মেসির ড্রেসিংরুমের বক্তব্য নিয়ে যা জানা গেলো

মেসির ড্রেসিংরুমের বক্তব্য নিয়ে যা জানা গেলো
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ড্রেসিংরুমে লিওনেল মেসির বক্তব্য সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তবে ফাইনাল ম্যাচের আগের সেই মুহূর্তটির পূর্ণাঙ্গ ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর পুরো বিষয়টি নতুনভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। দেখা গেছে, আলোচিত ‘সব ভুলে যাও’ মন্তব্যটি কোনো গোপন বার্তা ছিল না; বরং সতীর্থদের বাইরের চাপ ও নানা গুঞ্জন থেকে দূরে রেখে শুধুমাত্র খেলায় মনোযোগী করতেই অধিনায়কের এই পরামর্শ ছিল।
প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, টানেল থেকে মাঠে নামার আগে মেসি তার সতীর্থদের উদ্দেশ্যে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে কেবল খেলায় মনযোগ দিতে বলেন। অধিনায়কের এ বার্তার পরপরই দলের অন্য খেলোয়াড়দের মধ্যেও মাঠের কৌশল নিয়ে কথা হতে দেখা যায়। বিশেষ করে স্পেনের লামিনে ইয়ামালসহ প্রতিপক্ষের আক্রমণভাগকে কীভাবে রুখে দেওয়া যায়, সে বিষয়ে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ও গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজের মধ্যে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজও প্রতিপক্ষের ভেতরে ঢুকে শট নেওয়ার কৌশল নিয়ে দলকে সতর্ক করেন এবং নিকোলাস তাগলিয়াফিকোসহ অন্যদের মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখার চেষ্টা করেন।
এমনকি মাঠে প্রবেশের মুহূর্তেও মেসি ডিফেন্ডারদের নির্দেশনা দেন, প্রতিপক্ষ আক্রমণে উঠলে লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও এনজো ফার্নান্দেজ যেন বেশি দূর ওপরে না ওঠেন। উত্তেজনাপূর্ণ সেই ম্যাচে শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে তিক্ত পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়। কিন্তু মাঠে নামার আগে এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ও রোমেরোর মধ্যে দারুণ আত্মবিশ্বাস লক্ষ্য করা যায়।
সম্প্রতি এ ভিডিও ও ফকল্যান্ড পতাকা বিতর্ক নিয়ে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি জানান, ‘আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দেখি না। আমি কিছুই জানি না। আপনারা কী নিয়ে বলছেন, সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই।’
তবে পূর্ণাঙ্গ ভিডিওটি প্রকাশের পর এখন স্পষ্ট যে, মেসির বক্তব্য ছিল ফাইনালের অতিরিক্ত মানসিক চাপ সামলে দলকে খেলায় মনোযোগী করার এক ইতিবাচক প্রচেষ্টা।

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ড্রেসিংরুমে লিওনেল মেসির বক্তব্য সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তবে ফাইনাল ম্যাচের আগের সেই মুহূর্তটির পূর্ণাঙ্গ ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর পুরো বিষয়টি নতুনভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। দেখা গেছে, আলোচিত ‘সব ভুলে যাও’ মন্তব্যটি কোনো গোপন বার্তা ছিল না; বরং সতীর্থদের বাইরের চাপ ও নানা গুঞ্জন থেকে দূরে রেখে শুধুমাত্র খেলায় মনোযোগী করতেই অধিনায়কের এই পরামর্শ ছিল।
প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, টানেল থেকে মাঠে নামার আগে মেসি তার সতীর্থদের উদ্দেশ্যে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে কেবল খেলায় মনযোগ দিতে বলেন। অধিনায়কের এ বার্তার পরপরই দলের অন্য খেলোয়াড়দের মধ্যেও মাঠের কৌশল নিয়ে কথা হতে দেখা যায়। বিশেষ করে স্পেনের লামিনে ইয়ামালসহ প্রতিপক্ষের আক্রমণভাগকে কীভাবে রুখে দেওয়া যায়, সে বিষয়ে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ও গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজের মধ্যে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজও প্রতিপক্ষের ভেতরে ঢুকে শট নেওয়ার কৌশল নিয়ে দলকে সতর্ক করেন এবং নিকোলাস তাগলিয়াফিকোসহ অন্যদের মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখার চেষ্টা করেন।
এমনকি মাঠে প্রবেশের মুহূর্তেও মেসি ডিফেন্ডারদের নির্দেশনা দেন, প্রতিপক্ষ আক্রমণে উঠলে লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও এনজো ফার্নান্দেজ যেন বেশি দূর ওপরে না ওঠেন। উত্তেজনাপূর্ণ সেই ম্যাচে শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে তিক্ত পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়। কিন্তু মাঠে নামার আগে এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ও রোমেরোর মধ্যে দারুণ আত্মবিশ্বাস লক্ষ্য করা যায়।
সম্প্রতি এ ভিডিও ও ফকল্যান্ড পতাকা বিতর্ক নিয়ে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি জানান, ‘আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দেখি না। আমি কিছুই জানি না। আপনারা কী নিয়ে বলছেন, সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই।’
তবে পূর্ণাঙ্গ ভিডিওটি প্রকাশের পর এখন স্পষ্ট যে, মেসির বক্তব্য ছিল ফাইনালের অতিরিক্ত মানসিক চাপ সামলে দলকে খেলায় মনোযোগী করার এক ইতিবাচক প্রচেষ্টা।

মেসির ড্রেসিংরুমের বক্তব্য নিয়ে যা জানা গেলো
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ড্রেসিংরুমে লিওনেল মেসির বক্তব্য সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তবে ফাইনাল ম্যাচের আগের সেই মুহূর্তটির পূর্ণাঙ্গ ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর পুরো বিষয়টি নতুনভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। দেখা গেছে, আলোচিত ‘সব ভুলে যাও’ মন্তব্যটি কোনো গোপন বার্তা ছিল না; বরং সতীর্থদের বাইরের চাপ ও নানা গুঞ্জন থেকে দূরে রেখে শুধুমাত্র খেলায় মনোযোগী করতেই অধিনায়কের এই পরামর্শ ছিল।
প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, টানেল থেকে মাঠে নামার আগে মেসি তার সতীর্থদের উদ্দেশ্যে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে কেবল খেলায় মনযোগ দিতে বলেন। অধিনায়কের এ বার্তার পরপরই দলের অন্য খেলোয়াড়দের মধ্যেও মাঠের কৌশল নিয়ে কথা হতে দেখা যায়। বিশেষ করে স্পেনের লামিনে ইয়ামালসহ প্রতিপক্ষের আক্রমণভাগকে কীভাবে রুখে দেওয়া যায়, সে বিষয়ে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ও গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজের মধ্যে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজও প্রতিপক্ষের ভেতরে ঢুকে শট নেওয়ার কৌশল নিয়ে দলকে সতর্ক করেন এবং নিকোলাস তাগলিয়াফিকোসহ অন্যদের মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখার চেষ্টা করেন।
এমনকি মাঠে প্রবেশের মুহূর্তেও মেসি ডিফেন্ডারদের নির্দেশনা দেন, প্রতিপক্ষ আক্রমণে উঠলে লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও এনজো ফার্নান্দেজ যেন বেশি দূর ওপরে না ওঠেন। উত্তেজনাপূর্ণ সেই ম্যাচে শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে তিক্ত পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়। কিন্তু মাঠে নামার আগে এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ও রোমেরোর মধ্যে দারুণ আত্মবিশ্বাস লক্ষ্য করা যায়।
সম্প্রতি এ ভিডিও ও ফকল্যান্ড পতাকা বিতর্ক নিয়ে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি জানান, ‘আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দেখি না। আমি কিছুই জানি না। আপনারা কী নিয়ে বলছেন, সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই।’
তবে পূর্ণাঙ্গ ভিডিওটি প্রকাশের পর এখন স্পষ্ট যে, মেসির বক্তব্য ছিল ফাইনালের অতিরিক্ত মানসিক চাপ সামলে দলকে খেলায় মনোযোগী করার এক ইতিবাচক প্রচেষ্টা।

ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনার ড্রেসিং রুমে কী হয়েছিল







