বন্যপ্রাণী হত্যার শাস্তি বাড়িয়ে সংসদে বিল পাস

বন্যপ্রাণী হত্যার শাস্তি বাড়িয়ে সংসদে বিল পাস
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের বন্যপ্রাণী রক্ষা এবং বনজ সম্পদ সংরক্ষণে আরও কঠোর আইনি কাঠামো নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদে ‘বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) বিল- ২০২৬’ পাস হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে স্পিকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
নতুন এই আইনে বন্যপ্রাণী হত্যা, পাচার এবং বনাঞ্চল দখলের শাস্তি আগের তুলনায় বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে বাঘ, হাতি ও বিপন্ন প্রজাতির পাখি শিকারের ক্ষেত্রে আর্থিক জরিমানার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আইনটি কার্যকর হলে বন ও বন্যপ্রাণী সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমনে নতুন গতি আসবে।
বিলে বলা হয়েছে, বাঘ বা হাতির মতো মহাবিপন্ন প্রাণী হত্যার অভিযোগে জামিন অযোগ্য ধারায় বিচার হবে। এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। একই অপরাধ পুনরায় করলে শাস্তি দ্বিগুণ করার কথাও উল্লেখ আছে।
এ ছাড়া বন্যপ্রাণীর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অনলাইনে কেনাবেচা বা প্রদর্শনকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এ ধরনের অপরাধ ডিজিটাল নজরদারির আওতায় আনার সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বন্যপ্রাণী হত্যা ও পাচারের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের একটি কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডার তৈরির কথাও বলা হয়েছে, যাতে বন বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে।
নতুন আইনে বন্যপ্রাণীর আক্রমণে নিহত বা আহত ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য সরকারি আর্থিক সহায়তার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। বিলটি পাসের সময় মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় বন্যপ্রাণীর গুরুত্ব অপরিসীম। এই আইন কার্যকর হলে অপরাধীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং মাঠপর্যায়ে বন রক্ষকদের আইনি সুরক্ষা আরও শক্তিশালী হবে।
বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা বিলটিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, আইন পাসের পাশাপাশি এর যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে বন বিভাগের জনবল বৃদ্ধি এবং আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ জরুরি হয়ে পড়েছে।

দেশের বন্যপ্রাণী রক্ষা এবং বনজ সম্পদ সংরক্ষণে আরও কঠোর আইনি কাঠামো নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদে ‘বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) বিল- ২০২৬’ পাস হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে স্পিকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
নতুন এই আইনে বন্যপ্রাণী হত্যা, পাচার এবং বনাঞ্চল দখলের শাস্তি আগের তুলনায় বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে বাঘ, হাতি ও বিপন্ন প্রজাতির পাখি শিকারের ক্ষেত্রে আর্থিক জরিমানার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আইনটি কার্যকর হলে বন ও বন্যপ্রাণী সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমনে নতুন গতি আসবে।
বিলে বলা হয়েছে, বাঘ বা হাতির মতো মহাবিপন্ন প্রাণী হত্যার অভিযোগে জামিন অযোগ্য ধারায় বিচার হবে। এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। একই অপরাধ পুনরায় করলে শাস্তি দ্বিগুণ করার কথাও উল্লেখ আছে।
এ ছাড়া বন্যপ্রাণীর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অনলাইনে কেনাবেচা বা প্রদর্শনকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এ ধরনের অপরাধ ডিজিটাল নজরদারির আওতায় আনার সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বন্যপ্রাণী হত্যা ও পাচারের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের একটি কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডার তৈরির কথাও বলা হয়েছে, যাতে বন বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে।
নতুন আইনে বন্যপ্রাণীর আক্রমণে নিহত বা আহত ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য সরকারি আর্থিক সহায়তার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। বিলটি পাসের সময় মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় বন্যপ্রাণীর গুরুত্ব অপরিসীম। এই আইন কার্যকর হলে অপরাধীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং মাঠপর্যায়ে বন রক্ষকদের আইনি সুরক্ষা আরও শক্তিশালী হবে।
বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা বিলটিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, আইন পাসের পাশাপাশি এর যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে বন বিভাগের জনবল বৃদ্ধি এবং আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ জরুরি হয়ে পড়েছে।

বন্যপ্রাণী হত্যার শাস্তি বাড়িয়ে সংসদে বিল পাস
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের বন্যপ্রাণী রক্ষা এবং বনজ সম্পদ সংরক্ষণে আরও কঠোর আইনি কাঠামো নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদে ‘বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) বিল- ২০২৬’ পাস হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে স্পিকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
নতুন এই আইনে বন্যপ্রাণী হত্যা, পাচার এবং বনাঞ্চল দখলের শাস্তি আগের তুলনায় বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে বাঘ, হাতি ও বিপন্ন প্রজাতির পাখি শিকারের ক্ষেত্রে আর্থিক জরিমানার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আইনটি কার্যকর হলে বন ও বন্যপ্রাণী সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমনে নতুন গতি আসবে।
বিলে বলা হয়েছে, বাঘ বা হাতির মতো মহাবিপন্ন প্রাণী হত্যার অভিযোগে জামিন অযোগ্য ধারায় বিচার হবে। এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। একই অপরাধ পুনরায় করলে শাস্তি দ্বিগুণ করার কথাও উল্লেখ আছে।
এ ছাড়া বন্যপ্রাণীর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অনলাইনে কেনাবেচা বা প্রদর্শনকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এ ধরনের অপরাধ ডিজিটাল নজরদারির আওতায় আনার সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বন্যপ্রাণী হত্যা ও পাচারের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের একটি কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডার তৈরির কথাও বলা হয়েছে, যাতে বন বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে।
নতুন আইনে বন্যপ্রাণীর আক্রমণে নিহত বা আহত ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য সরকারি আর্থিক সহায়তার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। বিলটি পাসের সময় মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় বন্যপ্রাণীর গুরুত্ব অপরিসীম। এই আইন কার্যকর হলে অপরাধীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং মাঠপর্যায়ে বন রক্ষকদের আইনি সুরক্ষা আরও শক্তিশালী হবে।
বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা বিলটিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, আইন পাসের পাশাপাশি এর যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে বন বিভাগের জনবল বৃদ্ধি এবং আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ জরুরি হয়ে পড়েছে।




