২০২৬ বিশ্বকাপে দ্রুতগতির শটে করা গোল কোনটি

২০২৬ বিশ্বকাপে দ্রুতগতির শটে করা গোল কোনটি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

চলতি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের উত্তেজনা ছাপিয়ে এখন আলোচনায় ফুটবলারদের চোখধাঁধানো সব গতিময় গোল। আর এই গোলগুলোর মধ্যে গতি ও শক্তির বিচারে কোনটি সেরা, তা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে নিশ্চিত করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল ট্রিওন্ডার ভেতরে থাকা ‘ইনারশিয়াল মেজরমেন্ট ইউনিট’ সেন্সর এবং স্টেডিয়ামের ১৬টি বিশেষ ক্যামেরার যৌথ ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টের সবচেয়ে দ্রুতগতির গোলটি করেছেন সেনেগালের মিডফিল্ডার পাপে গেয়ে।
গ্রুপ পর্বে ইরাকের বিপক্ষে করা পাপে গেয়ের সেই দুর্দান্ত শটটির গতি ছিল ঘণ্টায় ১৩১.৯৪ কিলোমিটার। টুর্নামেন্টের শেষ ৩২ দলের রাউন্ড থেকে বিদায় নেওয়া সেনেগালের হয়ে এটি ছিল এ মিডফিল্ডারের দ্বিতীয় গোল। এই অতিমানবীয় শটের মাধ্যমে তিনি পেছনে ফেলেছেন সুইজারল্যান্ডের মিডফিল্ডার ইয়োহান মানজাম্বিকে। গ্রুপ পর্বে কানাডার বিপক্ষে ঘণ্টায় ১২৮.৭৩ কিলোমিটার গতিতে মানজাম্বির করা গোলটির চেয়ে পাপে গেয়ের শটের গতি ছিল ঘণ্টা ৩ কিলোমিটারেরও একটু বেশি।
ফিফার গতিময় গোলের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে ফ্রান্সের বিপক্ষে নরওয়ের থেলো আসগার্ডের করা দুর্দান্ত গোলটি, যার গতি ছিল ঘণ্টায় ১২৫.৯৫ কিলোমিটার। এর ঠিক পরেই ঘণ্টায় ১২৫.২২ কিলোমিটার গতি নিয়ে তালিকায় আছেন কেপ ভার্দের কেভিন পিনা। উরুগুয়ের বিপক্ষে ৩১ গজেরও বেশি দূর থেকে নেওয়া পিনার শটটি ছিল বিশ্বকাপের ইতিহাসে তার দেশের প্রথম গোল, যা দূরত্বের বিচারে শীর্ষ ১০ গোলের মধ্যে সবচেয়ে দূর থেকে করা শট।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, শেষ ষোলোর খেলা শুরু হওয়ার আগে শীর্ষ ১০টি দ্রুতগতির গোলের ৯টিই এসেছে গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো থেকে। নকআউট পর্ব থেকে এই তালিকায় একমাত্র নাম লেখাতে পেরেছেন মিসরের মোহামেদ সাবের। ডালাসে শেষ ৩২ দলের রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টাইব্রেকারে জয়ের ম্যাচে পেনাল্টি থেকে এ গতিময় গোলটি করেন তিনি। উল্লেখ্য, বলের ভারসাম্য নষ্ট না করে প্রতি সেকেন্ডে খেলোয়াড়দের ২৯টি ভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা এ আইএমইউ প্রযুক্তি ফিফা ও অ্যাডিডাস এর আগে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ এবং ২০২৩ নারী বিশ্বকাপেও সফলভাবে ব্যবহার করেছিল।

চলতি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের উত্তেজনা ছাপিয়ে এখন আলোচনায় ফুটবলারদের চোখধাঁধানো সব গতিময় গোল। আর এই গোলগুলোর মধ্যে গতি ও শক্তির বিচারে কোনটি সেরা, তা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে নিশ্চিত করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল ট্রিওন্ডার ভেতরে থাকা ‘ইনারশিয়াল মেজরমেন্ট ইউনিট’ সেন্সর এবং স্টেডিয়ামের ১৬টি বিশেষ ক্যামেরার যৌথ ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টের সবচেয়ে দ্রুতগতির গোলটি করেছেন সেনেগালের মিডফিল্ডার পাপে গেয়ে।
গ্রুপ পর্বে ইরাকের বিপক্ষে করা পাপে গেয়ের সেই দুর্দান্ত শটটির গতি ছিল ঘণ্টায় ১৩১.৯৪ কিলোমিটার। টুর্নামেন্টের শেষ ৩২ দলের রাউন্ড থেকে বিদায় নেওয়া সেনেগালের হয়ে এটি ছিল এ মিডফিল্ডারের দ্বিতীয় গোল। এই অতিমানবীয় শটের মাধ্যমে তিনি পেছনে ফেলেছেন সুইজারল্যান্ডের মিডফিল্ডার ইয়োহান মানজাম্বিকে। গ্রুপ পর্বে কানাডার বিপক্ষে ঘণ্টায় ১২৮.৭৩ কিলোমিটার গতিতে মানজাম্বির করা গোলটির চেয়ে পাপে গেয়ের শটের গতি ছিল ঘণ্টা ৩ কিলোমিটারেরও একটু বেশি।
ফিফার গতিময় গোলের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে ফ্রান্সের বিপক্ষে নরওয়ের থেলো আসগার্ডের করা দুর্দান্ত গোলটি, যার গতি ছিল ঘণ্টায় ১২৫.৯৫ কিলোমিটার। এর ঠিক পরেই ঘণ্টায় ১২৫.২২ কিলোমিটার গতি নিয়ে তালিকায় আছেন কেপ ভার্দের কেভিন পিনা। উরুগুয়ের বিপক্ষে ৩১ গজেরও বেশি দূর থেকে নেওয়া পিনার শটটি ছিল বিশ্বকাপের ইতিহাসে তার দেশের প্রথম গোল, যা দূরত্বের বিচারে শীর্ষ ১০ গোলের মধ্যে সবচেয়ে দূর থেকে করা শট।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, শেষ ষোলোর খেলা শুরু হওয়ার আগে শীর্ষ ১০টি দ্রুতগতির গোলের ৯টিই এসেছে গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো থেকে। নকআউট পর্ব থেকে এই তালিকায় একমাত্র নাম লেখাতে পেরেছেন মিসরের মোহামেদ সাবের। ডালাসে শেষ ৩২ দলের রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টাইব্রেকারে জয়ের ম্যাচে পেনাল্টি থেকে এ গতিময় গোলটি করেন তিনি। উল্লেখ্য, বলের ভারসাম্য নষ্ট না করে প্রতি সেকেন্ডে খেলোয়াড়দের ২৯টি ভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা এ আইএমইউ প্রযুক্তি ফিফা ও অ্যাডিডাস এর আগে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ এবং ২০২৩ নারী বিশ্বকাপেও সফলভাবে ব্যবহার করেছিল।

২০২৬ বিশ্বকাপে দ্রুতগতির শটে করা গোল কোনটি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

চলতি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের উত্তেজনা ছাপিয়ে এখন আলোচনায় ফুটবলারদের চোখধাঁধানো সব গতিময় গোল। আর এই গোলগুলোর মধ্যে গতি ও শক্তির বিচারে কোনটি সেরা, তা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে নিশ্চিত করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল ট্রিওন্ডার ভেতরে থাকা ‘ইনারশিয়াল মেজরমেন্ট ইউনিট’ সেন্সর এবং স্টেডিয়ামের ১৬টি বিশেষ ক্যামেরার যৌথ ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টের সবচেয়ে দ্রুতগতির গোলটি করেছেন সেনেগালের মিডফিল্ডার পাপে গেয়ে।
গ্রুপ পর্বে ইরাকের বিপক্ষে করা পাপে গেয়ের সেই দুর্দান্ত শটটির গতি ছিল ঘণ্টায় ১৩১.৯৪ কিলোমিটার। টুর্নামেন্টের শেষ ৩২ দলের রাউন্ড থেকে বিদায় নেওয়া সেনেগালের হয়ে এটি ছিল এ মিডফিল্ডারের দ্বিতীয় গোল। এই অতিমানবীয় শটের মাধ্যমে তিনি পেছনে ফেলেছেন সুইজারল্যান্ডের মিডফিল্ডার ইয়োহান মানজাম্বিকে। গ্রুপ পর্বে কানাডার বিপক্ষে ঘণ্টায় ১২৮.৭৩ কিলোমিটার গতিতে মানজাম্বির করা গোলটির চেয়ে পাপে গেয়ের শটের গতি ছিল ঘণ্টা ৩ কিলোমিটারেরও একটু বেশি।
ফিফার গতিময় গোলের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে ফ্রান্সের বিপক্ষে নরওয়ের থেলো আসগার্ডের করা দুর্দান্ত গোলটি, যার গতি ছিল ঘণ্টায় ১২৫.৯৫ কিলোমিটার। এর ঠিক পরেই ঘণ্টায় ১২৫.২২ কিলোমিটার গতি নিয়ে তালিকায় আছেন কেপ ভার্দের কেভিন পিনা। উরুগুয়ের বিপক্ষে ৩১ গজেরও বেশি দূর থেকে নেওয়া পিনার শটটি ছিল বিশ্বকাপের ইতিহাসে তার দেশের প্রথম গোল, যা দূরত্বের বিচারে শীর্ষ ১০ গোলের মধ্যে সবচেয়ে দূর থেকে করা শট।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, শেষ ষোলোর খেলা শুরু হওয়ার আগে শীর্ষ ১০টি দ্রুতগতির গোলের ৯টিই এসেছে গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো থেকে। নকআউট পর্ব থেকে এই তালিকায় একমাত্র নাম লেখাতে পেরেছেন মিসরের মোহামেদ সাবের। ডালাসে শেষ ৩২ দলের রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টাইব্রেকারে জয়ের ম্যাচে পেনাল্টি থেকে এ গতিময় গোলটি করেন তিনি। উল্লেখ্য, বলের ভারসাম্য নষ্ট না করে প্রতি সেকেন্ডে খেলোয়াড়দের ২৯টি ভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা এ আইএমইউ প্রযুক্তি ফিফা ও অ্যাডিডাস এর আগে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ এবং ২০২৩ নারী বিশ্বকাপেও সফলভাবে ব্যবহার করেছিল।

বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোলের রেকর্ড 


