কলেজের ফ্যান-গ্রিল চুরির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা অব্যাহতি

কলেজের ফ্যান-গ্রিল চুরির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা অব্যাহতি
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় একটি কলেজের পরিত্যক্ত ভবন থেকে জানালা, গ্রিল, ফ্যান ও নির্মাণসামগ্রী খুলে নেওয়ার অভিযোগে ছাত্রদলের এক নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
অব্যাহতি পাওয়া ওই নেতার নাম মো. সাহেদ তালুকদার। তিনি ড. ইমদাদুল হক মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন।
শুক্রবার রাতে গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম ও সদস্যসচিব সাজিদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সাহেদ তালুকদারকে তাঁর পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম বলেন, ছাত্রদল কোনো ধরনের অন্যায় বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সমর্থন করে না। সাহেদের বিরুদ্ধে চুরিসহ বিভিন্ন বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ছিল। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাঁকে সাংগঠনিক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও কলেজ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৭ অক্টোবর কলেজের পরিত্যক্ত ভবন থেকে জানালা, বারান্দার গ্রিল, তিনটি ফ্যান ও নির্মাণসামগ্রী জোর করে খুলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে সাহেদ তালুকদার ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় পরদিন ২৮ অক্টোবর কলেজের অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে সাহেদসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও চারজনের বিরুদ্ধে টুঙ্গিপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
পরে ২৯ অক্টোবর রাতে উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া বাজার এলাকা থেকে সাহেদকে আটক করে পুলিশ। তবে থানায় বাদী ও অভিযুক্ত পক্ষের মধ্যে আপসের পর চুরির মালামাল ফেরত দেওয়া অথবা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মুচলেকা দিয়ে তিনি মুক্তি পান।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় একটি কলেজের পরিত্যক্ত ভবন থেকে জানালা, গ্রিল, ফ্যান ও নির্মাণসামগ্রী খুলে নেওয়ার অভিযোগে ছাত্রদলের এক নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
অব্যাহতি পাওয়া ওই নেতার নাম মো. সাহেদ তালুকদার। তিনি ড. ইমদাদুল হক মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন।
শুক্রবার রাতে গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম ও সদস্যসচিব সাজিদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সাহেদ তালুকদারকে তাঁর পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম বলেন, ছাত্রদল কোনো ধরনের অন্যায় বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সমর্থন করে না। সাহেদের বিরুদ্ধে চুরিসহ বিভিন্ন বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ছিল। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাঁকে সাংগঠনিক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও কলেজ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৭ অক্টোবর কলেজের পরিত্যক্ত ভবন থেকে জানালা, বারান্দার গ্রিল, তিনটি ফ্যান ও নির্মাণসামগ্রী জোর করে খুলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে সাহেদ তালুকদার ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় পরদিন ২৮ অক্টোবর কলেজের অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে সাহেদসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও চারজনের বিরুদ্ধে টুঙ্গিপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
পরে ২৯ অক্টোবর রাতে উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া বাজার এলাকা থেকে সাহেদকে আটক করে পুলিশ। তবে থানায় বাদী ও অভিযুক্ত পক্ষের মধ্যে আপসের পর চুরির মালামাল ফেরত দেওয়া অথবা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মুচলেকা দিয়ে তিনি মুক্তি পান।

কলেজের ফ্যান-গ্রিল চুরির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা অব্যাহতি
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় একটি কলেজের পরিত্যক্ত ভবন থেকে জানালা, গ্রিল, ফ্যান ও নির্মাণসামগ্রী খুলে নেওয়ার অভিযোগে ছাত্রদলের এক নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
অব্যাহতি পাওয়া ওই নেতার নাম মো. সাহেদ তালুকদার। তিনি ড. ইমদাদুল হক মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন।
শুক্রবার রাতে গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম ও সদস্যসচিব সাজিদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সাহেদ তালুকদারকে তাঁর পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম বলেন, ছাত্রদল কোনো ধরনের অন্যায় বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সমর্থন করে না। সাহেদের বিরুদ্ধে চুরিসহ বিভিন্ন বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ছিল। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাঁকে সাংগঠনিক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও কলেজ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৭ অক্টোবর কলেজের পরিত্যক্ত ভবন থেকে জানালা, বারান্দার গ্রিল, তিনটি ফ্যান ও নির্মাণসামগ্রী জোর করে খুলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে সাহেদ তালুকদার ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় পরদিন ২৮ অক্টোবর কলেজের অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে সাহেদসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও চারজনের বিরুদ্ধে টুঙ্গিপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
পরে ২৯ অক্টোবর রাতে উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া বাজার এলাকা থেকে সাহেদকে আটক করে পুলিশ। তবে থানায় বাদী ও অভিযুক্ত পক্ষের মধ্যে আপসের পর চুরির মালামাল ফেরত দেওয়া অথবা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মুচলেকা দিয়ে তিনি মুক্তি পান।









