অবসরে গেলেন বিশ্বকাপ ফাইনালের ‘বিতর্কিত’ সেই রেফারি

অবসরে গেলেন বিশ্বকাপ ফাইনালের ‘বিতর্কিত’ সেই রেফারি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ পরিচালনার পর পেশাদার রেফারিং জীবনের ইতি টেনেছেন স্লোভেনিয়ার অভিজ্ঞ রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ। ৪৬ বছর বয়সে এসে বাঁশি চিরতরে তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। স্লোভেনিয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনআনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিদায়বেলায় ভিনচিচ জানান, একজন রেফারির ক্যারিয়ারে বিশ্বকাপ ফাইনাল পরিচালনা করাটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। এই স্বপ্নপূরণের পর আর পাওয়ার কিছু থাকে না বলেই সঠিক সময়ে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ফাইনাল ম্যাচের আগে ইউরোপিয়ান ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ একাধিক বড় ম্যাচ দক্ষতার সঙ্গে সামলেছেন ভিনচিচ। এর মধ্যে রয়েছে ২০২২ সালের ইউরোপা লিগ ফাইনাল এবং ২০২৪ সালের উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল।
তবে তার বিদায়ী ম্যাচটি ঘিরে তৈরি হয়েছে দারুণ বিতর্ক। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত স্পেন-আর্জেন্টিনার মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনালে বাঁশি হাতে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ম্যাচে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজকে লাল কার্ড দেখানো এবং স্পেনের নিকো উইলিয়ামসের করা গোল বাতিল করা নিয়ে ব্যাপক সমলোচনা শুরু হয়। ভিনচিচ অবশ্য স্পষ্ট করেন, গোল হওয়ার আগেই স্পেনের মিকেল মেরিনো ফাউল করেছিলেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দিকে।
শুধু তাই নয়, ম্যাচে আর্জেন্টিনার অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের কয়েকটি শক্ত ট্যাকলের পর কড়া ব্যবস্থা না নেওয়া নিয়েও তার ওপর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান ফুটবলপ্রেমীরা। সব মিলিয়ে ফাইনালের বাঁশি বাজার পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র তর্ক-বিতর্ক দেখা দেয়, যার জের ধরে ক্ষুব্ধ সমর্থকেরা ম্যাচটি পুনরায় আয়োজনের দাবিও তোলেন।

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ পরিচালনার পর পেশাদার রেফারিং জীবনের ইতি টেনেছেন স্লোভেনিয়ার অভিজ্ঞ রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ। ৪৬ বছর বয়সে এসে বাঁশি চিরতরে তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। স্লোভেনিয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনআনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিদায়বেলায় ভিনচিচ জানান, একজন রেফারির ক্যারিয়ারে বিশ্বকাপ ফাইনাল পরিচালনা করাটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। এই স্বপ্নপূরণের পর আর পাওয়ার কিছু থাকে না বলেই সঠিক সময়ে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ফাইনাল ম্যাচের আগে ইউরোপিয়ান ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ একাধিক বড় ম্যাচ দক্ষতার সঙ্গে সামলেছেন ভিনচিচ। এর মধ্যে রয়েছে ২০২২ সালের ইউরোপা লিগ ফাইনাল এবং ২০২৪ সালের উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল।
তবে তার বিদায়ী ম্যাচটি ঘিরে তৈরি হয়েছে দারুণ বিতর্ক। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত স্পেন-আর্জেন্টিনার মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনালে বাঁশি হাতে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ম্যাচে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজকে লাল কার্ড দেখানো এবং স্পেনের নিকো উইলিয়ামসের করা গোল বাতিল করা নিয়ে ব্যাপক সমলোচনা শুরু হয়। ভিনচিচ অবশ্য স্পষ্ট করেন, গোল হওয়ার আগেই স্পেনের মিকেল মেরিনো ফাউল করেছিলেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দিকে।
শুধু তাই নয়, ম্যাচে আর্জেন্টিনার অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের কয়েকটি শক্ত ট্যাকলের পর কড়া ব্যবস্থা না নেওয়া নিয়েও তার ওপর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান ফুটবলপ্রেমীরা। সব মিলিয়ে ফাইনালের বাঁশি বাজার পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র তর্ক-বিতর্ক দেখা দেয়, যার জের ধরে ক্ষুব্ধ সমর্থকেরা ম্যাচটি পুনরায় আয়োজনের দাবিও তোলেন।

অবসরে গেলেন বিশ্বকাপ ফাইনালের ‘বিতর্কিত’ সেই রেফারি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ পরিচালনার পর পেশাদার রেফারিং জীবনের ইতি টেনেছেন স্লোভেনিয়ার অভিজ্ঞ রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ। ৪৬ বছর বয়সে এসে বাঁশি চিরতরে তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। স্লোভেনিয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনআনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিদায়বেলায় ভিনচিচ জানান, একজন রেফারির ক্যারিয়ারে বিশ্বকাপ ফাইনাল পরিচালনা করাটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। এই স্বপ্নপূরণের পর আর পাওয়ার কিছু থাকে না বলেই সঠিক সময়ে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ফাইনাল ম্যাচের আগে ইউরোপিয়ান ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ একাধিক বড় ম্যাচ দক্ষতার সঙ্গে সামলেছেন ভিনচিচ। এর মধ্যে রয়েছে ২০২২ সালের ইউরোপা লিগ ফাইনাল এবং ২০২৪ সালের উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল।
তবে তার বিদায়ী ম্যাচটি ঘিরে তৈরি হয়েছে দারুণ বিতর্ক। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত স্পেন-আর্জেন্টিনার মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনালে বাঁশি হাতে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ম্যাচে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজকে লাল কার্ড দেখানো এবং স্পেনের নিকো উইলিয়ামসের করা গোল বাতিল করা নিয়ে ব্যাপক সমলোচনা শুরু হয়। ভিনচিচ অবশ্য স্পষ্ট করেন, গোল হওয়ার আগেই স্পেনের মিকেল মেরিনো ফাউল করেছিলেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দিকে।
শুধু তাই নয়, ম্যাচে আর্জেন্টিনার অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের কয়েকটি শক্ত ট্যাকলের পর কড়া ব্যবস্থা না নেওয়া নিয়েও তার ওপর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান ফুটবলপ্রেমীরা। সব মিলিয়ে ফাইনালের বাঁশি বাজার পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র তর্ক-বিতর্ক দেখা দেয়, যার জের ধরে ক্ষুব্ধ সমর্থকেরা ম্যাচটি পুনরায় আয়োজনের দাবিও তোলেন।

বার্সার আধিপত্য রুখতে রিয়ালের কোটি ইউরোর বাজি





