ব্রাজিলের বিপক্ষে জোড়া গোল করে যা বললেন হল্যান্ড

ব্রাজিলের বিপক্ষে জোড়া গোল করে যা বললেন হল্যান্ড
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বেকাপের আগেই ক্লাব পর্যায়ে খেলে ‘গোলমেশিন’ তকমা পেয়েছেন নরওয়ের আরলিং হালান্ড। এবারের বিশ্বকাপেও সেই ধারাবাহিকতা দেখা গেছে। ৪ ম্যাচে ৭ গোল করে চলতি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার কাতারে রয়েছেন তিনি। সবশেষ ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ ষোলোয় জোড়া গল করে ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায় করেছেন তিনি। এরপর সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এই স্ট্রাইকার।
সোমবার (৬ জুলাই) নিউজার্সিতে শুরু হওয়া ম্যাচের প্রথম ৭৭ মিনিট গোলশূন্য ছিল উভয় দল। ৭৮ মিনিটে দুর্দান্ত হেডে নরওয়েকে লিড এনে দেন হালান্ড। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে আরেকবার বল জালে জড়িয়ে ব্যবধান বাড়ান ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা।
যদিও প্রথম থেকেই মাঠে খুব একটা সক্রিয় দেখা যায়নি হল্যান্ডকে। ব্রাজিলের রক্ষণভাগের ভয়ের কারণ হতে পারেননি। কিন্তু শেষ দিকে সুযোগ পেয়েই কাজে লাগিয়েছেন। তার হাত ধরেই প্রথমবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পা রেখেছে নরওয়ে।
নরওয়েজিয়ান এই তারকা খুব বেশি পরিশ্রম করে খেলেন এমন নয়, তবে দুই-একটি সুযোগ পেয়ে ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দেওয়ার সামর্থ্য আছে তার। এটাই হালান্ডকে বাকিদের থেকে আলাদা করেছে। ক্লাব পর্যায়েও এমন চিত্র দেখা যায়। ব্রাজিলকে হারানোর পর নিজের এই গুণ নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।
হালান্ড বলেন, ‘দুই-একটি সুযোগ পেলে আমি সেগুলোকে গোলে পরিণত করি। এটা কীভাবে হয় জানি না। তবে এটাই হয়ে আসছে।’ তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত মনোযোগ ধরে রাখাই আসল কথা। মাঠে নিজেকে বলতে থাকি, সুযোগ আসবেই। এখন আমি বুঝতে শুরু করেছি যে, গোল করতে পারাটা সৃষ্টিকর্তার দেওয়া উপহার। এটা আমার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়।’
এবারের বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জেতার দৌড়ে এগিয়ে আছেন হল্যান্ড। লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পের সমান ৭ গোল করেছেন তিনি। এখন পর্যন্ত মাঠে নামা ৪ ম্যাচের তিনটিতেই জোড়া গোল করেছেন। বাকি ম্যাচটাতে একটি। গ্রুপপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ফ্রান্সের বিপক্ষে বিশ্রামে ছিলেন হালান্ড।

বিশ্বেকাপের আগেই ক্লাব পর্যায়ে খেলে ‘গোলমেশিন’ তকমা পেয়েছেন নরওয়ের আরলিং হালান্ড। এবারের বিশ্বকাপেও সেই ধারাবাহিকতা দেখা গেছে। ৪ ম্যাচে ৭ গোল করে চলতি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার কাতারে রয়েছেন তিনি। সবশেষ ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ ষোলোয় জোড়া গল করে ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায় করেছেন তিনি। এরপর সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এই স্ট্রাইকার।
সোমবার (৬ জুলাই) নিউজার্সিতে শুরু হওয়া ম্যাচের প্রথম ৭৭ মিনিট গোলশূন্য ছিল উভয় দল। ৭৮ মিনিটে দুর্দান্ত হেডে নরওয়েকে লিড এনে দেন হালান্ড। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে আরেকবার বল জালে জড়িয়ে ব্যবধান বাড়ান ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা।
যদিও প্রথম থেকেই মাঠে খুব একটা সক্রিয় দেখা যায়নি হল্যান্ডকে। ব্রাজিলের রক্ষণভাগের ভয়ের কারণ হতে পারেননি। কিন্তু শেষ দিকে সুযোগ পেয়েই কাজে লাগিয়েছেন। তার হাত ধরেই প্রথমবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পা রেখেছে নরওয়ে।
নরওয়েজিয়ান এই তারকা খুব বেশি পরিশ্রম করে খেলেন এমন নয়, তবে দুই-একটি সুযোগ পেয়ে ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দেওয়ার সামর্থ্য আছে তার। এটাই হালান্ডকে বাকিদের থেকে আলাদা করেছে। ক্লাব পর্যায়েও এমন চিত্র দেখা যায়। ব্রাজিলকে হারানোর পর নিজের এই গুণ নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।
হালান্ড বলেন, ‘দুই-একটি সুযোগ পেলে আমি সেগুলোকে গোলে পরিণত করি। এটা কীভাবে হয় জানি না। তবে এটাই হয়ে আসছে।’ তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত মনোযোগ ধরে রাখাই আসল কথা। মাঠে নিজেকে বলতে থাকি, সুযোগ আসবেই। এখন আমি বুঝতে শুরু করেছি যে, গোল করতে পারাটা সৃষ্টিকর্তার দেওয়া উপহার। এটা আমার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়।’
এবারের বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জেতার দৌড়ে এগিয়ে আছেন হল্যান্ড। লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পের সমান ৭ গোল করেছেন তিনি। এখন পর্যন্ত মাঠে নামা ৪ ম্যাচের তিনটিতেই জোড়া গোল করেছেন। বাকি ম্যাচটাতে একটি। গ্রুপপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ফ্রান্সের বিপক্ষে বিশ্রামে ছিলেন হালান্ড।

ব্রাজিলের বিপক্ষে জোড়া গোল করে যা বললেন হল্যান্ড
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বেকাপের আগেই ক্লাব পর্যায়ে খেলে ‘গোলমেশিন’ তকমা পেয়েছেন নরওয়ের আরলিং হালান্ড। এবারের বিশ্বকাপেও সেই ধারাবাহিকতা দেখা গেছে। ৪ ম্যাচে ৭ গোল করে চলতি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার কাতারে রয়েছেন তিনি। সবশেষ ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ ষোলোয় জোড়া গল করে ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায় করেছেন তিনি। এরপর সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এই স্ট্রাইকার।
সোমবার (৬ জুলাই) নিউজার্সিতে শুরু হওয়া ম্যাচের প্রথম ৭৭ মিনিট গোলশূন্য ছিল উভয় দল। ৭৮ মিনিটে দুর্দান্ত হেডে নরওয়েকে লিড এনে দেন হালান্ড। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে আরেকবার বল জালে জড়িয়ে ব্যবধান বাড়ান ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা।
যদিও প্রথম থেকেই মাঠে খুব একটা সক্রিয় দেখা যায়নি হল্যান্ডকে। ব্রাজিলের রক্ষণভাগের ভয়ের কারণ হতে পারেননি। কিন্তু শেষ দিকে সুযোগ পেয়েই কাজে লাগিয়েছেন। তার হাত ধরেই প্রথমবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পা রেখেছে নরওয়ে।
নরওয়েজিয়ান এই তারকা খুব বেশি পরিশ্রম করে খেলেন এমন নয়, তবে দুই-একটি সুযোগ পেয়ে ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দেওয়ার সামর্থ্য আছে তার। এটাই হালান্ডকে বাকিদের থেকে আলাদা করেছে। ক্লাব পর্যায়েও এমন চিত্র দেখা যায়। ব্রাজিলকে হারানোর পর নিজের এই গুণ নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।
হালান্ড বলেন, ‘দুই-একটি সুযোগ পেলে আমি সেগুলোকে গোলে পরিণত করি। এটা কীভাবে হয় জানি না। তবে এটাই হয়ে আসছে।’ তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত মনোযোগ ধরে রাখাই আসল কথা। মাঠে নিজেকে বলতে থাকি, সুযোগ আসবেই। এখন আমি বুঝতে শুরু করেছি যে, গোল করতে পারাটা সৃষ্টিকর্তার দেওয়া উপহার। এটা আমার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়।’
এবারের বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জেতার দৌড়ে এগিয়ে আছেন হল্যান্ড। লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পের সমান ৭ গোল করেছেন তিনি। এখন পর্যন্ত মাঠে নামা ৪ ম্যাচের তিনটিতেই জোড়া গোল করেছেন। বাকি ম্যাচটাতে একটি। গ্রুপপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ফ্রান্সের বিপক্ষে বিশ্রামে ছিলেন হালান্ড।

ব্রাজিলকে হারানোর অন্যতম নায়ক নিলান্ড

