প্রকৌশলী আবদুর রশিদ খান আর নেই

প্রকৌশলী আবদুর রশিদ খান আর নেই
নিজস্ব প্রতিবেদক

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আবদুর রশিদ খান আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর।
আবদুর রশিদ খান ১৯৬৭ সালে ঢাকার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। ১৯৮৩ সালে মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ১৯৮৫ সালে ঢাকা কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এইচএসসি পাস করেন। এরপর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ভর্তি হন। ১৯৯২ সালে বুয়েট থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে (ইইই) বি.এসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।
আবদুর রশিদ খান ১৯৯৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে (বিপিডিবি) সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে তার পেশাগত জীবন শুরু করেন। সুদীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন উচ্চপদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
কর্মজীবনের শুরুতে লোড ডিসপ্যাচ সেন্টারে ৩ বছর এবং বিপিডিবির ডিজাইন অ্যান্ড ইন্সপেকশন-২ বিভাগে ৩ বছর কর্মরত ছিলেন। ওই পদে থাকাকালীন তিনি বেশ কয়েকটি নতুন উন্নয়ন প্রকল্পসহ ১৩২ কেভি এবং ২৩০ কেভি গ্রিড সাবস্টেশনের নকশায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন।
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (বর্তমানে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি) গঠিত হওয়ার পর তিনি ২০০০ সালের ৭ জুন প্রতিষ্ঠানটিতে যোগদান করেন। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিনি ট্রান্সমিশন লাইন ডিজাইন, পরিকল্পনা, এমআইএস এবং চুক্তি শাখায় উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, নির্বাহী প্রকৌশলী এবং সুপারিনটেন্ডিং প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
ডিজাইন ও কোয়ালিটি কন্ট্রোল শাখায় আবদুর রশিদ ৪০০ কেভি, ২৩০ কেভি এবং ১৩২ কেভি সাবস্টেশন ও ট্রান্সমিশন লাইনের নকশার দায়িত্বে ছিলেন এবং নতুন অবকাঠামো উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি চিফ ইঞ্জিনিয়ার (প্ল্যানিং অ্যান্ড ডিজাইন) এবং পূর্বাঞ্চলীয় বিদ্যুৎ নেটওয়ার্কের উন্নয়ন ও শক্তিশালীকরণ (ইএসপিএনইআর) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকসহ কয়েকটি উচ্চপদে অধিষ্ঠিত হন।
২০২৫ সালের ২৪ মে তিনি পাওয়ার গ্রিডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে একই প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
আবদুর রশিদ তার দীর্ঘ কর্মজীবনে দেশে ও বিদেশে অসংখ্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম ও উপকরণ পরিদর্শন এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া মূল্যায়নের জন্য সরকারি প্রতিনিধিদলের অংশ হিসেবে বহু দেশে ভ্রমণ করেছেন।
তিনি ইনস্টিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর আজীবন ফেলো এবং বুয়েট অ্যালামনাইয়ের আজীবন সদস্য।
বিদ্যুৎ খাতে প্রায় ৩২ বছরের সুদীর্ঘ ও গৌরবময় কর্মজীবনে তিনি তার কারিগরি দক্ষতা, নেতৃত্ব এবং বাংলাদেশের জাতীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন নেটওয়ার্কের উন্নয়নে অবদানের জন্য স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।
আবদুর রশিদ খান স্ত্রী, এক পুত্র ও এক কন্যা রেখে গেছেন।
তর মৃত্যুতে সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা গভীর শোক ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আবদুর রশিদ খান আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর।
আবদুর রশিদ খান ১৯৬৭ সালে ঢাকার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। ১৯৮৩ সালে মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ১৯৮৫ সালে ঢাকা কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এইচএসসি পাস করেন। এরপর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ভর্তি হন। ১৯৯২ সালে বুয়েট থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে (ইইই) বি.এসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।
আবদুর রশিদ খান ১৯৯৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে (বিপিডিবি) সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে তার পেশাগত জীবন শুরু করেন। সুদীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন উচ্চপদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
কর্মজীবনের শুরুতে লোড ডিসপ্যাচ সেন্টারে ৩ বছর এবং বিপিডিবির ডিজাইন অ্যান্ড ইন্সপেকশন-২ বিভাগে ৩ বছর কর্মরত ছিলেন। ওই পদে থাকাকালীন তিনি বেশ কয়েকটি নতুন উন্নয়ন প্রকল্পসহ ১৩২ কেভি এবং ২৩০ কেভি গ্রিড সাবস্টেশনের নকশায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন।
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (বর্তমানে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি) গঠিত হওয়ার পর তিনি ২০০০ সালের ৭ জুন প্রতিষ্ঠানটিতে যোগদান করেন। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিনি ট্রান্সমিশন লাইন ডিজাইন, পরিকল্পনা, এমআইএস এবং চুক্তি শাখায় উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, নির্বাহী প্রকৌশলী এবং সুপারিনটেন্ডিং প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
ডিজাইন ও কোয়ালিটি কন্ট্রোল শাখায় আবদুর রশিদ ৪০০ কেভি, ২৩০ কেভি এবং ১৩২ কেভি সাবস্টেশন ও ট্রান্সমিশন লাইনের নকশার দায়িত্বে ছিলেন এবং নতুন অবকাঠামো উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি চিফ ইঞ্জিনিয়ার (প্ল্যানিং অ্যান্ড ডিজাইন) এবং পূর্বাঞ্চলীয় বিদ্যুৎ নেটওয়ার্কের উন্নয়ন ও শক্তিশালীকরণ (ইএসপিএনইআর) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকসহ কয়েকটি উচ্চপদে অধিষ্ঠিত হন।
২০২৫ সালের ২৪ মে তিনি পাওয়ার গ্রিডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে একই প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
আবদুর রশিদ তার দীর্ঘ কর্মজীবনে দেশে ও বিদেশে অসংখ্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম ও উপকরণ পরিদর্শন এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া মূল্যায়নের জন্য সরকারি প্রতিনিধিদলের অংশ হিসেবে বহু দেশে ভ্রমণ করেছেন।
তিনি ইনস্টিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর আজীবন ফেলো এবং বুয়েট অ্যালামনাইয়ের আজীবন সদস্য।
বিদ্যুৎ খাতে প্রায় ৩২ বছরের সুদীর্ঘ ও গৌরবময় কর্মজীবনে তিনি তার কারিগরি দক্ষতা, নেতৃত্ব এবং বাংলাদেশের জাতীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন নেটওয়ার্কের উন্নয়নে অবদানের জন্য স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।
আবদুর রশিদ খান স্ত্রী, এক পুত্র ও এক কন্যা রেখে গেছেন।
তর মৃত্যুতে সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা গভীর শোক ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

প্রকৌশলী আবদুর রশিদ খান আর নেই
নিজস্ব প্রতিবেদক

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আবদুর রশিদ খান আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর।
আবদুর রশিদ খান ১৯৬৭ সালে ঢাকার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। ১৯৮৩ সালে মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ১৯৮৫ সালে ঢাকা কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এইচএসসি পাস করেন। এরপর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ভর্তি হন। ১৯৯২ সালে বুয়েট থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে (ইইই) বি.এসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।
আবদুর রশিদ খান ১৯৯৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে (বিপিডিবি) সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে তার পেশাগত জীবন শুরু করেন। সুদীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন উচ্চপদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
কর্মজীবনের শুরুতে লোড ডিসপ্যাচ সেন্টারে ৩ বছর এবং বিপিডিবির ডিজাইন অ্যান্ড ইন্সপেকশন-২ বিভাগে ৩ বছর কর্মরত ছিলেন। ওই পদে থাকাকালীন তিনি বেশ কয়েকটি নতুন উন্নয়ন প্রকল্পসহ ১৩২ কেভি এবং ২৩০ কেভি গ্রিড সাবস্টেশনের নকশায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন।
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (বর্তমানে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি) গঠিত হওয়ার পর তিনি ২০০০ সালের ৭ জুন প্রতিষ্ঠানটিতে যোগদান করেন। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিনি ট্রান্সমিশন লাইন ডিজাইন, পরিকল্পনা, এমআইএস এবং চুক্তি শাখায় উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, নির্বাহী প্রকৌশলী এবং সুপারিনটেন্ডিং প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
ডিজাইন ও কোয়ালিটি কন্ট্রোল শাখায় আবদুর রশিদ ৪০০ কেভি, ২৩০ কেভি এবং ১৩২ কেভি সাবস্টেশন ও ট্রান্সমিশন লাইনের নকশার দায়িত্বে ছিলেন এবং নতুন অবকাঠামো উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি চিফ ইঞ্জিনিয়ার (প্ল্যানিং অ্যান্ড ডিজাইন) এবং পূর্বাঞ্চলীয় বিদ্যুৎ নেটওয়ার্কের উন্নয়ন ও শক্তিশালীকরণ (ইএসপিএনইআর) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকসহ কয়েকটি উচ্চপদে অধিষ্ঠিত হন।
২০২৫ সালের ২৪ মে তিনি পাওয়ার গ্রিডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে একই প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
আবদুর রশিদ তার দীর্ঘ কর্মজীবনে দেশে ও বিদেশে অসংখ্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম ও উপকরণ পরিদর্শন এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া মূল্যায়নের জন্য সরকারি প্রতিনিধিদলের অংশ হিসেবে বহু দেশে ভ্রমণ করেছেন।
তিনি ইনস্টিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর আজীবন ফেলো এবং বুয়েট অ্যালামনাইয়ের আজীবন সদস্য।
বিদ্যুৎ খাতে প্রায় ৩২ বছরের সুদীর্ঘ ও গৌরবময় কর্মজীবনে তিনি তার কারিগরি দক্ষতা, নেতৃত্ব এবং বাংলাদেশের জাতীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন নেটওয়ার্কের উন্নয়নে অবদানের জন্য স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।
আবদুর রশিদ খান স্ত্রী, এক পুত্র ও এক কন্যা রেখে গেছেন।
তর মৃত্যুতে সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা গভীর শোক ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

এলজিইডির ৬ শতাধিক প্রকৌশলীকে ক্যাডার করার উদ্যোগ, প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন চেয়েছে মন্ত্রণালয়
১৫৫ নির্বাহী প্রকৌশলীকে লটারির মাধ্যমে বদলি







