এ বছর ১৬ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু
বিশেষ প্রতিনিধি

এ বছর ১৬ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬, ২০: ২৪

চলতি বছর ১৬ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজনের মদিনায় ও ১২ জনের মক্কা নগরীতে মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যু হওয়া যাত্রীদের মধ্যে চারজন নারী ও ১২ জন পুরুষ। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালের সর্বশেষ বুলেটিনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেন, শারীরিক সক্ষম ব্যক্তিদের হজে যাওয়ার বিষয়ে প্রাক-নিবন্ধনের সময়ে বলে দেওয়া হয়। এছাড়া ৭০ উর্ধ্ব হজযাত্রীর সঙ্গে অনুর্ধ্ব ৫০ শারিরীক সক্ষম ব্যক্তি যাতে যায় সে বিষয়ে বলা আছে। কিন্তু বাংলাদেশী অনেকেই এই নিয়ম মানছে না।
জানতে চাইলে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মঞ্জুরুল হক সিটিজেন জার্নালকে বলেন, প্রতিদিনই দুই একজন হজযাত্রীর মৃত্যু হচ্ছে। সৌদি আরবে আবহাওয়াজনিত কারণে তাদের মৃত্যু হচ্ছে। বেশিরভাগ যাত্রী স্ট্রোকে মারা যাচ্ছেন। কোনো কোনো দেশে একজন হজযাত্রীকে কমপক্ষে দৈনিক পাঁচ কিলোমিটার পর্যন্ত হাঁটার নির্দেশনা রয়েছে। বাংলাদেশের জন্য এই নির্দেশনা না থাকলেও প্রাক-নিবন্ধের সময় বিভিন্ন সতর্কতার বিষয়ে তাদেরকে অবগত করা হয়ে থাকে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যু হওয়া হজযাত্রীদের মধ্যে রয়েছে রাজধানীর তেজগাঁও এলাকার এনএম মনিরুল হক, টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার মো. এ মজিদ, ঢাকার সাভারের নাসরিন সুলতানা, যশোরের আব্দুল মতিন, দিনাজপুরের আজহারুল হক, ঠাকুরগাঁওয়ের নিলুফা বেগম, ফরিদপুরের নাসির উদ্দিন বিশ্বাস, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাহফুজা বেগম, রংপুরের শামসুল আলম, জামালপুরের আবদুল হাই, শেরপুরের আবদুল্লাহ আল মামুন, দিনাজপুরের খলিলুর রহমান, ময়মনসিংহের সেরাজুল হক, টাঙ্গাইলের আবুল কাশেম ও জয়পুরহাটের নইম উদ্দিন মন্ডল।

চলতি বছর ১৬ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজনের মদিনায় ও ১২ জনের মক্কা নগরীতে মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যু হওয়া যাত্রীদের মধ্যে চারজন নারী ও ১২ জন পুরুষ। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালের সর্বশেষ বুলেটিনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেন, শারীরিক সক্ষম ব্যক্তিদের হজে যাওয়ার বিষয়ে প্রাক-নিবন্ধনের সময়ে বলে দেওয়া হয়। এছাড়া ৭০ উর্ধ্ব হজযাত্রীর সঙ্গে অনুর্ধ্ব ৫০ শারিরীক সক্ষম ব্যক্তি যাতে যায় সে বিষয়ে বলা আছে। কিন্তু বাংলাদেশী অনেকেই এই নিয়ম মানছে না।
জানতে চাইলে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মঞ্জুরুল হক সিটিজেন জার্নালকে বলেন, প্রতিদিনই দুই একজন হজযাত্রীর মৃত্যু হচ্ছে। সৌদি আরবে আবহাওয়াজনিত কারণে তাদের মৃত্যু হচ্ছে। বেশিরভাগ যাত্রী স্ট্রোকে মারা যাচ্ছেন। কোনো কোনো দেশে একজন হজযাত্রীকে কমপক্ষে দৈনিক পাঁচ কিলোমিটার পর্যন্ত হাঁটার নির্দেশনা রয়েছে। বাংলাদেশের জন্য এই নির্দেশনা না থাকলেও প্রাক-নিবন্ধের সময় বিভিন্ন সতর্কতার বিষয়ে তাদেরকে অবগত করা হয়ে থাকে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যু হওয়া হজযাত্রীদের মধ্যে রয়েছে রাজধানীর তেজগাঁও এলাকার এনএম মনিরুল হক, টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার মো. এ মজিদ, ঢাকার সাভারের নাসরিন সুলতানা, যশোরের আব্দুল মতিন, দিনাজপুরের আজহারুল হক, ঠাকুরগাঁওয়ের নিলুফা বেগম, ফরিদপুরের নাসির উদ্দিন বিশ্বাস, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাহফুজা বেগম, রংপুরের শামসুল আলম, জামালপুরের আবদুল হাই, শেরপুরের আবদুল্লাহ আল মামুন, দিনাজপুরের খলিলুর রহমান, ময়মনসিংহের সেরাজুল হক, টাঙ্গাইলের আবুল কাশেম ও জয়পুরহাটের নইম উদ্দিন মন্ডল।

এ বছর ১৬ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬, ২০: ২৪

চলতি বছর ১৬ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজনের মদিনায় ও ১২ জনের মক্কা নগরীতে মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যু হওয়া যাত্রীদের মধ্যে চারজন নারী ও ১২ জন পুরুষ। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালের সর্বশেষ বুলেটিনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেন, শারীরিক সক্ষম ব্যক্তিদের হজে যাওয়ার বিষয়ে প্রাক-নিবন্ধনের সময়ে বলে দেওয়া হয়। এছাড়া ৭০ উর্ধ্ব হজযাত্রীর সঙ্গে অনুর্ধ্ব ৫০ শারিরীক সক্ষম ব্যক্তি যাতে যায় সে বিষয়ে বলা আছে। কিন্তু বাংলাদেশী অনেকেই এই নিয়ম মানছে না।
জানতে চাইলে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মঞ্জুরুল হক সিটিজেন জার্নালকে বলেন, প্রতিদিনই দুই একজন হজযাত্রীর মৃত্যু হচ্ছে। সৌদি আরবে আবহাওয়াজনিত কারণে তাদের মৃত্যু হচ্ছে। বেশিরভাগ যাত্রী স্ট্রোকে মারা যাচ্ছেন। কোনো কোনো দেশে একজন হজযাত্রীকে কমপক্ষে দৈনিক পাঁচ কিলোমিটার পর্যন্ত হাঁটার নির্দেশনা রয়েছে। বাংলাদেশের জন্য এই নির্দেশনা না থাকলেও প্রাক-নিবন্ধের সময় বিভিন্ন সতর্কতার বিষয়ে তাদেরকে অবগত করা হয়ে থাকে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যু হওয়া হজযাত্রীদের মধ্যে রয়েছে রাজধানীর তেজগাঁও এলাকার এনএম মনিরুল হক, টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার মো. এ মজিদ, ঢাকার সাভারের নাসরিন সুলতানা, যশোরের আব্দুল মতিন, দিনাজপুরের আজহারুল হক, ঠাকুরগাঁওয়ের নিলুফা বেগম, ফরিদপুরের নাসির উদ্দিন বিশ্বাস, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাহফুজা বেগম, রংপুরের শামসুল আলম, জামালপুরের আবদুল হাই, শেরপুরের আবদুল্লাহ আল মামুন, দিনাজপুরের খলিলুর রহমান, ময়মনসিংহের সেরাজুল হক, টাঙ্গাইলের আবুল কাশেম ও জয়পুরহাটের নইম উদ্দিন মন্ডল।
/এমআর/




