বিরোধী দলকে বাদ দিয়ে সংবিধান সংশোধনের চেষ্টা ফ্যাসিবাদের লক্ষণ: দিলারা চৌধুরী

বিরোধী দলকে বাদ দিয়ে সংবিধান সংশোধনের চেষ্টা ফ্যাসিবাদের লক্ষণ: দিলারা চৌধুরী
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারবিরোধী দলকে সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে এবং তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করে ১৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান সংস্কার কমিটি গঠন করার তীব্র সমালোচনা করেছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী। তিনি একে ফ্যাসিবাদের একটি লক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
দিলারা চৌধুরী বলেন, সরকার ও বিরোধী দল উভয়েই সরকারের অংশ। সংসদীয় ব্যবস্থায় তারা নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে আইন প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত নেবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বিরোধী দলকে সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে একতরফাভাবে দেশ পরিচালনার চেষ্টা ফ্যাসিবাদেরই বহিঃপ্রকাশ।
১৯৭২ সালের সংবিধান প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলে অধ্যাপক দিলারা বলেন, কার উদ্দেশ্যে ও কার ইঙ্গিতে ৭২-এর সংবিধানকে রক্ষা করার জন্য এত উঠেপড়ে লাগা হয়েছে? ৭২ এর সংবিধান নিজেই কোশ্চেনেবল। কারণ যে গণপরিষদের দ্বারা ওই সংবিধান তৈরি হয়েছিল, সেটি মূলত পাকিস্তানের সংবিধান রচনার জন্য নির্বাচিত হয়েছিল। পাকিস্তান ভেঙে যাওয়ার পর নতুন পটভূমিতে নতুন গণপরিষদ এবং রেফারেন্ডম বা গণভোটের মাধ্যমে সংবিধান অনুমোদিত হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। এই সংবিধানই পরবর্তীতে কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিস্ট সরকারের জন্ম দিয়েছে।
সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কার কমিটিতে জনমত নেওয়ার নামে নির্দিষ্ট কিছু মানুষকে ডেকে মতামত নেওয়া হচ্ছে। অথচ সংসদে থাকা বিরোধী দল বা অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে কোনো জোরালো বা দৃশ্যমান ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। বিরোধী দলকে কথা বলতে দেওয়া হয় না বললেও, অন্তত পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ বা সোচ্চার হওয়া উচিত ছিল।
আইজিপির ‘সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করা সম্ভব’ সংক্রান্ত বিতর্কিত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘আইজিপি ভোলাভালা মানুষ’ বলে দায় সারার বক্তব্যেরও কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বলেন, আইজিপি কোনো ভোলাভালা ব্যক্তি নন। তিনি একজন চৌকস সরকারি কর্মচারী, যার দায়িত্ব জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অন্যায় আদেশ না মানা। পুলিশ ম্যানুয়াল ও আইন অনুযায়ী আইজিপির এ ধরনের কথা বলা বেআইনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ ধরনের হালকা মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।
সংবিধান সংস্কার কমিটির উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ গঠনের প্রস্তাব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সাথে সামঞ্জস্য রেখে উচ্চকক্ষ বা নির্বাচন পদ্ধতি গঠিত হওয়া উচিত। লোয়ার হাউজের রেপ্লিকেশন বা অনুলিপি কখনো আপার হাউজে নিয়ে যাওয়া অর্থহীন ও অপচয় ছাড়া কিছু নয়।
তিনি সতর্ক করে বলেন, লোয়ার হাউজ ও আপার হাউজের ক্ষমতার ভারসাম্য এবং কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা নিয়ে যে চিন্তা চলছে, তার সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক পরিণতি হতে পারে।
অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, ১৭ বছরের জুলুমের পর মানুষ যে পরিবর্তন এনেছে, তা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। আবার হুটহাট অরাজকতা বা বিশৃঙ্খলা তৈরি হলে দেশের কোনো পজিটিভ রেজাল্ট আসবে না। তরুণ সমাজ ও বিরোধী দলকে আরও সক্রিয় হয়ে সংসদ ও রাজপথে দৃশ্যমান ভূমিকা রাখতে হবে এবং নীতিনির্ধারকদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।
মতবিনিময় সভায় আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, এনসিপির যুগ্ম আহবায়ক সারোয়ার তুষারসহ আরও অনেক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সরকারবিরোধী দলকে সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে এবং তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করে ১৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান সংস্কার কমিটি গঠন করার তীব্র সমালোচনা করেছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী। তিনি একে ফ্যাসিবাদের একটি লক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
দিলারা চৌধুরী বলেন, সরকার ও বিরোধী দল উভয়েই সরকারের অংশ। সংসদীয় ব্যবস্থায় তারা নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে আইন প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত নেবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বিরোধী দলকে সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে একতরফাভাবে দেশ পরিচালনার চেষ্টা ফ্যাসিবাদেরই বহিঃপ্রকাশ।
১৯৭২ সালের সংবিধান প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলে অধ্যাপক দিলারা বলেন, কার উদ্দেশ্যে ও কার ইঙ্গিতে ৭২-এর সংবিধানকে রক্ষা করার জন্য এত উঠেপড়ে লাগা হয়েছে? ৭২ এর সংবিধান নিজেই কোশ্চেনেবল। কারণ যে গণপরিষদের দ্বারা ওই সংবিধান তৈরি হয়েছিল, সেটি মূলত পাকিস্তানের সংবিধান রচনার জন্য নির্বাচিত হয়েছিল। পাকিস্তান ভেঙে যাওয়ার পর নতুন পটভূমিতে নতুন গণপরিষদ এবং রেফারেন্ডম বা গণভোটের মাধ্যমে সংবিধান অনুমোদিত হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। এই সংবিধানই পরবর্তীতে কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিস্ট সরকারের জন্ম দিয়েছে।
সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কার কমিটিতে জনমত নেওয়ার নামে নির্দিষ্ট কিছু মানুষকে ডেকে মতামত নেওয়া হচ্ছে। অথচ সংসদে থাকা বিরোধী দল বা অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে কোনো জোরালো বা দৃশ্যমান ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। বিরোধী দলকে কথা বলতে দেওয়া হয় না বললেও, অন্তত পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ বা সোচ্চার হওয়া উচিত ছিল।
আইজিপির ‘সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করা সম্ভব’ সংক্রান্ত বিতর্কিত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘আইজিপি ভোলাভালা মানুষ’ বলে দায় সারার বক্তব্যেরও কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বলেন, আইজিপি কোনো ভোলাভালা ব্যক্তি নন। তিনি একজন চৌকস সরকারি কর্মচারী, যার দায়িত্ব জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অন্যায় আদেশ না মানা। পুলিশ ম্যানুয়াল ও আইন অনুযায়ী আইজিপির এ ধরনের কথা বলা বেআইনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ ধরনের হালকা মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।
সংবিধান সংস্কার কমিটির উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ গঠনের প্রস্তাব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সাথে সামঞ্জস্য রেখে উচ্চকক্ষ বা নির্বাচন পদ্ধতি গঠিত হওয়া উচিত। লোয়ার হাউজের রেপ্লিকেশন বা অনুলিপি কখনো আপার হাউজে নিয়ে যাওয়া অর্থহীন ও অপচয় ছাড়া কিছু নয়।
তিনি সতর্ক করে বলেন, লোয়ার হাউজ ও আপার হাউজের ক্ষমতার ভারসাম্য এবং কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা নিয়ে যে চিন্তা চলছে, তার সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক পরিণতি হতে পারে।
অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, ১৭ বছরের জুলুমের পর মানুষ যে পরিবর্তন এনেছে, তা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। আবার হুটহাট অরাজকতা বা বিশৃঙ্খলা তৈরি হলে দেশের কোনো পজিটিভ রেজাল্ট আসবে না। তরুণ সমাজ ও বিরোধী দলকে আরও সক্রিয় হয়ে সংসদ ও রাজপথে দৃশ্যমান ভূমিকা রাখতে হবে এবং নীতিনির্ধারকদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।
মতবিনিময় সভায় আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, এনসিপির যুগ্ম আহবায়ক সারোয়ার তুষারসহ আরও অনেক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিরোধী দলকে বাদ দিয়ে সংবিধান সংশোধনের চেষ্টা ফ্যাসিবাদের লক্ষণ: দিলারা চৌধুরী
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারবিরোধী দলকে সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে এবং তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করে ১৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান সংস্কার কমিটি গঠন করার তীব্র সমালোচনা করেছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী। তিনি একে ফ্যাসিবাদের একটি লক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
দিলারা চৌধুরী বলেন, সরকার ও বিরোধী দল উভয়েই সরকারের অংশ। সংসদীয় ব্যবস্থায় তারা নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে আইন প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত নেবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বিরোধী দলকে সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে একতরফাভাবে দেশ পরিচালনার চেষ্টা ফ্যাসিবাদেরই বহিঃপ্রকাশ।
১৯৭২ সালের সংবিধান প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলে অধ্যাপক দিলারা বলেন, কার উদ্দেশ্যে ও কার ইঙ্গিতে ৭২-এর সংবিধানকে রক্ষা করার জন্য এত উঠেপড়ে লাগা হয়েছে? ৭২ এর সংবিধান নিজেই কোশ্চেনেবল। কারণ যে গণপরিষদের দ্বারা ওই সংবিধান তৈরি হয়েছিল, সেটি মূলত পাকিস্তানের সংবিধান রচনার জন্য নির্বাচিত হয়েছিল। পাকিস্তান ভেঙে যাওয়ার পর নতুন পটভূমিতে নতুন গণপরিষদ এবং রেফারেন্ডম বা গণভোটের মাধ্যমে সংবিধান অনুমোদিত হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। এই সংবিধানই পরবর্তীতে কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিস্ট সরকারের জন্ম দিয়েছে।
সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কার কমিটিতে জনমত নেওয়ার নামে নির্দিষ্ট কিছু মানুষকে ডেকে মতামত নেওয়া হচ্ছে। অথচ সংসদে থাকা বিরোধী দল বা অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে কোনো জোরালো বা দৃশ্যমান ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। বিরোধী দলকে কথা বলতে দেওয়া হয় না বললেও, অন্তত পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ বা সোচ্চার হওয়া উচিত ছিল।
আইজিপির ‘সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করা সম্ভব’ সংক্রান্ত বিতর্কিত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘আইজিপি ভোলাভালা মানুষ’ বলে দায় সারার বক্তব্যেরও কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বলেন, আইজিপি কোনো ভোলাভালা ব্যক্তি নন। তিনি একজন চৌকস সরকারি কর্মচারী, যার দায়িত্ব জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অন্যায় আদেশ না মানা। পুলিশ ম্যানুয়াল ও আইন অনুযায়ী আইজিপির এ ধরনের কথা বলা বেআইনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ ধরনের হালকা মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।
সংবিধান সংস্কার কমিটির উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ গঠনের প্রস্তাব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সাথে সামঞ্জস্য রেখে উচ্চকক্ষ বা নির্বাচন পদ্ধতি গঠিত হওয়া উচিত। লোয়ার হাউজের রেপ্লিকেশন বা অনুলিপি কখনো আপার হাউজে নিয়ে যাওয়া অর্থহীন ও অপচয় ছাড়া কিছু নয়।
তিনি সতর্ক করে বলেন, লোয়ার হাউজ ও আপার হাউজের ক্ষমতার ভারসাম্য এবং কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা নিয়ে যে চিন্তা চলছে, তার সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক পরিণতি হতে পারে।
অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, ১৭ বছরের জুলুমের পর মানুষ যে পরিবর্তন এনেছে, তা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। আবার হুটহাট অরাজকতা বা বিশৃঙ্খলা তৈরি হলে দেশের কোনো পজিটিভ রেজাল্ট আসবে না। তরুণ সমাজ ও বিরোধী দলকে আরও সক্রিয় হয়ে সংসদ ও রাজপথে দৃশ্যমান ভূমিকা রাখতে হবে এবং নীতিনির্ধারকদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।
মতবিনিময় সভায় আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, এনসিপির যুগ্ম আহবায়ক সারোয়ার তুষারসহ আরও অনেক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

‘আপনারা সংবিধান খোঁজেন কেন’, বিএনপিকে জামায়াতের আমির
বিরোধী দলসহ সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই সংবিধান সংশোধন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী







