এআই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ২ প্রকল্প নিয়েছে সরকার

এআই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ২ প্রকল্প নিয়েছে সরকার
নিজস্ব প্রতিবেদক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহারজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার দুটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বুধবার (৮ জুলাই) সংসদে সরকারি দলের সদস্য ফাহিমা নাসরিনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহারজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার বিদ্যমান অ্যানালগ কাঠামো থেকে ডিজিটাল ব্যবস্থায় রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই দুটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল সমস্যার ডিজিটাল সমাধান গড়ে তোলা হবে।
তিনি আরও বলেন, এআইভিত্তিক অপতথ্য ও গুজবের বিষয়টি সম্পর্কে সরকার সম্পূর্ণ অবগত এবং অনেকেই এর ভুক্তভোগী। এ কারণেই প্রধানমন্ত্রী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নির্দেশনা দিয়েছেন।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বর্তমান কাঠামোটি মূলত অ্যানালগ ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, অথচ সমস্যার ধরন সম্পূর্ণ ডিজিটাল। এ কারণে একটি রূপান্তর প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, প্রচলিত জনবল কাঠামো দিয়ে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব না হওয়ায়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আপাতত প্রকল্পভিত্তিক কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।
অধিবেশনে শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলামের অন্য এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, অ্যানালগ ব্যবস্থা থেকে ডিজিটাল ব্যবস্থায় সফলভাবে রূপান্তরই এ ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার মূল বিষয়। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি যথাযথভাবে চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন এবং সে অনুযায়ী কাজ এগিয়ে চলছে।
তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শুধু বাংলাদেশের নয়, সারা বিশ্বের জন্যই একটি নতুন চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী নতুন নতুন সমাধান নিয়ে কাজ চলছে। বাংলাদেশও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও জ্ঞান বিনিময়ের বিষয়ে আলোচনা করছে।
মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কয়েকটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করা হয়েছে। এর মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে চীনের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এসব সমঝোতা ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহারজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার দুটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বুধবার (৮ জুলাই) সংসদে সরকারি দলের সদস্য ফাহিমা নাসরিনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহারজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার বিদ্যমান অ্যানালগ কাঠামো থেকে ডিজিটাল ব্যবস্থায় রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই দুটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল সমস্যার ডিজিটাল সমাধান গড়ে তোলা হবে।
তিনি আরও বলেন, এআইভিত্তিক অপতথ্য ও গুজবের বিষয়টি সম্পর্কে সরকার সম্পূর্ণ অবগত এবং অনেকেই এর ভুক্তভোগী। এ কারণেই প্রধানমন্ত্রী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নির্দেশনা দিয়েছেন।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বর্তমান কাঠামোটি মূলত অ্যানালগ ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, অথচ সমস্যার ধরন সম্পূর্ণ ডিজিটাল। এ কারণে একটি রূপান্তর প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, প্রচলিত জনবল কাঠামো দিয়ে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব না হওয়ায়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আপাতত প্রকল্পভিত্তিক কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।
অধিবেশনে শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলামের অন্য এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, অ্যানালগ ব্যবস্থা থেকে ডিজিটাল ব্যবস্থায় সফলভাবে রূপান্তরই এ ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার মূল বিষয়। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি যথাযথভাবে চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন এবং সে অনুযায়ী কাজ এগিয়ে চলছে।
তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শুধু বাংলাদেশের নয়, সারা বিশ্বের জন্যই একটি নতুন চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী নতুন নতুন সমাধান নিয়ে কাজ চলছে। বাংলাদেশও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও জ্ঞান বিনিময়ের বিষয়ে আলোচনা করছে।
মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কয়েকটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করা হয়েছে। এর মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে চীনের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এসব সমঝোতা ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

এআই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ২ প্রকল্প নিয়েছে সরকার
নিজস্ব প্রতিবেদক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহারজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার দুটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বুধবার (৮ জুলাই) সংসদে সরকারি দলের সদস্য ফাহিমা নাসরিনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহারজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার বিদ্যমান অ্যানালগ কাঠামো থেকে ডিজিটাল ব্যবস্থায় রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই দুটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল সমস্যার ডিজিটাল সমাধান গড়ে তোলা হবে।
তিনি আরও বলেন, এআইভিত্তিক অপতথ্য ও গুজবের বিষয়টি সম্পর্কে সরকার সম্পূর্ণ অবগত এবং অনেকেই এর ভুক্তভোগী। এ কারণেই প্রধানমন্ত্রী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নির্দেশনা দিয়েছেন।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বর্তমান কাঠামোটি মূলত অ্যানালগ ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, অথচ সমস্যার ধরন সম্পূর্ণ ডিজিটাল। এ কারণে একটি রূপান্তর প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, প্রচলিত জনবল কাঠামো দিয়ে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব না হওয়ায়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আপাতত প্রকল্পভিত্তিক কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।
অধিবেশনে শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলামের অন্য এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, অ্যানালগ ব্যবস্থা থেকে ডিজিটাল ব্যবস্থায় সফলভাবে রূপান্তরই এ ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার মূল বিষয়। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি যথাযথভাবে চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন এবং সে অনুযায়ী কাজ এগিয়ে চলছে।
তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শুধু বাংলাদেশের নয়, সারা বিশ্বের জন্যই একটি নতুন চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী নতুন নতুন সমাধান নিয়ে কাজ চলছে। বাংলাদেশও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও জ্ঞান বিনিময়ের বিষয়ে আলোচনা করছে।
মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কয়েকটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করা হয়েছে। এর মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে চীনের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এসব সমঝোতা ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

সাইবার আইনকে সময়োপযোগী করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হবে: তথ্যমন্ত্রী


