শিরোনাম

‘পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে, সিদ্ধান্ত হবে দলের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী ফোরামে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
‘পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে, সিদ্ধান্ত হবে দলের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী ফোরামে’
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন রুহুল কবির রিজভী।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, সেটি বিএনপির উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিদ্ধান্ত নেবে। শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগর জিয়া উদ্যানে রাষ্ট্রায়ত্ত ১২ প্রতিষ্ঠানের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানদের নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এ কথা বলেন তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে পদত্যাগকৃত রাষ্ট্রপতির বিচারের যে দাবি উঠেছে, সেটিও দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়।

এ সময় রাষ্ট্রায়ত্ত ১২ প্রতিষ্ঠানের নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানরা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন রিজভী। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের বিভিন্ন পর্যায়ের ত্যাগীদের মূল্যায়ন করছে দাবি করে তিনি বলেন, গতকাল সরকারের বিভিন্ন সংস্থায় যাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। সাম্প্রতিক আন্দোলনে দলের নেতা-কর্মীদের অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, এদিন রাষ্ট্রায়ত্ত ১২ প্রতিষ্ঠানের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানদের নিয়ে জিয়া উদ্যানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রিজভী। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি সালাহ্উদ্দিন সরকার, বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদের বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদুল হক, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত দলের সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এটিএম আবদুল বারী ড্যানী, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের নির্বাহী সচিব পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি (দফতর সম্পাদকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) মো. কামরুজ্জামান দুলাল প্রমুখ।

উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সংবিধান অনুযায়ী তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় দুই বছর আগেই স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান।

সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। সেই ধারাবাহিকতায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এখন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকবেন। একই সঙ্গে সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

/এফআর/