১২০ মিনিটে অন টার্গেট একটি শটও নিতে পারেনি আর্জেন্টিনা

১২০ মিনিটে অন টার্গেট একটি শটও নিতে পারেনি আর্জেন্টিনা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের শক্তশালী রক্ষণ ও নিখুঁত পরিকল্পনার সামনে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগ। লিওনেল মেসি মাঠে থাকা সত্ত্বেও পুরো ১২০ মিনিটের খেলায় গোলপোস্ট লক্ষ্য করে একটি শটও নিতে পারেনি লিওনেল স্কালোনির দল। শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই শেষে ১-০ গোলের ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে বিশ্বসেরার মুকুট পরেছে স্পেন।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে রবিবার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় ফাইনালে মুখোমুখি হয় দুই ফুটবল পরাশক্তি। তবে নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং অতিরিক্ত সময়ের ৩০ মিনিটে স্প্যানিশ রক্ষণভাগ পেরিয়ে কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা। পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনা মাত্র ২টি শট নিতে পারলেও তার একটিও স্পেনের গোলপোস্টের লক্ষ্যে ছিল না।
বিপরীতে ম্যাচজুড়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে স্পেন। তারা আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগে টানা চাপ সৃষ্টি করে মোট ২০টি শট নেয়, যার মধ্যে ১২টিই ছিল গোলপোস্ট লক্ষ্য করে। স্প্যানিশ আক্রমণভাগের এ ঝড়ের সামনে গোলপোস্টের নিচে একা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। তার দুর্দান্ত কয়েকটি সেভের কারণে আর্জেন্টিনা দীর্ঘক্ষণ ম্যাচে টিকে থাকলেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা হয়নি।
নির্ধারিত সময়ে খেলা গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় স্পেন। বক্সের বাইরে থেকে ভেসে আসা বলটিকে মাঠের ভেতরে ধরে রাখেন নিকো উইলিয়ামস। সুবিধাজনক জায়গায় সেই বল পেয়ে এক চমৎকার শটে জালে জড়ান ফেরান তোরেস। পিছিয়ে পড়ার পর আর্জেন্টিনা সমতায় ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও স্পেনের শক্ত রক্ষণভাগ আর ভাঙতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের ঐতিহাসিক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন।

যুক্তরাষ্ট্রের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের শক্তশালী রক্ষণ ও নিখুঁত পরিকল্পনার সামনে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগ। লিওনেল মেসি মাঠে থাকা সত্ত্বেও পুরো ১২০ মিনিটের খেলায় গোলপোস্ট লক্ষ্য করে একটি শটও নিতে পারেনি লিওনেল স্কালোনির দল। শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই শেষে ১-০ গোলের ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে বিশ্বসেরার মুকুট পরেছে স্পেন।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে রবিবার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় ফাইনালে মুখোমুখি হয় দুই ফুটবল পরাশক্তি। তবে নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং অতিরিক্ত সময়ের ৩০ মিনিটে স্প্যানিশ রক্ষণভাগ পেরিয়ে কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা। পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনা মাত্র ২টি শট নিতে পারলেও তার একটিও স্পেনের গোলপোস্টের লক্ষ্যে ছিল না।
বিপরীতে ম্যাচজুড়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে স্পেন। তারা আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগে টানা চাপ সৃষ্টি করে মোট ২০টি শট নেয়, যার মধ্যে ১২টিই ছিল গোলপোস্ট লক্ষ্য করে। স্প্যানিশ আক্রমণভাগের এ ঝড়ের সামনে গোলপোস্টের নিচে একা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। তার দুর্দান্ত কয়েকটি সেভের কারণে আর্জেন্টিনা দীর্ঘক্ষণ ম্যাচে টিকে থাকলেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা হয়নি।
নির্ধারিত সময়ে খেলা গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় স্পেন। বক্সের বাইরে থেকে ভেসে আসা বলটিকে মাঠের ভেতরে ধরে রাখেন নিকো উইলিয়ামস। সুবিধাজনক জায়গায় সেই বল পেয়ে এক চমৎকার শটে জালে জড়ান ফেরান তোরেস। পিছিয়ে পড়ার পর আর্জেন্টিনা সমতায় ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও স্পেনের শক্ত রক্ষণভাগ আর ভাঙতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের ঐতিহাসিক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন।

১২০ মিনিটে অন টার্গেট একটি শটও নিতে পারেনি আর্জেন্টিনা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের শক্তশালী রক্ষণ ও নিখুঁত পরিকল্পনার সামনে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগ। লিওনেল মেসি মাঠে থাকা সত্ত্বেও পুরো ১২০ মিনিটের খেলায় গোলপোস্ট লক্ষ্য করে একটি শটও নিতে পারেনি লিওনেল স্কালোনির দল। শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই শেষে ১-০ গোলের ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে বিশ্বসেরার মুকুট পরেছে স্পেন।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে রবিবার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় ফাইনালে মুখোমুখি হয় দুই ফুটবল পরাশক্তি। তবে নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং অতিরিক্ত সময়ের ৩০ মিনিটে স্প্যানিশ রক্ষণভাগ পেরিয়ে কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা। পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনা মাত্র ২টি শট নিতে পারলেও তার একটিও স্পেনের গোলপোস্টের লক্ষ্যে ছিল না।
বিপরীতে ম্যাচজুড়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে স্পেন। তারা আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগে টানা চাপ সৃষ্টি করে মোট ২০টি শট নেয়, যার মধ্যে ১২টিই ছিল গোলপোস্ট লক্ষ্য করে। স্প্যানিশ আক্রমণভাগের এ ঝড়ের সামনে গোলপোস্টের নিচে একা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। তার দুর্দান্ত কয়েকটি সেভের কারণে আর্জেন্টিনা দীর্ঘক্ষণ ম্যাচে টিকে থাকলেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা হয়নি।
নির্ধারিত সময়ে খেলা গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় স্পেন। বক্সের বাইরে থেকে ভেসে আসা বলটিকে মাঠের ভেতরে ধরে রাখেন নিকো উইলিয়ামস। সুবিধাজনক জায়গায় সেই বল পেয়ে এক চমৎকার শটে জালে জড়ান ফেরান তোরেস। পিছিয়ে পড়ার পর আর্জেন্টিনা সমতায় ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও স্পেনের শক্ত রক্ষণভাগ আর ভাঙতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের ঐতিহাসিক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন।

এমন দাপুটে স্পেনই বিশ্বকাপ জয়ের যোগ্য





