১ জুলাই থেকে ‘এ-চালান’ পদ্ধতিতে রাজস্ব জমা
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

১ জুলাই থেকে ‘এ-চালান’ পদ্ধতিতে রাজস্ব জমা
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ১৮: ৪৩

সরকারি সব ধরনের রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি আগামী জুলাই থেকে শতভাগ ‘এ-চালান’ পদ্ধতির মাধ্যমে ট্রেজারি সিঙ্গেল অ্যাকাউন্টে (টিএসএ) জমা দিতে হবে। একইসঙ্গে দীর্ঘদিনের ম্যানুয়াল চালান পদ্ধতি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সম্প্রতি এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সরকারি ঋণ ও আর্থিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের প্রচ্ছন্ন দায় ও আর্থিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা শাখার উপসচিব ইশরাত জাবিন স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্র জারি করা হয়।
পরিপত্রে বলা হয়, সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, সরকারের সব রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি ‘সংযুক্ত তহবিল’ অথবা ‘প্রজাতন্ত্রের সরকারি হিসাব’-এ জমা হওয়ার বিধান রয়েছে। ট্রেজারি রুলস অনুযায়ী এ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত (টিএসএ)-এর মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
কিন্তু, বাস্তবে কিছু দপ্তর এখনও পুরোনো ম্যানুয়াল কোড ব্যবহার করে অর্থ জমা দিচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে টিএসএ এড়িয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকে নিজস্ব নামে পৃথক হিসাব খুলে সরকারি অর্থ সংরক্ষণ করছে।
অর্থ বিভাগ বলছে, এ ধরনের কার্যক্রমের ফলে সরকারের প্রকৃত নগদ অর্থের অবস্থান নিরূপণ কঠিন হয়ে পড়ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন ব্যাংকে ছড়িয়ে থাকা অর্থ প্রয়োজনের সময় ব্যবহার করতে না পারায় সরকারকে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নিতে হচ্ছে।
পরিপত্র অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই থেকে সব সরকারি রাজস্ব ও প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলকভাবে ‘এ-চালান’ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে হবে।
এ ছাড়া কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর বা অধস্তন অফিসে ‘এ-চালান’ ছাড়া অন্য কোনো পৃথক অর্থ গ্রহণ বা জমা ব্যবস্থাপনা চালু থাকলে তা অবিলম্বে বাতিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া, সরকারি দপ্তরগুলোর বাণিজ্যিক ব্যাংকে রক্ষিত সব অর্থ আগামী ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে ‘এ-চালান’-এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কোড ব্যবহার করে বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত সরকারের টিএসএ হিসাবের আওতায় স্থানান্তর করতে বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়বে, নগদ অর্থের তাৎক্ষণিক হিসাব পাওয়া সহজ হবে এবং ঋণের সুদজনিত ব্যয়ও কমে আসবে।

সরকারি সব ধরনের রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি আগামী জুলাই থেকে শতভাগ ‘এ-চালান’ পদ্ধতির মাধ্যমে ট্রেজারি সিঙ্গেল অ্যাকাউন্টে (টিএসএ) জমা দিতে হবে। একইসঙ্গে দীর্ঘদিনের ম্যানুয়াল চালান পদ্ধতি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সম্প্রতি এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সরকারি ঋণ ও আর্থিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের প্রচ্ছন্ন দায় ও আর্থিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা শাখার উপসচিব ইশরাত জাবিন স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্র জারি করা হয়।
পরিপত্রে বলা হয়, সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, সরকারের সব রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি ‘সংযুক্ত তহবিল’ অথবা ‘প্রজাতন্ত্রের সরকারি হিসাব’-এ জমা হওয়ার বিধান রয়েছে। ট্রেজারি রুলস অনুযায়ী এ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত (টিএসএ)-এর মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
কিন্তু, বাস্তবে কিছু দপ্তর এখনও পুরোনো ম্যানুয়াল কোড ব্যবহার করে অর্থ জমা দিচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে টিএসএ এড়িয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকে নিজস্ব নামে পৃথক হিসাব খুলে সরকারি অর্থ সংরক্ষণ করছে।
অর্থ বিভাগ বলছে, এ ধরনের কার্যক্রমের ফলে সরকারের প্রকৃত নগদ অর্থের অবস্থান নিরূপণ কঠিন হয়ে পড়ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন ব্যাংকে ছড়িয়ে থাকা অর্থ প্রয়োজনের সময় ব্যবহার করতে না পারায় সরকারকে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নিতে হচ্ছে।
পরিপত্র অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই থেকে সব সরকারি রাজস্ব ও প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলকভাবে ‘এ-চালান’ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে হবে।
এ ছাড়া কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর বা অধস্তন অফিসে ‘এ-চালান’ ছাড়া অন্য কোনো পৃথক অর্থ গ্রহণ বা জমা ব্যবস্থাপনা চালু থাকলে তা অবিলম্বে বাতিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া, সরকারি দপ্তরগুলোর বাণিজ্যিক ব্যাংকে রক্ষিত সব অর্থ আগামী ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে ‘এ-চালান’-এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কোড ব্যবহার করে বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত সরকারের টিএসএ হিসাবের আওতায় স্থানান্তর করতে বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়বে, নগদ অর্থের তাৎক্ষণিক হিসাব পাওয়া সহজ হবে এবং ঋণের সুদজনিত ব্যয়ও কমে আসবে।

১ জুলাই থেকে ‘এ-চালান’ পদ্ধতিতে রাজস্ব জমা
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ১৮: ৪৩

সরকারি সব ধরনের রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি আগামী জুলাই থেকে শতভাগ ‘এ-চালান’ পদ্ধতির মাধ্যমে ট্রেজারি সিঙ্গেল অ্যাকাউন্টে (টিএসএ) জমা দিতে হবে। একইসঙ্গে দীর্ঘদিনের ম্যানুয়াল চালান পদ্ধতি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সম্প্রতি এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সরকারি ঋণ ও আর্থিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের প্রচ্ছন্ন দায় ও আর্থিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা শাখার উপসচিব ইশরাত জাবিন স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্র জারি করা হয়।
পরিপত্রে বলা হয়, সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, সরকারের সব রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি ‘সংযুক্ত তহবিল’ অথবা ‘প্রজাতন্ত্রের সরকারি হিসাব’-এ জমা হওয়ার বিধান রয়েছে। ট্রেজারি রুলস অনুযায়ী এ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত (টিএসএ)-এর মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
কিন্তু, বাস্তবে কিছু দপ্তর এখনও পুরোনো ম্যানুয়াল কোড ব্যবহার করে অর্থ জমা দিচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে টিএসএ এড়িয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকে নিজস্ব নামে পৃথক হিসাব খুলে সরকারি অর্থ সংরক্ষণ করছে।
অর্থ বিভাগ বলছে, এ ধরনের কার্যক্রমের ফলে সরকারের প্রকৃত নগদ অর্থের অবস্থান নিরূপণ কঠিন হয়ে পড়ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন ব্যাংকে ছড়িয়ে থাকা অর্থ প্রয়োজনের সময় ব্যবহার করতে না পারায় সরকারকে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নিতে হচ্ছে।
পরিপত্র অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই থেকে সব সরকারি রাজস্ব ও প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলকভাবে ‘এ-চালান’ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে হবে।
এ ছাড়া কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর বা অধস্তন অফিসে ‘এ-চালান’ ছাড়া অন্য কোনো পৃথক অর্থ গ্রহণ বা জমা ব্যবস্থাপনা চালু থাকলে তা অবিলম্বে বাতিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া, সরকারি দপ্তরগুলোর বাণিজ্যিক ব্যাংকে রক্ষিত সব অর্থ আগামী ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে ‘এ-চালান’-এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কোড ব্যবহার করে বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত সরকারের টিএসএ হিসাবের আওতায় স্থানান্তর করতে বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়বে, নগদ অর্থের তাৎক্ষণিক হিসাব পাওয়া সহজ হবে এবং ঋণের সুদজনিত ব্যয়ও কমে আসবে।
/এমআর/




