বার্সার আধিপত্য রুখতে রিয়ালের কোটি ইউরোর বাজি

বার্সার আধিপত্য রুখতে রিয়ালের কোটি ইউরোর বাজি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

স্প্যানিশ ফুটবলের স্পটলাইটে আসতে এবার বেশ আঁটঘাট বেঁধেই নেমেছে রিয়াল মাদ্রিদ। গত দুই মৌসুমে ঘরোয়া ফুটবলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার টানা সাফল্য আর আধিপত্যে খানিকটা ব্যাকফুটে পড়েছিল ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের দল। তবে সেই চেনা ছক ভাঙতে এবার দলবদলের বাজারে নেমেছে তারা। এ ঘটনা ফুটবলপ্রেমীদের মনে করিয়ে দিচ্ছে ১৬ বছর আগের স্মৃতি। ২০১০ সালের মতো এবারও ক্লাবটির লক্ষ্য একটাই- যেকোনো মূল্যে স্প্যানিশ ফুটবলে নিজেদের একচ্ছত্র রাজত্ব ফিরিয়ে আনা।
সেই ঐতিহাসিক রূপরেখা অনুসারেই সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে দ্বিতীয়বারের মতো কোচ হিসেবে ফিরিয়ে আনা হয়েছে জোসে মরিনহোকে। পর্তুগিজ এ মাস্টারমাইন্ডের হাতে সেরা দল তুলে দিতে ক্লাবের কোষাগার উন্মুক্ত করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট পেরেজ। ইতোমধ্যেই চেলসি থেকে মার্ক কুকুরেয়া এবং ইন্টার মিলান থেকে ডেনজেল ডামফ্রিসকে কিনতে ঢালা হয়েছে মোটা অঙ্কের ইউরো। ফ্রি এজেন্ট হিসেবে লিভারপুল ও ম্যানচেস্টার সিটি থেকে এসে যোগ দিয়েছেন ইব্রাহিমা কোনাতে ও বের্নার্দো সিলভার মতো তারকা ফুটবলাররা।

তবে রিয়ালের চোখ কেবল এটুকুর ওপরই আটকে নেই। তরুণ তুর্কি ইয়ান দিয়োমান্দেকে ড্রেসিংরুমে ভেড়াতে যেমন তারা ১০০ মিলিয়ন ইউরোর ওপর খসাতে প্রস্তুত, তেমনি সিটি তারকা রদ্রিকে ডাগআউটে আনার জন্য তৈরি রাখা হয়েছে বিশাল প্রস্তাব। যদি শেষ পর্যন্ত এ চুক্তিগুলো পূর্ণতা পায়, তবে বিনিয়োগের অঙ্কে এটি ২০১০ সালের রোনালদো-কাকা যুগে করা খরচকেও ছাপিয়ে যাবে।
অবশ্য মাঠের সাফল্য যে কেবল বিশাল অঙ্কের অর্থ দিয়েই কেনা যায় না, তার তেতো অভিজ্ঞতা রিয়ালের রয়েছে। ঠিক আগের মৌসুমেই আকাশছোঁয়া দামে ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার-আর্নল্ড কিংবা ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়ানোর মতো তারকাদের এনেও কাঙ্ক্ষিত ফল মেলেনি। চোট আর বাজে ফর্মে ধুঁকে তারা একাদশে জায়গা পেতেও লড়াই করছেন।
ইতিহাসও সতর্ক করছে রিয়ালকে। ২০১০ সালেও দেদারছে টাকা ঢেলে এবং মরিনহোকে উড়িয়ে এনেও প্রথম মৌসুমে শুধুই কোপা দেল রে নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল তাদের। সেবার লা লিগা, সুপার কাপের পাশাপাশি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতে উল্লাস করেছিল বার্সেলোনাই। এবারও কি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটবে, নাকি পেরেজের মেগা-বিনিয়োগে শেষ হাসি হাসবে রিয়াল, সেটাই দেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব।

স্প্যানিশ ফুটবলের স্পটলাইটে আসতে এবার বেশ আঁটঘাট বেঁধেই নেমেছে রিয়াল মাদ্রিদ। গত দুই মৌসুমে ঘরোয়া ফুটবলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার টানা সাফল্য আর আধিপত্যে খানিকটা ব্যাকফুটে পড়েছিল ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের দল। তবে সেই চেনা ছক ভাঙতে এবার দলবদলের বাজারে নেমেছে তারা। এ ঘটনা ফুটবলপ্রেমীদের মনে করিয়ে দিচ্ছে ১৬ বছর আগের স্মৃতি। ২০১০ সালের মতো এবারও ক্লাবটির লক্ষ্য একটাই- যেকোনো মূল্যে স্প্যানিশ ফুটবলে নিজেদের একচ্ছত্র রাজত্ব ফিরিয়ে আনা।
সেই ঐতিহাসিক রূপরেখা অনুসারেই সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে দ্বিতীয়বারের মতো কোচ হিসেবে ফিরিয়ে আনা হয়েছে জোসে মরিনহোকে। পর্তুগিজ এ মাস্টারমাইন্ডের হাতে সেরা দল তুলে দিতে ক্লাবের কোষাগার উন্মুক্ত করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট পেরেজ। ইতোমধ্যেই চেলসি থেকে মার্ক কুকুরেয়া এবং ইন্টার মিলান থেকে ডেনজেল ডামফ্রিসকে কিনতে ঢালা হয়েছে মোটা অঙ্কের ইউরো। ফ্রি এজেন্ট হিসেবে লিভারপুল ও ম্যানচেস্টার সিটি থেকে এসে যোগ দিয়েছেন ইব্রাহিমা কোনাতে ও বের্নার্দো সিলভার মতো তারকা ফুটবলাররা।

তবে রিয়ালের চোখ কেবল এটুকুর ওপরই আটকে নেই। তরুণ তুর্কি ইয়ান দিয়োমান্দেকে ড্রেসিংরুমে ভেড়াতে যেমন তারা ১০০ মিলিয়ন ইউরোর ওপর খসাতে প্রস্তুত, তেমনি সিটি তারকা রদ্রিকে ডাগআউটে আনার জন্য তৈরি রাখা হয়েছে বিশাল প্রস্তাব। যদি শেষ পর্যন্ত এ চুক্তিগুলো পূর্ণতা পায়, তবে বিনিয়োগের অঙ্কে এটি ২০১০ সালের রোনালদো-কাকা যুগে করা খরচকেও ছাপিয়ে যাবে।
অবশ্য মাঠের সাফল্য যে কেবল বিশাল অঙ্কের অর্থ দিয়েই কেনা যায় না, তার তেতো অভিজ্ঞতা রিয়ালের রয়েছে। ঠিক আগের মৌসুমেই আকাশছোঁয়া দামে ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার-আর্নল্ড কিংবা ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়ানোর মতো তারকাদের এনেও কাঙ্ক্ষিত ফল মেলেনি। চোট আর বাজে ফর্মে ধুঁকে তারা একাদশে জায়গা পেতেও লড়াই করছেন।
ইতিহাসও সতর্ক করছে রিয়ালকে। ২০১০ সালেও দেদারছে টাকা ঢেলে এবং মরিনহোকে উড়িয়ে এনেও প্রথম মৌসুমে শুধুই কোপা দেল রে নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল তাদের। সেবার লা লিগা, সুপার কাপের পাশাপাশি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতে উল্লাস করেছিল বার্সেলোনাই। এবারও কি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটবে, নাকি পেরেজের মেগা-বিনিয়োগে শেষ হাসি হাসবে রিয়াল, সেটাই দেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব।

বার্সার আধিপত্য রুখতে রিয়ালের কোটি ইউরোর বাজি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

স্প্যানিশ ফুটবলের স্পটলাইটে আসতে এবার বেশ আঁটঘাট বেঁধেই নেমেছে রিয়াল মাদ্রিদ। গত দুই মৌসুমে ঘরোয়া ফুটবলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার টানা সাফল্য আর আধিপত্যে খানিকটা ব্যাকফুটে পড়েছিল ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের দল। তবে সেই চেনা ছক ভাঙতে এবার দলবদলের বাজারে নেমেছে তারা। এ ঘটনা ফুটবলপ্রেমীদের মনে করিয়ে দিচ্ছে ১৬ বছর আগের স্মৃতি। ২০১০ সালের মতো এবারও ক্লাবটির লক্ষ্য একটাই- যেকোনো মূল্যে স্প্যানিশ ফুটবলে নিজেদের একচ্ছত্র রাজত্ব ফিরিয়ে আনা।
সেই ঐতিহাসিক রূপরেখা অনুসারেই সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে দ্বিতীয়বারের মতো কোচ হিসেবে ফিরিয়ে আনা হয়েছে জোসে মরিনহোকে। পর্তুগিজ এ মাস্টারমাইন্ডের হাতে সেরা দল তুলে দিতে ক্লাবের কোষাগার উন্মুক্ত করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট পেরেজ। ইতোমধ্যেই চেলসি থেকে মার্ক কুকুরেয়া এবং ইন্টার মিলান থেকে ডেনজেল ডামফ্রিসকে কিনতে ঢালা হয়েছে মোটা অঙ্কের ইউরো। ফ্রি এজেন্ট হিসেবে লিভারপুল ও ম্যানচেস্টার সিটি থেকে এসে যোগ দিয়েছেন ইব্রাহিমা কোনাতে ও বের্নার্দো সিলভার মতো তারকা ফুটবলাররা।

তবে রিয়ালের চোখ কেবল এটুকুর ওপরই আটকে নেই। তরুণ তুর্কি ইয়ান দিয়োমান্দেকে ড্রেসিংরুমে ভেড়াতে যেমন তারা ১০০ মিলিয়ন ইউরোর ওপর খসাতে প্রস্তুত, তেমনি সিটি তারকা রদ্রিকে ডাগআউটে আনার জন্য তৈরি রাখা হয়েছে বিশাল প্রস্তাব। যদি শেষ পর্যন্ত এ চুক্তিগুলো পূর্ণতা পায়, তবে বিনিয়োগের অঙ্কে এটি ২০১০ সালের রোনালদো-কাকা যুগে করা খরচকেও ছাপিয়ে যাবে।
অবশ্য মাঠের সাফল্য যে কেবল বিশাল অঙ্কের অর্থ দিয়েই কেনা যায় না, তার তেতো অভিজ্ঞতা রিয়ালের রয়েছে। ঠিক আগের মৌসুমেই আকাশছোঁয়া দামে ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার-আর্নল্ড কিংবা ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়ানোর মতো তারকাদের এনেও কাঙ্ক্ষিত ফল মেলেনি। চোট আর বাজে ফর্মে ধুঁকে তারা একাদশে জায়গা পেতেও লড়াই করছেন।
ইতিহাসও সতর্ক করছে রিয়ালকে। ২০১০ সালেও দেদারছে টাকা ঢেলে এবং মরিনহোকে উড়িয়ে এনেও প্রথম মৌসুমে শুধুই কোপা দেল রে নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল তাদের। সেবার লা লিগা, সুপার কাপের পাশাপাশি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতে উল্লাস করেছিল বার্সেলোনাই। এবারও কি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটবে, নাকি পেরেজের মেগা-বিনিয়োগে শেষ হাসি হাসবে রিয়াল, সেটাই দেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব।









