শাকিরা-পিকের সেই বিখ্যাত বাড়ির মালিক এখন ইয়ামাল

শাকিরা-পিকের সেই বিখ্যাত বাড়ির মালিক এখন ইয়ামাল
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

২০২৩ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে বার্সেলোনার মূল দলে অভিষেক হয় লামিনে ইয়ামালের। জাতীয় দলেও দ্রুত জায়গা করে নেন, স্পেনের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতাও তিনি। বর্তমানে তার বয়স ১৯। এরই মধ্যে তিনটি লিগ শিরোপা, একটি ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ ও বিশ্বকাপে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট তার মাথায়। ইয়ামালের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও অনেকের কৌতূহল।
ইয়ামাল স্পেনের কোথায় থাকেন তা নিয়েও সমর্থকদের মনে থাকে প্রশ্ন। ইয়ামাল মাতারোর রোকাফোন্দার মহল্লায় বেড়ে উঠেছেন। এখন তিনি থাকেন বিলাসবহুল এক বাড়িতে। ১ কোটি ইউরোর বেশি মূল্যের এই সম্পত্তির আগের মালিকানা ছিল শাকিরা ও জেরার্ড পিকের।
স্থপতি মিরেইয়া আদমেতলার ২০১২ সালে এই বাড়ির নকশা করেন। তিন তলা ও দুটি ভূগর্ভস্থ স্তরের বাড়িটি ৩৮০০ বর্গমিটারের বেশি জায়গাজুড়ে বিস্তৃত।
এই বাড়িতে রয়েছে একটি ঝর্ণাসহ আউটডোর সুইমিং পুল, একটি ইনডোর সুইমিং পুল, ব্যক্তিগত জিম, প্যাডেল কোর্ট, সিনেমা রুম, ওয়াইন সেলার, একটি রেকর্ডিং স্টুডিও এবং একটি ব্যক্তিগত ফুটবল মাঠ।
শাকিরার রেখে যাওয়া সাজসজ্জার বাড়িটি আগের মতোই রেখেছেন ইয়ামাল। স্প্যানিশ এই তরুণের ব্যক্তিগত ট্রফি, পুরস্কার ও স্মারকগুলোও জায়গা পেয়েছে বাড়িতে। নিজের মতো কিছু আসবাবপত্র কিনেছেন তিনি।
এই কমপ্লেক্সে চারটি আলাদা বাড়ি আছে। একটি পিকের বাবা-মায়ের, দ্বিতীয়টি শাকিরার বাবা-মায়ের এবং তৃতীয়টি মূল বাড়ি অর্থাৎ তরুণ বার্সা খেলোয়াড়ের। চতুর্থ বাড়ির সংস্কার কাজ এখনও শেষ হয়নি।
১৮ বছর বয়সেই বাড়ি কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেন ইয়ামাল। বর্তমানে তিনি বার্সেলোনার অন্যতম বিখ্যাত বাড়ির মালিক।

২০২৩ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে বার্সেলোনার মূল দলে অভিষেক হয় লামিনে ইয়ামালের। জাতীয় দলেও দ্রুত জায়গা করে নেন, স্পেনের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতাও তিনি। বর্তমানে তার বয়স ১৯। এরই মধ্যে তিনটি লিগ শিরোপা, একটি ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ ও বিশ্বকাপে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট তার মাথায়। ইয়ামালের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও অনেকের কৌতূহল।
ইয়ামাল স্পেনের কোথায় থাকেন তা নিয়েও সমর্থকদের মনে থাকে প্রশ্ন। ইয়ামাল মাতারোর রোকাফোন্দার মহল্লায় বেড়ে উঠেছেন। এখন তিনি থাকেন বিলাসবহুল এক বাড়িতে। ১ কোটি ইউরোর বেশি মূল্যের এই সম্পত্তির আগের মালিকানা ছিল শাকিরা ও জেরার্ড পিকের।
স্থপতি মিরেইয়া আদমেতলার ২০১২ সালে এই বাড়ির নকশা করেন। তিন তলা ও দুটি ভূগর্ভস্থ স্তরের বাড়িটি ৩৮০০ বর্গমিটারের বেশি জায়গাজুড়ে বিস্তৃত।
এই বাড়িতে রয়েছে একটি ঝর্ণাসহ আউটডোর সুইমিং পুল, একটি ইনডোর সুইমিং পুল, ব্যক্তিগত জিম, প্যাডেল কোর্ট, সিনেমা রুম, ওয়াইন সেলার, একটি রেকর্ডিং স্টুডিও এবং একটি ব্যক্তিগত ফুটবল মাঠ।
শাকিরার রেখে যাওয়া সাজসজ্জার বাড়িটি আগের মতোই রেখেছেন ইয়ামাল। স্প্যানিশ এই তরুণের ব্যক্তিগত ট্রফি, পুরস্কার ও স্মারকগুলোও জায়গা পেয়েছে বাড়িতে। নিজের মতো কিছু আসবাবপত্র কিনেছেন তিনি।
এই কমপ্লেক্সে চারটি আলাদা বাড়ি আছে। একটি পিকের বাবা-মায়ের, দ্বিতীয়টি শাকিরার বাবা-মায়ের এবং তৃতীয়টি মূল বাড়ি অর্থাৎ তরুণ বার্সা খেলোয়াড়ের। চতুর্থ বাড়ির সংস্কার কাজ এখনও শেষ হয়নি।
১৮ বছর বয়সেই বাড়ি কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেন ইয়ামাল। বর্তমানে তিনি বার্সেলোনার অন্যতম বিখ্যাত বাড়ির মালিক।

শাকিরা-পিকের সেই বিখ্যাত বাড়ির মালিক এখন ইয়ামাল
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

২০২৩ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে বার্সেলোনার মূল দলে অভিষেক হয় লামিনে ইয়ামালের। জাতীয় দলেও দ্রুত জায়গা করে নেন, স্পেনের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতাও তিনি। বর্তমানে তার বয়স ১৯। এরই মধ্যে তিনটি লিগ শিরোপা, একটি ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ ও বিশ্বকাপে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট তার মাথায়। ইয়ামালের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও অনেকের কৌতূহল।
ইয়ামাল স্পেনের কোথায় থাকেন তা নিয়েও সমর্থকদের মনে থাকে প্রশ্ন। ইয়ামাল মাতারোর রোকাফোন্দার মহল্লায় বেড়ে উঠেছেন। এখন তিনি থাকেন বিলাসবহুল এক বাড়িতে। ১ কোটি ইউরোর বেশি মূল্যের এই সম্পত্তির আগের মালিকানা ছিল শাকিরা ও জেরার্ড পিকের।
স্থপতি মিরেইয়া আদমেতলার ২০১২ সালে এই বাড়ির নকশা করেন। তিন তলা ও দুটি ভূগর্ভস্থ স্তরের বাড়িটি ৩৮০০ বর্গমিটারের বেশি জায়গাজুড়ে বিস্তৃত।
এই বাড়িতে রয়েছে একটি ঝর্ণাসহ আউটডোর সুইমিং পুল, একটি ইনডোর সুইমিং পুল, ব্যক্তিগত জিম, প্যাডেল কোর্ট, সিনেমা রুম, ওয়াইন সেলার, একটি রেকর্ডিং স্টুডিও এবং একটি ব্যক্তিগত ফুটবল মাঠ।
শাকিরার রেখে যাওয়া সাজসজ্জার বাড়িটি আগের মতোই রেখেছেন ইয়ামাল। স্প্যানিশ এই তরুণের ব্যক্তিগত ট্রফি, পুরস্কার ও স্মারকগুলোও জায়গা পেয়েছে বাড়িতে। নিজের মতো কিছু আসবাবপত্র কিনেছেন তিনি।
এই কমপ্লেক্সে চারটি আলাদা বাড়ি আছে। একটি পিকের বাবা-মায়ের, দ্বিতীয়টি শাকিরার বাবা-মায়ের এবং তৃতীয়টি মূল বাড়ি অর্থাৎ তরুণ বার্সা খেলোয়াড়ের। চতুর্থ বাড়ির সংস্কার কাজ এখনও শেষ হয়নি।
১৮ বছর বয়সেই বাড়ি কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেন ইয়ামাল। বর্তমানে তিনি বার্সেলোনার অন্যতম বিখ্যাত বাড়ির মালিক।

এলপিএলের সেরা একাদশে হৃদয়, সাকিব কি আছেন
বাবাকে নিয়ে মেসির স্মৃতিকথা চোখ ভেজাচ্ছে নতুন করে







