দুদক কর্মকর্তার বক্তব্য প্রত্যাহারে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ

দুদক কর্মকর্তার বক্তব্য প্রত্যাহারে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক আখতারুল ইসলামের দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহারে তাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন এনসিপি নেতা ইয়াসির আরাফাত।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে আখতারুল ইসলাম আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বদলি, নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা জানান। তার এই বক্তব্যের পর বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। কোনো ধরনের তদন্ত বা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার বক্তব্যের কারণে তাকে ঘিরে ব্যাপক মিডিয়া ট্রায়াল শুরু হয়। ফলে অভিযোগগুলো যেন ইতোমধ্যেই প্রমাণিত; জনমনে এমন একটি ধারণা তৈরি হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়, যা তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সুনামকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
এতে বলা হয়েছে, সাংবাদিকদের দুদক বিটের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আখতারুল ইসলাম তার ওই বক্তব্যকে ভুলবশত দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করে একটি বার্তা দেন। একই সঙ্গে সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রে ‘প্রাথমিক সত্যতা’র বিষয়টি বাদ দিতে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন। তবে প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার বা সংশোধন করা হয়নি। ফলে বক্তব্যটির ভিত্তিতে সৃষ্ট মিডিয়া ট্রায়াল ও জনমনে তৈরি নেতিবাচক ধারণা অব্যাহত থাকে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আইনি নোটিশে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর তথ্যগত অসঙ্গতিও তুলে ধরা হয়েছে। ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিলের অভিযোগ করা হলেও বাস্তবে ১১২ জন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল করা হয়েছিলো। প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয় তাদের চলতি দায়িত্ব বাতিলের সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করে। এছাড়া, ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে পদোন্নতি সংক্রান্ত অভিযোগে আসিফ মাহমুদকে জড়ানোও ভিত্তিহীন। আসিফ মাহমুদ উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন ১০ ডিসেম্বর ২০২৫। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট পদোন্নতির ঘটনাটি ঘটে ১১ মে ২০২৬। অর্থাৎ, পদোন্নতির ঘটনাটি ঘটে তাঁর পদত্যাগের পাঁচ মাস পরে এবং বিএনপি সরকার গঠনের তিন মাসের মাথায়।
এতে বলা হয়েছে, আইনি নোটিশে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তাকে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তার বক্তব্য ১৫ দিনের মধ্যে একইভাবে নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে যাচাই করা ও প্রমাণসমর্থিত তথ্য ছাড়া বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৫০০ ধারাসহ প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক আখতারুল ইসলামের দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহারে তাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন এনসিপি নেতা ইয়াসির আরাফাত।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে আখতারুল ইসলাম আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বদলি, নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা জানান। তার এই বক্তব্যের পর বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। কোনো ধরনের তদন্ত বা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার বক্তব্যের কারণে তাকে ঘিরে ব্যাপক মিডিয়া ট্রায়াল শুরু হয়। ফলে অভিযোগগুলো যেন ইতোমধ্যেই প্রমাণিত; জনমনে এমন একটি ধারণা তৈরি হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়, যা তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সুনামকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
এতে বলা হয়েছে, সাংবাদিকদের দুদক বিটের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আখতারুল ইসলাম তার ওই বক্তব্যকে ভুলবশত দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করে একটি বার্তা দেন। একই সঙ্গে সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রে ‘প্রাথমিক সত্যতা’র বিষয়টি বাদ দিতে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন। তবে প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার বা সংশোধন করা হয়নি। ফলে বক্তব্যটির ভিত্তিতে সৃষ্ট মিডিয়া ট্রায়াল ও জনমনে তৈরি নেতিবাচক ধারণা অব্যাহত থাকে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আইনি নোটিশে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর তথ্যগত অসঙ্গতিও তুলে ধরা হয়েছে। ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিলের অভিযোগ করা হলেও বাস্তবে ১১২ জন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল করা হয়েছিলো। প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয় তাদের চলতি দায়িত্ব বাতিলের সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করে। এছাড়া, ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে পদোন্নতি সংক্রান্ত অভিযোগে আসিফ মাহমুদকে জড়ানোও ভিত্তিহীন। আসিফ মাহমুদ উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন ১০ ডিসেম্বর ২০২৫। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট পদোন্নতির ঘটনাটি ঘটে ১১ মে ২০২৬। অর্থাৎ, পদোন্নতির ঘটনাটি ঘটে তাঁর পদত্যাগের পাঁচ মাস পরে এবং বিএনপি সরকার গঠনের তিন মাসের মাথায়।
এতে বলা হয়েছে, আইনি নোটিশে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তাকে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তার বক্তব্য ১৫ দিনের মধ্যে একইভাবে নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে যাচাই করা ও প্রমাণসমর্থিত তথ্য ছাড়া বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৫০০ ধারাসহ প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দুদক কর্মকর্তার বক্তব্য প্রত্যাহারে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক আখতারুল ইসলামের দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহারে তাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন এনসিপি নেতা ইয়াসির আরাফাত।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে আখতারুল ইসলাম আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বদলি, নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা জানান। তার এই বক্তব্যের পর বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। কোনো ধরনের তদন্ত বা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার বক্তব্যের কারণে তাকে ঘিরে ব্যাপক মিডিয়া ট্রায়াল শুরু হয়। ফলে অভিযোগগুলো যেন ইতোমধ্যেই প্রমাণিত; জনমনে এমন একটি ধারণা তৈরি হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়, যা তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সুনামকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
এতে বলা হয়েছে, সাংবাদিকদের দুদক বিটের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আখতারুল ইসলাম তার ওই বক্তব্যকে ভুলবশত দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করে একটি বার্তা দেন। একই সঙ্গে সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রে ‘প্রাথমিক সত্যতা’র বিষয়টি বাদ দিতে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন। তবে প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার বা সংশোধন করা হয়নি। ফলে বক্তব্যটির ভিত্তিতে সৃষ্ট মিডিয়া ট্রায়াল ও জনমনে তৈরি নেতিবাচক ধারণা অব্যাহত থাকে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আইনি নোটিশে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর তথ্যগত অসঙ্গতিও তুলে ধরা হয়েছে। ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিলের অভিযোগ করা হলেও বাস্তবে ১১২ জন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল করা হয়েছিলো। প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয় তাদের চলতি দায়িত্ব বাতিলের সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করে। এছাড়া, ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে পদোন্নতি সংক্রান্ত অভিযোগে আসিফ মাহমুদকে জড়ানোও ভিত্তিহীন। আসিফ মাহমুদ উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন ১০ ডিসেম্বর ২০২৫। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট পদোন্নতির ঘটনাটি ঘটে ১১ মে ২০২৬। অর্থাৎ, পদোন্নতির ঘটনাটি ঘটে তাঁর পদত্যাগের পাঁচ মাস পরে এবং বিএনপি সরকার গঠনের তিন মাসের মাথায়।
এতে বলা হয়েছে, আইনি নোটিশে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তাকে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তার বক্তব্য ১৫ দিনের মধ্যে একইভাবে নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে যাচাই করা ও প্রমাণসমর্থিত তথ্য ছাড়া বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৫০০ ধারাসহ প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।









