উপহার হিসেবে টমেটো পেলেন বিশ্বকাপজয়ী ২ স্প্যানিশ ফুটবলার

উপহার হিসেবে টমেটো পেলেন বিশ্বকাপজয়ী ২ স্প্যানিশ ফুটবলার
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

স্পেনকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে নিজ শহরে রাজকীয় অভ্যর্থনায় ভাসলেন জাতীয় দলের দুই তরুণ মিডফিল্ডার ফ্যাবিয়ান রুইজ ও পাবলো গাভি। আন্দালুসিয়া অঞ্চলের ছোট্ট শহর ‘লোস পালাসিওস ই ভিয়াফ্রাঙ্কা’ থেকে উঠে আসা এ দুই তারকাকে এক অনন্য সম্মান জানিয়েছে স্থানীয় সিটি কাউন্সিল। শতাব্দীর পুরোনো ঐতিহ্য মেনে তাদের নিজ নিজ শারীরিক ওজনের সমপরিমাণ টমেটো উপহার দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় স্পেন, যেখানে ফেরান তোরেসের করা একমাত্র গোলটি এনে দেয় ট্রফি। এই জয়ের পর রাজধানী মাদ্রিদে জমকালো উদযাপনে মেতে ওঠে প্রায় ২০ লাখ মানুষ। জাতীয় দলের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুই ফুটবলার নিজ শহরে ফিরলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের বর্ণিল আয়োজনে বরণ করে নেন।
খেলোয়াড়দের এ অসামান্য অর্জনকে স্মরণীয় করে রাখতে সিটি কাউন্সিল এক ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের সম্মানার্থে শহরের দুটি ঐতিহাসিক ফুটবল স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী ‘মারিসমাস’ এবং ‘সান সেবাস্টিয়ান’ স্টেডিয়াম দুটির নতুন নাম রাখা হচ্ছে যথাক্রমে ‘ফ্যাবিয়ান রুইজ’ ও গাভির পূর্ণ নাম অনুসরণে ‘পাবলো পায়েজ গ্যভিরা’ স্টেডিয়াম।
এ দুটি স্টেডিয়ামের সঙ্গেই জড়িয়ে আছে দুই তারকার শৈশবের স্মৃতি। ফ্যাবিয়ান রুইজ তার ফুটবল জীবনের প্রথম পাঠ নিয়েছিলেন ‘লোস পালাসিওস সিএফ’ দল থেকে, অন্যদিকে মাত্র ছয় বছর বয়সে ‘লা লিয়ারা বালম্পি’ ক্লাবের একাডেমিতে যোগ দিয়ে ফুটবলে হাতেখড়ি হয় গাভির। স্টেডিয়াম দুটি মূলত এই ক্লাবগুলোরই হোম গ্রাউন্ড।
শুধু স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তনই নয়, শহরের ‘হুয়ান হোসে ভাকেরো’ অ্যাভিনিউতে একটি স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ তৈরির পরিকল্পনা করেছে নগর কর্তৃপক্ষ। রুইজ ও গাভির পাশাপাশি ২০১০ সালের বিশ্বকাপজয়ী স্প্যানিশ তারকা হেসুস নাভাসের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেও এটি নির্মাণ করা হচ্ছে। অতি শীঘ্রই খেলোয়াড়দের উপস্থিতিতে এ বিশেষ মনুমেন্টের একটি মডেল আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হবে।

স্পেনকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে নিজ শহরে রাজকীয় অভ্যর্থনায় ভাসলেন জাতীয় দলের দুই তরুণ মিডফিল্ডার ফ্যাবিয়ান রুইজ ও পাবলো গাভি। আন্দালুসিয়া অঞ্চলের ছোট্ট শহর ‘লোস পালাসিওস ই ভিয়াফ্রাঙ্কা’ থেকে উঠে আসা এ দুই তারকাকে এক অনন্য সম্মান জানিয়েছে স্থানীয় সিটি কাউন্সিল। শতাব্দীর পুরোনো ঐতিহ্য মেনে তাদের নিজ নিজ শারীরিক ওজনের সমপরিমাণ টমেটো উপহার দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় স্পেন, যেখানে ফেরান তোরেসের করা একমাত্র গোলটি এনে দেয় ট্রফি। এই জয়ের পর রাজধানী মাদ্রিদে জমকালো উদযাপনে মেতে ওঠে প্রায় ২০ লাখ মানুষ। জাতীয় দলের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুই ফুটবলার নিজ শহরে ফিরলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের বর্ণিল আয়োজনে বরণ করে নেন।
খেলোয়াড়দের এ অসামান্য অর্জনকে স্মরণীয় করে রাখতে সিটি কাউন্সিল এক ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের সম্মানার্থে শহরের দুটি ঐতিহাসিক ফুটবল স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী ‘মারিসমাস’ এবং ‘সান সেবাস্টিয়ান’ স্টেডিয়াম দুটির নতুন নাম রাখা হচ্ছে যথাক্রমে ‘ফ্যাবিয়ান রুইজ’ ও গাভির পূর্ণ নাম অনুসরণে ‘পাবলো পায়েজ গ্যভিরা’ স্টেডিয়াম।
এ দুটি স্টেডিয়ামের সঙ্গেই জড়িয়ে আছে দুই তারকার শৈশবের স্মৃতি। ফ্যাবিয়ান রুইজ তার ফুটবল জীবনের প্রথম পাঠ নিয়েছিলেন ‘লোস পালাসিওস সিএফ’ দল থেকে, অন্যদিকে মাত্র ছয় বছর বয়সে ‘লা লিয়ারা বালম্পি’ ক্লাবের একাডেমিতে যোগ দিয়ে ফুটবলে হাতেখড়ি হয় গাভির। স্টেডিয়াম দুটি মূলত এই ক্লাবগুলোরই হোম গ্রাউন্ড।
শুধু স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তনই নয়, শহরের ‘হুয়ান হোসে ভাকেরো’ অ্যাভিনিউতে একটি স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ তৈরির পরিকল্পনা করেছে নগর কর্তৃপক্ষ। রুইজ ও গাভির পাশাপাশি ২০১০ সালের বিশ্বকাপজয়ী স্প্যানিশ তারকা হেসুস নাভাসের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেও এটি নির্মাণ করা হচ্ছে। অতি শীঘ্রই খেলোয়াড়দের উপস্থিতিতে এ বিশেষ মনুমেন্টের একটি মডেল আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হবে।

উপহার হিসেবে টমেটো পেলেন বিশ্বকাপজয়ী ২ স্প্যানিশ ফুটবলার
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

স্পেনকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে নিজ শহরে রাজকীয় অভ্যর্থনায় ভাসলেন জাতীয় দলের দুই তরুণ মিডফিল্ডার ফ্যাবিয়ান রুইজ ও পাবলো গাভি। আন্দালুসিয়া অঞ্চলের ছোট্ট শহর ‘লোস পালাসিওস ই ভিয়াফ্রাঙ্কা’ থেকে উঠে আসা এ দুই তারকাকে এক অনন্য সম্মান জানিয়েছে স্থানীয় সিটি কাউন্সিল। শতাব্দীর পুরোনো ঐতিহ্য মেনে তাদের নিজ নিজ শারীরিক ওজনের সমপরিমাণ টমেটো উপহার দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় স্পেন, যেখানে ফেরান তোরেসের করা একমাত্র গোলটি এনে দেয় ট্রফি। এই জয়ের পর রাজধানী মাদ্রিদে জমকালো উদযাপনে মেতে ওঠে প্রায় ২০ লাখ মানুষ। জাতীয় দলের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুই ফুটবলার নিজ শহরে ফিরলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের বর্ণিল আয়োজনে বরণ করে নেন।
খেলোয়াড়দের এ অসামান্য অর্জনকে স্মরণীয় করে রাখতে সিটি কাউন্সিল এক ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের সম্মানার্থে শহরের দুটি ঐতিহাসিক ফুটবল স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী ‘মারিসমাস’ এবং ‘সান সেবাস্টিয়ান’ স্টেডিয়াম দুটির নতুন নাম রাখা হচ্ছে যথাক্রমে ‘ফ্যাবিয়ান রুইজ’ ও গাভির পূর্ণ নাম অনুসরণে ‘পাবলো পায়েজ গ্যভিরা’ স্টেডিয়াম।
এ দুটি স্টেডিয়ামের সঙ্গেই জড়িয়ে আছে দুই তারকার শৈশবের স্মৃতি। ফ্যাবিয়ান রুইজ তার ফুটবল জীবনের প্রথম পাঠ নিয়েছিলেন ‘লোস পালাসিওস সিএফ’ দল থেকে, অন্যদিকে মাত্র ছয় বছর বয়সে ‘লা লিয়ারা বালম্পি’ ক্লাবের একাডেমিতে যোগ দিয়ে ফুটবলে হাতেখড়ি হয় গাভির। স্টেডিয়াম দুটি মূলত এই ক্লাবগুলোরই হোম গ্রাউন্ড।
শুধু স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তনই নয়, শহরের ‘হুয়ান হোসে ভাকেরো’ অ্যাভিনিউতে একটি স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ তৈরির পরিকল্পনা করেছে নগর কর্তৃপক্ষ। রুইজ ও গাভির পাশাপাশি ২০১০ সালের বিশ্বকাপজয়ী স্প্যানিশ তারকা হেসুস নাভাসের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেও এটি নির্মাণ করা হচ্ছে। অতি শীঘ্রই খেলোয়াড়দের উপস্থিতিতে এ বিশেষ মনুমেন্টের একটি মডেল আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হবে।

মেসির ড্রেসিংরুমের বক্তব্য নিয়ে যা জানা গেলো






