শীত আসার আগেই ঠোঁট ফাটছে, জেনে নিন কারণ ও প্রতিকার

শীত আসার আগেই ঠোঁট ফাটছে, জেনে নিন কারণ ও প্রতিকার
সিজেডএন ডেস্ক

দিনের বেলায় তীব্র গরম থাকলেও রাতের বেলায় সেই তীব্রতা দেখা যাচ্ছে না। হালকা শীত শীত ভাব চলে এসেছে। অর্থাৎ দেশে ইতোমধ্যেই শীতের আমেজ শুরু হয়েছে। তবে শীতের মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই অনেকের ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যায়। সেইসঙ্গে চামড়া ওঠা কিংবা ঠোঁটের কোণে ফাটল দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়ার পরিবর্তনের পাশাপাশি শরীরে পানির ঘাটতি, বারবার ঠোঁট চাটা এবং কিছু প্রসাধনীর ব্যবহারেও এমনটা হতে পারে। সঠিক যত্নের অভাবে এই শুষ্কতা থেকে ফাটল, ব্যথা ও জ্বালাপোড়ার সৃষ্টি হতে পারে। তাই শীত পুরোপুরি শুরু হওয়ার অপেক্ষা না করে এখন থেকেই ঠোঁটের যত্ন নেওয়া জরুরি।
যে কারণে ঠোঁট ফাটছে
আবহাওয়ার পরিবর্তন
গ্রীষ্মের সেই খরা রৌদ্র আর নেই। এখন বাতাসের আর্দ্রতা অনেকটাই কমে যাচ্ছে। আর শুষ্ক বাতাস এবং তাপমাত্রার ওঠানামার কারণে ঠোঁটের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমতে পারে। ফলে শীত আসার আগেই ঠোঁট ফাটার সমস্যা দেখা দেয়।
জিভ দিয়ে বারবার ঠোঁট চাটা
ঠোঁট শুকিয়ে গেলে অনেকেই বারবার জিভ দিয়ে তা ভেজানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু লালার পানি শুকিয়ে যাওয়ার পর ঠোঁট আরও বেশি শুষ্ক হয়ে পড়ে। এতে ফাটল ও অস্বস্তি বৃদ্ধি পায়।
পানির ঘাটতি
শরীরে পর্যাপ্ত পানির অভাব হলে ঠোঁটসহ মুখের বিভিন্ন অংশ শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তবে শুধু ঠোঁট ফাটার লক্ষণ দেখেই শরীরে পানির ঘাটতি রয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায় না।
প্রসাধনী ও টুথপেস্টের প্রভাব
কিছু লিপস্টিক, লিপবাম, সুগন্ধিযুক্ত প্রসাধনী এবং টুথপেস্টের উপাদান ঠোঁটে অ্যালার্জি বা প্রদাহ সৃষ্টি করে থাকে। এসব পণ্য ব্যবহারের পর ঠোঁটে জ্বালাপোড়া কিংবা শুষ্কতা বাড়লে সেগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো।
পুষ্টির ঘাটতি
কিছু ক্ষেত্রে আয়রন, ভিটামিন বি১২সহ প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের ঘাটতির সঙ্গে ঠোঁটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে ঠোঁটের কোণে ফাটলের সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলেই পুষ্টির ঘাটতি হয়েছে, এমন বলা যায় না।
ত্বকের রোগ বা সংক্রমণ
দীর্ঘদিন ধরে ঠোঁট ফাটা, লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি কিংবা ঠোঁটের কোণে ক্ষত হওয়ার পেছনে একজিমা, অ্যালার্জি বা সংক্রমণের মতো কারণও থাকতে পারে।
ঠোঁট ফাটা কমাতে করণীয়
নিয়মিত লিপবাম ব্যবহার
ঠোঁটের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সুগন্ধি ও স্বাদযুক্ত উপাদানবিহীন পেট্রোলিয়াম জেলি অথবা সাধারণ লিপবাম ব্যবহার করা যেতে পারে। ঠোঁট শুকিয়ে গেলে এবং রাতে ঘুমানোর আগে এটি লাগালে উপকার পাবেন।
ঠোঁট চাটা থেকে বিরত থাকুন
বারবার জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানো যাবে না। এছাড়া শুকনো চামড়া টেনে তোলা বন্ধ করতে হবে। এসব অভ্যাস ঠোঁটের ত্বকে ক্ষত তৈরি এবং জ্বালাপোড়া বাড়িয়ে দিতে পারে।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন
শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। দীর্ঘ সময় পানি পান না করার অভ্যাস থাকলে সেটা ত্যাগ করুন। তবে ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করতে শুধু পানি পান যথেষ্ঠ নয়, এজন্য বাইরে থেকে ঠোঁটের আর্দ্রতা বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।
রোদ থেকে সুরক্ষা
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মিও ঠোঁটের ক্ষতি করতে পারে। তাই বাইরে যাওয়ার সময় এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি মাত্রার ব্রড-স্পেকট্রাম লিপবাম ব্যবহার করতে পারেন। দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে পণ্যের নির্দেশনা অনুযায়ী আবার লাগাতে হবে।
জ্বালাপোড়া তৈরি করে এমন পণ্য পরিহার
মেনথল, কর্পূর, সুগন্ধি কিংবা ঝাঁঝালো উপাদানযুক্ত পণ্য ঠোঁটের অস্বস্তি বাড়াতে পারে। যদি কোনো পণ্য ব্যবহারের পর জ্বালা বা শুষ্কতা অনুভূত হলে সেটি ব্যবহার বন্ধ করুন।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?
সাধারণ যত্ন নেওয়ার পরও যদি ঠোঁটের ফাটল না কমে, সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে কিংবা ঠোঁটে তীব্র ব্যথা, প্রদাহ, ক্ষত বা সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

দিনের বেলায় তীব্র গরম থাকলেও রাতের বেলায় সেই তীব্রতা দেখা যাচ্ছে না। হালকা শীত শীত ভাব চলে এসেছে। অর্থাৎ দেশে ইতোমধ্যেই শীতের আমেজ শুরু হয়েছে। তবে শীতের মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই অনেকের ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যায়। সেইসঙ্গে চামড়া ওঠা কিংবা ঠোঁটের কোণে ফাটল দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়ার পরিবর্তনের পাশাপাশি শরীরে পানির ঘাটতি, বারবার ঠোঁট চাটা এবং কিছু প্রসাধনীর ব্যবহারেও এমনটা হতে পারে। সঠিক যত্নের অভাবে এই শুষ্কতা থেকে ফাটল, ব্যথা ও জ্বালাপোড়ার সৃষ্টি হতে পারে। তাই শীত পুরোপুরি শুরু হওয়ার অপেক্ষা না করে এখন থেকেই ঠোঁটের যত্ন নেওয়া জরুরি।
যে কারণে ঠোঁট ফাটছে
আবহাওয়ার পরিবর্তন
গ্রীষ্মের সেই খরা রৌদ্র আর নেই। এখন বাতাসের আর্দ্রতা অনেকটাই কমে যাচ্ছে। আর শুষ্ক বাতাস এবং তাপমাত্রার ওঠানামার কারণে ঠোঁটের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমতে পারে। ফলে শীত আসার আগেই ঠোঁট ফাটার সমস্যা দেখা দেয়।
জিভ দিয়ে বারবার ঠোঁট চাটা
ঠোঁট শুকিয়ে গেলে অনেকেই বারবার জিভ দিয়ে তা ভেজানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু লালার পানি শুকিয়ে যাওয়ার পর ঠোঁট আরও বেশি শুষ্ক হয়ে পড়ে। এতে ফাটল ও অস্বস্তি বৃদ্ধি পায়।
পানির ঘাটতি
শরীরে পর্যাপ্ত পানির অভাব হলে ঠোঁটসহ মুখের বিভিন্ন অংশ শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তবে শুধু ঠোঁট ফাটার লক্ষণ দেখেই শরীরে পানির ঘাটতি রয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায় না।
প্রসাধনী ও টুথপেস্টের প্রভাব
কিছু লিপস্টিক, লিপবাম, সুগন্ধিযুক্ত প্রসাধনী এবং টুথপেস্টের উপাদান ঠোঁটে অ্যালার্জি বা প্রদাহ সৃষ্টি করে থাকে। এসব পণ্য ব্যবহারের পর ঠোঁটে জ্বালাপোড়া কিংবা শুষ্কতা বাড়লে সেগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো।
পুষ্টির ঘাটতি
কিছু ক্ষেত্রে আয়রন, ভিটামিন বি১২সহ প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের ঘাটতির সঙ্গে ঠোঁটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে ঠোঁটের কোণে ফাটলের সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলেই পুষ্টির ঘাটতি হয়েছে, এমন বলা যায় না।
ত্বকের রোগ বা সংক্রমণ
দীর্ঘদিন ধরে ঠোঁট ফাটা, লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি কিংবা ঠোঁটের কোণে ক্ষত হওয়ার পেছনে একজিমা, অ্যালার্জি বা সংক্রমণের মতো কারণও থাকতে পারে।
ঠোঁট ফাটা কমাতে করণীয়
নিয়মিত লিপবাম ব্যবহার
ঠোঁটের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সুগন্ধি ও স্বাদযুক্ত উপাদানবিহীন পেট্রোলিয়াম জেলি অথবা সাধারণ লিপবাম ব্যবহার করা যেতে পারে। ঠোঁট শুকিয়ে গেলে এবং রাতে ঘুমানোর আগে এটি লাগালে উপকার পাবেন।
ঠোঁট চাটা থেকে বিরত থাকুন
বারবার জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানো যাবে না। এছাড়া শুকনো চামড়া টেনে তোলা বন্ধ করতে হবে। এসব অভ্যাস ঠোঁটের ত্বকে ক্ষত তৈরি এবং জ্বালাপোড়া বাড়িয়ে দিতে পারে।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন
শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। দীর্ঘ সময় পানি পান না করার অভ্যাস থাকলে সেটা ত্যাগ করুন। তবে ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করতে শুধু পানি পান যথেষ্ঠ নয়, এজন্য বাইরে থেকে ঠোঁটের আর্দ্রতা বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।
রোদ থেকে সুরক্ষা
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মিও ঠোঁটের ক্ষতি করতে পারে। তাই বাইরে যাওয়ার সময় এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি মাত্রার ব্রড-স্পেকট্রাম লিপবাম ব্যবহার করতে পারেন। দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে পণ্যের নির্দেশনা অনুযায়ী আবার লাগাতে হবে।
জ্বালাপোড়া তৈরি করে এমন পণ্য পরিহার
মেনথল, কর্পূর, সুগন্ধি কিংবা ঝাঁঝালো উপাদানযুক্ত পণ্য ঠোঁটের অস্বস্তি বাড়াতে পারে। যদি কোনো পণ্য ব্যবহারের পর জ্বালা বা শুষ্কতা অনুভূত হলে সেটি ব্যবহার বন্ধ করুন।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?
সাধারণ যত্ন নেওয়ার পরও যদি ঠোঁটের ফাটল না কমে, সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে কিংবা ঠোঁটে তীব্র ব্যথা, প্রদাহ, ক্ষত বা সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

শীত আসার আগেই ঠোঁট ফাটছে, জেনে নিন কারণ ও প্রতিকার
সিজেডএন ডেস্ক

দিনের বেলায় তীব্র গরম থাকলেও রাতের বেলায় সেই তীব্রতা দেখা যাচ্ছে না। হালকা শীত শীত ভাব চলে এসেছে। অর্থাৎ দেশে ইতোমধ্যেই শীতের আমেজ শুরু হয়েছে। তবে শীতের মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই অনেকের ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যায়। সেইসঙ্গে চামড়া ওঠা কিংবা ঠোঁটের কোণে ফাটল দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়ার পরিবর্তনের পাশাপাশি শরীরে পানির ঘাটতি, বারবার ঠোঁট চাটা এবং কিছু প্রসাধনীর ব্যবহারেও এমনটা হতে পারে। সঠিক যত্নের অভাবে এই শুষ্কতা থেকে ফাটল, ব্যথা ও জ্বালাপোড়ার সৃষ্টি হতে পারে। তাই শীত পুরোপুরি শুরু হওয়ার অপেক্ষা না করে এখন থেকেই ঠোঁটের যত্ন নেওয়া জরুরি।
যে কারণে ঠোঁট ফাটছে
আবহাওয়ার পরিবর্তন
গ্রীষ্মের সেই খরা রৌদ্র আর নেই। এখন বাতাসের আর্দ্রতা অনেকটাই কমে যাচ্ছে। আর শুষ্ক বাতাস এবং তাপমাত্রার ওঠানামার কারণে ঠোঁটের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমতে পারে। ফলে শীত আসার আগেই ঠোঁট ফাটার সমস্যা দেখা দেয়।
জিভ দিয়ে বারবার ঠোঁট চাটা
ঠোঁট শুকিয়ে গেলে অনেকেই বারবার জিভ দিয়ে তা ভেজানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু লালার পানি শুকিয়ে যাওয়ার পর ঠোঁট আরও বেশি শুষ্ক হয়ে পড়ে। এতে ফাটল ও অস্বস্তি বৃদ্ধি পায়।
পানির ঘাটতি
শরীরে পর্যাপ্ত পানির অভাব হলে ঠোঁটসহ মুখের বিভিন্ন অংশ শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তবে শুধু ঠোঁট ফাটার লক্ষণ দেখেই শরীরে পানির ঘাটতি রয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায় না।
প্রসাধনী ও টুথপেস্টের প্রভাব
কিছু লিপস্টিক, লিপবাম, সুগন্ধিযুক্ত প্রসাধনী এবং টুথপেস্টের উপাদান ঠোঁটে অ্যালার্জি বা প্রদাহ সৃষ্টি করে থাকে। এসব পণ্য ব্যবহারের পর ঠোঁটে জ্বালাপোড়া কিংবা শুষ্কতা বাড়লে সেগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো।
পুষ্টির ঘাটতি
কিছু ক্ষেত্রে আয়রন, ভিটামিন বি১২সহ প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের ঘাটতির সঙ্গে ঠোঁটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে ঠোঁটের কোণে ফাটলের সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলেই পুষ্টির ঘাটতি হয়েছে, এমন বলা যায় না।
ত্বকের রোগ বা সংক্রমণ
দীর্ঘদিন ধরে ঠোঁট ফাটা, লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি কিংবা ঠোঁটের কোণে ক্ষত হওয়ার পেছনে একজিমা, অ্যালার্জি বা সংক্রমণের মতো কারণও থাকতে পারে।
ঠোঁট ফাটা কমাতে করণীয়
নিয়মিত লিপবাম ব্যবহার
ঠোঁটের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সুগন্ধি ও স্বাদযুক্ত উপাদানবিহীন পেট্রোলিয়াম জেলি অথবা সাধারণ লিপবাম ব্যবহার করা যেতে পারে। ঠোঁট শুকিয়ে গেলে এবং রাতে ঘুমানোর আগে এটি লাগালে উপকার পাবেন।
ঠোঁট চাটা থেকে বিরত থাকুন
বারবার জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানো যাবে না। এছাড়া শুকনো চামড়া টেনে তোলা বন্ধ করতে হবে। এসব অভ্যাস ঠোঁটের ত্বকে ক্ষত তৈরি এবং জ্বালাপোড়া বাড়িয়ে দিতে পারে।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন
শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। দীর্ঘ সময় পানি পান না করার অভ্যাস থাকলে সেটা ত্যাগ করুন। তবে ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করতে শুধু পানি পান যথেষ্ঠ নয়, এজন্য বাইরে থেকে ঠোঁটের আর্দ্রতা বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।
রোদ থেকে সুরক্ষা
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মিও ঠোঁটের ক্ষতি করতে পারে। তাই বাইরে যাওয়ার সময় এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি মাত্রার ব্রড-স্পেকট্রাম লিপবাম ব্যবহার করতে পারেন। দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে পণ্যের নির্দেশনা অনুযায়ী আবার লাগাতে হবে।
জ্বালাপোড়া তৈরি করে এমন পণ্য পরিহার
মেনথল, কর্পূর, সুগন্ধি কিংবা ঝাঁঝালো উপাদানযুক্ত পণ্য ঠোঁটের অস্বস্তি বাড়াতে পারে। যদি কোনো পণ্য ব্যবহারের পর জ্বালা বা শুষ্কতা অনুভূত হলে সেটি ব্যবহার বন্ধ করুন।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?
সাধারণ যত্ন নেওয়ার পরও যদি ঠোঁটের ফাটল না কমে, সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে কিংবা ঠোঁটে তীব্র ব্যথা, প্রদাহ, ক্ষত বা সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

বৃষ্টিতে ভেজার উপকারিতা







