এমবোলোর লাল কার্ড ঘিরে বিতর্ক

এমবোলোর লাল কার্ড ঘিরে বিতর্ক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৬৭ মিনিটে সমতা ফেরায় সুইজারল্যান্ড। এর পাঁচ মিনিট পর তারা ১০ জনের দলে পরিণত হয়। ৭২ মিনিটে সুইস ফরোয়ার্ড এমবোলো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন। তাতে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।
তবে ম্যাচ চলাকালেই এই লাল কার্ড ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরী হয়েছে বিতর্ক।
৬৯ মিনিটে রেফারি প্রথমে এমবোলোকে ফাউল করার কারণে পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান। তবে ভিএআর বিষয়টি মনিটরে দেখতে বলেন মাঠের রেফারিকে।
সেখানে দেখে এমবোলোকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। বলা হচ্ছে পারেদেস ও এমবোলোর মধ্যে কোনো সংস্পর্শ হয়নি। ফাউলের অভিনয় করার কারণে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন সুইস ফরোয়ার্ড।
তার এই দ্বিতীয় হলুদ কার্ডে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরী হয়েছে বিতর্ক।
কারও মতে, পারেদেসের সঙ্গে স্পর্শ লেগেছিল তো কেউ সমালোচনা করছেন এমবোলোর অভিনয়ে।

কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৬৭ মিনিটে সমতা ফেরায় সুইজারল্যান্ড। এর পাঁচ মিনিট পর তারা ১০ জনের দলে পরিণত হয়। ৭২ মিনিটে সুইস ফরোয়ার্ড এমবোলো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন। তাতে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।
তবে ম্যাচ চলাকালেই এই লাল কার্ড ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরী হয়েছে বিতর্ক।
৬৯ মিনিটে রেফারি প্রথমে এমবোলোকে ফাউল করার কারণে পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান। তবে ভিএআর বিষয়টি মনিটরে দেখতে বলেন মাঠের রেফারিকে।
সেখানে দেখে এমবোলোকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। বলা হচ্ছে পারেদেস ও এমবোলোর মধ্যে কোনো সংস্পর্শ হয়নি। ফাউলের অভিনয় করার কারণে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন সুইস ফরোয়ার্ড।
তার এই দ্বিতীয় হলুদ কার্ডে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরী হয়েছে বিতর্ক।
কারও মতে, পারেদেসের সঙ্গে স্পর্শ লেগেছিল তো কেউ সমালোচনা করছেন এমবোলোর অভিনয়ে।

এমবোলোর লাল কার্ড ঘিরে বিতর্ক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৬৭ মিনিটে সমতা ফেরায় সুইজারল্যান্ড। এর পাঁচ মিনিট পর তারা ১০ জনের দলে পরিণত হয়। ৭২ মিনিটে সুইস ফরোয়ার্ড এমবোলো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন। তাতে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।
তবে ম্যাচ চলাকালেই এই লাল কার্ড ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরী হয়েছে বিতর্ক।
৬৯ মিনিটে রেফারি প্রথমে এমবোলোকে ফাউল করার কারণে পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান। তবে ভিএআর বিষয়টি মনিটরে দেখতে বলেন মাঠের রেফারিকে।
সেখানে দেখে এমবোলোকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। বলা হচ্ছে পারেদেস ও এমবোলোর মধ্যে কোনো সংস্পর্শ হয়নি। ফাউলের অভিনয় করার কারণে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন সুইস ফরোয়ার্ড।
তার এই দ্বিতীয় হলুদ কার্ডে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরী হয়েছে বিতর্ক।
কারও মতে, পারেদেসের সঙ্গে স্পর্শ লেগেছিল তো কেউ সমালোচনা করছেন এমবোলোর অভিনয়ে।

বিশ্বকাপে মেসির ২১ রেকর্ড, আরও কীর্তি গড়ার অপেক্ষায়


