‘আমরাও নোংরা ফুটবল খেলতে জানি’

‘আমরাও নোংরা ফুটবল খেলতে জানি’
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

তীব্র গরম আর প্রতিপক্ষের অতি-আগ্রাসী ফুটবলকে সামলে কিলিয়ান এমবাপ্পের একমাত্র গোলে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ফ্রান্স। প্রায় ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার চরম প্রতিকূল আবহাওয়ায় প্যারাগুয়ের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে জয়সূচক গোলটি করেন ফরাসি অধিনায়ক। ম্যাচজুড়ে প্যারাগুয়ের দুর্ভেদ্য রক্ষণভাগ ভাঙতে ফরাসিদের অবিরাম আক্রমণ চালাতে হয়েছে। একইসঙ্গে মাঠের তুমুল উত্তেজনা আর শারীরিক ফুটবলও মোকাবিলা করতে হয়েছে সমানতালে।
ম্যাচের প্রায় পুরোটা সময় প্যারাগুয়ের খেলোয়াড়েরা মাঠে শারীরিকভাবে চরম আগ্রাসী ফুটবল প্রদর্শন করেন। ক্রমাগত ফাউল, কড়া ট্যাকল আর অপ্রীতিকর সংঘর্ষের মাধ্যমে তারা ফরাসি ফুটবলারদের লাগাতার বিরক্ত করে গেছেন। প্রতিপক্ষের এমন নেতিবাচক রণকৌশল নিয়ে ম্যাচ শেষে স্পষ্ট অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অধিনায়ক এমবাপ্পে। তিনি জানান, প্রয়োজনে তার দলও ‘ডার্টি ফুটবল’ খেলতে জানে।
প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে এই ধরণের কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে, তা ফরাসিদের আগে থেকেই জানা ছিল উল্লেখ করে এমবাপ্পে বলেন, পরিস্থিতি যেমনই হোক, তারা সেটি খুব ভালোভাবেই সামলেছেন। প্রতিপক্ষের মনোভাব নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, প্যারাগুয়ে হয়তো ভেবেছিল ফরাসিরা মাঠে কেবল আভিজাত্যপূর্ণ ও চোখধাঁধানো কৌশল দেখাবে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন এবং প্রয়োজন হলে তারা কুৎসিত ফুটবল খেলতেও প্রস্তুত। উত্তেজনাপূর্ণ এই ম্যাচে উজবেক রেফারি ইলগিজ তানতাশেভ মোট চারটি হলুদ কার্ড দেখান, যার তিনটিই দেখতে হয়েছে ফরাসি ফুটবলারদের।

তীব্র গরম আর প্রতিপক্ষের অতি-আগ্রাসী ফুটবলকে সামলে কিলিয়ান এমবাপ্পের একমাত্র গোলে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ফ্রান্স। প্রায় ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার চরম প্রতিকূল আবহাওয়ায় প্যারাগুয়ের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে জয়সূচক গোলটি করেন ফরাসি অধিনায়ক। ম্যাচজুড়ে প্যারাগুয়ের দুর্ভেদ্য রক্ষণভাগ ভাঙতে ফরাসিদের অবিরাম আক্রমণ চালাতে হয়েছে। একইসঙ্গে মাঠের তুমুল উত্তেজনা আর শারীরিক ফুটবলও মোকাবিলা করতে হয়েছে সমানতালে।
ম্যাচের প্রায় পুরোটা সময় প্যারাগুয়ের খেলোয়াড়েরা মাঠে শারীরিকভাবে চরম আগ্রাসী ফুটবল প্রদর্শন করেন। ক্রমাগত ফাউল, কড়া ট্যাকল আর অপ্রীতিকর সংঘর্ষের মাধ্যমে তারা ফরাসি ফুটবলারদের লাগাতার বিরক্ত করে গেছেন। প্রতিপক্ষের এমন নেতিবাচক রণকৌশল নিয়ে ম্যাচ শেষে স্পষ্ট অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অধিনায়ক এমবাপ্পে। তিনি জানান, প্রয়োজনে তার দলও ‘ডার্টি ফুটবল’ খেলতে জানে।
প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে এই ধরণের কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে, তা ফরাসিদের আগে থেকেই জানা ছিল উল্লেখ করে এমবাপ্পে বলেন, পরিস্থিতি যেমনই হোক, তারা সেটি খুব ভালোভাবেই সামলেছেন। প্রতিপক্ষের মনোভাব নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, প্যারাগুয়ে হয়তো ভেবেছিল ফরাসিরা মাঠে কেবল আভিজাত্যপূর্ণ ও চোখধাঁধানো কৌশল দেখাবে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন এবং প্রয়োজন হলে তারা কুৎসিত ফুটবল খেলতেও প্রস্তুত। উত্তেজনাপূর্ণ এই ম্যাচে উজবেক রেফারি ইলগিজ তানতাশেভ মোট চারটি হলুদ কার্ড দেখান, যার তিনটিই দেখতে হয়েছে ফরাসি ফুটবলারদের।

‘আমরাও নোংরা ফুটবল খেলতে জানি’
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

তীব্র গরম আর প্রতিপক্ষের অতি-আগ্রাসী ফুটবলকে সামলে কিলিয়ান এমবাপ্পের একমাত্র গোলে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ফ্রান্স। প্রায় ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার চরম প্রতিকূল আবহাওয়ায় প্যারাগুয়ের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে জয়সূচক গোলটি করেন ফরাসি অধিনায়ক। ম্যাচজুড়ে প্যারাগুয়ের দুর্ভেদ্য রক্ষণভাগ ভাঙতে ফরাসিদের অবিরাম আক্রমণ চালাতে হয়েছে। একইসঙ্গে মাঠের তুমুল উত্তেজনা আর শারীরিক ফুটবলও মোকাবিলা করতে হয়েছে সমানতালে।
ম্যাচের প্রায় পুরোটা সময় প্যারাগুয়ের খেলোয়াড়েরা মাঠে শারীরিকভাবে চরম আগ্রাসী ফুটবল প্রদর্শন করেন। ক্রমাগত ফাউল, কড়া ট্যাকল আর অপ্রীতিকর সংঘর্ষের মাধ্যমে তারা ফরাসি ফুটবলারদের লাগাতার বিরক্ত করে গেছেন। প্রতিপক্ষের এমন নেতিবাচক রণকৌশল নিয়ে ম্যাচ শেষে স্পষ্ট অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অধিনায়ক এমবাপ্পে। তিনি জানান, প্রয়োজনে তার দলও ‘ডার্টি ফুটবল’ খেলতে জানে।
প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে এই ধরণের কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে, তা ফরাসিদের আগে থেকেই জানা ছিল উল্লেখ করে এমবাপ্পে বলেন, পরিস্থিতি যেমনই হোক, তারা সেটি খুব ভালোভাবেই সামলেছেন। প্রতিপক্ষের মনোভাব নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, প্যারাগুয়ে হয়তো ভেবেছিল ফরাসিরা মাঠে কেবল আভিজাত্যপূর্ণ ও চোখধাঁধানো কৌশল দেখাবে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন এবং প্রয়োজন হলে তারা কুৎসিত ফুটবল খেলতেও প্রস্তুত। উত্তেজনাপূর্ণ এই ম্যাচে উজবেক রেফারি ইলগিজ তানতাশেভ মোট চারটি হলুদ কার্ড দেখান, যার তিনটিই দেখতে হয়েছে ফরাসি ফুটবলারদের।

পেনাল্টিতে স্বপ্নভঙ্গ হলেও নিজেদের পারফরম্যান্সে গর্বিত প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক


