প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিরাপত্তা চাইলেন সেই জামায়াত এমপির ড্রাইভার

প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিরাপত্তা চাইলেন সেই জামায়াত এমপির ড্রাইভার
সিজেডএন ডেস্ক

তরুণীর সঙ্গে ‘ব্যক্তিগত’ ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় পর আলোচিত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন তার সাবেক গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী ওবায়দুর রহমান। একই সঙ্গে নিজের এবং তার পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
ওবায়দুর নিজেকে এমপির দুর্নীতির প্রত্যক্ষদর্শী বলে দাবি করে সোমবার (২০ জুলাই) লিখিত আবেদন ওবায়দুর রহমান জানান, গত ১৪ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর পল্লবী থানার উত্তর কালশী এলাকায় তিনি হামলার শিকার হন। আলীনগরের ‘রোজ গার্ডেন টাওয়ার ২’-এর একটি ফ্ল্যাটে অবস্থানকালে পুলিশের সাবেক এসআই আমিন এবং মাসুম বিল্লাহ ও মোক্তাসিম বিল্লাহ নামের দুই ব্যক্তি লাঠিসোঁটা নিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করেন। পরে তার মা ও ছোট বোনের সহায়তায় তিনি উদ্ধার পান এবং কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন।
ওবায়দুরের দাবি, এই হামলার নেপথ্যে মূল নির্দেশদাতা হলেন সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। তিনি দীর্ঘদিন এমপির গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করার সুবাদে তার দুর্নীতি, জমি দখল, বালুমহাল নিয়ন্ত্রণ ও ঘুষ গ্রহণের মতো কর্মকাণ্ডের তথ্য জানেন।
লিখিত আবেদনে তিনি আরও উল্লেখ করেন, এমপি গাজী নজরুল একাধিক স্থানে অপ্রাপ্তবয়স্ক তরুণীদের নিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন এবং সিসিটিভি ফুটেজে এর প্রমাণ রয়েছে। এসব গোপনীয় তথ্য ফাঁস হওয়ার ভয়ে তাকে প্রাণনাশের চেষ্টা করা হচ্ছে।
বর্তমানে আত্মগোপনে থাকা ওবায়দুর রহমান আরও জানান, হামলাকারীরা তাকে প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে তার জীবনের চরম ঝুঁকি রয়েছে। তাই হামলার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
প্রসঙ্গত, গত ২০ জুলাই রাতে এক তরুণীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত’ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ ঘটনায় দেশজুড়ে সমালোচনা চলছে। তবে সাতক্ষীরা জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ভাইরাল ভিডিওর ওই তরুণী গাজী নজরুল ইসলামের ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’। পরে নজরুল ইসলামও তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একই দাবি করেছেন।

তরুণীর সঙ্গে ‘ব্যক্তিগত’ ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় পর আলোচিত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন তার সাবেক গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী ওবায়দুর রহমান। একই সঙ্গে নিজের এবং তার পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
ওবায়দুর নিজেকে এমপির দুর্নীতির প্রত্যক্ষদর্শী বলে দাবি করে সোমবার (২০ জুলাই) লিখিত আবেদন ওবায়দুর রহমান জানান, গত ১৪ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর পল্লবী থানার উত্তর কালশী এলাকায় তিনি হামলার শিকার হন। আলীনগরের ‘রোজ গার্ডেন টাওয়ার ২’-এর একটি ফ্ল্যাটে অবস্থানকালে পুলিশের সাবেক এসআই আমিন এবং মাসুম বিল্লাহ ও মোক্তাসিম বিল্লাহ নামের দুই ব্যক্তি লাঠিসোঁটা নিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করেন। পরে তার মা ও ছোট বোনের সহায়তায় তিনি উদ্ধার পান এবং কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন।
ওবায়দুরের দাবি, এই হামলার নেপথ্যে মূল নির্দেশদাতা হলেন সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। তিনি দীর্ঘদিন এমপির গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করার সুবাদে তার দুর্নীতি, জমি দখল, বালুমহাল নিয়ন্ত্রণ ও ঘুষ গ্রহণের মতো কর্মকাণ্ডের তথ্য জানেন।
লিখিত আবেদনে তিনি আরও উল্লেখ করেন, এমপি গাজী নজরুল একাধিক স্থানে অপ্রাপ্তবয়স্ক তরুণীদের নিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন এবং সিসিটিভি ফুটেজে এর প্রমাণ রয়েছে। এসব গোপনীয় তথ্য ফাঁস হওয়ার ভয়ে তাকে প্রাণনাশের চেষ্টা করা হচ্ছে।
বর্তমানে আত্মগোপনে থাকা ওবায়দুর রহমান আরও জানান, হামলাকারীরা তাকে প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে তার জীবনের চরম ঝুঁকি রয়েছে। তাই হামলার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
প্রসঙ্গত, গত ২০ জুলাই রাতে এক তরুণীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত’ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ ঘটনায় দেশজুড়ে সমালোচনা চলছে। তবে সাতক্ষীরা জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ভাইরাল ভিডিওর ওই তরুণী গাজী নজরুল ইসলামের ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’। পরে নজরুল ইসলামও তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একই দাবি করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিরাপত্তা চাইলেন সেই জামায়াত এমপির ড্রাইভার
সিজেডএন ডেস্ক

তরুণীর সঙ্গে ‘ব্যক্তিগত’ ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় পর আলোচিত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন তার সাবেক গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী ওবায়দুর রহমান। একই সঙ্গে নিজের এবং তার পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
ওবায়দুর নিজেকে এমপির দুর্নীতির প্রত্যক্ষদর্শী বলে দাবি করে সোমবার (২০ জুলাই) লিখিত আবেদন ওবায়দুর রহমান জানান, গত ১৪ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর পল্লবী থানার উত্তর কালশী এলাকায় তিনি হামলার শিকার হন। আলীনগরের ‘রোজ গার্ডেন টাওয়ার ২’-এর একটি ফ্ল্যাটে অবস্থানকালে পুলিশের সাবেক এসআই আমিন এবং মাসুম বিল্লাহ ও মোক্তাসিম বিল্লাহ নামের দুই ব্যক্তি লাঠিসোঁটা নিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করেন। পরে তার মা ও ছোট বোনের সহায়তায় তিনি উদ্ধার পান এবং কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন।
ওবায়দুরের দাবি, এই হামলার নেপথ্যে মূল নির্দেশদাতা হলেন সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। তিনি দীর্ঘদিন এমপির গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করার সুবাদে তার দুর্নীতি, জমি দখল, বালুমহাল নিয়ন্ত্রণ ও ঘুষ গ্রহণের মতো কর্মকাণ্ডের তথ্য জানেন।
লিখিত আবেদনে তিনি আরও উল্লেখ করেন, এমপি গাজী নজরুল একাধিক স্থানে অপ্রাপ্তবয়স্ক তরুণীদের নিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন এবং সিসিটিভি ফুটেজে এর প্রমাণ রয়েছে। এসব গোপনীয় তথ্য ফাঁস হওয়ার ভয়ে তাকে প্রাণনাশের চেষ্টা করা হচ্ছে।
বর্তমানে আত্মগোপনে থাকা ওবায়দুর রহমান আরও জানান, হামলাকারীরা তাকে প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে তার জীবনের চরম ঝুঁকি রয়েছে। তাই হামলার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
প্রসঙ্গত, গত ২০ জুলাই রাতে এক তরুণীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত’ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ ঘটনায় দেশজুড়ে সমালোচনা চলছে। তবে সাতক্ষীরা জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ভাইরাল ভিডিওর ওই তরুণী গাজী নজরুল ইসলামের ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’। পরে নজরুল ইসলামও তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একই দাবি করেছেন।

ভিডিওসহ ভাইরাল এমপির বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে সিদ্ধান্ত নেবে জামায়াত





