ডে তিমি ও ডলফিনের ৫,০০০-এরও বেশি আটকা পড়ার ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। পাইলট তিমিরা মূলত ডলফিন পরিবারের সদস্য এবং এরা লম্বায় কয়েক মিটার ও ওজনে ৩ টন পর্যন্ত হতে পারে। আরিয়ানা হাওয়িরা জানান, এ প্রজাতিটি প্রায়ই তীরে আটকা পড়ে, যদিও ঠিক কী কারণে তারা এমন আচরণ করে তার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়।
সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট

নিউজিল্যান্ডে তীরে আটকা পড়ে প্রাণ গেল ৪৩ পাইলট তিমির
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

নিউজিল্যান্ডের উত্তরে দুর্গম নাউই উপকূলে আটকা পড়ার পর মৃত্যু হয়েছে ৪৩টি পাইলট তিমির। সংরক্ষণ বিভাগ, স্থানীয় মাওরি গোষ্ঠী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের আপ্রান চেষ্টা সত্ত্বেও দুর্গম এলাকা, প্রবল ঢেউ ও পাথুরে ভূখণ্ডের কারণে প্রাণীগুলোকে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল আটটার কিছু পর সংরক্ষণ বিভাগকে তিমিগুলো আটকা পড়ার বিষয়টি জানানো হয়। খবর পাওয়ার পরপরই সংরক্ষণ কর্মী, মাওরি ইভি বা উপজাতি এবং স্বেচ্ছাসেবকরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং তিমিগুলোকে বাঁচানোর কাজ শুরু করেন। তবে ডিওসি ওয়াইরারাপার ভারপ্রাপ্ত অপারেশনস ম্যানেজার আরিয়ানা হাওয়িরা জানান, ধারণা করা হচ্ছে, এই তিমিগুলোর কোনোটিই বেঁচে নেই।
পাথরের মাঝে তিমিগুলোকে প্রথম দেখার পর উদ্ধারকারীরা বেঁচে থাকা কয়েকটি প্রাণীকে আবার সমুদ্রে ভাসানোর চেষ্টা করলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হন। এ উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া ‘প্রজেক্ট জোনাহ’ নামের একটি দল ফেসবুক পোস্টে জানায়, দুর্গম এলাকা, প্রবল ঢেউ এবং জোয়ার-ভাটার অঞ্চলের ধারালো পাথরের কারণে তাদের উদ্ধার প্রচেষ্টা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে প্রজেক্ট জোনাহ জানায়, যখন তিমিগুলোকে খুঁজে পাওয়া যায়, তখন আনুমানিক ৪০-৫০টি তিমি কয়েক কিলোমিটার উপকূলরেখা জুড়ে আটকা পড়েছিল। খুঁজে পাওয়ার আগেই অনেকগুলো মারা গিয়েছিল এবং দুঃখজনকভাবে, যে তিমিগুলোকে জীবিত পাওয়া গিয়েছিল, সেগুলোও পরে মারা যায়।
নিউজিল্যান্ডের সংরক্ষণ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে তিমি আটকা পড়ার ঘটনা বেশ পরিচিত। ১৮৪০ সাল থেকে নিউজিল্যান্ডে তিমি ও ডলফিনের ৫,০০০-এরও বেশি আটকা পড়ার ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। পাইলট তিমিরা মূলত ডলফিন পরিবারের সদস্য এবং এরা লম্বায় কয়েক মিটার ও ওজনে ৩ টন পর্যন্ত হতে পারে। আরিয়ানা হাওয়িরা জানান, এ প্রজাতিটি প্রায়ই তীরে আটকা পড়ে, যদিও ঠিক কী কারণে তারা এমন আচরণ করে তার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়।
সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট









