সাভারে এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলা, শিবিরের প্রতিবাদ

সাভারে এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলা, শিবিরের প্রতিবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাভারের ঈদগাহ মাঠে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা ২০২৬’-পরবর্তী শান্তিপূর্ণ সমাবেশে ককটেল হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সোমবার (৬ জুলাই) সাভারে এনসিপির সমাবেশে পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ফ্যাসিবাদ ও একদলীয় শাসনের ধারক-বাহকদের কাছে ন্যূনতম রাজনৈতিক শিষ্টাচার আশা করা বৃথা। পতিত মাফিয়া চক্র যে দেশে আরও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চক্রান্তে লিপ্ত, সাভারের এই কাপুরুষোচিত হামলাই তার প্রমাণ।
তারা বলেন, এনসিপির শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে এ ধরনের ভয়ংকর হামলা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। আমরা এই হামলায় একজন ‘জুলাই শহীদের’ পিতাসহ আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।
নেতৃবৃন্দ বলেন, নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। কিন্তু একটি পূর্বঘোষিত রাজনৈতিক আয়োজনে এমন ভয়াবহ হামলা প্রশাসনের চরম ব্যর্থতারই প্রমাণ। আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি, প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এখনো পতিত স্বৈরাচারের দোসররা ঘাপটি মেরে আছে, যাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটছে। এখন সন্ত্রাসীরা জুলাই অভ্যুত্থানের অংশীজনদের পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষে এসে রাজনৈতিক সমাবেশে এমন প্রাণঘাতী হামলা বর্তমান সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিদারুণ ব্যর্থতার নগ্ন বহিঃপ্রকাশ।
তারা বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করতে এ ধরনের সশস্ত্র ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের সুষ্ঠু ও নিরাপদ রাজনৈতিক পরিবেশের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। আমরা অবিলম্বে এই বর্বরোচিত হামলার সঙ্গে জড়িত এবং এর নেপথ্যে থাকা সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

সাভারের ঈদগাহ মাঠে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা ২০২৬’-পরবর্তী শান্তিপূর্ণ সমাবেশে ককটেল হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সোমবার (৬ জুলাই) সাভারে এনসিপির সমাবেশে পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ফ্যাসিবাদ ও একদলীয় শাসনের ধারক-বাহকদের কাছে ন্যূনতম রাজনৈতিক শিষ্টাচার আশা করা বৃথা। পতিত মাফিয়া চক্র যে দেশে আরও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চক্রান্তে লিপ্ত, সাভারের এই কাপুরুষোচিত হামলাই তার প্রমাণ।
তারা বলেন, এনসিপির শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে এ ধরনের ভয়ংকর হামলা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। আমরা এই হামলায় একজন ‘জুলাই শহীদের’ পিতাসহ আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।
নেতৃবৃন্দ বলেন, নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। কিন্তু একটি পূর্বঘোষিত রাজনৈতিক আয়োজনে এমন ভয়াবহ হামলা প্রশাসনের চরম ব্যর্থতারই প্রমাণ। আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি, প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এখনো পতিত স্বৈরাচারের দোসররা ঘাপটি মেরে আছে, যাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটছে। এখন সন্ত্রাসীরা জুলাই অভ্যুত্থানের অংশীজনদের পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষে এসে রাজনৈতিক সমাবেশে এমন প্রাণঘাতী হামলা বর্তমান সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিদারুণ ব্যর্থতার নগ্ন বহিঃপ্রকাশ।
তারা বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করতে এ ধরনের সশস্ত্র ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের সুষ্ঠু ও নিরাপদ রাজনৈতিক পরিবেশের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। আমরা অবিলম্বে এই বর্বরোচিত হামলার সঙ্গে জড়িত এবং এর নেপথ্যে থাকা সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

সাভারে এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলা, শিবিরের প্রতিবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাভারের ঈদগাহ মাঠে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা ২০২৬’-পরবর্তী শান্তিপূর্ণ সমাবেশে ককটেল হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সোমবার (৬ জুলাই) সাভারে এনসিপির সমাবেশে পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ফ্যাসিবাদ ও একদলীয় শাসনের ধারক-বাহকদের কাছে ন্যূনতম রাজনৈতিক শিষ্টাচার আশা করা বৃথা। পতিত মাফিয়া চক্র যে দেশে আরও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চক্রান্তে লিপ্ত, সাভারের এই কাপুরুষোচিত হামলাই তার প্রমাণ।
তারা বলেন, এনসিপির শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে এ ধরনের ভয়ংকর হামলা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। আমরা এই হামলায় একজন ‘জুলাই শহীদের’ পিতাসহ আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।
নেতৃবৃন্দ বলেন, নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। কিন্তু একটি পূর্বঘোষিত রাজনৈতিক আয়োজনে এমন ভয়াবহ হামলা প্রশাসনের চরম ব্যর্থতারই প্রমাণ। আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি, প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এখনো পতিত স্বৈরাচারের দোসররা ঘাপটি মেরে আছে, যাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটছে। এখন সন্ত্রাসীরা জুলাই অভ্যুত্থানের অংশীজনদের পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষে এসে রাজনৈতিক সমাবেশে এমন প্রাণঘাতী হামলা বর্তমান সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিদারুণ ব্যর্থতার নগ্ন বহিঃপ্রকাশ।
তারা বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করতে এ ধরনের সশস্ত্র ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের সুষ্ঠু ও নিরাপদ রাজনৈতিক পরিবেশের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। আমরা অবিলম্বে এই বর্বরোচিত হামলার সঙ্গে জড়িত এবং এর নেপথ্যে থাকা সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

সাভারে বোমা বিস্ফোরণ প্রশাসনের সহায়তায় হয়েছে: নাহিদ ইসলাম

