কান্না কি মানসিক চাপ কমাতে পারে?

কান্না কি মানসিক চাপ কমাতে পারে?
সিজেডএন ডেস্ক

কঠিন কোনো পরিস্থিতির মধ্যে পড়লে বা দুঃখ-কষ্টের মধ্য দিয়ে গেলে মানুষ সাধারণত কান্না করে। এরপর অনেকটা হালকা অনুভব হয়। অনেকেই প্রিয় কোনো বন্ধু/বান্ধবীর দুঃখে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য কান্না করতে বলেন। কেন করেন? কান্নার পর এক ধরনের স্বস্তি অনুভব হয়। এটি হয়তো সেই সমস্যার সমাধান করে না যার কারণে কান্না, তবে এটি কখনও কখনও আবেগগুলোকে সামলানো সহজ করে তুলতে পারে।
মানুষের স্বাভাবিক আবেগি প্রক্রিয়ার একটি অংশ হলো কান্না। দুঃখ, হতাশা, রাগ, আঘাত বা এমনকি প্রচণ্ড আনন্দের অনুভূতিতে এটি ঘটতে পারে। কিন্তু কান্না কেন আমাদের ভালো বোধ করায়? চলুন জেনে নিই কারণ-
কান্না মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে
মানুষের মনে যখন আবেগ জমা হতে থাকে, তখন তা ভেতরে চেপে রাখা ক্লান্তিকর মনে হতে পারে। অনুভূতি চেপে রাখার পরিবর্তে কান্নার মাধ্যমে সেটা প্রকাশ পায়। এটি স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। তবে এর মানে এই নয় যে চোখের পানি মানসিক চাপ বা নেতিবাচক আবেগ পুরোপুরি দূর করে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক চাপের পর কাঁদলে কিছুটা মুক্তি মিলতে পারে। সবচেয়ে বড় স্বস্তি আসে যখন আবেগ আর নিয়ন্ত্রণ করতে বা লুকাতে হয় না তখন।
শরীরে শান্ত ভাব অনুভূত হয়
আবেগঘন মুহূর্তে কান্না করার পর শারীরিক কিছু পরিবর্তন দেখা যায়। যেমন বুকে চাপ অনুভব করা, দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস, পেশীতে টান বা হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া। আবেগের চরম পর্যায়টি কেটে গেলে বা কান্না করলে শরীর ধীরে ধীরে শান্ত হতে থাকে। শ্বাস-প্রশ্বাস ধীর হয়ে আসে, পেশী শিথিল হয় এবং তীব্র অনুভূতিটি অনেক কম মনে হয়। এই পরিবর্তনের ফলে এমন অনুভূতি তৈরি হয়, যেন মন থেকে বড় ধরনের ভার নেমে গেছে।
কান্না আবেগ উপলব্ধি করতে সাহায্য করে
অনেক সময় আমরা কেমন অনুভব করছি তা পুরোপুরি বুঝতে পারি না। তবে কান্না কখনও কখনও আমরা কী অনুভব করছি তা পুরোপুরি বুঝতে পারি না, যতক্ষণ না আমরা নিজেদেরকে তা অনুভব করার সুযোগ দিই। কান্না আবেগ থেকে মনোযোগ সরানোর পরিবর্তে সেগুলোকে স্বীকার করার জন্য একটি বিরতি দিতে পারে। এটি আঘাত পেয়েছেন, হতাশ হয়েছেন, ক্লান্ত হয়েছেন বা কেবল অভিভূত হয়ে পড়েছেন-এগুলো বুঝতে সাহায্য করে। মোটিভেশন অ্যান্ড ইমোশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনি কঠিন চাপের কোনো পরিস্থিতির নিয়ে কান্না করলেন। এরপর হয়তো বুঝতে পারবেন যে কেবল নিজেকে আরও চাপ দেওয়ার পরিবর্তে বিশ্রাম, সমর্থন, কথোপকথন বা একটি বাস্তবসম্মত সমাধান প্রয়োজন।
আপনার সাহায্যের প্রয়োজন বুঝাতে পারে কান্না
আপনি হয়তো কোনো কথা খুঁজে পাচ্ছেন না, এমন অবস্থায় কান্না আপনার আবেগ প্রকাশ করতে পারে। রিসার্চগেটে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুসারে, যে ব্যক্তি কাঁদছেন তিনি হয়তো ঠিক কী হয়েছে তা ব্যাখ্যা করতে পারছেন না, কিন্তু চোখের পানি ইঙ্গিত দেয় যে তিনি কষ্ট পাচ্ছেন।
তবে একা কান্না করার চেয়ে বিশ্বস্ত কারো সামনে কান্না করা ভালো। কান্নার সময় যখন কেউ সান্ত্বনা, আশ্বাস দেয় বা কেবল শোনে, তখন সেই সামাজিক সমর্থন স্বস্তির অনুভূতিকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
কান্নার পর কেন সবসময় ভালো লাগে না?
কান্না কিছুটা স্বস্তি দিলেও মানসিক অবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক করে না। এজন্য আপনি শান্ত বোধ করতে পারেন, আবার ক্লান্ত, বিব্রত, বিরক্ত বা এমনকী আরও বেশি আবেগপ্রবণও হতে পারেন। এর প্রভাব অনেকটা নির্ভর করে কান্নার কারণ, আপনি কোথায় আছেন, আপনি নিরাপদ বোধ করছেন কি না এবং পরে আপনি মানসিক সমর্থন পাচ্ছেন কি না তার ওপর।
যদি মূল সমস্যাটির সমাধান না হয়, তবে তাৎক্ষণিক স্বস্তি পেলেও দুঃখ বা মানসিক চাপ আবার ফিরে আসতে পারে। তাই কান্নাকে মানসিক কষ্টের নিরাময় হিসেবে দেখা উচিত নয়।

কঠিন কোনো পরিস্থিতির মধ্যে পড়লে বা দুঃখ-কষ্টের মধ্য দিয়ে গেলে মানুষ সাধারণত কান্না করে। এরপর অনেকটা হালকা অনুভব হয়। অনেকেই প্রিয় কোনো বন্ধু/বান্ধবীর দুঃখে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য কান্না করতে বলেন। কেন করেন? কান্নার পর এক ধরনের স্বস্তি অনুভব হয়। এটি হয়তো সেই সমস্যার সমাধান করে না যার কারণে কান্না, তবে এটি কখনও কখনও আবেগগুলোকে সামলানো সহজ করে তুলতে পারে।
মানুষের স্বাভাবিক আবেগি প্রক্রিয়ার একটি অংশ হলো কান্না। দুঃখ, হতাশা, রাগ, আঘাত বা এমনকি প্রচণ্ড আনন্দের অনুভূতিতে এটি ঘটতে পারে। কিন্তু কান্না কেন আমাদের ভালো বোধ করায়? চলুন জেনে নিই কারণ-
কান্না মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে
মানুষের মনে যখন আবেগ জমা হতে থাকে, তখন তা ভেতরে চেপে রাখা ক্লান্তিকর মনে হতে পারে। অনুভূতি চেপে রাখার পরিবর্তে কান্নার মাধ্যমে সেটা প্রকাশ পায়। এটি স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। তবে এর মানে এই নয় যে চোখের পানি মানসিক চাপ বা নেতিবাচক আবেগ পুরোপুরি দূর করে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক চাপের পর কাঁদলে কিছুটা মুক্তি মিলতে পারে। সবচেয়ে বড় স্বস্তি আসে যখন আবেগ আর নিয়ন্ত্রণ করতে বা লুকাতে হয় না তখন।
শরীরে শান্ত ভাব অনুভূত হয়
আবেগঘন মুহূর্তে কান্না করার পর শারীরিক কিছু পরিবর্তন দেখা যায়। যেমন বুকে চাপ অনুভব করা, দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস, পেশীতে টান বা হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া। আবেগের চরম পর্যায়টি কেটে গেলে বা কান্না করলে শরীর ধীরে ধীরে শান্ত হতে থাকে। শ্বাস-প্রশ্বাস ধীর হয়ে আসে, পেশী শিথিল হয় এবং তীব্র অনুভূতিটি অনেক কম মনে হয়। এই পরিবর্তনের ফলে এমন অনুভূতি তৈরি হয়, যেন মন থেকে বড় ধরনের ভার নেমে গেছে।
কান্না আবেগ উপলব্ধি করতে সাহায্য করে
অনেক সময় আমরা কেমন অনুভব করছি তা পুরোপুরি বুঝতে পারি না। তবে কান্না কখনও কখনও আমরা কী অনুভব করছি তা পুরোপুরি বুঝতে পারি না, যতক্ষণ না আমরা নিজেদেরকে তা অনুভব করার সুযোগ দিই। কান্না আবেগ থেকে মনোযোগ সরানোর পরিবর্তে সেগুলোকে স্বীকার করার জন্য একটি বিরতি দিতে পারে। এটি আঘাত পেয়েছেন, হতাশ হয়েছেন, ক্লান্ত হয়েছেন বা কেবল অভিভূত হয়ে পড়েছেন-এগুলো বুঝতে সাহায্য করে। মোটিভেশন অ্যান্ড ইমোশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনি কঠিন চাপের কোনো পরিস্থিতির নিয়ে কান্না করলেন। এরপর হয়তো বুঝতে পারবেন যে কেবল নিজেকে আরও চাপ দেওয়ার পরিবর্তে বিশ্রাম, সমর্থন, কথোপকথন বা একটি বাস্তবসম্মত সমাধান প্রয়োজন।
আপনার সাহায্যের প্রয়োজন বুঝাতে পারে কান্না
আপনি হয়তো কোনো কথা খুঁজে পাচ্ছেন না, এমন অবস্থায় কান্না আপনার আবেগ প্রকাশ করতে পারে। রিসার্চগেটে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুসারে, যে ব্যক্তি কাঁদছেন তিনি হয়তো ঠিক কী হয়েছে তা ব্যাখ্যা করতে পারছেন না, কিন্তু চোখের পানি ইঙ্গিত দেয় যে তিনি কষ্ট পাচ্ছেন।
তবে একা কান্না করার চেয়ে বিশ্বস্ত কারো সামনে কান্না করা ভালো। কান্নার সময় যখন কেউ সান্ত্বনা, আশ্বাস দেয় বা কেবল শোনে, তখন সেই সামাজিক সমর্থন স্বস্তির অনুভূতিকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
কান্নার পর কেন সবসময় ভালো লাগে না?
কান্না কিছুটা স্বস্তি দিলেও মানসিক অবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক করে না। এজন্য আপনি শান্ত বোধ করতে পারেন, আবার ক্লান্ত, বিব্রত, বিরক্ত বা এমনকী আরও বেশি আবেগপ্রবণও হতে পারেন। এর প্রভাব অনেকটা নির্ভর করে কান্নার কারণ, আপনি কোথায় আছেন, আপনি নিরাপদ বোধ করছেন কি না এবং পরে আপনি মানসিক সমর্থন পাচ্ছেন কি না তার ওপর।
যদি মূল সমস্যাটির সমাধান না হয়, তবে তাৎক্ষণিক স্বস্তি পেলেও দুঃখ বা মানসিক চাপ আবার ফিরে আসতে পারে। তাই কান্নাকে মানসিক কষ্টের নিরাময় হিসেবে দেখা উচিত নয়।

কান্না কি মানসিক চাপ কমাতে পারে?
সিজেডএন ডেস্ক

কঠিন কোনো পরিস্থিতির মধ্যে পড়লে বা দুঃখ-কষ্টের মধ্য দিয়ে গেলে মানুষ সাধারণত কান্না করে। এরপর অনেকটা হালকা অনুভব হয়। অনেকেই প্রিয় কোনো বন্ধু/বান্ধবীর দুঃখে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য কান্না করতে বলেন। কেন করেন? কান্নার পর এক ধরনের স্বস্তি অনুভব হয়। এটি হয়তো সেই সমস্যার সমাধান করে না যার কারণে কান্না, তবে এটি কখনও কখনও আবেগগুলোকে সামলানো সহজ করে তুলতে পারে।
মানুষের স্বাভাবিক আবেগি প্রক্রিয়ার একটি অংশ হলো কান্না। দুঃখ, হতাশা, রাগ, আঘাত বা এমনকি প্রচণ্ড আনন্দের অনুভূতিতে এটি ঘটতে পারে। কিন্তু কান্না কেন আমাদের ভালো বোধ করায়? চলুন জেনে নিই কারণ-
কান্না মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে
মানুষের মনে যখন আবেগ জমা হতে থাকে, তখন তা ভেতরে চেপে রাখা ক্লান্তিকর মনে হতে পারে। অনুভূতি চেপে রাখার পরিবর্তে কান্নার মাধ্যমে সেটা প্রকাশ পায়। এটি স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। তবে এর মানে এই নয় যে চোখের পানি মানসিক চাপ বা নেতিবাচক আবেগ পুরোপুরি দূর করে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক চাপের পর কাঁদলে কিছুটা মুক্তি মিলতে পারে। সবচেয়ে বড় স্বস্তি আসে যখন আবেগ আর নিয়ন্ত্রণ করতে বা লুকাতে হয় না তখন।
শরীরে শান্ত ভাব অনুভূত হয়
আবেগঘন মুহূর্তে কান্না করার পর শারীরিক কিছু পরিবর্তন দেখা যায়। যেমন বুকে চাপ অনুভব করা, দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস, পেশীতে টান বা হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া। আবেগের চরম পর্যায়টি কেটে গেলে বা কান্না করলে শরীর ধীরে ধীরে শান্ত হতে থাকে। শ্বাস-প্রশ্বাস ধীর হয়ে আসে, পেশী শিথিল হয় এবং তীব্র অনুভূতিটি অনেক কম মনে হয়। এই পরিবর্তনের ফলে এমন অনুভূতি তৈরি হয়, যেন মন থেকে বড় ধরনের ভার নেমে গেছে।
কান্না আবেগ উপলব্ধি করতে সাহায্য করে
অনেক সময় আমরা কেমন অনুভব করছি তা পুরোপুরি বুঝতে পারি না। তবে কান্না কখনও কখনও আমরা কী অনুভব করছি তা পুরোপুরি বুঝতে পারি না, যতক্ষণ না আমরা নিজেদেরকে তা অনুভব করার সুযোগ দিই। কান্না আবেগ থেকে মনোযোগ সরানোর পরিবর্তে সেগুলোকে স্বীকার করার জন্য একটি বিরতি দিতে পারে। এটি আঘাত পেয়েছেন, হতাশ হয়েছেন, ক্লান্ত হয়েছেন বা কেবল অভিভূত হয়ে পড়েছেন-এগুলো বুঝতে সাহায্য করে। মোটিভেশন অ্যান্ড ইমোশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনি কঠিন চাপের কোনো পরিস্থিতির নিয়ে কান্না করলেন। এরপর হয়তো বুঝতে পারবেন যে কেবল নিজেকে আরও চাপ দেওয়ার পরিবর্তে বিশ্রাম, সমর্থন, কথোপকথন বা একটি বাস্তবসম্মত সমাধান প্রয়োজন।
আপনার সাহায্যের প্রয়োজন বুঝাতে পারে কান্না
আপনি হয়তো কোনো কথা খুঁজে পাচ্ছেন না, এমন অবস্থায় কান্না আপনার আবেগ প্রকাশ করতে পারে। রিসার্চগেটে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুসারে, যে ব্যক্তি কাঁদছেন তিনি হয়তো ঠিক কী হয়েছে তা ব্যাখ্যা করতে পারছেন না, কিন্তু চোখের পানি ইঙ্গিত দেয় যে তিনি কষ্ট পাচ্ছেন।
তবে একা কান্না করার চেয়ে বিশ্বস্ত কারো সামনে কান্না করা ভালো। কান্নার সময় যখন কেউ সান্ত্বনা, আশ্বাস দেয় বা কেবল শোনে, তখন সেই সামাজিক সমর্থন স্বস্তির অনুভূতিকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
কান্নার পর কেন সবসময় ভালো লাগে না?
কান্না কিছুটা স্বস্তি দিলেও মানসিক অবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক করে না। এজন্য আপনি শান্ত বোধ করতে পারেন, আবার ক্লান্ত, বিব্রত, বিরক্ত বা এমনকী আরও বেশি আবেগপ্রবণও হতে পারেন। এর প্রভাব অনেকটা নির্ভর করে কান্নার কারণ, আপনি কোথায় আছেন, আপনি নিরাপদ বোধ করছেন কি না এবং পরে আপনি মানসিক সমর্থন পাচ্ছেন কি না তার ওপর।
যদি মূল সমস্যাটির সমাধান না হয়, তবে তাৎক্ষণিক স্বস্তি পেলেও দুঃখ বা মানসিক চাপ আবার ফিরে আসতে পারে। তাই কান্নাকে মানসিক কষ্টের নিরাময় হিসেবে দেখা উচিত নয়।

অল্প বয়সে চুল পড়ার কারণ কী? জানুন প্রতিকার







