শিরোনাম

আইসিএপিপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন ইসমাইল জবিউল্লাহ

বিশেষ প্রতিনিধি
বিশেষ প্রতিনিধি
আইসিএপিপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন ইসমাইল জবিউল্লাহ
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ

বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব এশিয়ান পলিটিক্যাল পার্টিজের (আইসিএপিপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ মনোনীত হয়েছেন।

সোমবার (২২ জুন) এক ই-মেইল বার্তায় তথ্য জানান আইসিএপিপির মহাসচিব।

বার্তায় বলা হয়েছে, আগামী ২৫ থেকে ২৮ জুন মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটরে অনুষ্ঠেয় আইসিএপিপির ৪৫তম স্থায়ী কমিটির সভায় ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন। এ সভায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরা আঞ্চলিক সহযোগিতা, রাজনৈতিক সংলাপ, গণতন্ত্র, সুশাসন, উন্নয়ন ও পারস্পরিক বোঝাপড়া জোরদারের বিষয়ে মতবিনিময় করবেন।

এতে বলা হয়েছে, বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের পক্ষ থেকে আইসিএপিপির স্থায়ী কমিটির সদস্যপদের জন্য মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর নাম প্রস্তাব করেছিলেন।

এর আগে, ২০০৪ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান প্রয়াত আব্দুল্লাহ আল নোমান এবং ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বর্তমান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন আইসিএপিপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ইসমাইল জবিউল্লাহর এই মনোনয়নকে বিএনপির আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিসরে অবস্থান আরও সুদৃঢ় হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। দলটির কূটনৈতিক যোগাযোগ ও বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

নতুন এই দায়িত্বের ফলে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক আরও জোরদার হবে এবং আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক রাজনৈতিক সংলাপে দলটির অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব এশিয়ান পলিটিক্যাল পার্টিজ (আইসিএপিপি) এশিয়ার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম। সংস্থাটি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সহযোগিতা, পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়া বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজ করে।

/এসবি/