বিশ্বকাপ ফাইনালের ট্র্যাজিক হিরো এমি মার্তিনেজ

বিশ্বকাপ ফাইনালের ট্র্যাজিক হিরো এমি মার্তিনেজ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের শিরোপা শেষ পর্যন্ত স্পেনের হাতে উঠলেও, ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের গল্পের সবচেয়ে বড় নায়ক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। গোলবারের নিচে একা দাঁড়িয়ে পুরো দলের হয়ে যে বীরত্বপূর্ণ লড়াই তিনি উপহার দিয়েছেন, তা ফুটবলের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। পুরো ম্যাচে ১১টি অবিশ্বাস্য সেভ করে আর্জেন্টিনাকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিলেন ৩৩ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক। বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে এ এক নতুন নজির।
ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের একদম শেষ মুহূর্তে প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে স্প্যানিশ তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালের ফ্রি-কিক যখন প্রায় গোল হতে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই এক অলৌকিক সেভে দলকে রক্ষা করেন মার্তিনেজ। সেই সেভেই আর্জেন্টিনা পৌঁছে যায় অতিরিক্ত সময়ে এবং বেঁচে থাকে শিরোপার আশা। অথচ স্পেনের একের পর এক আক্রমণের বিপরীতে আর্জেন্টিনা পুরো ম্যাচে প্রতিপক্ষের গোলমুখে একটি শটও রাখতে পারেনি। এমন একপেশে ম্যাচে আর্জেন্টিনা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত টিকে ছিল কেবল মার্তিনেজের অতিমানবীয় পারফরম্যান্সের ওপর ভর করে।
তবে মাঠের এই লড়াইয়ের পেছনে ছিল তার এক অজানা সংগ্রাম। ডান হাতের অনামিকা আঙুলের চোট নিয়ে পুরো টুর্নামেন্ট খেলেছেন তিনি। চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের কথা বললেও দেশের স্বার্থে বিশ্বকাপের আগে অপারেশন না করার সিদ্ধান্ত নেন এ গোলরক্ষক। নকআউট পর্বের শেষ পাঁচ ম্যাচে সাত গোল হজম করায় তার ফর্ম নিয়ে সমালোচনা শুরু হলেও, ফাইনালের আগে পুরোনো রূপে ফেরার যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন, মাঠে নেমে সেটাই করে দেখিয়েছেন।
অবশেষে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের শটটি আর ঠেকানো সম্ভব হয়নি। তার আগে মিকেল ওইয়ারসাবাল, লামিনে ইয়ামাল ও দানি ওলমোদের একাধিক আক্রমণ নস্যাৎ করেছেন এ আর্জেন্টাইন দেয়াল। কিন্তু শেষ মুহূর্তের গোলেই ভেঙে যায় আর্জেন্টিনার টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন। বিশ্বকাপ না জিতলেও আঙুলের তীব্র যন্ত্রণা ভুলে মার্তিনেজের এই একা লড়াই করা মানসিকতা ফুটবল বিশ্ব চিরকাল মনে রাখবে।

বিশ্বকাপের শিরোপা শেষ পর্যন্ত স্পেনের হাতে উঠলেও, ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের গল্পের সবচেয়ে বড় নায়ক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। গোলবারের নিচে একা দাঁড়িয়ে পুরো দলের হয়ে যে বীরত্বপূর্ণ লড়াই তিনি উপহার দিয়েছেন, তা ফুটবলের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। পুরো ম্যাচে ১১টি অবিশ্বাস্য সেভ করে আর্জেন্টিনাকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিলেন ৩৩ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক। বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে এ এক নতুন নজির।
ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের একদম শেষ মুহূর্তে প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে স্প্যানিশ তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালের ফ্রি-কিক যখন প্রায় গোল হতে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই এক অলৌকিক সেভে দলকে রক্ষা করেন মার্তিনেজ। সেই সেভেই আর্জেন্টিনা পৌঁছে যায় অতিরিক্ত সময়ে এবং বেঁচে থাকে শিরোপার আশা। অথচ স্পেনের একের পর এক আক্রমণের বিপরীতে আর্জেন্টিনা পুরো ম্যাচে প্রতিপক্ষের গোলমুখে একটি শটও রাখতে পারেনি। এমন একপেশে ম্যাচে আর্জেন্টিনা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত টিকে ছিল কেবল মার্তিনেজের অতিমানবীয় পারফরম্যান্সের ওপর ভর করে।
তবে মাঠের এই লড়াইয়ের পেছনে ছিল তার এক অজানা সংগ্রাম। ডান হাতের অনামিকা আঙুলের চোট নিয়ে পুরো টুর্নামেন্ট খেলেছেন তিনি। চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের কথা বললেও দেশের স্বার্থে বিশ্বকাপের আগে অপারেশন না করার সিদ্ধান্ত নেন এ গোলরক্ষক। নকআউট পর্বের শেষ পাঁচ ম্যাচে সাত গোল হজম করায় তার ফর্ম নিয়ে সমালোচনা শুরু হলেও, ফাইনালের আগে পুরোনো রূপে ফেরার যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন, মাঠে নেমে সেটাই করে দেখিয়েছেন।
অবশেষে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের শটটি আর ঠেকানো সম্ভব হয়নি। তার আগে মিকেল ওইয়ারসাবাল, লামিনে ইয়ামাল ও দানি ওলমোদের একাধিক আক্রমণ নস্যাৎ করেছেন এ আর্জেন্টাইন দেয়াল। কিন্তু শেষ মুহূর্তের গোলেই ভেঙে যায় আর্জেন্টিনার টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন। বিশ্বকাপ না জিতলেও আঙুলের তীব্র যন্ত্রণা ভুলে মার্তিনেজের এই একা লড়াই করা মানসিকতা ফুটবল বিশ্ব চিরকাল মনে রাখবে।

বিশ্বকাপ ফাইনালের ট্র্যাজিক হিরো এমি মার্তিনেজ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের শিরোপা শেষ পর্যন্ত স্পেনের হাতে উঠলেও, ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের গল্পের সবচেয়ে বড় নায়ক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। গোলবারের নিচে একা দাঁড়িয়ে পুরো দলের হয়ে যে বীরত্বপূর্ণ লড়াই তিনি উপহার দিয়েছেন, তা ফুটবলের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। পুরো ম্যাচে ১১টি অবিশ্বাস্য সেভ করে আর্জেন্টিনাকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিলেন ৩৩ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক। বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে এ এক নতুন নজির।
ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের একদম শেষ মুহূর্তে প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে স্প্যানিশ তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালের ফ্রি-কিক যখন প্রায় গোল হতে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই এক অলৌকিক সেভে দলকে রক্ষা করেন মার্তিনেজ। সেই সেভেই আর্জেন্টিনা পৌঁছে যায় অতিরিক্ত সময়ে এবং বেঁচে থাকে শিরোপার আশা। অথচ স্পেনের একের পর এক আক্রমণের বিপরীতে আর্জেন্টিনা পুরো ম্যাচে প্রতিপক্ষের গোলমুখে একটি শটও রাখতে পারেনি। এমন একপেশে ম্যাচে আর্জেন্টিনা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত টিকে ছিল কেবল মার্তিনেজের অতিমানবীয় পারফরম্যান্সের ওপর ভর করে।
তবে মাঠের এই লড়াইয়ের পেছনে ছিল তার এক অজানা সংগ্রাম। ডান হাতের অনামিকা আঙুলের চোট নিয়ে পুরো টুর্নামেন্ট খেলেছেন তিনি। চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের কথা বললেও দেশের স্বার্থে বিশ্বকাপের আগে অপারেশন না করার সিদ্ধান্ত নেন এ গোলরক্ষক। নকআউট পর্বের শেষ পাঁচ ম্যাচে সাত গোল হজম করায় তার ফর্ম নিয়ে সমালোচনা শুরু হলেও, ফাইনালের আগে পুরোনো রূপে ফেরার যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন, মাঠে নেমে সেটাই করে দেখিয়েছেন।
অবশেষে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের শটটি আর ঠেকানো সম্ভব হয়নি। তার আগে মিকেল ওইয়ারসাবাল, লামিনে ইয়ামাল ও দানি ওলমোদের একাধিক আক্রমণ নস্যাৎ করেছেন এ আর্জেন্টাইন দেয়াল। কিন্তু শেষ মুহূর্তের গোলেই ভেঙে যায় আর্জেন্টিনার টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন। বিশ্বকাপ না জিতলেও আঙুলের তীব্র যন্ত্রণা ভুলে মার্তিনেজের এই একা লড়াই করা মানসিকতা ফুটবল বিশ্ব চিরকাল মনে রাখবে।

লাল কার্ডের পর বড় শাস্তির শঙ্কায় পারেদেস





