এক ম্যাচে মেসির ১১ রেকর্ড

এক ম্যাচে মেসির ১১ রেকর্ড
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

চলতি বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের বিপক্ষে আরও একটি জাদুকরী ও রেকর্ডময় ম্যাচ উপহার দিলেন লিওনেল মেসি। আলবিসেলেস্তে অধিনায়কের পায়ের জাদুতে পুরোনো অনেক রেকর্ড যেমন ভেঙে চুরমার হয়েছে, তেমনি ফুটবল ইতিহাসে যোগ হয়েছে সম্পূর্ণ নতুন কিছু কীর্তি।
এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে ৩০টি ম্যাচ খেলার অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করলেন মেসি। একই সঙ্গে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ফুটবল মহাযজ্ঞে ২০টি গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার কীর্তিও এখন তার দখলে। নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক হিসেবে টানা ৫ ম্যাচে গোল করার পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে এই কীর্তি গড়েছেন তিনি। তার আগে এই তালিকায় ছিলেন কেবল হাঙ্গেরির গিওর্গি সারোসি এবং ব্রাজিলের ভাভা। ৩৯ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি যখন কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলকিপার ভোজিনিয়ার জালে বল পাঠান, তখন দুজনের সম্মিলিত বয়স দাঁড়ায় ৭৯ বছর ৬১ দিন। এটি বিশ্বকাপ ইতিহাসে গোলদাতা ও গোলকিপারের সর্বোচ্চ সম্মিলিত বয়সের এক নতুন রেকর্ড। ৩৫ বছর বয়স পার হওয়ার পর বিশ্বকাপে মেসির গোলসংখ্যা এখন ১৪টি, যেখানে ইতিহাসের বাকি সব ৩৫-ঊর্ধ্ব ফুটবলার মিলে গোল করতে পেরেছেন মাত্র ২৫টি।
ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে মেসিই এখন একমাত্র খেলোয়াড়, যিনি ২০২২ এবং ২০২৬ দুটি ভিন্ন আসরে ৭ বা তার বেশি গোল করার অনন্য নজির গড়লেন। নকআউটে ৬ গোল ও ৬ অ্যাসিস্টসহ মোট ১২টি গোলে সরাসরি অবদান রেখে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন পেলে ও এমবাপ্পের ১১টি গোলের রেকর্ডকে। বিশ্বকাপের সর্বশেষ ৬ নকআউট ম্যাচে সরাসরি ১০টি গোলে (৬ গোল, ৪ অ্যাসিস্ট) অবদান রাখা এ মহাতারকা বিশ্বমঞ্চে এ পর্যন্ত ২২টি ভিন্ন দলের মুখোমুখি হয়ে ১৪টির বিপক্ষেই গোল করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। চলমান আসরে আর মাত্র ১টি গোল করলেই ১৯৩০ বিশ্বকাপে গুইলারমো স্তাবিলের করা ৮ গোলের কীর্তি ছুঁয়ে এক বিশ্বকাপে কোনো আর্জেন্টাইনের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড নিজের করে নেবেন লিওনেল মেসি।

চলতি বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের বিপক্ষে আরও একটি জাদুকরী ও রেকর্ডময় ম্যাচ উপহার দিলেন লিওনেল মেসি। আলবিসেলেস্তে অধিনায়কের পায়ের জাদুতে পুরোনো অনেক রেকর্ড যেমন ভেঙে চুরমার হয়েছে, তেমনি ফুটবল ইতিহাসে যোগ হয়েছে সম্পূর্ণ নতুন কিছু কীর্তি।
এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে ৩০টি ম্যাচ খেলার অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করলেন মেসি। একই সঙ্গে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ফুটবল মহাযজ্ঞে ২০টি গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার কীর্তিও এখন তার দখলে। নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক হিসেবে টানা ৫ ম্যাচে গোল করার পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে এই কীর্তি গড়েছেন তিনি। তার আগে এই তালিকায় ছিলেন কেবল হাঙ্গেরির গিওর্গি সারোসি এবং ব্রাজিলের ভাভা। ৩৯ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি যখন কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলকিপার ভোজিনিয়ার জালে বল পাঠান, তখন দুজনের সম্মিলিত বয়স দাঁড়ায় ৭৯ বছর ৬১ দিন। এটি বিশ্বকাপ ইতিহাসে গোলদাতা ও গোলকিপারের সর্বোচ্চ সম্মিলিত বয়সের এক নতুন রেকর্ড। ৩৫ বছর বয়স পার হওয়ার পর বিশ্বকাপে মেসির গোলসংখ্যা এখন ১৪টি, যেখানে ইতিহাসের বাকি সব ৩৫-ঊর্ধ্ব ফুটবলার মিলে গোল করতে পেরেছেন মাত্র ২৫টি।
ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে মেসিই এখন একমাত্র খেলোয়াড়, যিনি ২০২২ এবং ২০২৬ দুটি ভিন্ন আসরে ৭ বা তার বেশি গোল করার অনন্য নজির গড়লেন। নকআউটে ৬ গোল ও ৬ অ্যাসিস্টসহ মোট ১২টি গোলে সরাসরি অবদান রেখে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন পেলে ও এমবাপ্পের ১১টি গোলের রেকর্ডকে। বিশ্বকাপের সর্বশেষ ৬ নকআউট ম্যাচে সরাসরি ১০টি গোলে (৬ গোল, ৪ অ্যাসিস্ট) অবদান রাখা এ মহাতারকা বিশ্বমঞ্চে এ পর্যন্ত ২২টি ভিন্ন দলের মুখোমুখি হয়ে ১৪টির বিপক্ষেই গোল করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। চলমান আসরে আর মাত্র ১টি গোল করলেই ১৯৩০ বিশ্বকাপে গুইলারমো স্তাবিলের করা ৮ গোলের কীর্তি ছুঁয়ে এক বিশ্বকাপে কোনো আর্জেন্টাইনের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড নিজের করে নেবেন লিওনেল মেসি।

এক ম্যাচে মেসির ১১ রেকর্ড
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

চলতি বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের বিপক্ষে আরও একটি জাদুকরী ও রেকর্ডময় ম্যাচ উপহার দিলেন লিওনেল মেসি। আলবিসেলেস্তে অধিনায়কের পায়ের জাদুতে পুরোনো অনেক রেকর্ড যেমন ভেঙে চুরমার হয়েছে, তেমনি ফুটবল ইতিহাসে যোগ হয়েছে সম্পূর্ণ নতুন কিছু কীর্তি।
এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে ৩০টি ম্যাচ খেলার অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করলেন মেসি। একই সঙ্গে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ফুটবল মহাযজ্ঞে ২০টি গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার কীর্তিও এখন তার দখলে। নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক হিসেবে টানা ৫ ম্যাচে গোল করার পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে এই কীর্তি গড়েছেন তিনি। তার আগে এই তালিকায় ছিলেন কেবল হাঙ্গেরির গিওর্গি সারোসি এবং ব্রাজিলের ভাভা। ৩৯ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি যখন কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলকিপার ভোজিনিয়ার জালে বল পাঠান, তখন দুজনের সম্মিলিত বয়স দাঁড়ায় ৭৯ বছর ৬১ দিন। এটি বিশ্বকাপ ইতিহাসে গোলদাতা ও গোলকিপারের সর্বোচ্চ সম্মিলিত বয়সের এক নতুন রেকর্ড। ৩৫ বছর বয়স পার হওয়ার পর বিশ্বকাপে মেসির গোলসংখ্যা এখন ১৪টি, যেখানে ইতিহাসের বাকি সব ৩৫-ঊর্ধ্ব ফুটবলার মিলে গোল করতে পেরেছেন মাত্র ২৫টি।
ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে মেসিই এখন একমাত্র খেলোয়াড়, যিনি ২০২২ এবং ২০২৬ দুটি ভিন্ন আসরে ৭ বা তার বেশি গোল করার অনন্য নজির গড়লেন। নকআউটে ৬ গোল ও ৬ অ্যাসিস্টসহ মোট ১২টি গোলে সরাসরি অবদান রেখে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন পেলে ও এমবাপ্পের ১১টি গোলের রেকর্ডকে। বিশ্বকাপের সর্বশেষ ৬ নকআউট ম্যাচে সরাসরি ১০টি গোলে (৬ গোল, ৪ অ্যাসিস্ট) অবদান রাখা এ মহাতারকা বিশ্বমঞ্চে এ পর্যন্ত ২২টি ভিন্ন দলের মুখোমুখি হয়ে ১৪টির বিপক্ষেই গোল করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। চলমান আসরে আর মাত্র ১টি গোল করলেই ১৯৩০ বিশ্বকাপে গুইলারমো স্তাবিলের করা ৮ গোলের কীর্তি ছুঁয়ে এক বিশ্বকাপে কোনো আর্জেন্টাইনের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড নিজের করে নেবেন লিওনেল মেসি।

কেপ ভার্দের খেলোয়াড়দের প্রশংসায় মেসি


