মেট্রোরেলের ১০০ কোটি ডলারের কাজ পেলো ভারতীয় প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
মেট্রোরেলের ১০০ কোটি ডলারের কাজ পেলো ভারতীয় প্রতিষ্ঠান
মেট্রোরেল। ছবি: সিটিজেন জার্নাল টোয়েন্টিফোর

ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১-এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে সিস্টেম প্যাকেজের নকশা ও নির্মাণকাজের জন্য প্রায় ১০০ কোটি ডলারের চুক্তি পেয়েছে ভারতের অবকাঠামো খাতের প্রতিষ্ঠান লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি)। চুক্তির আওতায় রেললাইন নির্মাণ, বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, সিগন্যালিং, টেলিযোগাযোগ ও প্ল্যাটফর্মে স্ক্রিন ডোর স্থাপনের কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি।

শেয়ারবাজারে দেওয়া এক ঘোষণায় চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এলঅ্যান্ডটি।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১ এর একটি অংশ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রামপুরা, মালিবাগ ও রাজারবাগ হয়ে কমলাপুর পর্যন্ত যাবে। অন্য অংশটি নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল টার্মিনাল পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। প্রকল্পটির মোট দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৩১ কিলোমিটার। এর মধ্যে বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত অংশটি পাতালপথে এবং নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল টার্মিনাল পর্যন্ত অংশটি উড়ালপথে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ লাইনে ১৯টি স্টেশন এবং পিতলগঞ্জে একটি ডিপো থাকবে।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, আগের কাজের ধারাবাহিকতায় এ চুক্তিগুলো পেয়েছে তারা। এর আগে তারা দেশের প্রথম মেট্রোরেল করিডর ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-৬-এর সমন্বিত রেলওয়ে সিস্টেম প্যাকেজের কাজ পেয়েছিলো এবং তা সম্পন্ন করেছে।

এদিকে, মেট্রোরেল লাইন-১ ও লাইন-৫এর উত্তর রুটের আটটি নির্মাণ প্যাকেজের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এসব প্যাকেজের মূল্য প্রায় ৫৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এর পরপরই লাইন-১-এর দুটি সিস্টেম প্যাকেজে এলঅ্যান্ডটির চুক্তি পাওয়ার ঘোষণা আসে।

এলঅ্যান্ডটির প্রমিত প্রতিবেদন কাঠামো অনুযায়ী, সম্মিলিত চুক্তিগুলোকে বড় আদেশ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির সংজ্ঞায় ৫ হাজার কোটি থেকে ১০ হাজার কোটি ভারতীয় রুপি মূল্যের চুক্তি এ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

ভারতের এলঅ্যান্ডটি ছাড়াও মেট্রোরেল লাইন-১ ও লাইন-৫ এর বিভিন্ন কাজ পেয়েছে জাপান, চীন ও দেশের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো। প্রকল্প দুটিতে অর্থায়ন করছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, মেট্রোরেল লাইন-৫ এর উত্তর রুটের দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ২০ কিলোমিটার। এ রুট সাভারের হেমায়েতপুর থেকে গাবতলী, মিরপুর-১৪ ও নতুন বাজার হয়ে ভাটারা পর্যন্ত যাবে।

/এসবি/