অল্প বয়সে চুল পড়ার কারণ কী? জানুন প্রতিকার

অল্প বয়সে চুল পড়ার কারণ কী? জানুন প্রতিকার
সিজেডএন ডেস্ক

মানুষের সৌন্দর্যের বড় একটি অংশ নির্ভর করে মাথার চুলের কারণে। অনেকেই তাই চুলের আলাদা কেয়ার করেন। তবে এর পরেও কাজ হচ্ছে না? প্রতিদিন চুল ঝরে দিন দিন টাক পড়ে যাচ্ছে, বা চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে। কিছুতেই সমাধান খুঁজে পাচ্ছেন না? তবে এটা আপনার জন্য।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, প্রতিদিন ১০০টির বেশি চুল পড়লে মাথা ফাঁকা হতে শুরু করে। এর একাধিক কারণ রয়েছে। তবে অল্প বয়সে চুল পড়ার পেছনে মূলত তিনটি প্রধান কারণ দায়ী।
হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
পুরুষের শরীরে যখন টেস্টোস্টেরন হরমোন ‘ডাই-হাইড্রোটেস্টোস্টেরন’-এ রূপান্তর হয়, তখন তা চুলের ফলিকলগুলোকে ছোট করে ফেলে। এ কারণে চুল ঝরে পড়া শুরু করে।
অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও অনিদ্রা
পড়ালেখা ও ক্যারিয়ার বা অন্য কোনো কারণে অতিরিক্ত স্ট্রেস ‘টেলোজেন এফ্লুভিয়াম’ নামক জটিলতা সৃষ্টি করে। এ কারণে হঠাৎ প্রচুর চুল পড়তে শুরু করে।
পুষ্টির অভাব ও দূষণ
পুষ্টি ও দূষণের কারণেও চুল পড়তে থাকে। বিশেষ করে প্রোটিন, বায়োটিন ও আয়রনের অভাবের পাশাপাশি শহরের ধুলাবালি ও শক্ত পানি চুলের গোড়াকে দুর্বল করে দেয়।
অল্প বয়সে টাক পড়া রোধে করণীয়-
সঠিক শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন
চুল পড়া রোধে সঠিক শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে সালফেট ও প্যারাবেনমুক্ত মৃদু শ্যাম্পু নির্বাচন করতে পারেন। চুল ধোয়ার পর প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ক্যাস্টর অয়েল বা নারকেল তেল কিছুটা গরম করে মাথায় মাসাজ করতে পারেন। এতে স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং চুল পড়া কমায়।
ডায়েটে পরিবর্তন আনুন
‘কেরাটিন’ নামক প্রোটিনে চুল তৈরি হয়। এজন্য চুল পড়া রোধে ডায়েটে পরিবর্তন আনতে হবে। প্রতিদিনের খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণ ডিম, মাছ, সোয়াবিন, পালং শাক ও বাদাম রাখুন। বায়োটিন সমৃদ্ধ খাবার চুলের ঘনত্ব বাড়াতে সহায়তা করে।
ডার্মারোলার ব্যবহার করতে পারেন
চুলের ঘরোয়া যত্নে ডার্মারোলার ব্যবহার করতে পারেন। এটি মাথার ত্বকে সূক্ষ্ম ছিদ্র তৈরি করে কোলাজেন উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি হেয়ার সিরাম বা ওষুধের শোষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, যা নতুন চুল গজাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
ডিএইচটি ব্লকার খাবার
কুমড়োর বীজ, গ্রিন টি ও আমলকীজাতীয় খাবার গ্রহণ করুন। এগুলো প্রাকৃতিক ডিএইচটি ব্লকার হিসেবে কাজ করে। এসব খাবার নিয়মিত খেলে হরমোনজনিত চুল পড়া অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে।
ধূমপান পরিহার করুন
ধূমপানের কারণে চুলের ফলিকলে রক্ত প্রবাহ কমে যায়। এতে চুল পড়া বৃদ্ধি পায়। তাই ধূমপান পরিহার করতে হবে।
পর্যাপ্ত ঘুম
ঘুমের অভাবে চুল পড়া বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি শরীরের কোষগুলোও মেরামত হয়। এজন্য প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করুন।
চিকিৎসা
মানুষভেদে চুল পড়ার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। যদি কোনো সমাধান খুঁজে না পান, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

মানুষের সৌন্দর্যের বড় একটি অংশ নির্ভর করে মাথার চুলের কারণে। অনেকেই তাই চুলের আলাদা কেয়ার করেন। তবে এর পরেও কাজ হচ্ছে না? প্রতিদিন চুল ঝরে দিন দিন টাক পড়ে যাচ্ছে, বা চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে। কিছুতেই সমাধান খুঁজে পাচ্ছেন না? তবে এটা আপনার জন্য।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, প্রতিদিন ১০০টির বেশি চুল পড়লে মাথা ফাঁকা হতে শুরু করে। এর একাধিক কারণ রয়েছে। তবে অল্প বয়সে চুল পড়ার পেছনে মূলত তিনটি প্রধান কারণ দায়ী।
হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
পুরুষের শরীরে যখন টেস্টোস্টেরন হরমোন ‘ডাই-হাইড্রোটেস্টোস্টেরন’-এ রূপান্তর হয়, তখন তা চুলের ফলিকলগুলোকে ছোট করে ফেলে। এ কারণে চুল ঝরে পড়া শুরু করে।
অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও অনিদ্রা
পড়ালেখা ও ক্যারিয়ার বা অন্য কোনো কারণে অতিরিক্ত স্ট্রেস ‘টেলোজেন এফ্লুভিয়াম’ নামক জটিলতা সৃষ্টি করে। এ কারণে হঠাৎ প্রচুর চুল পড়তে শুরু করে।
পুষ্টির অভাব ও দূষণ
পুষ্টি ও দূষণের কারণেও চুল পড়তে থাকে। বিশেষ করে প্রোটিন, বায়োটিন ও আয়রনের অভাবের পাশাপাশি শহরের ধুলাবালি ও শক্ত পানি চুলের গোড়াকে দুর্বল করে দেয়।
অল্প বয়সে টাক পড়া রোধে করণীয়-
সঠিক শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন
চুল পড়া রোধে সঠিক শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে সালফেট ও প্যারাবেনমুক্ত মৃদু শ্যাম্পু নির্বাচন করতে পারেন। চুল ধোয়ার পর প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ক্যাস্টর অয়েল বা নারকেল তেল কিছুটা গরম করে মাথায় মাসাজ করতে পারেন। এতে স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং চুল পড়া কমায়।
ডায়েটে পরিবর্তন আনুন
‘কেরাটিন’ নামক প্রোটিনে চুল তৈরি হয়। এজন্য চুল পড়া রোধে ডায়েটে পরিবর্তন আনতে হবে। প্রতিদিনের খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণ ডিম, মাছ, সোয়াবিন, পালং শাক ও বাদাম রাখুন। বায়োটিন সমৃদ্ধ খাবার চুলের ঘনত্ব বাড়াতে সহায়তা করে।
ডার্মারোলার ব্যবহার করতে পারেন
চুলের ঘরোয়া যত্নে ডার্মারোলার ব্যবহার করতে পারেন। এটি মাথার ত্বকে সূক্ষ্ম ছিদ্র তৈরি করে কোলাজেন উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি হেয়ার সিরাম বা ওষুধের শোষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, যা নতুন চুল গজাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
ডিএইচটি ব্লকার খাবার
কুমড়োর বীজ, গ্রিন টি ও আমলকীজাতীয় খাবার গ্রহণ করুন। এগুলো প্রাকৃতিক ডিএইচটি ব্লকার হিসেবে কাজ করে। এসব খাবার নিয়মিত খেলে হরমোনজনিত চুল পড়া অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে।
ধূমপান পরিহার করুন
ধূমপানের কারণে চুলের ফলিকলে রক্ত প্রবাহ কমে যায়। এতে চুল পড়া বৃদ্ধি পায়। তাই ধূমপান পরিহার করতে হবে।
পর্যাপ্ত ঘুম
ঘুমের অভাবে চুল পড়া বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি শরীরের কোষগুলোও মেরামত হয়। এজন্য প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করুন।
চিকিৎসা
মানুষভেদে চুল পড়ার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। যদি কোনো সমাধান খুঁজে না পান, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

অল্প বয়সে চুল পড়ার কারণ কী? জানুন প্রতিকার
সিজেডএন ডেস্ক

মানুষের সৌন্দর্যের বড় একটি অংশ নির্ভর করে মাথার চুলের কারণে। অনেকেই তাই চুলের আলাদা কেয়ার করেন। তবে এর পরেও কাজ হচ্ছে না? প্রতিদিন চুল ঝরে দিন দিন টাক পড়ে যাচ্ছে, বা চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে। কিছুতেই সমাধান খুঁজে পাচ্ছেন না? তবে এটা আপনার জন্য।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, প্রতিদিন ১০০টির বেশি চুল পড়লে মাথা ফাঁকা হতে শুরু করে। এর একাধিক কারণ রয়েছে। তবে অল্প বয়সে চুল পড়ার পেছনে মূলত তিনটি প্রধান কারণ দায়ী।
হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
পুরুষের শরীরে যখন টেস্টোস্টেরন হরমোন ‘ডাই-হাইড্রোটেস্টোস্টেরন’-এ রূপান্তর হয়, তখন তা চুলের ফলিকলগুলোকে ছোট করে ফেলে। এ কারণে চুল ঝরে পড়া শুরু করে।
অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও অনিদ্রা
পড়ালেখা ও ক্যারিয়ার বা অন্য কোনো কারণে অতিরিক্ত স্ট্রেস ‘টেলোজেন এফ্লুভিয়াম’ নামক জটিলতা সৃষ্টি করে। এ কারণে হঠাৎ প্রচুর চুল পড়তে শুরু করে।
পুষ্টির অভাব ও দূষণ
পুষ্টি ও দূষণের কারণেও চুল পড়তে থাকে। বিশেষ করে প্রোটিন, বায়োটিন ও আয়রনের অভাবের পাশাপাশি শহরের ধুলাবালি ও শক্ত পানি চুলের গোড়াকে দুর্বল করে দেয়।
অল্প বয়সে টাক পড়া রোধে করণীয়-
সঠিক শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন
চুল পড়া রোধে সঠিক শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে সালফেট ও প্যারাবেনমুক্ত মৃদু শ্যাম্পু নির্বাচন করতে পারেন। চুল ধোয়ার পর প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ক্যাস্টর অয়েল বা নারকেল তেল কিছুটা গরম করে মাথায় মাসাজ করতে পারেন। এতে স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং চুল পড়া কমায়।
ডায়েটে পরিবর্তন আনুন
‘কেরাটিন’ নামক প্রোটিনে চুল তৈরি হয়। এজন্য চুল পড়া রোধে ডায়েটে পরিবর্তন আনতে হবে। প্রতিদিনের খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণ ডিম, মাছ, সোয়াবিন, পালং শাক ও বাদাম রাখুন। বায়োটিন সমৃদ্ধ খাবার চুলের ঘনত্ব বাড়াতে সহায়তা করে।
ডার্মারোলার ব্যবহার করতে পারেন
চুলের ঘরোয়া যত্নে ডার্মারোলার ব্যবহার করতে পারেন। এটি মাথার ত্বকে সূক্ষ্ম ছিদ্র তৈরি করে কোলাজেন উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি হেয়ার সিরাম বা ওষুধের শোষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, যা নতুন চুল গজাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
ডিএইচটি ব্লকার খাবার
কুমড়োর বীজ, গ্রিন টি ও আমলকীজাতীয় খাবার গ্রহণ করুন। এগুলো প্রাকৃতিক ডিএইচটি ব্লকার হিসেবে কাজ করে। এসব খাবার নিয়মিত খেলে হরমোনজনিত চুল পড়া অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে।
ধূমপান পরিহার করুন
ধূমপানের কারণে চুলের ফলিকলে রক্ত প্রবাহ কমে যায়। এতে চুল পড়া বৃদ্ধি পায়। তাই ধূমপান পরিহার করতে হবে।
পর্যাপ্ত ঘুম
ঘুমের অভাবে চুল পড়া বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি শরীরের কোষগুলোও মেরামত হয়। এজন্য প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করুন।
চিকিৎসা
মানুষভেদে চুল পড়ার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। যদি কোনো সমাধান খুঁজে না পান, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

ঘুম ভাঙতেই ফোন হাতে? অজান্তেই হচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি







