২০২৭ সালের দুই ঈদের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ, রোজা শুরু কবে

২০২৭ সালের দুই ঈদের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ, রোজা শুরু কবে
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

২০২৭ সালের পবিত্র রমজান ও দুই ঈদ ঘিরে মুসল্লি মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে আগামী বছরের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসগুলোর সম্ভাব্য সময়সূচি। সেই সূচি অনুযায়ী, ৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে পারে পবিত্র রমজান। আর ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে ৯ অথবা ১০ মার্চ।
কাজাখস্তানের মুসলিমদের ধর্মীয় প্রশাসন প্রকাশিত ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে হিসাবে ৯ মার্চ পালিত হতে পারে পবিত্র ঈদুল ফিতর। একই ক্যালেন্ডারে ৫ মার্চ দিবাগত রাতকে পবিত্র শবে কদরের সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, আগামী বছরের পবিত্র ঈদুল আজহাও মে মাসে উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী, ১৬ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত চলতে পারে ঈদুল আজহার তিন দিনের আনুষ্ঠানিকতা। এর আগের দিন, অর্থাৎ ১৫ মে পালিত হতে পারে পবিত্র হজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন ইয়াওমে আরাফা।
ধর্মীয় ক্যালেন্ডারে উল্লেখ করা হয়েছে, ৪-৫ জানুয়ারি দিবাগত রাতে শবে মেরাজ, ২২-২৩ জানুয়ারি দিবাগত রাতে শবে বরাত এবং ১৫ জুন পবিত্র আশুরা পালিত হতে পারে। এছাড়া ১৪-১৫ আগস্টের মধ্যে উদযাপিত হতে পারে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)।
অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাসের ভিত্তিতে ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য সময়সূচি তুলে ধরা হয়েছে।
সেখানে বলা হয়েছে, ৮ ফেব্রুয়ারি, সোমবার থেকে শুরু হতে পারে পবিত্র রমজান।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখার চেষ্টা করা হবে। সেদিন চাঁদ দেখা গেলে রাতে তারাবিহ নামাজের মধ্য দিয়ে শুরু হবে রমজানের আনুষ্ঠানিকতা। পরদিন ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সেহরি ও রোজা পালন করবেন মুসল্লিরা।তবে ঈদুল ফিতরের তারিখ নিয়ে রয়েছে সামান্য ভিন্নতা।
গালফ নিউজের পূর্বাভাসে ১০ মার্চ ঈদ উদযাপনের সম্ভাবনার কথা বলা হলেও কাজাখস্তানের ধর্মীয় প্রশাসনের ক্যালেন্ডারে ৯ মার্চকে সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, রমজান শুরুর সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে দুই পূর্বাভাসে মিল থাকলেও ঈদুল ফিতর উদযাপনের ক্ষেত্রে এক দিনের ব্যবধান রয়েছে। মূলত নতুন চাঁদের অবস্থান, দৃশ্যমানতা এবং স্থানীয় চাঁদ দেখার সিদ্ধান্তের কারণে এমন পার্থক্য দেখা দিতে পারে।
ইসলামি বিধান অনুযায়ী, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করেই রমজান ও ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসের আনুষ্ঠানিক তারিখ নির্ধারিত হবে। তাই প্রকাশিত সময়সূচিকে আপাতত সম্ভাব্য ক্যালেন্ডার হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।

২০২৭ সালের পবিত্র রমজান ও দুই ঈদ ঘিরে মুসল্লি মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে আগামী বছরের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসগুলোর সম্ভাব্য সময়সূচি। সেই সূচি অনুযায়ী, ৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে পারে পবিত্র রমজান। আর ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে ৯ অথবা ১০ মার্চ।
কাজাখস্তানের মুসলিমদের ধর্মীয় প্রশাসন প্রকাশিত ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে হিসাবে ৯ মার্চ পালিত হতে পারে পবিত্র ঈদুল ফিতর। একই ক্যালেন্ডারে ৫ মার্চ দিবাগত রাতকে পবিত্র শবে কদরের সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, আগামী বছরের পবিত্র ঈদুল আজহাও মে মাসে উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী, ১৬ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত চলতে পারে ঈদুল আজহার তিন দিনের আনুষ্ঠানিকতা। এর আগের দিন, অর্থাৎ ১৫ মে পালিত হতে পারে পবিত্র হজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন ইয়াওমে আরাফা।
ধর্মীয় ক্যালেন্ডারে উল্লেখ করা হয়েছে, ৪-৫ জানুয়ারি দিবাগত রাতে শবে মেরাজ, ২২-২৩ জানুয়ারি দিবাগত রাতে শবে বরাত এবং ১৫ জুন পবিত্র আশুরা পালিত হতে পারে। এছাড়া ১৪-১৫ আগস্টের মধ্যে উদযাপিত হতে পারে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)।
অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাসের ভিত্তিতে ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য সময়সূচি তুলে ধরা হয়েছে।
সেখানে বলা হয়েছে, ৮ ফেব্রুয়ারি, সোমবার থেকে শুরু হতে পারে পবিত্র রমজান।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখার চেষ্টা করা হবে। সেদিন চাঁদ দেখা গেলে রাতে তারাবিহ নামাজের মধ্য দিয়ে শুরু হবে রমজানের আনুষ্ঠানিকতা। পরদিন ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সেহরি ও রোজা পালন করবেন মুসল্লিরা।তবে ঈদুল ফিতরের তারিখ নিয়ে রয়েছে সামান্য ভিন্নতা।
গালফ নিউজের পূর্বাভাসে ১০ মার্চ ঈদ উদযাপনের সম্ভাবনার কথা বলা হলেও কাজাখস্তানের ধর্মীয় প্রশাসনের ক্যালেন্ডারে ৯ মার্চকে সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, রমজান শুরুর সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে দুই পূর্বাভাসে মিল থাকলেও ঈদুল ফিতর উদযাপনের ক্ষেত্রে এক দিনের ব্যবধান রয়েছে। মূলত নতুন চাঁদের অবস্থান, দৃশ্যমানতা এবং স্থানীয় চাঁদ দেখার সিদ্ধান্তের কারণে এমন পার্থক্য দেখা দিতে পারে।
ইসলামি বিধান অনুযায়ী, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করেই রমজান ও ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসের আনুষ্ঠানিক তারিখ নির্ধারিত হবে। তাই প্রকাশিত সময়সূচিকে আপাতত সম্ভাব্য ক্যালেন্ডার হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।

২০২৭ সালের দুই ঈদের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ, রোজা শুরু কবে
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

২০২৭ সালের পবিত্র রমজান ও দুই ঈদ ঘিরে মুসল্লি মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে আগামী বছরের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসগুলোর সম্ভাব্য সময়সূচি। সেই সূচি অনুযায়ী, ৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে পারে পবিত্র রমজান। আর ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে ৯ অথবা ১০ মার্চ।
কাজাখস্তানের মুসলিমদের ধর্মীয় প্রশাসন প্রকাশিত ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে হিসাবে ৯ মার্চ পালিত হতে পারে পবিত্র ঈদুল ফিতর। একই ক্যালেন্ডারে ৫ মার্চ দিবাগত রাতকে পবিত্র শবে কদরের সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, আগামী বছরের পবিত্র ঈদুল আজহাও মে মাসে উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী, ১৬ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত চলতে পারে ঈদুল আজহার তিন দিনের আনুষ্ঠানিকতা। এর আগের দিন, অর্থাৎ ১৫ মে পালিত হতে পারে পবিত্র হজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন ইয়াওমে আরাফা।
ধর্মীয় ক্যালেন্ডারে উল্লেখ করা হয়েছে, ৪-৫ জানুয়ারি দিবাগত রাতে শবে মেরাজ, ২২-২৩ জানুয়ারি দিবাগত রাতে শবে বরাত এবং ১৫ জুন পবিত্র আশুরা পালিত হতে পারে। এছাড়া ১৪-১৫ আগস্টের মধ্যে উদযাপিত হতে পারে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)।
অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাসের ভিত্তিতে ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য সময়সূচি তুলে ধরা হয়েছে।
সেখানে বলা হয়েছে, ৮ ফেব্রুয়ারি, সোমবার থেকে শুরু হতে পারে পবিত্র রমজান।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখার চেষ্টা করা হবে। সেদিন চাঁদ দেখা গেলে রাতে তারাবিহ নামাজের মধ্য দিয়ে শুরু হবে রমজানের আনুষ্ঠানিকতা। পরদিন ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সেহরি ও রোজা পালন করবেন মুসল্লিরা।তবে ঈদুল ফিতরের তারিখ নিয়ে রয়েছে সামান্য ভিন্নতা।
গালফ নিউজের পূর্বাভাসে ১০ মার্চ ঈদ উদযাপনের সম্ভাবনার কথা বলা হলেও কাজাখস্তানের ধর্মীয় প্রশাসনের ক্যালেন্ডারে ৯ মার্চকে সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, রমজান শুরুর সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে দুই পূর্বাভাসে মিল থাকলেও ঈদুল ফিতর উদযাপনের ক্ষেত্রে এক দিনের ব্যবধান রয়েছে। মূলত নতুন চাঁদের অবস্থান, দৃশ্যমানতা এবং স্থানীয় চাঁদ দেখার সিদ্ধান্তের কারণে এমন পার্থক্য দেখা দিতে পারে।
ইসলামি বিধান অনুযায়ী, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করেই রমজান ও ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসের আনুষ্ঠানিক তারিখ নির্ধারিত হবে। তাই প্রকাশিত সময়সূচিকে আপাতত সম্ভাব্য ক্যালেন্ডার হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।

কবে শুরু হতে পারে আগামী রমজান ও ঈদুল ফিতর







