বল টেম্পারিংয়ে জড়িত ছিল পুরো অস্ট্রেলিয়া দল: খাজা

বল টেম্পারিংয়ে জড়িত ছিল পুরো অস্ট্রেলিয়া দল: খাজা
সিটিজেন জার্নাল স্পোর্টস ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ব্যাটসম্যান উসমান খাজা এবার বোমাই ফাটালেন! তার দাবি, ২০১৮ সালে কেপ টাউন টেস্টে বল টেম্পারিংয়ের ঘটনায় পুরো অস্ট্রেলিয়া দল জড়িত ছিল। সেই দলে ছিলেন খাজা নিজেও।
ড্রেসিংরুমে অস্ট্রেলিয়া দলে তখনকার ওপেনার ক্যামেরন ব্যানক্রফটের পাশে বসতেন খাজা। নিজের আত্মজীবনী ‘সবর’ এ এমন বিস্ফোরক দাবিই প্রকাশ করবেন খাজা। বইটি প্রকাশ হবে আগামী মঙ্গলবার।
বইটির বিষয়ে অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স এবং ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) প্রধান নির্বাহী টড গ্রিনবার্গকে আগেই জানিয়েছেন খাজা। ৩৯ বছর বয়সী সাবেক এই ক্রিকেটার নিজেই বইটি লেখেন।
আত্মজীবনী প্রকাশ হওয়ার তিন দিন আগে আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) ‘নাইন পেপার্স’কে সাক্ষাৎকার দেন খাজা। ‘স্যান্ডপেপারগেট’ কেলেঙ্কারির ঘটনা সম্পর্কে বইটিতে কী থাকছে, তা সাক্ষাৎকারে প্রকাশ করেছেন।
খাজা বলেন, ‘আমরা সবাই (জড়িত) ছিলাম। শুধু ব্যাটার, বোলার কিংবা স্টাফ নয়, আমরা সবাই।’
২০২১ সালে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’ কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ব্যানক্রফট দাবি করেন, কেপ টাউন টেস্টে বল টেম্পারিংয়ের বিষয়টি বোলারদের জানা ছিল। এর জবাবে প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড ও নাথান লায়ন যৌথ বিবৃতিতে এ বিষয়ে আগে থেকেই অস্বীকার করেছিলেন।
সত্য প্রকাশ করাকে নিজের দায়িত্ব বা অবশ্যকর্তব্য বলে মনে করেন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৮৮ টেস্ট, ৪০ ওয়ানডে, ৯টি টি-টোয়েন্টি খেলা খাজা। তার ভাষায়, ‘আদর্শ পরিস্থিতিতে আমি এটা করতে চাইতাম না। এমন কেউ হতে চাইতাম না, যে সামনে এসে সত্যটা প্রকাশ করবে। সমস্যা হলো, আমি ভেবেছিলাম যে আট বছর পর এত দিনে সত্যটা এমনিতেই সামনে চলে আসবে।’
খাজা আরও বলেন, ‘ভেবেছিলাম ডেভি (ওয়ার্নার) বিষয়টি ফাঁস করে দেবে বা অন্য কেউ এ নিয়ে আরও খোলামেলা কথা বলবে। তবে একদম শুরু থেকেই আমার অবস্থান ছিল—এর দায় সম্মিলিতভাবে নেওয়া উচিত।’
এ ঘটনায় ওই সময় দলে থাকা সবার দায় নেওয়া উচিত বলে মনে করেন খাজা। তিনি বলেন, ‘ম্যাচের পর ড্রেসিংরুমে আমি তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। বলেছিলাম, “দল হিসেবে এটার দায় নাও। শেষ পর্যন্ত এতে কাজ হয়নি এবং ওই তিনজনকে শাস্তি দেওয়া হয়।’
কেপ টাউন টেস্টে বল টেম্পারিংয়ের দায়ে শাস্তি পান স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফট।

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ব্যাটসম্যান উসমান খাজা এবার বোমাই ফাটালেন! তার দাবি, ২০১৮ সালে কেপ টাউন টেস্টে বল টেম্পারিংয়ের ঘটনায় পুরো অস্ট্রেলিয়া দল জড়িত ছিল। সেই দলে ছিলেন খাজা নিজেও।
ড্রেসিংরুমে অস্ট্রেলিয়া দলে তখনকার ওপেনার ক্যামেরন ব্যানক্রফটের পাশে বসতেন খাজা। নিজের আত্মজীবনী ‘সবর’ এ এমন বিস্ফোরক দাবিই প্রকাশ করবেন খাজা। বইটি প্রকাশ হবে আগামী মঙ্গলবার।
বইটির বিষয়ে অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স এবং ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) প্রধান নির্বাহী টড গ্রিনবার্গকে আগেই জানিয়েছেন খাজা। ৩৯ বছর বয়সী সাবেক এই ক্রিকেটার নিজেই বইটি লেখেন।
আত্মজীবনী প্রকাশ হওয়ার তিন দিন আগে আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) ‘নাইন পেপার্স’কে সাক্ষাৎকার দেন খাজা। ‘স্যান্ডপেপারগেট’ কেলেঙ্কারির ঘটনা সম্পর্কে বইটিতে কী থাকছে, তা সাক্ষাৎকারে প্রকাশ করেছেন।
খাজা বলেন, ‘আমরা সবাই (জড়িত) ছিলাম। শুধু ব্যাটার, বোলার কিংবা স্টাফ নয়, আমরা সবাই।’
২০২১ সালে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’ কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ব্যানক্রফট দাবি করেন, কেপ টাউন টেস্টে বল টেম্পারিংয়ের বিষয়টি বোলারদের জানা ছিল। এর জবাবে প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড ও নাথান লায়ন যৌথ বিবৃতিতে এ বিষয়ে আগে থেকেই অস্বীকার করেছিলেন।
সত্য প্রকাশ করাকে নিজের দায়িত্ব বা অবশ্যকর্তব্য বলে মনে করেন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৮৮ টেস্ট, ৪০ ওয়ানডে, ৯টি টি-টোয়েন্টি খেলা খাজা। তার ভাষায়, ‘আদর্শ পরিস্থিতিতে আমি এটা করতে চাইতাম না। এমন কেউ হতে চাইতাম না, যে সামনে এসে সত্যটা প্রকাশ করবে। সমস্যা হলো, আমি ভেবেছিলাম যে আট বছর পর এত দিনে সত্যটা এমনিতেই সামনে চলে আসবে।’
খাজা আরও বলেন, ‘ভেবেছিলাম ডেভি (ওয়ার্নার) বিষয়টি ফাঁস করে দেবে বা অন্য কেউ এ নিয়ে আরও খোলামেলা কথা বলবে। তবে একদম শুরু থেকেই আমার অবস্থান ছিল—এর দায় সম্মিলিতভাবে নেওয়া উচিত।’
এ ঘটনায় ওই সময় দলে থাকা সবার দায় নেওয়া উচিত বলে মনে করেন খাজা। তিনি বলেন, ‘ম্যাচের পর ড্রেসিংরুমে আমি তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। বলেছিলাম, “দল হিসেবে এটার দায় নাও। শেষ পর্যন্ত এতে কাজ হয়নি এবং ওই তিনজনকে শাস্তি দেওয়া হয়।’
কেপ টাউন টেস্টে বল টেম্পারিংয়ের দায়ে শাস্তি পান স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফট।

বল টেম্পারিংয়ে জড়িত ছিল পুরো অস্ট্রেলিয়া দল: খাজা
সিটিজেন জার্নাল স্পোর্টস ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ব্যাটসম্যান উসমান খাজা এবার বোমাই ফাটালেন! তার দাবি, ২০১৮ সালে কেপ টাউন টেস্টে বল টেম্পারিংয়ের ঘটনায় পুরো অস্ট্রেলিয়া দল জড়িত ছিল। সেই দলে ছিলেন খাজা নিজেও।
ড্রেসিংরুমে অস্ট্রেলিয়া দলে তখনকার ওপেনার ক্যামেরন ব্যানক্রফটের পাশে বসতেন খাজা। নিজের আত্মজীবনী ‘সবর’ এ এমন বিস্ফোরক দাবিই প্রকাশ করবেন খাজা। বইটি প্রকাশ হবে আগামী মঙ্গলবার।
বইটির বিষয়ে অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স এবং ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) প্রধান নির্বাহী টড গ্রিনবার্গকে আগেই জানিয়েছেন খাজা। ৩৯ বছর বয়সী সাবেক এই ক্রিকেটার নিজেই বইটি লেখেন।
আত্মজীবনী প্রকাশ হওয়ার তিন দিন আগে আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) ‘নাইন পেপার্স’কে সাক্ষাৎকার দেন খাজা। ‘স্যান্ডপেপারগেট’ কেলেঙ্কারির ঘটনা সম্পর্কে বইটিতে কী থাকছে, তা সাক্ষাৎকারে প্রকাশ করেছেন।
খাজা বলেন, ‘আমরা সবাই (জড়িত) ছিলাম। শুধু ব্যাটার, বোলার কিংবা স্টাফ নয়, আমরা সবাই।’
২০২১ সালে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’ কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ব্যানক্রফট দাবি করেন, কেপ টাউন টেস্টে বল টেম্পারিংয়ের বিষয়টি বোলারদের জানা ছিল। এর জবাবে প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড ও নাথান লায়ন যৌথ বিবৃতিতে এ বিষয়ে আগে থেকেই অস্বীকার করেছিলেন।
সত্য প্রকাশ করাকে নিজের দায়িত্ব বা অবশ্যকর্তব্য বলে মনে করেন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৮৮ টেস্ট, ৪০ ওয়ানডে, ৯টি টি-টোয়েন্টি খেলা খাজা। তার ভাষায়, ‘আদর্শ পরিস্থিতিতে আমি এটা করতে চাইতাম না। এমন কেউ হতে চাইতাম না, যে সামনে এসে সত্যটা প্রকাশ করবে। সমস্যা হলো, আমি ভেবেছিলাম যে আট বছর পর এত দিনে সত্যটা এমনিতেই সামনে চলে আসবে।’
খাজা আরও বলেন, ‘ভেবেছিলাম ডেভি (ওয়ার্নার) বিষয়টি ফাঁস করে দেবে বা অন্য কেউ এ নিয়ে আরও খোলামেলা কথা বলবে। তবে একদম শুরু থেকেই আমার অবস্থান ছিল—এর দায় সম্মিলিতভাবে নেওয়া উচিত।’
এ ঘটনায় ওই সময় দলে থাকা সবার দায় নেওয়া উচিত বলে মনে করেন খাজা। তিনি বলেন, ‘ম্যাচের পর ড্রেসিংরুমে আমি তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। বলেছিলাম, “দল হিসেবে এটার দায় নাও। শেষ পর্যন্ত এতে কাজ হয়নি এবং ওই তিনজনকে শাস্তি দেওয়া হয়।’
কেপ টাউন টেস্টে বল টেম্পারিংয়ের দায়ে শাস্তি পান স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফট।

চাপে বাংলাদেশ, হৃদয়ের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি







