‘টেলিটককে ধ্বংসের চক্রান্ত চলছে’

‘টেলিটককে ধ্বংসের চক্রান্ত চলছে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডকে ধ্বংসে দেশি ও বিদেশি চক্রান্ত বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে রাষ্ট্র ও জনস্বার্থ রক্ষা জাতীয় কমিটি। বৃহস্পতিবার (৭ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘টেলিটক দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর হিসেবে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে নীতিগত বৈষম্য, বিনিয়োগ ঘাটতি এবং অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে পিছিয়ে রাখা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশি ও বিদেশি স্বার্থান্বেষী মহলের যোগসাজশে টেলিটককে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়ার একটি চক্রান্ত চলছে— যা দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’
বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘সরকার ব্যবসা করে না। আর বাজারে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন। টেলিটকের কম মূল্যের সেবা আছে বলেই অন্য অপারেটররা চাপে থাকে। আজ যদি টেলিটক ধ্বংস করে দেওয়া যায়, তাহলে বাজারে সিন্ডিকেট করে ডাটা এবং ভয়েস কলের মূল্য কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা সবাই অনুমান করতে পারেন। তাই টেলিটককে সব প্রকার সুযোগ-সুবিধা প্রদান করতে হবে। পাশাপাশি, এই প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক করতে সরকারকে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
এ সময় মানববন্ধন থেকে সরকারের কাছে কয়েকটি দাবি তুলে ধরা হয়েছে। সেগুলো হলো–
১. টেলিটক ধ্বংসের দেশি-বিদেশি সব চক্রান্ত অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
২. একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও টেকসই পুনর্গঠন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।
৩. বকেয়া সমস্যা দ্রুত সমাধান করে আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে।
৪. পেশাদার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে টেলিটককে প্রতিযোগিতামূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে।
৫. রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুরক্ষা ও কার্যকর ব্যবহারে স্বাধীন নিরীক্ষা চালু করতে হবে।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক মো. আজিজ সরকার। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু, গ্রিন পার্টির চেয়ারম্যান রাজু আহমেদ খান, বাংলাদেশ পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান, ছাত্রনেতা মিজান, মানবাধিকার কর্মী সাধনা মহল, শেরপুর জেলা প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি মাসুদ হাসান বাদল প্রমুখ।

রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডকে ধ্বংসে দেশি ও বিদেশি চক্রান্ত বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে রাষ্ট্র ও জনস্বার্থ রক্ষা জাতীয় কমিটি। বৃহস্পতিবার (৭ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘টেলিটক দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর হিসেবে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে নীতিগত বৈষম্য, বিনিয়োগ ঘাটতি এবং অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে পিছিয়ে রাখা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশি ও বিদেশি স্বার্থান্বেষী মহলের যোগসাজশে টেলিটককে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়ার একটি চক্রান্ত চলছে— যা দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’
বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘সরকার ব্যবসা করে না। আর বাজারে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন। টেলিটকের কম মূল্যের সেবা আছে বলেই অন্য অপারেটররা চাপে থাকে। আজ যদি টেলিটক ধ্বংস করে দেওয়া যায়, তাহলে বাজারে সিন্ডিকেট করে ডাটা এবং ভয়েস কলের মূল্য কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা সবাই অনুমান করতে পারেন। তাই টেলিটককে সব প্রকার সুযোগ-সুবিধা প্রদান করতে হবে। পাশাপাশি, এই প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক করতে সরকারকে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
এ সময় মানববন্ধন থেকে সরকারের কাছে কয়েকটি দাবি তুলে ধরা হয়েছে। সেগুলো হলো–
১. টেলিটক ধ্বংসের দেশি-বিদেশি সব চক্রান্ত অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
২. একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও টেকসই পুনর্গঠন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।
৩. বকেয়া সমস্যা দ্রুত সমাধান করে আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে।
৪. পেশাদার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে টেলিটককে প্রতিযোগিতামূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে।
৫. রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুরক্ষা ও কার্যকর ব্যবহারে স্বাধীন নিরীক্ষা চালু করতে হবে।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক মো. আজিজ সরকার। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু, গ্রিন পার্টির চেয়ারম্যান রাজু আহমেদ খান, বাংলাদেশ পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান, ছাত্রনেতা মিজান, মানবাধিকার কর্মী সাধনা মহল, শেরপুর জেলা প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি মাসুদ হাসান বাদল প্রমুখ।

‘টেলিটককে ধ্বংসের চক্রান্ত চলছে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডকে ধ্বংসে দেশি ও বিদেশি চক্রান্ত বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে রাষ্ট্র ও জনস্বার্থ রক্ষা জাতীয় কমিটি। বৃহস্পতিবার (৭ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘টেলিটক দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর হিসেবে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে নীতিগত বৈষম্য, বিনিয়োগ ঘাটতি এবং অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে পিছিয়ে রাখা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশি ও বিদেশি স্বার্থান্বেষী মহলের যোগসাজশে টেলিটককে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়ার একটি চক্রান্ত চলছে— যা দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’
বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘সরকার ব্যবসা করে না। আর বাজারে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন। টেলিটকের কম মূল্যের সেবা আছে বলেই অন্য অপারেটররা চাপে থাকে। আজ যদি টেলিটক ধ্বংস করে দেওয়া যায়, তাহলে বাজারে সিন্ডিকেট করে ডাটা এবং ভয়েস কলের মূল্য কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা সবাই অনুমান করতে পারেন। তাই টেলিটককে সব প্রকার সুযোগ-সুবিধা প্রদান করতে হবে। পাশাপাশি, এই প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক করতে সরকারকে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
এ সময় মানববন্ধন থেকে সরকারের কাছে কয়েকটি দাবি তুলে ধরা হয়েছে। সেগুলো হলো–
১. টেলিটক ধ্বংসের দেশি-বিদেশি সব চক্রান্ত অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
২. একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও টেকসই পুনর্গঠন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।
৩. বকেয়া সমস্যা দ্রুত সমাধান করে আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে।
৪. পেশাদার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে টেলিটককে প্রতিযোগিতামূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে।
৫. রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুরক্ষা ও কার্যকর ব্যবহারে স্বাধীন নিরীক্ষা চালু করতে হবে।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক মো. আজিজ সরকার। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু, গ্রিন পার্টির চেয়ারম্যান রাজু আহমেদ খান, বাংলাদেশ পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান, ছাত্রনেতা মিজান, মানবাধিকার কর্মী সাধনা মহল, শেরপুর জেলা প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি মাসুদ হাসান বাদল প্রমুখ।

হোয়াটসঅ্যাপেই করা যাবে মোবাইল রিচার্জ


