‘আপনারা সংবিধান খোঁজেন কেন’, বিএনপিকে জামায়াতের আমির

‘আপনারা সংবিধান খোঁজেন কেন’, বিএনপিকে জামায়াতের আমির
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপিকে উদ্দেশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রশ্ন করেছেন, ‘আপনারা আবার সংবিধান খোঁজেন কেন?’
তিনি বলেন, ‘সংবিধান খুঁজে তো সাড়ে ১৫ বছর অনুমতি নিয়ে মিটিং-মিছিল করেছেন। কিন্তু ফ্যাসিবাদকে তাড়াতে পারেনি। আমরাও পারিনি, আপনারাও পারেননি। এটাই রিয়েলিটি।’
রবিবার (২৫ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে আলোচনা সভায় ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের আশঙ্কা ছিল, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসাথে হলে, দুইটাকে গুলিয়ে ফেলা হবে। শেষ পর্যন্ত আমাদের আশঙ্কাই সঠিক হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, ‘বিএনপি শুরু থেকেই চাতুর্যের আশ্রয় নিয়েছে। বিএনপি চেয়েছিল, একই দিনে দুইটা হোক। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই যৌক্তিক দাবিকে মেনে নিয়েছে। বিএনপি এটাকে অভিনন্দন জানিয়েছে।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দেওয়ার জন্য বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও বলেছেন। কিন্তু, জনগণ জানে বিএনপি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দেয়নি। তারা দেশ-বিদেশে ইন্সট্রাকশন দিয়েছে গণভোটে ‘না’ দেওয়ার জন্য। কিন্তু ৭০ ভাগ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে।
জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশের পরিবর্তনের জন্য আমাদের সন্তানেরা জীবন দিয়েছে। তারা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগান দিয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশের দাবি জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখনো দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং বৈষম্য বেড়েই চলেছে।

বিএনপিকে উদ্দেশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রশ্ন করেছেন, ‘আপনারা আবার সংবিধান খোঁজেন কেন?’
তিনি বলেন, ‘সংবিধান খুঁজে তো সাড়ে ১৫ বছর অনুমতি নিয়ে মিটিং-মিছিল করেছেন। কিন্তু ফ্যাসিবাদকে তাড়াতে পারেনি। আমরাও পারিনি, আপনারাও পারেননি। এটাই রিয়েলিটি।’
রবিবার (২৫ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে আলোচনা সভায় ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের আশঙ্কা ছিল, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসাথে হলে, দুইটাকে গুলিয়ে ফেলা হবে। শেষ পর্যন্ত আমাদের আশঙ্কাই সঠিক হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, ‘বিএনপি শুরু থেকেই চাতুর্যের আশ্রয় নিয়েছে। বিএনপি চেয়েছিল, একই দিনে দুইটা হোক। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই যৌক্তিক দাবিকে মেনে নিয়েছে। বিএনপি এটাকে অভিনন্দন জানিয়েছে।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দেওয়ার জন্য বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও বলেছেন। কিন্তু, জনগণ জানে বিএনপি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দেয়নি। তারা দেশ-বিদেশে ইন্সট্রাকশন দিয়েছে গণভোটে ‘না’ দেওয়ার জন্য। কিন্তু ৭০ ভাগ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে।
জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশের পরিবর্তনের জন্য আমাদের সন্তানেরা জীবন দিয়েছে। তারা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগান দিয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশের দাবি জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখনো দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং বৈষম্য বেড়েই চলেছে।

‘আপনারা সংবিধান খোঁজেন কেন’, বিএনপিকে জামায়াতের আমির
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপিকে উদ্দেশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রশ্ন করেছেন, ‘আপনারা আবার সংবিধান খোঁজেন কেন?’
তিনি বলেন, ‘সংবিধান খুঁজে তো সাড়ে ১৫ বছর অনুমতি নিয়ে মিটিং-মিছিল করেছেন। কিন্তু ফ্যাসিবাদকে তাড়াতে পারেনি। আমরাও পারিনি, আপনারাও পারেননি। এটাই রিয়েলিটি।’
রবিবার (২৫ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে আলোচনা সভায় ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের আশঙ্কা ছিল, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসাথে হলে, দুইটাকে গুলিয়ে ফেলা হবে। শেষ পর্যন্ত আমাদের আশঙ্কাই সঠিক হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, ‘বিএনপি শুরু থেকেই চাতুর্যের আশ্রয় নিয়েছে। বিএনপি চেয়েছিল, একই দিনে দুইটা হোক। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই যৌক্তিক দাবিকে মেনে নিয়েছে। বিএনপি এটাকে অভিনন্দন জানিয়েছে।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দেওয়ার জন্য বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও বলেছেন। কিন্তু, জনগণ জানে বিএনপি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দেয়নি। তারা দেশ-বিদেশে ইন্সট্রাকশন দিয়েছে গণভোটে ‘না’ দেওয়ার জন্য। কিন্তু ৭০ ভাগ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে।
জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশের পরিবর্তনের জন্য আমাদের সন্তানেরা জীবন দিয়েছে। তারা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগান দিয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশের দাবি জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখনো দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং বৈষম্য বেড়েই চলেছে।

জামায়াতের দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা






