বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রকারীদের’ তালিকা প্রকাশ

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রকারীদের’ তালিকা প্রকাশ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা একাধিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাগবিতণ্ডা চলছে। এরই মধ্যে ‘আর্জেন্টিনা বিরোধী’ প্রচারণা চালানোর অভিযোগে ১০ জন আন্তর্জাতিক খ্যাতনামা ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে আর্জেন্টিনার ‘তোদো নতিসিয়াস’ নামের অনুষ্ঠান।
আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারে। ১২০ মিনিট গড়ানো ম্যাচটিতে নির্ধারিত সময়ে গোলমুখে কোনো শট নিতে পারেনি আর্জেন্টিনা। এরপর থেকেই ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে নানা ধরনের ষড়যন্ত্রতত্ত্ব আবিষ্কার করেছেন আর্জেন্টাইন সমর্থকরা।
‘তোদো নতিসিয়াস’ এবার প্রকাশ করলো আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রকারীদের’ তালিকা, যেখানে সবার উপরে আছেন মিসরের কোচ হোসাম হাসান।
শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে হেরে বিদায় নেয় মিসর। ওই ম্যাচে মেসি ও আর্জেন্টিনার প্রতি ফিফার পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে হোসাম বলেছিলেন, ‘আমরা তাদের বিপক্ষে অনেক ভালো দল ছিলাম, কিন্তু যা হলো সেটা অন্যায় হয়েছে। এটা কি শুধু মার্কেটিংয়ের জন্য? তারা কি চায় মেসি খেলা চালিয়ে যাক?’
ব্রিটিশ মিডিয়া ব্যক্তিত্ব পিয়ার্স মরগানও আছেন এই তালিকায়। তিনি আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেন।
আমেরিকান অভিনেতা স্যামুয়েল জ্যাকসনকেও ‘আর্জেন্টিনা বিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে। তিনি আর্জেন্টিনাকে ‘বর্ণবাদী দেশ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এই তালিকার শেষ দিকে আছেন নিউইয়র্ক মেয়র জোহরান মামদানি, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম, স্প্যানিশ গায়ক রোসালিয়া ও চিলিয়ান অভিনেতা পেদ্রো পাসকাল।
আর্জেন্টাইন প্রতিবেদনটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। কেউ কেউ এটিকে একটি বৈধ আত্মপক্ষ সমর্থন হিসেবে বিবেচনা করেন।

বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা একাধিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাগবিতণ্ডা চলছে। এরই মধ্যে ‘আর্জেন্টিনা বিরোধী’ প্রচারণা চালানোর অভিযোগে ১০ জন আন্তর্জাতিক খ্যাতনামা ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে আর্জেন্টিনার ‘তোদো নতিসিয়াস’ নামের অনুষ্ঠান।
আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারে। ১২০ মিনিট গড়ানো ম্যাচটিতে নির্ধারিত সময়ে গোলমুখে কোনো শট নিতে পারেনি আর্জেন্টিনা। এরপর থেকেই ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে নানা ধরনের ষড়যন্ত্রতত্ত্ব আবিষ্কার করেছেন আর্জেন্টাইন সমর্থকরা।
‘তোদো নতিসিয়াস’ এবার প্রকাশ করলো আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রকারীদের’ তালিকা, যেখানে সবার উপরে আছেন মিসরের কোচ হোসাম হাসান।
শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে হেরে বিদায় নেয় মিসর। ওই ম্যাচে মেসি ও আর্জেন্টিনার প্রতি ফিফার পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে হোসাম বলেছিলেন, ‘আমরা তাদের বিপক্ষে অনেক ভালো দল ছিলাম, কিন্তু যা হলো সেটা অন্যায় হয়েছে। এটা কি শুধু মার্কেটিংয়ের জন্য? তারা কি চায় মেসি খেলা চালিয়ে যাক?’
ব্রিটিশ মিডিয়া ব্যক্তিত্ব পিয়ার্স মরগানও আছেন এই তালিকায়। তিনি আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেন।
আমেরিকান অভিনেতা স্যামুয়েল জ্যাকসনকেও ‘আর্জেন্টিনা বিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে। তিনি আর্জেন্টিনাকে ‘বর্ণবাদী দেশ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এই তালিকার শেষ দিকে আছেন নিউইয়র্ক মেয়র জোহরান মামদানি, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম, স্প্যানিশ গায়ক রোসালিয়া ও চিলিয়ান অভিনেতা পেদ্রো পাসকাল।
আর্জেন্টাইন প্রতিবেদনটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। কেউ কেউ এটিকে একটি বৈধ আত্মপক্ষ সমর্থন হিসেবে বিবেচনা করেন।

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রকারীদের’ তালিকা প্রকাশ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা একাধিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাগবিতণ্ডা চলছে। এরই মধ্যে ‘আর্জেন্টিনা বিরোধী’ প্রচারণা চালানোর অভিযোগে ১০ জন আন্তর্জাতিক খ্যাতনামা ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে আর্জেন্টিনার ‘তোদো নতিসিয়াস’ নামের অনুষ্ঠান।
আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারে। ১২০ মিনিট গড়ানো ম্যাচটিতে নির্ধারিত সময়ে গোলমুখে কোনো শট নিতে পারেনি আর্জেন্টিনা। এরপর থেকেই ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে নানা ধরনের ষড়যন্ত্রতত্ত্ব আবিষ্কার করেছেন আর্জেন্টাইন সমর্থকরা।
‘তোদো নতিসিয়াস’ এবার প্রকাশ করলো আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রকারীদের’ তালিকা, যেখানে সবার উপরে আছেন মিসরের কোচ হোসাম হাসান।
শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে হেরে বিদায় নেয় মিসর। ওই ম্যাচে মেসি ও আর্জেন্টিনার প্রতি ফিফার পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে হোসাম বলেছিলেন, ‘আমরা তাদের বিপক্ষে অনেক ভালো দল ছিলাম, কিন্তু যা হলো সেটা অন্যায় হয়েছে। এটা কি শুধু মার্কেটিংয়ের জন্য? তারা কি চায় মেসি খেলা চালিয়ে যাক?’
ব্রিটিশ মিডিয়া ব্যক্তিত্ব পিয়ার্স মরগানও আছেন এই তালিকায়। তিনি আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেন।
আমেরিকান অভিনেতা স্যামুয়েল জ্যাকসনকেও ‘আর্জেন্টিনা বিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে। তিনি আর্জেন্টিনাকে ‘বর্ণবাদী দেশ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এই তালিকার শেষ দিকে আছেন নিউইয়র্ক মেয়র জোহরান মামদানি, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম, স্প্যানিশ গায়ক রোসালিয়া ও চিলিয়ান অভিনেতা পেদ্রো পাসকাল।
আর্জেন্টাইন প্রতিবেদনটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। কেউ কেউ এটিকে একটি বৈধ আত্মপক্ষ সমর্থন হিসেবে বিবেচনা করেন।

ব্যালন ডি’অর এর পাওয়ার র্যাংকিংয়ে এগিয়ে কে
লরেঞ্জোর উপরই ভরসা রাখছে কলম্বিয়া




