এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করা খাবার কতটা স্বাস্থ্যকর

এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করা খাবার কতটা স্বাস্থ্যকর
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

আধুনিক রান্নাঘরে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এয়ার ফ্রায়ার। অল্প তেল ব্যবহার করে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিকেন নাগেট, চপসহ বিভিন্ন মুখরোচক খাবার তৈরির সুবিধা থাকায় অনেকেই যন্ত্রটির প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন। রান্নায় তেলের ব্যবহার কম হওয়ায় এয়ার ফ্রায়ারে তৈরি খাবারকে অনেকেই স্বাস্থ্যসম্মত বলে মনে করেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কম তেলে রান্না করলেই কোনো খাবার পুষ্টিকর বা স্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে না।
চিকিৎসকদের মতে, প্রচলিত ডিপ ফ্রাই পদ্ধতির তুলনায় এয়ার ফ্রায়ারে প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম তেল ব্যবহার করা যায়। এতে খাবারের ফ্যাট ও ক্যালরির পরিমাণ কমানো সম্ভব। তবে খাবারটি আদৌ কতটা স্বাস্থ্যকর, সেটি নির্ভর করে ব্যবহৃত উপকরণ, পুষ্টিমান, রান্নার তাপমাত্রা এবং খাওয়ার অভ্যাসের ওপর।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমায়িত ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিকেন নাগেট কিংবা সসেজের মতো প্যাকেটজাত খাবার এয়ার ফ্রায়ারে তৈরি করলেই সেগুলো স্বাস্থ্যকর হয়ে যায় না। এসব প্রক্রিয়াজাত খাবারে আগে থেকেই অতিরিক্ত লবণ, পরিশোধিত শর্করা, স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক সংযোজক থাকতে পারে। রান্নার মাধ্যম পরিবর্তন করলেও এসব উপাদানের উপস্থিতি দূর হয় না। ফলে নিয়মিত এ ধরনের খাবার খাওয়ার অভ্যাস ওজন বৃদ্ধি এবং বিপাকীয় জটিলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
এয়ার ফ্রায়ারে রান্নার ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অ্যাক্রিলামাইড নামের রাসায়নিক যৌগ। আলুসহ শ্বেতসারযুক্ত খাবার অতিরিক্ত তাপমাত্রায় রান্না করলে এ উপাদান তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে খাবার অতিরিক্ত বাদামি কিংবা পুড়ে যাওয়ার পর্যায়ে পৌঁছালে অ্যাক্রিলামাইডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রাণীর ওপর পরিচালিত গবেষণায় এই যৌগের ক্ষতিকর প্রভাবের প্রমাণ পাওয়া গেলেও মানুষের শরীরে এর সুনির্দিষ্ট প্রভাব নিয়ে এখনো গবেষণা চলছে। তাই খাবার অতিরিক্ত ভাজা বা পুড়িয়ে খাওয়ার অভ্যাস পরিহার করা উচিত।
তবে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে এয়ার ফ্রায়ার স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরির একটি কার্যকর মাধ্যম হতে পারে। তাজা সবজি, মাছ ও মুরগির মাংস অল্প তেলে রান্নার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায়। পাশাপাশি প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার ঘন ঘন খাওয়ার প্রবণতা কমাতে হবে। রান্নার সময় অপ্রয়োজনীয়ভাবে তাপমাত্রা বাড়ানো এবং আলু বা শ্বেতসারযুক্ত খাবার অতিরিক্ত বাদামি করে ফেলা থেকেও বিরত থাকা প্রয়োজন।
অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা বদহজমের সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্য ডুবো তেলে ভাজা খাবারের পরিবর্তে এয়ার ফ্রায়ারে তৈরি খাবার তুলনামূলকভাবে সহনীয় হতে পারে। তবে খাবারে অতিরিক্ত ঝাল-মসলা থাকলে কিংবা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খাওয়া হলে অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।
সব মিলিয়ে, এয়ার ফ্রায়ার কোনো খাবারকে নিজ থেকে স্বাস্থ্যকর করে তোলে না। বরং খাবারের উপাদান নির্বাচন, রান্নার সঠিক পদ্ধতি, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং পরিমিত খাওয়ার ওপরই নির্ভর করে এর পুষ্টিমান ও স্বাস্থ্যগত উপকারিতা। তাই শুধু রান্নার যন্ত্রের ওপর নির্ভর না করে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলাই সবচেয়ে জরুরি।

আধুনিক রান্নাঘরে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এয়ার ফ্রায়ার। অল্প তেল ব্যবহার করে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিকেন নাগেট, চপসহ বিভিন্ন মুখরোচক খাবার তৈরির সুবিধা থাকায় অনেকেই যন্ত্রটির প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন। রান্নায় তেলের ব্যবহার কম হওয়ায় এয়ার ফ্রায়ারে তৈরি খাবারকে অনেকেই স্বাস্থ্যসম্মত বলে মনে করেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কম তেলে রান্না করলেই কোনো খাবার পুষ্টিকর বা স্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে না।
চিকিৎসকদের মতে, প্রচলিত ডিপ ফ্রাই পদ্ধতির তুলনায় এয়ার ফ্রায়ারে প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম তেল ব্যবহার করা যায়। এতে খাবারের ফ্যাট ও ক্যালরির পরিমাণ কমানো সম্ভব। তবে খাবারটি আদৌ কতটা স্বাস্থ্যকর, সেটি নির্ভর করে ব্যবহৃত উপকরণ, পুষ্টিমান, রান্নার তাপমাত্রা এবং খাওয়ার অভ্যাসের ওপর।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমায়িত ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিকেন নাগেট কিংবা সসেজের মতো প্যাকেটজাত খাবার এয়ার ফ্রায়ারে তৈরি করলেই সেগুলো স্বাস্থ্যকর হয়ে যায় না। এসব প্রক্রিয়াজাত খাবারে আগে থেকেই অতিরিক্ত লবণ, পরিশোধিত শর্করা, স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক সংযোজক থাকতে পারে। রান্নার মাধ্যম পরিবর্তন করলেও এসব উপাদানের উপস্থিতি দূর হয় না। ফলে নিয়মিত এ ধরনের খাবার খাওয়ার অভ্যাস ওজন বৃদ্ধি এবং বিপাকীয় জটিলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
এয়ার ফ্রায়ারে রান্নার ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অ্যাক্রিলামাইড নামের রাসায়নিক যৌগ। আলুসহ শ্বেতসারযুক্ত খাবার অতিরিক্ত তাপমাত্রায় রান্না করলে এ উপাদান তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে খাবার অতিরিক্ত বাদামি কিংবা পুড়ে যাওয়ার পর্যায়ে পৌঁছালে অ্যাক্রিলামাইডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রাণীর ওপর পরিচালিত গবেষণায় এই যৌগের ক্ষতিকর প্রভাবের প্রমাণ পাওয়া গেলেও মানুষের শরীরে এর সুনির্দিষ্ট প্রভাব নিয়ে এখনো গবেষণা চলছে। তাই খাবার অতিরিক্ত ভাজা বা পুড়িয়ে খাওয়ার অভ্যাস পরিহার করা উচিত।
তবে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে এয়ার ফ্রায়ার স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরির একটি কার্যকর মাধ্যম হতে পারে। তাজা সবজি, মাছ ও মুরগির মাংস অল্প তেলে রান্নার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায়। পাশাপাশি প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার ঘন ঘন খাওয়ার প্রবণতা কমাতে হবে। রান্নার সময় অপ্রয়োজনীয়ভাবে তাপমাত্রা বাড়ানো এবং আলু বা শ্বেতসারযুক্ত খাবার অতিরিক্ত বাদামি করে ফেলা থেকেও বিরত থাকা প্রয়োজন।
অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা বদহজমের সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্য ডুবো তেলে ভাজা খাবারের পরিবর্তে এয়ার ফ্রায়ারে তৈরি খাবার তুলনামূলকভাবে সহনীয় হতে পারে। তবে খাবারে অতিরিক্ত ঝাল-মসলা থাকলে কিংবা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খাওয়া হলে অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।
সব মিলিয়ে, এয়ার ফ্রায়ার কোনো খাবারকে নিজ থেকে স্বাস্থ্যকর করে তোলে না। বরং খাবারের উপাদান নির্বাচন, রান্নার সঠিক পদ্ধতি, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং পরিমিত খাওয়ার ওপরই নির্ভর করে এর পুষ্টিমান ও স্বাস্থ্যগত উপকারিতা। তাই শুধু রান্নার যন্ত্রের ওপর নির্ভর না করে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলাই সবচেয়ে জরুরি।

এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করা খাবার কতটা স্বাস্থ্যকর
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

আধুনিক রান্নাঘরে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এয়ার ফ্রায়ার। অল্প তেল ব্যবহার করে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিকেন নাগেট, চপসহ বিভিন্ন মুখরোচক খাবার তৈরির সুবিধা থাকায় অনেকেই যন্ত্রটির প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন। রান্নায় তেলের ব্যবহার কম হওয়ায় এয়ার ফ্রায়ারে তৈরি খাবারকে অনেকেই স্বাস্থ্যসম্মত বলে মনে করেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কম তেলে রান্না করলেই কোনো খাবার পুষ্টিকর বা স্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে না।
চিকিৎসকদের মতে, প্রচলিত ডিপ ফ্রাই পদ্ধতির তুলনায় এয়ার ফ্রায়ারে প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম তেল ব্যবহার করা যায়। এতে খাবারের ফ্যাট ও ক্যালরির পরিমাণ কমানো সম্ভব। তবে খাবারটি আদৌ কতটা স্বাস্থ্যকর, সেটি নির্ভর করে ব্যবহৃত উপকরণ, পুষ্টিমান, রান্নার তাপমাত্রা এবং খাওয়ার অভ্যাসের ওপর।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমায়িত ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিকেন নাগেট কিংবা সসেজের মতো প্যাকেটজাত খাবার এয়ার ফ্রায়ারে তৈরি করলেই সেগুলো স্বাস্থ্যকর হয়ে যায় না। এসব প্রক্রিয়াজাত খাবারে আগে থেকেই অতিরিক্ত লবণ, পরিশোধিত শর্করা, স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক সংযোজক থাকতে পারে। রান্নার মাধ্যম পরিবর্তন করলেও এসব উপাদানের উপস্থিতি দূর হয় না। ফলে নিয়মিত এ ধরনের খাবার খাওয়ার অভ্যাস ওজন বৃদ্ধি এবং বিপাকীয় জটিলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
এয়ার ফ্রায়ারে রান্নার ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অ্যাক্রিলামাইড নামের রাসায়নিক যৌগ। আলুসহ শ্বেতসারযুক্ত খাবার অতিরিক্ত তাপমাত্রায় রান্না করলে এ উপাদান তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে খাবার অতিরিক্ত বাদামি কিংবা পুড়ে যাওয়ার পর্যায়ে পৌঁছালে অ্যাক্রিলামাইডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রাণীর ওপর পরিচালিত গবেষণায় এই যৌগের ক্ষতিকর প্রভাবের প্রমাণ পাওয়া গেলেও মানুষের শরীরে এর সুনির্দিষ্ট প্রভাব নিয়ে এখনো গবেষণা চলছে। তাই খাবার অতিরিক্ত ভাজা বা পুড়িয়ে খাওয়ার অভ্যাস পরিহার করা উচিত।
তবে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে এয়ার ফ্রায়ার স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরির একটি কার্যকর মাধ্যম হতে পারে। তাজা সবজি, মাছ ও মুরগির মাংস অল্প তেলে রান্নার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায়। পাশাপাশি প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার ঘন ঘন খাওয়ার প্রবণতা কমাতে হবে। রান্নার সময় অপ্রয়োজনীয়ভাবে তাপমাত্রা বাড়ানো এবং আলু বা শ্বেতসারযুক্ত খাবার অতিরিক্ত বাদামি করে ফেলা থেকেও বিরত থাকা প্রয়োজন।
অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা বদহজমের সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্য ডুবো তেলে ভাজা খাবারের পরিবর্তে এয়ার ফ্রায়ারে তৈরি খাবার তুলনামূলকভাবে সহনীয় হতে পারে। তবে খাবারে অতিরিক্ত ঝাল-মসলা থাকলে কিংবা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খাওয়া হলে অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।
সব মিলিয়ে, এয়ার ফ্রায়ার কোনো খাবারকে নিজ থেকে স্বাস্থ্যকর করে তোলে না। বরং খাবারের উপাদান নির্বাচন, রান্নার সঠিক পদ্ধতি, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং পরিমিত খাওয়ার ওপরই নির্ভর করে এর পুষ্টিমান ও স্বাস্থ্যগত উপকারিতা। তাই শুধু রান্নার যন্ত্রের ওপর নির্ভর না করে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলাই সবচেয়ে জরুরি।

এসির চেয়েও বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয় যেসব গ্যাজেটে







