পকেটে মোবাইল রাখলে কি শুক্রাণুর ক্ষতি হয়, কী বলছেন গবেষণা

পকেটে মোবাইল রাখলে কি শুক্রাণুর ক্ষতি হয়, কী বলছেন গবেষণা
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

দৈনন্দিন জীবনে মোবাইলফোনের ব্যবহার এখন অপরিহার্য। যোগাযোগ থেকে শুরু করে ব্যাংকিং, চাকরি কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহারে এর বিকল্প নেই। তবে পুরুষদের প্যান্টের সামনের পকেটে ফোন রাখার অভ্যাস প্রজননস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে কি না, তা নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে আলোচনা।
শুক্রাণুর ওপর মুঠোফোনের প্রভাব নিয়ে ১৮টি গবেষণা এবং চার হাজারের বেশি বীর্যের নমুনা বিশ্লেষণ করে একটি পর্যালোচনা করা হয়েছে। এতে ফোনের রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি বিকিরণের সংস্পর্শের সঙ্গে শুক্রাণুর গতিশীলতা ও কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার সম্পর্ক পাওয়া গেছে। তবে শুক্রাণুর সংখ্যা কিংবা ঘনত্ব কমার বিষয়ে নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ফোনের বিকিরণ শুক্রাণুর কোষে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি ফোন থেকে নির্গত তাপ অণ্ডকোষের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বাড়িয়ে শুক্রাণু উৎপাদনে প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ, সুস্থ শুক্রাণু তৈরির জন্য অণ্ডকোষের তাপমাত্রা শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার তুলনায় কিছুটা কম থাকা প্রয়োজন।
তবে গবেষণাগারের পরীক্ষার ফলাফল এবং বাস্তব জীবনের তথ্যের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করছেন এমন দম্পতিদের নিয়ে পরিচালিত একটি গবেষণায় পকেটে ফোন রাখার অভ্যাসের সঙ্গে শুক্রাণুর গুণমান কিংবা গর্ভধারণে বিলম্বের সুস্পষ্ট সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। ফলে মুঠোফোন ব্যবহারকে বন্ধ্যত্বের প্রমাণিত কারণ বলা যাচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শুক্রাণুর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কো-এনজাইম কিউ টেন, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, ভিটামিন সি ও ই এবং লাইকোপেনের সম্ভাব্য উপকারিতা নিয়ে গবেষণা রয়েছে। তবে এসব উপাদান চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গ্রহণ করা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, শুক্রাণুর সংখ্যা বা গুণমান কমে গেলে শুধু মোবাইল ফোনকে দায়ী না করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত কারণ শনাক্ত করে চিকিৎসা নিতে হবে।

দৈনন্দিন জীবনে মোবাইলফোনের ব্যবহার এখন অপরিহার্য। যোগাযোগ থেকে শুরু করে ব্যাংকিং, চাকরি কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহারে এর বিকল্প নেই। তবে পুরুষদের প্যান্টের সামনের পকেটে ফোন রাখার অভ্যাস প্রজননস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে কি না, তা নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে আলোচনা।
শুক্রাণুর ওপর মুঠোফোনের প্রভাব নিয়ে ১৮টি গবেষণা এবং চার হাজারের বেশি বীর্যের নমুনা বিশ্লেষণ করে একটি পর্যালোচনা করা হয়েছে। এতে ফোনের রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি বিকিরণের সংস্পর্শের সঙ্গে শুক্রাণুর গতিশীলতা ও কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার সম্পর্ক পাওয়া গেছে। তবে শুক্রাণুর সংখ্যা কিংবা ঘনত্ব কমার বিষয়ে নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ফোনের বিকিরণ শুক্রাণুর কোষে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি ফোন থেকে নির্গত তাপ অণ্ডকোষের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বাড়িয়ে শুক্রাণু উৎপাদনে প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ, সুস্থ শুক্রাণু তৈরির জন্য অণ্ডকোষের তাপমাত্রা শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার তুলনায় কিছুটা কম থাকা প্রয়োজন।
তবে গবেষণাগারের পরীক্ষার ফলাফল এবং বাস্তব জীবনের তথ্যের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করছেন এমন দম্পতিদের নিয়ে পরিচালিত একটি গবেষণায় পকেটে ফোন রাখার অভ্যাসের সঙ্গে শুক্রাণুর গুণমান কিংবা গর্ভধারণে বিলম্বের সুস্পষ্ট সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। ফলে মুঠোফোন ব্যবহারকে বন্ধ্যত্বের প্রমাণিত কারণ বলা যাচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শুক্রাণুর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কো-এনজাইম কিউ টেন, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, ভিটামিন সি ও ই এবং লাইকোপেনের সম্ভাব্য উপকারিতা নিয়ে গবেষণা রয়েছে। তবে এসব উপাদান চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গ্রহণ করা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, শুক্রাণুর সংখ্যা বা গুণমান কমে গেলে শুধু মোবাইল ফোনকে দায়ী না করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত কারণ শনাক্ত করে চিকিৎসা নিতে হবে।

পকেটে মোবাইল রাখলে কি শুক্রাণুর ক্ষতি হয়, কী বলছেন গবেষণা
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

দৈনন্দিন জীবনে মোবাইলফোনের ব্যবহার এখন অপরিহার্য। যোগাযোগ থেকে শুরু করে ব্যাংকিং, চাকরি কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহারে এর বিকল্প নেই। তবে পুরুষদের প্যান্টের সামনের পকেটে ফোন রাখার অভ্যাস প্রজননস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে কি না, তা নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে আলোচনা।
শুক্রাণুর ওপর মুঠোফোনের প্রভাব নিয়ে ১৮টি গবেষণা এবং চার হাজারের বেশি বীর্যের নমুনা বিশ্লেষণ করে একটি পর্যালোচনা করা হয়েছে। এতে ফোনের রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি বিকিরণের সংস্পর্শের সঙ্গে শুক্রাণুর গতিশীলতা ও কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার সম্পর্ক পাওয়া গেছে। তবে শুক্রাণুর সংখ্যা কিংবা ঘনত্ব কমার বিষয়ে নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ফোনের বিকিরণ শুক্রাণুর কোষে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি ফোন থেকে নির্গত তাপ অণ্ডকোষের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বাড়িয়ে শুক্রাণু উৎপাদনে প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ, সুস্থ শুক্রাণু তৈরির জন্য অণ্ডকোষের তাপমাত্রা শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার তুলনায় কিছুটা কম থাকা প্রয়োজন।
তবে গবেষণাগারের পরীক্ষার ফলাফল এবং বাস্তব জীবনের তথ্যের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করছেন এমন দম্পতিদের নিয়ে পরিচালিত একটি গবেষণায় পকেটে ফোন রাখার অভ্যাসের সঙ্গে শুক্রাণুর গুণমান কিংবা গর্ভধারণে বিলম্বের সুস্পষ্ট সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। ফলে মুঠোফোন ব্যবহারকে বন্ধ্যত্বের প্রমাণিত কারণ বলা যাচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শুক্রাণুর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কো-এনজাইম কিউ টেন, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, ভিটামিন সি ও ই এবং লাইকোপেনের সম্ভাব্য উপকারিতা নিয়ে গবেষণা রয়েছে। তবে এসব উপাদান চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গ্রহণ করা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, শুক্রাণুর সংখ্যা বা গুণমান কমে গেলে শুধু মোবাইল ফোনকে দায়ী না করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত কারণ শনাক্ত করে চিকিৎসা নিতে হবে।

ঘুম ভাঙতেই ফোন হাতে? অজান্তেই হচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি







