বিশ্ব নগর ফোরামের সম্মেলনে অগ্রাধিকার তুলে ধরলো বাংলাদেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশ্ব নগর ফোরামের সম্মেলনে অগ্রাধিকার তুলে ধরলো বাংলাদেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৬, ১৩: ১৮

আজারবাইজানের বাকু শহরে আয়োজিত বিশ্ব নগর ফোরামের ১৩তম অধিবেশনে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরা হয়েছে। রবিবার (১৭ মে) শুরু হওয়া এই সম্মেলন আগামী শুক্রবার (২২ মে) পর্যন্ত চলবে।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফেরদৌসী বেগম। আরও আছেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. আব্দুল আউয়াল, স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি মো. আসিফুর রহমান ভূঁইয়া এবং রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (১৯ মে) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
ইউএন-হ্যাবিট্যাট ও আজারবাইজান সরকারের যৌথভাবে আয়োজিত এ সম্মেলনের এবারের প্রতিপাদ্য– ‘বিশ্বের আবাসন: নিরাপদ ও টেকসই শহর ও সম্প্রদায়’।
১৩তম ওয়ার্ল্ড আরবান ফোরামের উদ্বোধন করেন ইউএন-হ্যাবিট্যাট-এর নির্বাহী পরিচালক আনাক্লডিয়া রোজবাখ। উদ্বোধনের পর অনুষ্ঠিত হয় ‘নতুন নগর এজেন্ডা’ বিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। সেখানে বিশ্বব্যাপী টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়াসহ ৫৫টির বেশি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বাংলাদেশও এই অধিবেশনে অংশ নেয় এবং টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবকেন্দ্রিক নগর গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
২০১৬ সালে গৃহীত ‘নতুন নগর এজেন্ডা’ বর্তমানে বৈশ্বিক নগর উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করছে। বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল পরিকল্পিত নগরায়ন, সাশ্রয়ী আবাসন ও জলবায়ু-সহনশীল উন্নয়নে দেশের চলমান উদ্যোগগুলো তুলে ধরে, যা এসডিজির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
এবারের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উত্থাপিত মূল অগ্রাধিকারগুলো নিচে তুলে ধরা হলো।
পরিকল্পিত নগরায়ন ও আঞ্চলিক উন্নয়ন
সারাদেশে পরিকল্পিত নগরায়ন ও জনসংখ্যার সুষম বণ্টনের জন্য বাংলাদেশ নতুন স্থানিক পরিকল্পনা আইনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। পূর্বাচল নতুন শহর, ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প ও উত্তরা ৩য় পর্বের মতো উদ্যোগ ঢাকার চাপ কমিয়ে আধুনিক ও পরিকল্পিত নগর গড়ে তুলতে সহায়তা করছে।
সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আবাসন
বাংলাদেশের নগর নীতিতে ‘সবার জন্য আবাসন’ একটি প্রধান অগ্রাধিকার। সরকার টঙ্গী দত্তপাড়া ও কড়াইলসহ বস্তি উন্নয়ন প্রকল্প এবং নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী আবাসনে এফএআর প্রণোদনার বিষয়টি তুলে ধরে।
জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা এবং ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবন
সরকারি আবাসন কর্মসূচি, স্থিতিস্থাপক অবকাঠামো ও টেকসই নির্মাণ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ জলবায়ু-সহনশীল নগর গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। পাশাপাশি বাসযোগ্যতা, নিরাপত্তা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে ‘পুরান ঢাকা পুনরুজ্জীবন প্রকল্প’-এর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
টেকসই নগরের জন্য বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব
কক্সবাজারে ভূমির অবক্ষয় রোধসহ দেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক আবাসন, নগর স্থিতিস্থাপকতা ও টেকসই উন্নয়নে ইউএন-হ্যাবিট্যাট, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, ইউএনওপিএস এবং ইউএনইএসসিএপি-এর ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য প্রতিনিধিদল কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

আজারবাইজানের বাকু শহরে আয়োজিত বিশ্ব নগর ফোরামের ১৩তম অধিবেশনে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরা হয়েছে। রবিবার (১৭ মে) শুরু হওয়া এই সম্মেলন আগামী শুক্রবার (২২ মে) পর্যন্ত চলবে।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফেরদৌসী বেগম। আরও আছেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. আব্দুল আউয়াল, স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি মো. আসিফুর রহমান ভূঁইয়া এবং রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (১৯ মে) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
ইউএন-হ্যাবিট্যাট ও আজারবাইজান সরকারের যৌথভাবে আয়োজিত এ সম্মেলনের এবারের প্রতিপাদ্য– ‘বিশ্বের আবাসন: নিরাপদ ও টেকসই শহর ও সম্প্রদায়’।
১৩তম ওয়ার্ল্ড আরবান ফোরামের উদ্বোধন করেন ইউএন-হ্যাবিট্যাট-এর নির্বাহী পরিচালক আনাক্লডিয়া রোজবাখ। উদ্বোধনের পর অনুষ্ঠিত হয় ‘নতুন নগর এজেন্ডা’ বিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। সেখানে বিশ্বব্যাপী টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়াসহ ৫৫টির বেশি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বাংলাদেশও এই অধিবেশনে অংশ নেয় এবং টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবকেন্দ্রিক নগর গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
২০১৬ সালে গৃহীত ‘নতুন নগর এজেন্ডা’ বর্তমানে বৈশ্বিক নগর উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করছে। বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল পরিকল্পিত নগরায়ন, সাশ্রয়ী আবাসন ও জলবায়ু-সহনশীল উন্নয়নে দেশের চলমান উদ্যোগগুলো তুলে ধরে, যা এসডিজির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
এবারের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উত্থাপিত মূল অগ্রাধিকারগুলো নিচে তুলে ধরা হলো।
পরিকল্পিত নগরায়ন ও আঞ্চলিক উন্নয়ন
সারাদেশে পরিকল্পিত নগরায়ন ও জনসংখ্যার সুষম বণ্টনের জন্য বাংলাদেশ নতুন স্থানিক পরিকল্পনা আইনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। পূর্বাচল নতুন শহর, ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প ও উত্তরা ৩য় পর্বের মতো উদ্যোগ ঢাকার চাপ কমিয়ে আধুনিক ও পরিকল্পিত নগর গড়ে তুলতে সহায়তা করছে।
সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আবাসন
বাংলাদেশের নগর নীতিতে ‘সবার জন্য আবাসন’ একটি প্রধান অগ্রাধিকার। সরকার টঙ্গী দত্তপাড়া ও কড়াইলসহ বস্তি উন্নয়ন প্রকল্প এবং নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী আবাসনে এফএআর প্রণোদনার বিষয়টি তুলে ধরে।
জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা এবং ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবন
সরকারি আবাসন কর্মসূচি, স্থিতিস্থাপক অবকাঠামো ও টেকসই নির্মাণ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ জলবায়ু-সহনশীল নগর গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। পাশাপাশি বাসযোগ্যতা, নিরাপত্তা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে ‘পুরান ঢাকা পুনরুজ্জীবন প্রকল্প’-এর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
টেকসই নগরের জন্য বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব
কক্সবাজারে ভূমির অবক্ষয় রোধসহ দেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক আবাসন, নগর স্থিতিস্থাপকতা ও টেকসই উন্নয়নে ইউএন-হ্যাবিট্যাট, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, ইউএনওপিএস এবং ইউএনইএসসিএপি-এর ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য প্রতিনিধিদল কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

বিশ্ব নগর ফোরামের সম্মেলনে অগ্রাধিকার তুলে ধরলো বাংলাদেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৬, ১৩: ১৮

আজারবাইজানের বাকু শহরে আয়োজিত বিশ্ব নগর ফোরামের ১৩তম অধিবেশনে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরা হয়েছে। রবিবার (১৭ মে) শুরু হওয়া এই সম্মেলন আগামী শুক্রবার (২২ মে) পর্যন্ত চলবে।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফেরদৌসী বেগম। আরও আছেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. আব্দুল আউয়াল, স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি মো. আসিফুর রহমান ভূঁইয়া এবং রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (১৯ মে) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
ইউএন-হ্যাবিট্যাট ও আজারবাইজান সরকারের যৌথভাবে আয়োজিত এ সম্মেলনের এবারের প্রতিপাদ্য– ‘বিশ্বের আবাসন: নিরাপদ ও টেকসই শহর ও সম্প্রদায়’।
১৩তম ওয়ার্ল্ড আরবান ফোরামের উদ্বোধন করেন ইউএন-হ্যাবিট্যাট-এর নির্বাহী পরিচালক আনাক্লডিয়া রোজবাখ। উদ্বোধনের পর অনুষ্ঠিত হয় ‘নতুন নগর এজেন্ডা’ বিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। সেখানে বিশ্বব্যাপী টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়াসহ ৫৫টির বেশি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বাংলাদেশও এই অধিবেশনে অংশ নেয় এবং টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবকেন্দ্রিক নগর গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
২০১৬ সালে গৃহীত ‘নতুন নগর এজেন্ডা’ বর্তমানে বৈশ্বিক নগর উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করছে। বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল পরিকল্পিত নগরায়ন, সাশ্রয়ী আবাসন ও জলবায়ু-সহনশীল উন্নয়নে দেশের চলমান উদ্যোগগুলো তুলে ধরে, যা এসডিজির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
এবারের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উত্থাপিত মূল অগ্রাধিকারগুলো নিচে তুলে ধরা হলো।
পরিকল্পিত নগরায়ন ও আঞ্চলিক উন্নয়ন
সারাদেশে পরিকল্পিত নগরায়ন ও জনসংখ্যার সুষম বণ্টনের জন্য বাংলাদেশ নতুন স্থানিক পরিকল্পনা আইনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। পূর্বাচল নতুন শহর, ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প ও উত্তরা ৩য় পর্বের মতো উদ্যোগ ঢাকার চাপ কমিয়ে আধুনিক ও পরিকল্পিত নগর গড়ে তুলতে সহায়তা করছে।
সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আবাসন
বাংলাদেশের নগর নীতিতে ‘সবার জন্য আবাসন’ একটি প্রধান অগ্রাধিকার। সরকার টঙ্গী দত্তপাড়া ও কড়াইলসহ বস্তি উন্নয়ন প্রকল্প এবং নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী আবাসনে এফএআর প্রণোদনার বিষয়টি তুলে ধরে।
জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা এবং ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবন
সরকারি আবাসন কর্মসূচি, স্থিতিস্থাপক অবকাঠামো ও টেকসই নির্মাণ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ জলবায়ু-সহনশীল নগর গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। পাশাপাশি বাসযোগ্যতা, নিরাপত্তা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে ‘পুরান ঢাকা পুনরুজ্জীবন প্রকল্প’-এর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
টেকসই নগরের জন্য বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব
কক্সবাজারে ভূমির অবক্ষয় রোধসহ দেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক আবাসন, নগর স্থিতিস্থাপকতা ও টেকসই উন্নয়নে ইউএন-হ্যাবিট্যাট, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, ইউএনওপিএস এবং ইউএনইএসসিএপি-এর ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য প্রতিনিধিদল কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
/এফসি/




