ভিন্নমত দমনে পুলিশি রাষ্ট্র গড়ে তুলেছে বিজেপি সরকার: শিবির

ভিন্নমত দমনে পুলিশি রাষ্ট্র গড়ে তুলেছে বিজেপি সরকার: শিবির
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। একই সঙ্গে বিজেপি সরকার ভিন্নমত দমনে পুলিশি রাষ্ট্র গড়ে তুলেছে এবং করপোরেট পুঁজিপতিদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।
বুধবার (২২ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এ অভিযোগ করেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, মেধার যথাযথ মূল্যায়ন ও শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিতে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘তেলাপোকা’ বা ‘পরজীবী’ বলে তাচ্ছিল্য করা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। বিগত কয়েক বছর ধরে সরকারি চাকরি, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও গুরুতর অনিয়মের তথ্য সামনে এসেছে। বিশেষ করে চলতি বছরের মে মাসে অনুষ্ঠিত নিট মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় নজিরবিহীন প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়েছে। এ ঘটনার কারণে গভীর মানসিক ট্রমায় পড়ে ২১ জনের বেশি শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলেও তারা দাবি করেন।
তারা বলেন, চলমান ছাত্র বিক্ষোভ ভারতের বিজেপি সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাব ও জবাবদিহিহীনতার নগ্ন রূপ উন্মোচন করেছে। বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত ফ্যাসিস্টদের আশ্রয়দাতা বিজেপি সরকার ভিন্নমত দমনে পুলিশি রাষ্ট্র গড়ে তুলেছে এবং করপোরেট পুঁজিপতিদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত। প্রতিবেশী দেশগুলোর অভিজ্ঞতা থেকেও শিক্ষা না নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ এবং বিরোধী কণ্ঠ স্তব্ধ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
শিবির নেতারা বলেন, দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলায় প্রায় ১৮০ জন শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আহত হয়েছেন। আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানানোয় শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুককে অনশনস্থল থেকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়া এবং আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকসহ ছাত্রনেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা অবিলম্বে আটক ব্যক্তিদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাই।
তারা বলেন, গুলি, লাঠিচার্জ কিংবা দমন-পীড়নের মাধ্যমে তরুণ সমাজের ন্যায়সংগত ও মেধাভিত্তিক আন্দোলন কখনো দমিয়ে রাখা যায় না। আমরা ভারত সরকারকে দমন-পীড়নের পথ পরিহার করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গঠনমূলক সংলাপে বসার আহ্বান জানাই। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সব যৌক্তিক দাবি দ্রুত মেনে নেওয়ারও আহ্বান জানাই।

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। একই সঙ্গে বিজেপি সরকার ভিন্নমত দমনে পুলিশি রাষ্ট্র গড়ে তুলেছে এবং করপোরেট পুঁজিপতিদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।
বুধবার (২২ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এ অভিযোগ করেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, মেধার যথাযথ মূল্যায়ন ও শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিতে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘তেলাপোকা’ বা ‘পরজীবী’ বলে তাচ্ছিল্য করা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। বিগত কয়েক বছর ধরে সরকারি চাকরি, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও গুরুতর অনিয়মের তথ্য সামনে এসেছে। বিশেষ করে চলতি বছরের মে মাসে অনুষ্ঠিত নিট মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় নজিরবিহীন প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়েছে। এ ঘটনার কারণে গভীর মানসিক ট্রমায় পড়ে ২১ জনের বেশি শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলেও তারা দাবি করেন।
তারা বলেন, চলমান ছাত্র বিক্ষোভ ভারতের বিজেপি সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাব ও জবাবদিহিহীনতার নগ্ন রূপ উন্মোচন করেছে। বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত ফ্যাসিস্টদের আশ্রয়দাতা বিজেপি সরকার ভিন্নমত দমনে পুলিশি রাষ্ট্র গড়ে তুলেছে এবং করপোরেট পুঁজিপতিদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত। প্রতিবেশী দেশগুলোর অভিজ্ঞতা থেকেও শিক্ষা না নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ এবং বিরোধী কণ্ঠ স্তব্ধ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
শিবির নেতারা বলেন, দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলায় প্রায় ১৮০ জন শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আহত হয়েছেন। আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানানোয় শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুককে অনশনস্থল থেকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়া এবং আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকসহ ছাত্রনেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা অবিলম্বে আটক ব্যক্তিদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাই।
তারা বলেন, গুলি, লাঠিচার্জ কিংবা দমন-পীড়নের মাধ্যমে তরুণ সমাজের ন্যায়সংগত ও মেধাভিত্তিক আন্দোলন কখনো দমিয়ে রাখা যায় না। আমরা ভারত সরকারকে দমন-পীড়নের পথ পরিহার করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গঠনমূলক সংলাপে বসার আহ্বান জানাই। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সব যৌক্তিক দাবি দ্রুত মেনে নেওয়ারও আহ্বান জানাই।

ভিন্নমত দমনে পুলিশি রাষ্ট্র গড়ে তুলেছে বিজেপি সরকার: শিবির
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। একই সঙ্গে বিজেপি সরকার ভিন্নমত দমনে পুলিশি রাষ্ট্র গড়ে তুলেছে এবং করপোরেট পুঁজিপতিদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।
বুধবার (২২ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এ অভিযোগ করেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, মেধার যথাযথ মূল্যায়ন ও শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিতে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘তেলাপোকা’ বা ‘পরজীবী’ বলে তাচ্ছিল্য করা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। বিগত কয়েক বছর ধরে সরকারি চাকরি, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও গুরুতর অনিয়মের তথ্য সামনে এসেছে। বিশেষ করে চলতি বছরের মে মাসে অনুষ্ঠিত নিট মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় নজিরবিহীন প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়েছে। এ ঘটনার কারণে গভীর মানসিক ট্রমায় পড়ে ২১ জনের বেশি শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলেও তারা দাবি করেন।
তারা বলেন, চলমান ছাত্র বিক্ষোভ ভারতের বিজেপি সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাব ও জবাবদিহিহীনতার নগ্ন রূপ উন্মোচন করেছে। বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত ফ্যাসিস্টদের আশ্রয়দাতা বিজেপি সরকার ভিন্নমত দমনে পুলিশি রাষ্ট্র গড়ে তুলেছে এবং করপোরেট পুঁজিপতিদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত। প্রতিবেশী দেশগুলোর অভিজ্ঞতা থেকেও শিক্ষা না নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ এবং বিরোধী কণ্ঠ স্তব্ধ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
শিবির নেতারা বলেন, দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলায় প্রায় ১৮০ জন শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আহত হয়েছেন। আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানানোয় শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুককে অনশনস্থল থেকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়া এবং আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকসহ ছাত্রনেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা অবিলম্বে আটক ব্যক্তিদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাই।
তারা বলেন, গুলি, লাঠিচার্জ কিংবা দমন-পীড়নের মাধ্যমে তরুণ সমাজের ন্যায়সংগত ও মেধাভিত্তিক আন্দোলন কখনো দমিয়ে রাখা যায় না। আমরা ভারত সরকারকে দমন-পীড়নের পথ পরিহার করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গঠনমূলক সংলাপে বসার আহ্বান জানাই। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সব যৌক্তিক দাবি দ্রুত মেনে নেওয়ারও আহ্বান জানাই।

ভারতের ককরোচ পার্টির আন্দোলনে ছাত্র ইউনিয়নের সংহতি 







