সংসদ কক্ষের চেয়ারে প্রত্যেক এমপির হাত কাটা যাচ্ছে: জয়নাল আবদিন ফারুক

সংসদ কক্ষের চেয়ারে প্রত্যেক এমপির হাত কাটা যাচ্ছে: জয়নাল আবদিন ফারুক
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষের চেয়ারগুলো ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিন ফারুক।
বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে এ বিষয়ে বক্তব্য দেন জয়নাল আবদিন ফারুক। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ।
চেয়ারে বসা ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে জয়নাল আবদিন ফারুক বলেছেন, চেয়ারগুলোর পেছনের পিন খোলা থাকায় সংসদ সদস্যদের হাত কেটে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘এখানে (সংসদ কক্ষে) ৩০০টির বেশি চেয়ার আছে। চেয়ারগুলোর যে অবস্থা, আমরা যারা এখানে আছি, ১৬ বছর পুলিশের দ্বারা নির্যাতিত, কারও কোমর নাই, কারও হাতে ব্যথা, কারও পিঠে ব্যথা। এ চেয়ারগুলোর পেছনে গ্যাপ তিন ইঞ্চি। যখন এখানে বসা হয়, তখন গ্যাপটা পূরণের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। অনেক তরুণ এমপিও বসতে পারেন না।’
চেয়ারগুলোর ওজন প্রসঙ্গে ফারুক বলেন, ‘এটা করা হয়েছে, আমি জানি, ১৯৯১ সালে প্রথম এমপি হয়েছিলাম। তখন চেয়ারগুলো নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল, রেকর্ড খুঁজলে পাওয়া যাবে। তখন এ চেয়ারগুলো এত ভারী করা হয়েছিল যেন তুলে নিক্ষেপ করা না হয়। সে জন্য মনে হয় লোহার শিকল দিয়ে বাঁধা হয়েছে। সেটি ইতিহাস। এ চেয়ারগুলো এত ওজন। একটুকু আগে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন দেখলেন, পেছনে হাত কেটে গেছে, পিনগুলো সব খোলা। প্রত্যেক এমপির হাত কাটা যাচ্ছে, এগুলো দেখা দরকার।’

জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষের চেয়ারগুলো ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিন ফারুক।
বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে এ বিষয়ে বক্তব্য দেন জয়নাল আবদিন ফারুক। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ।
চেয়ারে বসা ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে জয়নাল আবদিন ফারুক বলেছেন, চেয়ারগুলোর পেছনের পিন খোলা থাকায় সংসদ সদস্যদের হাত কেটে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘এখানে (সংসদ কক্ষে) ৩০০টির বেশি চেয়ার আছে। চেয়ারগুলোর যে অবস্থা, আমরা যারা এখানে আছি, ১৬ বছর পুলিশের দ্বারা নির্যাতিত, কারও কোমর নাই, কারও হাতে ব্যথা, কারও পিঠে ব্যথা। এ চেয়ারগুলোর পেছনে গ্যাপ তিন ইঞ্চি। যখন এখানে বসা হয়, তখন গ্যাপটা পূরণের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। অনেক তরুণ এমপিও বসতে পারেন না।’
চেয়ারগুলোর ওজন প্রসঙ্গে ফারুক বলেন, ‘এটা করা হয়েছে, আমি জানি, ১৯৯১ সালে প্রথম এমপি হয়েছিলাম। তখন চেয়ারগুলো নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল, রেকর্ড খুঁজলে পাওয়া যাবে। তখন এ চেয়ারগুলো এত ভারী করা হয়েছিল যেন তুলে নিক্ষেপ করা না হয়। সে জন্য মনে হয় লোহার শিকল দিয়ে বাঁধা হয়েছে। সেটি ইতিহাস। এ চেয়ারগুলো এত ওজন। একটুকু আগে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন দেখলেন, পেছনে হাত কেটে গেছে, পিনগুলো সব খোলা। প্রত্যেক এমপির হাত কাটা যাচ্ছে, এগুলো দেখা দরকার।’

সংসদ কক্ষের চেয়ারে প্রত্যেক এমপির হাত কাটা যাচ্ছে: জয়নাল আবদিন ফারুক
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষের চেয়ারগুলো ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিন ফারুক।
বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে এ বিষয়ে বক্তব্য দেন জয়নাল আবদিন ফারুক। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ।
চেয়ারে বসা ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে জয়নাল আবদিন ফারুক বলেছেন, চেয়ারগুলোর পেছনের পিন খোলা থাকায় সংসদ সদস্যদের হাত কেটে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘এখানে (সংসদ কক্ষে) ৩০০টির বেশি চেয়ার আছে। চেয়ারগুলোর যে অবস্থা, আমরা যারা এখানে আছি, ১৬ বছর পুলিশের দ্বারা নির্যাতিত, কারও কোমর নাই, কারও হাতে ব্যথা, কারও পিঠে ব্যথা। এ চেয়ারগুলোর পেছনে গ্যাপ তিন ইঞ্চি। যখন এখানে বসা হয়, তখন গ্যাপটা পূরণের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। অনেক তরুণ এমপিও বসতে পারেন না।’
চেয়ারগুলোর ওজন প্রসঙ্গে ফারুক বলেন, ‘এটা করা হয়েছে, আমি জানি, ১৯৯১ সালে প্রথম এমপি হয়েছিলাম। তখন চেয়ারগুলো নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল, রেকর্ড খুঁজলে পাওয়া যাবে। তখন এ চেয়ারগুলো এত ভারী করা হয়েছিল যেন তুলে নিক্ষেপ করা না হয়। সে জন্য মনে হয় লোহার শিকল দিয়ে বাঁধা হয়েছে। সেটি ইতিহাস। এ চেয়ারগুলো এত ওজন। একটুকু আগে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন দেখলেন, পেছনে হাত কেটে গেছে, পিনগুলো সব খোলা। প্রত্যেক এমপির হাত কাটা যাচ্ছে, এগুলো দেখা দরকার।’




