হৃদয়ের মন জুড়ানো ইনিংস

হৃদয়ের মন জুড়ানো ইনিংস
নিজস্ব প্রতিবেদক

আপনি যদি সিলেট টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটিং দেখে থাকেন তবে, শিরোনামের সঙ্গে মিলিয়েই হয়তো বলবেন, খেলেছেন মন জুড়ানো ইনিংস। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ইনিংস থেমেছে ৩৮৬ রানে। হৃদয়ের নামের পাশে অপরাজিত ২৪২। অর্থাৎ দলের প্রায় ৬৩ শতাংশ রানই এসেছে তার ব্যাট থেকে।
হৃদয়ের কীর্তি এখানেই শেষ নয়। বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি এখন তার। এই রেকর্ড গড়ার পথে হৃদয় ছাড়িয়ে গেছেন সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিমকে। আগের সর্বোচ্চ ছিল মুশফিকের ২১৯। ডাবল সেঞ্চুরি করা চতুর্থ বাংলাদেশি হলেন হৃদয়। আর নিজের প্রথম সেঞ্চুরিকেই ডাবলে রূপান্তর করা প্রথম বাংলাদেশি হৃদয়।
তার অপরাজিত ২৪২ ইনিংসে চার ২২টি, ছক্কা ১১টি। বাংলাদেশি হিসেবে কোনো টেস্ট ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড এটি। এ রেকর্ডে তিনি পেছনে ফেলেছেন তামিম ইকবালকে।
এত গেলো রেকর্ডের গল্প। হৃদয়ের ইনিংসটি দীর্ঘ সময় মনে রাখবেন ক্রিকেট ভক্তরা। বাংলাদেশের সেরা টেস্ট ইনিংসগুলোর একটি তো বটেই, সর্বকালের সেরা কি না, সেই বিতর্কও হতে পারে।
কারণ হৃদয়ের রান যখন ৭৭ তখন আউট হন মেহেদী হাসান মিরাজ। এরপর হৃদয় ব্যাটিং করেন তিন বোলার হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম আর তাসকিন আহমেদকে নিয়ে।
পরিস্থিতি বুঝে ওভারের পঞ্চম বলে রান নেওয়া বা শেষ বলে রান নিয়ে স্ট্রাইকে ফেরা। টেলএন্ডারদের নিয়ে ব্যাট করতে নামলে যা যা করার দরকার তার সবটাই করেন। এর আগে দ্বিতীয় দিনে হৃদয় যখন ব্যাটিংয়ে নামেন দলের রান ২ উইকেটে ২২। হৃদয় ২৯ রানে দিন শেষ করেন। আর আজ টেস্টের তৃতীয় দিনে গড়লেন ইতিহাস।
মিরপুরে আগের টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে অহেতুক শট খেলতে গিয়ে আউট হয়েছিলেন হৃদয়। তাতে হয়েছিলেন সমালোচিতও। সেই প্রায়শ্চিত্তের জবাব হৃদয় দিলেন সিলেটে মন জুড়ানো ইনিংস খেলে।
হৃদয়ের দারুণ ইনিংসে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে লিড পায় ৩০ রানের। বাংলাদেশ দল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে কত দ্রুত দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট করতে পারে সেটি দেখার।
বাংলাদেশের ইনিংসের পরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাট করতে নেমে বিনা উইকেটে ৭ রান তুলেছে। এরপর আলোকস্বল্পতায় বন্ধ হলে, দিনের খেলারও সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। অর্থাৎ তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৩ রানে এগিয়ে।

আপনি যদি সিলেট টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটিং দেখে থাকেন তবে, শিরোনামের সঙ্গে মিলিয়েই হয়তো বলবেন, খেলেছেন মন জুড়ানো ইনিংস। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ইনিংস থেমেছে ৩৮৬ রানে। হৃদয়ের নামের পাশে অপরাজিত ২৪২। অর্থাৎ দলের প্রায় ৬৩ শতাংশ রানই এসেছে তার ব্যাট থেকে।
হৃদয়ের কীর্তি এখানেই শেষ নয়। বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি এখন তার। এই রেকর্ড গড়ার পথে হৃদয় ছাড়িয়ে গেছেন সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিমকে। আগের সর্বোচ্চ ছিল মুশফিকের ২১৯। ডাবল সেঞ্চুরি করা চতুর্থ বাংলাদেশি হলেন হৃদয়। আর নিজের প্রথম সেঞ্চুরিকেই ডাবলে রূপান্তর করা প্রথম বাংলাদেশি হৃদয়।
তার অপরাজিত ২৪২ ইনিংসে চার ২২টি, ছক্কা ১১টি। বাংলাদেশি হিসেবে কোনো টেস্ট ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড এটি। এ রেকর্ডে তিনি পেছনে ফেলেছেন তামিম ইকবালকে।
এত গেলো রেকর্ডের গল্প। হৃদয়ের ইনিংসটি দীর্ঘ সময় মনে রাখবেন ক্রিকেট ভক্তরা। বাংলাদেশের সেরা টেস্ট ইনিংসগুলোর একটি তো বটেই, সর্বকালের সেরা কি না, সেই বিতর্কও হতে পারে।
কারণ হৃদয়ের রান যখন ৭৭ তখন আউট হন মেহেদী হাসান মিরাজ। এরপর হৃদয় ব্যাটিং করেন তিন বোলার হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম আর তাসকিন আহমেদকে নিয়ে।
পরিস্থিতি বুঝে ওভারের পঞ্চম বলে রান নেওয়া বা শেষ বলে রান নিয়ে স্ট্রাইকে ফেরা। টেলএন্ডারদের নিয়ে ব্যাট করতে নামলে যা যা করার দরকার তার সবটাই করেন। এর আগে দ্বিতীয় দিনে হৃদয় যখন ব্যাটিংয়ে নামেন দলের রান ২ উইকেটে ২২। হৃদয় ২৯ রানে দিন শেষ করেন। আর আজ টেস্টের তৃতীয় দিনে গড়লেন ইতিহাস।
মিরপুরে আগের টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে অহেতুক শট খেলতে গিয়ে আউট হয়েছিলেন হৃদয়। তাতে হয়েছিলেন সমালোচিতও। সেই প্রায়শ্চিত্তের জবাব হৃদয় দিলেন সিলেটে মন জুড়ানো ইনিংস খেলে।
হৃদয়ের দারুণ ইনিংসে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে লিড পায় ৩০ রানের। বাংলাদেশ দল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে কত দ্রুত দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট করতে পারে সেটি দেখার।
বাংলাদেশের ইনিংসের পরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাট করতে নেমে বিনা উইকেটে ৭ রান তুলেছে। এরপর আলোকস্বল্পতায় বন্ধ হলে, দিনের খেলারও সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। অর্থাৎ তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৩ রানে এগিয়ে।

হৃদয়ের মন জুড়ানো ইনিংস
নিজস্ব প্রতিবেদক

আপনি যদি সিলেট টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটিং দেখে থাকেন তবে, শিরোনামের সঙ্গে মিলিয়েই হয়তো বলবেন, খেলেছেন মন জুড়ানো ইনিংস। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ইনিংস থেমেছে ৩৮৬ রানে। হৃদয়ের নামের পাশে অপরাজিত ২৪২। অর্থাৎ দলের প্রায় ৬৩ শতাংশ রানই এসেছে তার ব্যাট থেকে।
হৃদয়ের কীর্তি এখানেই শেষ নয়। বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি এখন তার। এই রেকর্ড গড়ার পথে হৃদয় ছাড়িয়ে গেছেন সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিমকে। আগের সর্বোচ্চ ছিল মুশফিকের ২১৯। ডাবল সেঞ্চুরি করা চতুর্থ বাংলাদেশি হলেন হৃদয়। আর নিজের প্রথম সেঞ্চুরিকেই ডাবলে রূপান্তর করা প্রথম বাংলাদেশি হৃদয়।
তার অপরাজিত ২৪২ ইনিংসে চার ২২টি, ছক্কা ১১টি। বাংলাদেশি হিসেবে কোনো টেস্ট ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড এটি। এ রেকর্ডে তিনি পেছনে ফেলেছেন তামিম ইকবালকে।
এত গেলো রেকর্ডের গল্প। হৃদয়ের ইনিংসটি দীর্ঘ সময় মনে রাখবেন ক্রিকেট ভক্তরা। বাংলাদেশের সেরা টেস্ট ইনিংসগুলোর একটি তো বটেই, সর্বকালের সেরা কি না, সেই বিতর্কও হতে পারে।
কারণ হৃদয়ের রান যখন ৭৭ তখন আউট হন মেহেদী হাসান মিরাজ। এরপর হৃদয় ব্যাটিং করেন তিন বোলার হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম আর তাসকিন আহমেদকে নিয়ে।
পরিস্থিতি বুঝে ওভারের পঞ্চম বলে রান নেওয়া বা শেষ বলে রান নিয়ে স্ট্রাইকে ফেরা। টেলএন্ডারদের নিয়ে ব্যাট করতে নামলে যা যা করার দরকার তার সবটাই করেন। এর আগে দ্বিতীয় দিনে হৃদয় যখন ব্যাটিংয়ে নামেন দলের রান ২ উইকেটে ২২। হৃদয় ২৯ রানে দিন শেষ করেন। আর আজ টেস্টের তৃতীয় দিনে গড়লেন ইতিহাস।
মিরপুরে আগের টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে অহেতুক শট খেলতে গিয়ে আউট হয়েছিলেন হৃদয়। তাতে হয়েছিলেন সমালোচিতও। সেই প্রায়শ্চিত্তের জবাব হৃদয় দিলেন সিলেটে মন জুড়ানো ইনিংস খেলে।
হৃদয়ের দারুণ ইনিংসে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে লিড পায় ৩০ রানের। বাংলাদেশ দল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে কত দ্রুত দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট করতে পারে সেটি দেখার।
বাংলাদেশের ইনিংসের পরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাট করতে নেমে বিনা উইকেটে ৭ রান তুলেছে। এরপর আলোকস্বল্পতায় বন্ধ হলে, দিনের খেলারও সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। অর্থাৎ তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৩ রানে এগিয়ে।

রিয়ালে যাচ্ছেন ‘কিড মেসি’
মেসিকে পেছনে ফেললেন রোনালদো







