সরকারি ইলেকট্রিক গাড়ি কেনায় মূল্যসীমা নির্ধারণ

সরকারি ইলেকট্রিক গাড়ি কেনায় মূল্যসীমা নির্ধারণ
সিজেডএন ডেস্ক

সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, পাবলিক সেক্টর কর্পোরেশন এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য ফুল ইলেকট্রিক ভেহিকল (এফইভি) বা বৈদ্যুতিক গাড়ির মূল্যসীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে সরকার।
১৬ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী- রেজিস্ট্রেশন, ভ্যাট, ট্যাক্সসহ সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকায় জিপ কেনা যাবে।
এতে বৈদ্যুতিক গাড়ির মূল্য এবং কারিগরি মানও নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মকর্তা ও অফিসের দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য কারের সর্বোচ্চ দাম ৫০ লাখ টাকা। এতে মোটর পাওয়ার কমপক্ষে ৯৫ কিলোওয়াট, ব্যাটারি ক্যাপাসিটি কমপক্ষে ৫০ কিলোওয়াট-আওয়ার এবং রেঞ্জ কমপক্ষে ৪০০ কিলোমিটার হতে হবে। ডিসি ফাস্ট চার্জিং সক্ষমতা কমপক্ষে ৮০ কিলোওয়াট এবং ব্যাটারি ওয়ারেন্টি থাকতে হবে কমপক্ষে আট বছর।
গ্রেড-৩ ও তদনিম্ন কর্মকর্তাদের জন্য জিপের সর্বোচ্চ দাম ৫৫ লাখ টাকা। এতে ১৫০ কিলোওয়াট মোটর পাওয়ার, ৫৫ কিলোওয়াট-আওয়ার ব্যাটারি, ৪০০ কিলোমিটার রেঞ্জ ও ৮০ কিলোওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধা ও ৮ বছরের ব্যাটারি ওয়ারেন্টি থাকতে হবে।
আর গ্রেড-২ ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাদের জন্য জিপের মূল্যসীমা ৭৫ লাখ টাকা। গাড়িতে কমপক্ষে ২০০ কিলোওয়াট মোটর পাওয়ার, ৫৫ কিলোওয়াট-আওয়ার ব্যাটারি, ৪৩০ কিলোমিটার রেঞ্জ ও ৮০ কিলোওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধা থাকা বাধ্যতামূলক। এছাড়া ব্যাটারি ওয়ারেন্টি থাকতে হবে কমপক্ষে ৮ বছরের।
পরিপত্র জারির পর থেকে রেজিস্ট্রেশন, ভ্যাট, ট্যাক্সসহ নির্ধারিত সর্বোচ্চ মূল্যের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য কোনো বৈদ্যুতিক গাড়ি কেনা যাবে না। যানবাহন কেনার ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের জারি করা সকল নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে।

সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, পাবলিক সেক্টর কর্পোরেশন এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য ফুল ইলেকট্রিক ভেহিকল (এফইভি) বা বৈদ্যুতিক গাড়ির মূল্যসীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে সরকার।
১৬ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী- রেজিস্ট্রেশন, ভ্যাট, ট্যাক্সসহ সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকায় জিপ কেনা যাবে।
এতে বৈদ্যুতিক গাড়ির মূল্য এবং কারিগরি মানও নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মকর্তা ও অফিসের দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য কারের সর্বোচ্চ দাম ৫০ লাখ টাকা। এতে মোটর পাওয়ার কমপক্ষে ৯৫ কিলোওয়াট, ব্যাটারি ক্যাপাসিটি কমপক্ষে ৫০ কিলোওয়াট-আওয়ার এবং রেঞ্জ কমপক্ষে ৪০০ কিলোমিটার হতে হবে। ডিসি ফাস্ট চার্জিং সক্ষমতা কমপক্ষে ৮০ কিলোওয়াট এবং ব্যাটারি ওয়ারেন্টি থাকতে হবে কমপক্ষে আট বছর।
গ্রেড-৩ ও তদনিম্ন কর্মকর্তাদের জন্য জিপের সর্বোচ্চ দাম ৫৫ লাখ টাকা। এতে ১৫০ কিলোওয়াট মোটর পাওয়ার, ৫৫ কিলোওয়াট-আওয়ার ব্যাটারি, ৪০০ কিলোমিটার রেঞ্জ ও ৮০ কিলোওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধা ও ৮ বছরের ব্যাটারি ওয়ারেন্টি থাকতে হবে।
আর গ্রেড-২ ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাদের জন্য জিপের মূল্যসীমা ৭৫ লাখ টাকা। গাড়িতে কমপক্ষে ২০০ কিলোওয়াট মোটর পাওয়ার, ৫৫ কিলোওয়াট-আওয়ার ব্যাটারি, ৪৩০ কিলোমিটার রেঞ্জ ও ৮০ কিলোওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধা থাকা বাধ্যতামূলক। এছাড়া ব্যাটারি ওয়ারেন্টি থাকতে হবে কমপক্ষে ৮ বছরের।
পরিপত্র জারির পর থেকে রেজিস্ট্রেশন, ভ্যাট, ট্যাক্সসহ নির্ধারিত সর্বোচ্চ মূল্যের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য কোনো বৈদ্যুতিক গাড়ি কেনা যাবে না। যানবাহন কেনার ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের জারি করা সকল নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে।

সরকারি ইলেকট্রিক গাড়ি কেনায় মূল্যসীমা নির্ধারণ
সিজেডএন ডেস্ক

সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, পাবলিক সেক্টর কর্পোরেশন এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য ফুল ইলেকট্রিক ভেহিকল (এফইভি) বা বৈদ্যুতিক গাড়ির মূল্যসীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে সরকার।
১৬ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী- রেজিস্ট্রেশন, ভ্যাট, ট্যাক্সসহ সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকায় জিপ কেনা যাবে।
এতে বৈদ্যুতিক গাড়ির মূল্য এবং কারিগরি মানও নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মকর্তা ও অফিসের দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য কারের সর্বোচ্চ দাম ৫০ লাখ টাকা। এতে মোটর পাওয়ার কমপক্ষে ৯৫ কিলোওয়াট, ব্যাটারি ক্যাপাসিটি কমপক্ষে ৫০ কিলোওয়াট-আওয়ার এবং রেঞ্জ কমপক্ষে ৪০০ কিলোমিটার হতে হবে। ডিসি ফাস্ট চার্জিং সক্ষমতা কমপক্ষে ৮০ কিলোওয়াট এবং ব্যাটারি ওয়ারেন্টি থাকতে হবে কমপক্ষে আট বছর।
গ্রেড-৩ ও তদনিম্ন কর্মকর্তাদের জন্য জিপের সর্বোচ্চ দাম ৫৫ লাখ টাকা। এতে ১৫০ কিলোওয়াট মোটর পাওয়ার, ৫৫ কিলোওয়াট-আওয়ার ব্যাটারি, ৪০০ কিলোমিটার রেঞ্জ ও ৮০ কিলোওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধা ও ৮ বছরের ব্যাটারি ওয়ারেন্টি থাকতে হবে।
আর গ্রেড-২ ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাদের জন্য জিপের মূল্যসীমা ৭৫ লাখ টাকা। গাড়িতে কমপক্ষে ২০০ কিলোওয়াট মোটর পাওয়ার, ৫৫ কিলোওয়াট-আওয়ার ব্যাটারি, ৪৩০ কিলোমিটার রেঞ্জ ও ৮০ কিলোওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধা থাকা বাধ্যতামূলক। এছাড়া ব্যাটারি ওয়ারেন্টি থাকতে হবে কমপক্ষে ৮ বছরের।
পরিপত্র জারির পর থেকে রেজিস্ট্রেশন, ভ্যাট, ট্যাক্সসহ নির্ধারিত সর্বোচ্চ মূল্যের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য কোনো বৈদ্যুতিক গাড়ি কেনা যাবে না। যানবাহন কেনার ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের জারি করা সকল নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে।

ঋণসুবিধা নিয়েও রাজউকের ৫ আমলার দখলে সরকারি গাড়ি 







