পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে রেফারিং নিয়ে ভিন্নমত দুই কোচের

পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে রেফারিং নিয়ে ভিন্নমত দুই কোচের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের হাইভোল্টেজ ম্যাচে শুরুতে পিছিয়ে পড়েও ক্রোয়েশিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে পর্তুগাল। ম্যাচ শেষে রেফারিংয়ের মান ও সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে দুই দলের কোচের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র ভিন্নমত। পুরো ম্যাচজুড়ে অফসাইডের কারণে ক্রোয়েশিয়ার তিনটি গোল বাতিল হওয়ায় মাঠ ও মাঠের বাইরে চরম নাটকীয়তার সৃষ্টি হয়। পর্তুগিজ কোচ রবার্তো মার্তিনেজ রেফারির প্রতিটি সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে সমর্থন করলেও, একে ‘খুবই বাজে রেফারিং’ বলে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ক্রোয়েশিয়ার কোচ জ্লাতকো দালিচ। তবে হারের পেছনে এটাকে কোনো অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে নারাজ এ ক্রোয়াট মাস্টারমাইন্ড।
ম্যাচের শুরুতে ইভান পেরিসিচের গোলে ক্রোয়াটরা এগিয়ে গেলে উল্লাসে মাতে গ্যালারি। তবে দ্বিতীয়ার্ধের ৬৮তম মিনিটে ডি-বক্সে ক্রোয়েশিয়ার নিকোলা ভ্লাসিচ পর্তুগালের খেনাতো ভাইগাকে টেনে ফেলে দিলে ভিএআর ও মনিটর দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নেন রেফারি। সফল স্পট কিকে পর্তুগিজদের সমতায় ফেরান ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এরপর নির্ধারিত সময় শেষে যোগ করা সময়ে পর্তুগালকে এগিয়ে নেন গনসালো রামোস। নাটকীয়তার এখানেই শেষ নয়। রামোসের গোলের কিছুক্ষণ পরেই পর্তুগালের জালে বল পাঠান ইওস্কো গাভার্দিওল। কিন্তু দীর্ঘ সময় ভিএআর পর্যালোচনার পর রেফারি মনিটরে দেখে রায় দেন পাস দেওয়ার মুহূর্তে মারিও পাশালিচ অফসাইডে ছিলেন।
এ সিদ্ধান্ত কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছিল না ক্রোয়াট শিবির। ক্ষুব্ধ সমর্থকরা গ্যালারি থেকে মাঠে বোতল ছুড়তে শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ফলে নির্ধারিত ১০ মিনিটের যোগ করা সময় শেষ পর্যন্ত গড়ায় ১৯ মিনিটে গিয়ে। ম্যাচ শেষে ৫৯ বছর বয়সী দালিচ রেফারিং নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, রেফারিং অত্যন্ত বাজে ছিল, তবে তারা ম্যাচটি আরও আগেই নিজেদের করে নিতে পারতেন বিধায় হারের কোনো অজুহাত তিনি দেবেন না। প্রথমার্ধে সুযোগ তৈরি করতে না পারা এবং দ্বিতীয়ার্ধে ভালো খেলেও ভাগ্যের সহায়তা না পাওয়াকে তিনি বিদায়ের কারণ হিসেবে দেখছেন।
২০১৮ বিশ্বকাপের রানার্সআপ ও গত আসরের তৃতীয় স্থান পাওয়া দলটির এভাবে আগেভাগে বিদায় নেওয়াটা সবচেয়ে বেশি পোড়াচ্ছে ৪০ বছর বয়সী অধিনায়ক লুকা মদ্রিচকে। ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপটি এভাবে রাঙাতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন দালিচও। তবে ২০১৭ সাল থেকে ক্রোয়াটদের ডাগআউট সামলানো এ কোচ দলের এক সোনালী অধ্যায়ের সমাপ্তি টেনে তরুণদের হাত ধরে নতুন শুরুর ব্যাপারে আশাবাদী। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনই নিশ্চিত কিছু না জানিয়ে দেশে ফিরে আলোচনার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান দালিচ।

বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের হাইভোল্টেজ ম্যাচে শুরুতে পিছিয়ে পড়েও ক্রোয়েশিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে পর্তুগাল। ম্যাচ শেষে রেফারিংয়ের মান ও সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে দুই দলের কোচের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র ভিন্নমত। পুরো ম্যাচজুড়ে অফসাইডের কারণে ক্রোয়েশিয়ার তিনটি গোল বাতিল হওয়ায় মাঠ ও মাঠের বাইরে চরম নাটকীয়তার সৃষ্টি হয়। পর্তুগিজ কোচ রবার্তো মার্তিনেজ রেফারির প্রতিটি সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে সমর্থন করলেও, একে ‘খুবই বাজে রেফারিং’ বলে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ক্রোয়েশিয়ার কোচ জ্লাতকো দালিচ। তবে হারের পেছনে এটাকে কোনো অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে নারাজ এ ক্রোয়াট মাস্টারমাইন্ড।
ম্যাচের শুরুতে ইভান পেরিসিচের গোলে ক্রোয়াটরা এগিয়ে গেলে উল্লাসে মাতে গ্যালারি। তবে দ্বিতীয়ার্ধের ৬৮তম মিনিটে ডি-বক্সে ক্রোয়েশিয়ার নিকোলা ভ্লাসিচ পর্তুগালের খেনাতো ভাইগাকে টেনে ফেলে দিলে ভিএআর ও মনিটর দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নেন রেফারি। সফল স্পট কিকে পর্তুগিজদের সমতায় ফেরান ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এরপর নির্ধারিত সময় শেষে যোগ করা সময়ে পর্তুগালকে এগিয়ে নেন গনসালো রামোস। নাটকীয়তার এখানেই শেষ নয়। রামোসের গোলের কিছুক্ষণ পরেই পর্তুগালের জালে বল পাঠান ইওস্কো গাভার্দিওল। কিন্তু দীর্ঘ সময় ভিএআর পর্যালোচনার পর রেফারি মনিটরে দেখে রায় দেন পাস দেওয়ার মুহূর্তে মারিও পাশালিচ অফসাইডে ছিলেন।
এ সিদ্ধান্ত কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছিল না ক্রোয়াট শিবির। ক্ষুব্ধ সমর্থকরা গ্যালারি থেকে মাঠে বোতল ছুড়তে শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ফলে নির্ধারিত ১০ মিনিটের যোগ করা সময় শেষ পর্যন্ত গড়ায় ১৯ মিনিটে গিয়ে। ম্যাচ শেষে ৫৯ বছর বয়সী দালিচ রেফারিং নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, রেফারিং অত্যন্ত বাজে ছিল, তবে তারা ম্যাচটি আরও আগেই নিজেদের করে নিতে পারতেন বিধায় হারের কোনো অজুহাত তিনি দেবেন না। প্রথমার্ধে সুযোগ তৈরি করতে না পারা এবং দ্বিতীয়ার্ধে ভালো খেলেও ভাগ্যের সহায়তা না পাওয়াকে তিনি বিদায়ের কারণ হিসেবে দেখছেন।
২০১৮ বিশ্বকাপের রানার্সআপ ও গত আসরের তৃতীয় স্থান পাওয়া দলটির এভাবে আগেভাগে বিদায় নেওয়াটা সবচেয়ে বেশি পোড়াচ্ছে ৪০ বছর বয়সী অধিনায়ক লুকা মদ্রিচকে। ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপটি এভাবে রাঙাতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন দালিচও। তবে ২০১৭ সাল থেকে ক্রোয়াটদের ডাগআউট সামলানো এ কোচ দলের এক সোনালী অধ্যায়ের সমাপ্তি টেনে তরুণদের হাত ধরে নতুন শুরুর ব্যাপারে আশাবাদী। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনই নিশ্চিত কিছু না জানিয়ে দেশে ফিরে আলোচনার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান দালিচ।

পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে রেফারিং নিয়ে ভিন্নমত দুই কোচের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের হাইভোল্টেজ ম্যাচে শুরুতে পিছিয়ে পড়েও ক্রোয়েশিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে পর্তুগাল। ম্যাচ শেষে রেফারিংয়ের মান ও সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে দুই দলের কোচের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র ভিন্নমত। পুরো ম্যাচজুড়ে অফসাইডের কারণে ক্রোয়েশিয়ার তিনটি গোল বাতিল হওয়ায় মাঠ ও মাঠের বাইরে চরম নাটকীয়তার সৃষ্টি হয়। পর্তুগিজ কোচ রবার্তো মার্তিনেজ রেফারির প্রতিটি সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে সমর্থন করলেও, একে ‘খুবই বাজে রেফারিং’ বলে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ক্রোয়েশিয়ার কোচ জ্লাতকো দালিচ। তবে হারের পেছনে এটাকে কোনো অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে নারাজ এ ক্রোয়াট মাস্টারমাইন্ড।
ম্যাচের শুরুতে ইভান পেরিসিচের গোলে ক্রোয়াটরা এগিয়ে গেলে উল্লাসে মাতে গ্যালারি। তবে দ্বিতীয়ার্ধের ৬৮তম মিনিটে ডি-বক্সে ক্রোয়েশিয়ার নিকোলা ভ্লাসিচ পর্তুগালের খেনাতো ভাইগাকে টেনে ফেলে দিলে ভিএআর ও মনিটর দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নেন রেফারি। সফল স্পট কিকে পর্তুগিজদের সমতায় ফেরান ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এরপর নির্ধারিত সময় শেষে যোগ করা সময়ে পর্তুগালকে এগিয়ে নেন গনসালো রামোস। নাটকীয়তার এখানেই শেষ নয়। রামোসের গোলের কিছুক্ষণ পরেই পর্তুগালের জালে বল পাঠান ইওস্কো গাভার্দিওল। কিন্তু দীর্ঘ সময় ভিএআর পর্যালোচনার পর রেফারি মনিটরে দেখে রায় দেন পাস দেওয়ার মুহূর্তে মারিও পাশালিচ অফসাইডে ছিলেন।
এ সিদ্ধান্ত কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছিল না ক্রোয়াট শিবির। ক্ষুব্ধ সমর্থকরা গ্যালারি থেকে মাঠে বোতল ছুড়তে শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ফলে নির্ধারিত ১০ মিনিটের যোগ করা সময় শেষ পর্যন্ত গড়ায় ১৯ মিনিটে গিয়ে। ম্যাচ শেষে ৫৯ বছর বয়সী দালিচ রেফারিং নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, রেফারিং অত্যন্ত বাজে ছিল, তবে তারা ম্যাচটি আরও আগেই নিজেদের করে নিতে পারতেন বিধায় হারের কোনো অজুহাত তিনি দেবেন না। প্রথমার্ধে সুযোগ তৈরি করতে না পারা এবং দ্বিতীয়ার্ধে ভালো খেলেও ভাগ্যের সহায়তা না পাওয়াকে তিনি বিদায়ের কারণ হিসেবে দেখছেন।
২০১৮ বিশ্বকাপের রানার্সআপ ও গত আসরের তৃতীয় স্থান পাওয়া দলটির এভাবে আগেভাগে বিদায় নেওয়াটা সবচেয়ে বেশি পোড়াচ্ছে ৪০ বছর বয়সী অধিনায়ক লুকা মদ্রিচকে। ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপটি এভাবে রাঙাতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন দালিচও। তবে ২০১৭ সাল থেকে ক্রোয়াটদের ডাগআউট সামলানো এ কোচ দলের এক সোনালী অধ্যায়ের সমাপ্তি টেনে তরুণদের হাত ধরে নতুন শুরুর ব্যাপারে আশাবাদী। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনই নিশ্চিত কিছু না জানিয়ে দেশে ফিরে আলোচনার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান দালিচ।

ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে গোলে আক্ষেপ ঘুচলো রোনালদোর


