সামাজিক মাধ্যম নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সরকারের ক্ষমতা, টিআইবির উদ্বেগ

সামাজিক মাধ্যম নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সরকারের ক্ষমতা, টিআইবির উদ্বেগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রস্তাবিত ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে সরকারের ক্ষমতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে গুজব ও অপতথ্য, মানহানি, বুলিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বা পরিবর্তিত কনটেন্টকে অপরাধের আওতায় এনে শাস্তির পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি নির্দিষ্ট অনলাইন কনটেন্ট অপসারণ, স্থানান্তরের ক্ষমতা বিভিন্ন সরকারি সংস্থার কাছে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে প্রস্তাবিত বিধানগুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
সংস্থাটির মতে, এসব বিধান মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীন মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রস্তাবিত সংশোধনী নিয়ে একটি পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে খসড়ার বিভিন্ন পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়।
জানা গেছে, খসড়ায় নতুন করে ২৬(ক) ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। এতে সাইবার স্পেসে গুজব বা অপতথ্য প্রকাশ ও প্রচারকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনার কথা বলা হয়েছে। এ অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড বা ৪০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। ‘গুজব’ বলতে এমন অসমর্থিত বা যাচাই না করা তথ্য, সংবাদ কিংবা দাবিকে বোঝানো হয়েছে। যা জনমনে বিভ্রান্তি, আতঙ্ক, উত্তেজনা বা সামাজিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করে বা করার সম্ভাবনা রাখে।
এদিকে, ২৫ ধারার আওতাও সম্প্রসারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিং ও অশ্লীল কনটেন্টের পাশাপাশি মানহানিকর তথ্যও এতে যুক্ত হচ্ছে। সাধারণ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই বছরের পরিবর্তে ৫ বছর কারাদণ্ড এবং ১০ লাখের পরিবর্তে ২০ লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে। নারী বা ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে শাস্তি বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড ও ৪০ লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
খসড়ায় ‘বুলিং’-এরও নতুন সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পিত ও বারবার শারীরিক, মৌখিক, সামাজিক বা ডিজিটাল উপায়ে কাউকে ক্ষতি, ভয়, সামাজিক বর্জন, বিচ্ছিন্নতা বা একাকিত্বের মধ্যে ফেলাকে এর আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে এআই দিয়ে কোনো কনটেন্ট তৈরি, সম্পাদনা বা পরিবর্তন করা হলে সংশ্লিষ্ট অপরাধের ক্ষেত্রে সেটিও বিবেচনায় নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
এছাড়া, ধারা ৮(২)-এ আরও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। কনটেন্ট অপসারণ বা ব্লকের ক্ষমতা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সরকার অনুমোদিত অন্যান্য সংস্থা বা বাহিনীর কাছেও দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর আওতায় রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ, সহিংসতার আশঙ্কা, গুজব, অপতথ্য ও মানহানিকর তথ্যসহ বিভিন্ন বিষয় রাখা হয়েছে।
কোনো প্রতিষ্ঠান এ অপরাধে দোষী প্রমাণিত হলে নিবন্ধন, লাইসেন্স বা কার্যক্রম স্থগিত, বাতিল কিংবা নিষিদ্ধ করার ক্ষমতাও আদালতকে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, প্রস্তাবিত আইনে সাইবার অপরাধ, সাইবার সুরক্ষা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে একসঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে তিনটি ক্ষেত্রেই যথাযথ গুরুত্ব না দিয়ে অপব্যাখ্যা ও অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের আশঙ্কা রয়েছে।

প্রস্তাবিত ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে সরকারের ক্ষমতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে গুজব ও অপতথ্য, মানহানি, বুলিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বা পরিবর্তিত কনটেন্টকে অপরাধের আওতায় এনে শাস্তির পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি নির্দিষ্ট অনলাইন কনটেন্ট অপসারণ, স্থানান্তরের ক্ষমতা বিভিন্ন সরকারি সংস্থার কাছে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে প্রস্তাবিত বিধানগুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
সংস্থাটির মতে, এসব বিধান মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীন মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রস্তাবিত সংশোধনী নিয়ে একটি পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে খসড়ার বিভিন্ন পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়।
জানা গেছে, খসড়ায় নতুন করে ২৬(ক) ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। এতে সাইবার স্পেসে গুজব বা অপতথ্য প্রকাশ ও প্রচারকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনার কথা বলা হয়েছে। এ অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড বা ৪০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। ‘গুজব’ বলতে এমন অসমর্থিত বা যাচাই না করা তথ্য, সংবাদ কিংবা দাবিকে বোঝানো হয়েছে। যা জনমনে বিভ্রান্তি, আতঙ্ক, উত্তেজনা বা সামাজিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করে বা করার সম্ভাবনা রাখে।
এদিকে, ২৫ ধারার আওতাও সম্প্রসারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিং ও অশ্লীল কনটেন্টের পাশাপাশি মানহানিকর তথ্যও এতে যুক্ত হচ্ছে। সাধারণ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই বছরের পরিবর্তে ৫ বছর কারাদণ্ড এবং ১০ লাখের পরিবর্তে ২০ লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে। নারী বা ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে শাস্তি বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড ও ৪০ লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
খসড়ায় ‘বুলিং’-এরও নতুন সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পিত ও বারবার শারীরিক, মৌখিক, সামাজিক বা ডিজিটাল উপায়ে কাউকে ক্ষতি, ভয়, সামাজিক বর্জন, বিচ্ছিন্নতা বা একাকিত্বের মধ্যে ফেলাকে এর আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে এআই দিয়ে কোনো কনটেন্ট তৈরি, সম্পাদনা বা পরিবর্তন করা হলে সংশ্লিষ্ট অপরাধের ক্ষেত্রে সেটিও বিবেচনায় নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
এছাড়া, ধারা ৮(২)-এ আরও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। কনটেন্ট অপসারণ বা ব্লকের ক্ষমতা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সরকার অনুমোদিত অন্যান্য সংস্থা বা বাহিনীর কাছেও দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর আওতায় রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ, সহিংসতার আশঙ্কা, গুজব, অপতথ্য ও মানহানিকর তথ্যসহ বিভিন্ন বিষয় রাখা হয়েছে।
কোনো প্রতিষ্ঠান এ অপরাধে দোষী প্রমাণিত হলে নিবন্ধন, লাইসেন্স বা কার্যক্রম স্থগিত, বাতিল কিংবা নিষিদ্ধ করার ক্ষমতাও আদালতকে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, প্রস্তাবিত আইনে সাইবার অপরাধ, সাইবার সুরক্ষা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে একসঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে তিনটি ক্ষেত্রেই যথাযথ গুরুত্ব না দিয়ে অপব্যাখ্যা ও অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের আশঙ্কা রয়েছে।

সামাজিক মাধ্যম নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সরকারের ক্ষমতা, টিআইবির উদ্বেগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রস্তাবিত ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে সরকারের ক্ষমতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে গুজব ও অপতথ্য, মানহানি, বুলিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বা পরিবর্তিত কনটেন্টকে অপরাধের আওতায় এনে শাস্তির পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি নির্দিষ্ট অনলাইন কনটেন্ট অপসারণ, স্থানান্তরের ক্ষমতা বিভিন্ন সরকারি সংস্থার কাছে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে প্রস্তাবিত বিধানগুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
সংস্থাটির মতে, এসব বিধান মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীন মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রস্তাবিত সংশোধনী নিয়ে একটি পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে খসড়ার বিভিন্ন পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়।
জানা গেছে, খসড়ায় নতুন করে ২৬(ক) ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। এতে সাইবার স্পেসে গুজব বা অপতথ্য প্রকাশ ও প্রচারকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনার কথা বলা হয়েছে। এ অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড বা ৪০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। ‘গুজব’ বলতে এমন অসমর্থিত বা যাচাই না করা তথ্য, সংবাদ কিংবা দাবিকে বোঝানো হয়েছে। যা জনমনে বিভ্রান্তি, আতঙ্ক, উত্তেজনা বা সামাজিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করে বা করার সম্ভাবনা রাখে।
এদিকে, ২৫ ধারার আওতাও সম্প্রসারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিং ও অশ্লীল কনটেন্টের পাশাপাশি মানহানিকর তথ্যও এতে যুক্ত হচ্ছে। সাধারণ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই বছরের পরিবর্তে ৫ বছর কারাদণ্ড এবং ১০ লাখের পরিবর্তে ২০ লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে। নারী বা ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে শাস্তি বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড ও ৪০ লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
খসড়ায় ‘বুলিং’-এরও নতুন সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পিত ও বারবার শারীরিক, মৌখিক, সামাজিক বা ডিজিটাল উপায়ে কাউকে ক্ষতি, ভয়, সামাজিক বর্জন, বিচ্ছিন্নতা বা একাকিত্বের মধ্যে ফেলাকে এর আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে এআই দিয়ে কোনো কনটেন্ট তৈরি, সম্পাদনা বা পরিবর্তন করা হলে সংশ্লিষ্ট অপরাধের ক্ষেত্রে সেটিও বিবেচনায় নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
এছাড়া, ধারা ৮(২)-এ আরও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। কনটেন্ট অপসারণ বা ব্লকের ক্ষমতা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সরকার অনুমোদিত অন্যান্য সংস্থা বা বাহিনীর কাছেও দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর আওতায় রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ, সহিংসতার আশঙ্কা, গুজব, অপতথ্য ও মানহানিকর তথ্যসহ বিভিন্ন বিষয় রাখা হয়েছে।
কোনো প্রতিষ্ঠান এ অপরাধে দোষী প্রমাণিত হলে নিবন্ধন, লাইসেন্স বা কার্যক্রম স্থগিত, বাতিল কিংবা নিষিদ্ধ করার ক্ষমতাও আদালতকে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, প্রস্তাবিত আইনে সাইবার অপরাধ, সাইবার সুরক্ষা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে একসঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে তিনটি ক্ষেত্রেই যথাযথ গুরুত্ব না দিয়ে অপব্যাখ্যা ও অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের আশঙ্কা রয়েছে।

জ্বালানিসহ নানা সংকটে বন্ধ ৩৭ বিদ্যুৎকেন্দ্র, বাড়ছে লোডশেডিং







