দুজন সংসদ সদস্য এখনও শপথ নিতে পারেননি: আখতার হোসেন

দুজন সংসদ সদস্য এখনও শপথ নিতে পারেননি: আখতার হোসেন
নিজস্ব প্রতিবেদক

রংপুর-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছে, আমাদের লাখ লাখ টাকা খেলাপি ঋণ হিসেবে আটকে আছে। এমনকি পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, এই সংসদের দুজন সংসদ সদস্য এখনও শপথ নিতে পারেননি। কারণ তারা আদালতে এই খেলাপি ঋণের ইস্যু নিয়ে আটকে আছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশনের প্রস্তাবিত বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
আখতার হোসেন বলেন, আজ আমরা এখানে ২০২৬ ও ২০২৭ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে আলোচনার জন্য বসেছি। ঠিক এই সময়টাতে আমাদের অর্থনীতির বর্তমান কী হাল, সেটা আমাদের একটু দেখে নেওয়া প্রয়োজন। আমরা যদি বিগত দিনে আওয়ামী লীগের সময়কালটা খেয়াল করি, তাহলে দেখতে পাই একটি শ্বেতপত্র প্রকাশিত হয়েছে। সেই শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের আমলে বাংলাদেশ থেকে ২৪০ বিলিয়ন ডলার পাচার করা হয়েছে, যা টাকার অঙ্কে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা। এত বিশাল পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে যাওয়ার ফলে দেশের অর্থনীতি এখন একটি শূন্য বা খালি পাত্রের মতো হয়ে গেছে, যেখানে কোনও টাকা-পয়সা নেই। এই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয় যখন আমরা দেখি দেশের ঋণের পরিমাণ কতটা বেড়েছে।
তিনি বলেন,বর্তমান সরকার যখন দায়িত্ব গ্রহণ করে, তখন ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৩ লাখ কোটি টাকা। কিন্তু এই কয়েক মাসেই সেই ঋণের পরিমাণ আরও ১ লাখ কোটি টাকারও বেশি বেড়ে এখন ২৪ লাখ কোটি টাকায় রূপান্তরিত হয়েছে। অর্থাৎ, সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর মাত্র চার মাসের মধ্যে দেশকে আরও এক লাখ কোটি টাকার ঋণের জালে বেঁধে ফেলেছে।
এই সংসদ সদস্য বলেন, এই সংসদের দুজন সংসদ সদস্য এখনও শপথ নিতে পারেননি, কারণ তারা আদালতে খেলাপি ঋণের ইস্যু নিয়ে আটকে আছেন। অথচ এখনো পর্যন্ত সরকারি দলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। এই খেলাপি ঋণের বিষয়টি আমাদের অর্থনীতিকে একটি পঙ্গু অবস্থায় নিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, আমরা যদি বিদেশি ঋণের প্রক্রিয়ার দিকে তাকাই, সরকার আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে আসতে চায়। কিন্তু গত বসন্তকালীন বৈঠকে যখন আমাদের অর্থমন্ত্রী আমেরিকায় গিয়েছিলেন, তখন আইএমএফ কোনো ঋণ ছাড় করতে চায়নি। কারণ, আইএমএফ চেয়েছিল বাংলাদেশের অর্থনৈতিক খাতগুলোতে বড় ধরনের সংস্কার আসুক। কিন্তু আমরা দেখলাম, অর্থনৈতিক খাত বা অন্য কোনো বিষয়েই সংস্কারের ব্যাপারে এই সরকারের কোনো ইতিবাচক সাড়া ছিল না।
আখতার হোসেন বলেন, এতদিন পর এসে তারা এনবিআরের নীতি ও ব্যবস্থাপনা আলাদা করার কথা বলছে। অথচ এই বিষয়টি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েই একটি অধ্যাদেশ হিসেবে পাস করা হয়েছিল এবং এই সংসদে পেশ করা হয়েছিল। কিন্তু সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সেই অধ্যাদেশটিকে ল্যাপস (বাতিল) করে দিয়েছে। সরকার যদি সেই সময়ই সংস্কারের বিষয়গুলো মেনে নিতো, তাহলে অর্থমন্ত্রীকে বিদেশ থেকে খালি হাতে ফিরে আসতে হতো না।

রংপুর-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছে, আমাদের লাখ লাখ টাকা খেলাপি ঋণ হিসেবে আটকে আছে। এমনকি পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, এই সংসদের দুজন সংসদ সদস্য এখনও শপথ নিতে পারেননি। কারণ তারা আদালতে এই খেলাপি ঋণের ইস্যু নিয়ে আটকে আছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশনের প্রস্তাবিত বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
আখতার হোসেন বলেন, আজ আমরা এখানে ২০২৬ ও ২০২৭ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে আলোচনার জন্য বসেছি। ঠিক এই সময়টাতে আমাদের অর্থনীতির বর্তমান কী হাল, সেটা আমাদের একটু দেখে নেওয়া প্রয়োজন। আমরা যদি বিগত দিনে আওয়ামী লীগের সময়কালটা খেয়াল করি, তাহলে দেখতে পাই একটি শ্বেতপত্র প্রকাশিত হয়েছে। সেই শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের আমলে বাংলাদেশ থেকে ২৪০ বিলিয়ন ডলার পাচার করা হয়েছে, যা টাকার অঙ্কে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা। এত বিশাল পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে যাওয়ার ফলে দেশের অর্থনীতি এখন একটি শূন্য বা খালি পাত্রের মতো হয়ে গেছে, যেখানে কোনও টাকা-পয়সা নেই। এই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয় যখন আমরা দেখি দেশের ঋণের পরিমাণ কতটা বেড়েছে।
তিনি বলেন,বর্তমান সরকার যখন দায়িত্ব গ্রহণ করে, তখন ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৩ লাখ কোটি টাকা। কিন্তু এই কয়েক মাসেই সেই ঋণের পরিমাণ আরও ১ লাখ কোটি টাকারও বেশি বেড়ে এখন ২৪ লাখ কোটি টাকায় রূপান্তরিত হয়েছে। অর্থাৎ, সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর মাত্র চার মাসের মধ্যে দেশকে আরও এক লাখ কোটি টাকার ঋণের জালে বেঁধে ফেলেছে।
এই সংসদ সদস্য বলেন, এই সংসদের দুজন সংসদ সদস্য এখনও শপথ নিতে পারেননি, কারণ তারা আদালতে খেলাপি ঋণের ইস্যু নিয়ে আটকে আছেন। অথচ এখনো পর্যন্ত সরকারি দলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। এই খেলাপি ঋণের বিষয়টি আমাদের অর্থনীতিকে একটি পঙ্গু অবস্থায় নিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, আমরা যদি বিদেশি ঋণের প্রক্রিয়ার দিকে তাকাই, সরকার আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে আসতে চায়। কিন্তু গত বসন্তকালীন বৈঠকে যখন আমাদের অর্থমন্ত্রী আমেরিকায় গিয়েছিলেন, তখন আইএমএফ কোনো ঋণ ছাড় করতে চায়নি। কারণ, আইএমএফ চেয়েছিল বাংলাদেশের অর্থনৈতিক খাতগুলোতে বড় ধরনের সংস্কার আসুক। কিন্তু আমরা দেখলাম, অর্থনৈতিক খাত বা অন্য কোনো বিষয়েই সংস্কারের ব্যাপারে এই সরকারের কোনো ইতিবাচক সাড়া ছিল না।
আখতার হোসেন বলেন, এতদিন পর এসে তারা এনবিআরের নীতি ও ব্যবস্থাপনা আলাদা করার কথা বলছে। অথচ এই বিষয়টি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েই একটি অধ্যাদেশ হিসেবে পাস করা হয়েছিল এবং এই সংসদে পেশ করা হয়েছিল। কিন্তু সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সেই অধ্যাদেশটিকে ল্যাপস (বাতিল) করে দিয়েছে। সরকার যদি সেই সময়ই সংস্কারের বিষয়গুলো মেনে নিতো, তাহলে অর্থমন্ত্রীকে বিদেশ থেকে খালি হাতে ফিরে আসতে হতো না।

দুজন সংসদ সদস্য এখনও শপথ নিতে পারেননি: আখতার হোসেন
নিজস্ব প্রতিবেদক

রংপুর-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছে, আমাদের লাখ লাখ টাকা খেলাপি ঋণ হিসেবে আটকে আছে। এমনকি পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, এই সংসদের দুজন সংসদ সদস্য এখনও শপথ নিতে পারেননি। কারণ তারা আদালতে এই খেলাপি ঋণের ইস্যু নিয়ে আটকে আছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশনের প্রস্তাবিত বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
আখতার হোসেন বলেন, আজ আমরা এখানে ২০২৬ ও ২০২৭ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে আলোচনার জন্য বসেছি। ঠিক এই সময়টাতে আমাদের অর্থনীতির বর্তমান কী হাল, সেটা আমাদের একটু দেখে নেওয়া প্রয়োজন। আমরা যদি বিগত দিনে আওয়ামী লীগের সময়কালটা খেয়াল করি, তাহলে দেখতে পাই একটি শ্বেতপত্র প্রকাশিত হয়েছে। সেই শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের আমলে বাংলাদেশ থেকে ২৪০ বিলিয়ন ডলার পাচার করা হয়েছে, যা টাকার অঙ্কে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা। এত বিশাল পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে যাওয়ার ফলে দেশের অর্থনীতি এখন একটি শূন্য বা খালি পাত্রের মতো হয়ে গেছে, যেখানে কোনও টাকা-পয়সা নেই। এই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয় যখন আমরা দেখি দেশের ঋণের পরিমাণ কতটা বেড়েছে।
তিনি বলেন,বর্তমান সরকার যখন দায়িত্ব গ্রহণ করে, তখন ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৩ লাখ কোটি টাকা। কিন্তু এই কয়েক মাসেই সেই ঋণের পরিমাণ আরও ১ লাখ কোটি টাকারও বেশি বেড়ে এখন ২৪ লাখ কোটি টাকায় রূপান্তরিত হয়েছে। অর্থাৎ, সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর মাত্র চার মাসের মধ্যে দেশকে আরও এক লাখ কোটি টাকার ঋণের জালে বেঁধে ফেলেছে।
এই সংসদ সদস্য বলেন, এই সংসদের দুজন সংসদ সদস্য এখনও শপথ নিতে পারেননি, কারণ তারা আদালতে খেলাপি ঋণের ইস্যু নিয়ে আটকে আছেন। অথচ এখনো পর্যন্ত সরকারি দলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। এই খেলাপি ঋণের বিষয়টি আমাদের অর্থনীতিকে একটি পঙ্গু অবস্থায় নিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, আমরা যদি বিদেশি ঋণের প্রক্রিয়ার দিকে তাকাই, সরকার আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে আসতে চায়। কিন্তু গত বসন্তকালীন বৈঠকে যখন আমাদের অর্থমন্ত্রী আমেরিকায় গিয়েছিলেন, তখন আইএমএফ কোনো ঋণ ছাড় করতে চায়নি। কারণ, আইএমএফ চেয়েছিল বাংলাদেশের অর্থনৈতিক খাতগুলোতে বড় ধরনের সংস্কার আসুক। কিন্তু আমরা দেখলাম, অর্থনৈতিক খাত বা অন্য কোনো বিষয়েই সংস্কারের ব্যাপারে এই সরকারের কোনো ইতিবাচক সাড়া ছিল না।
আখতার হোসেন বলেন, এতদিন পর এসে তারা এনবিআরের নীতি ও ব্যবস্থাপনা আলাদা করার কথা বলছে। অথচ এই বিষয়টি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েই একটি অধ্যাদেশ হিসেবে পাস করা হয়েছিল এবং এই সংসদে পেশ করা হয়েছিল। কিন্তু সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সেই অধ্যাদেশটিকে ল্যাপস (বাতিল) করে দিয়েছে। সরকার যদি সেই সময়ই সংস্কারের বিষয়গুলো মেনে নিতো, তাহলে অর্থমন্ত্রীকে বিদেশ থেকে খালি হাতে ফিরে আসতে হতো না।

‘জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে কোনো আপস করা হবে না’


