প্রথমবার উড়বে চীনের পুনর্ব্যবহারযোগ্য মহাকাশযান ‘লিহোং-২’

প্রথমবার উড়বে চীনের পুনর্ব্যবহারযোগ্য মহাকাশযান ‘লিহোং-২’
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

চীনা বাণিজ্যিক মহাকাশ সংস্থা ‘সিএএস স্পেস’ তাদের পুনর্ব্যবহারযোগ্য মহাকাশযান ‘লিহোং-২’ নিয়ে বড় ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সালের প্রথম নয় মাসের মধ্যেই যানটির প্রথম পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।
কুয়াংচৌভিত্তিক ‘সিএএস স্পেস ফ্রন্টিয়ার ল্যাবস’-এর জ্যেষ্ঠ নির্বাহী ওয়াং ইংছেং এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন। মহাকাশযান গবেষক ওয়াং ইংছেং বলেন, মহাকাশযানটির নকশার কাজ শেষ হয়েছে এবং প্রোটোটাইপের স্থলভিত্তিক পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে এগোচ্ছে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নতুন এ ধাপে যানটি মহাকাশ গবেষণা ও পর্যটনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রায় ১৮ মিটার লম্বা ও ৩ দশমিক ৩৫ মিটার ব্যাসের যানটির ওজন প্রায় ৬০ টন। এতে একটি শক্তিশালী বুস্টার রকেট ও একটি সুনির্দিষ্ট পেলোড মডিউল যুক্ত রয়েছে। যানটির বিশেষত্ব হলো, এটি একসঙ্গে অন্তত ৩ টন ওজনের মালামাল বা সর্বোচ্চ সাতজন যাত্রী নিয়ে মহাশূন্যে পাড়ি দিতে সক্ষম।
উৎক্ষেপণের মূল পর্ব শুরুর আগেই কারিগরি সব বিষয়ের নিখুঁত নিরাপত্তা যাচাই করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ওয়াং ইংছেং জানান, ‘পেলোড মডিউল ও বুস্টার রকেটের উইন্ড টানেল পরীক্ষা এবং জ্বালানি ধরে রাখার পরীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ইঞ্জিনের হট ফায়ার পরীক্ষা এবং ক্যাপটিভ ক্যারি পরীক্ষা চলছে।’
যাত্রার মূল উদ্দেশ্য ও কার্যপ্রণালী নিয়ে ওয়াং বলেন, ‘প্রথম উড্ডয়নে মহাকাশযানটি প্রায় ১০০ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছে নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে উল্লম্বভাবে অবতরণ করতে পারে কি না, তা যাচাই করা হবে। পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে মহাকাশযানটিতে মহাকাশে তৈরি ওষুধ, বুদ্ধিমান রোবটসহ বিভিন্ন ধরনের পেলোড বহন করা হবে। সেগুলো ব্যবহার করে মহাশূন্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।’
চীন যেভাবে দ্রুত গতিতে তাদের বেসরকারি মহাকাশ খাতকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, তাতে ‘লিহোং ২’-এর সাফল্য ভবিষ্যৎ মহাকাশ ভ্রমণ ও পর্যটনের দুয়ার অনেকটাই সহজ করে দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চীনা বাণিজ্যিক মহাকাশ সংস্থা ‘সিএএস স্পেস’ তাদের পুনর্ব্যবহারযোগ্য মহাকাশযান ‘লিহোং-২’ নিয়ে বড় ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সালের প্রথম নয় মাসের মধ্যেই যানটির প্রথম পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।
কুয়াংচৌভিত্তিক ‘সিএএস স্পেস ফ্রন্টিয়ার ল্যাবস’-এর জ্যেষ্ঠ নির্বাহী ওয়াং ইংছেং এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন। মহাকাশযান গবেষক ওয়াং ইংছেং বলেন, মহাকাশযানটির নকশার কাজ শেষ হয়েছে এবং প্রোটোটাইপের স্থলভিত্তিক পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে এগোচ্ছে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নতুন এ ধাপে যানটি মহাকাশ গবেষণা ও পর্যটনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রায় ১৮ মিটার লম্বা ও ৩ দশমিক ৩৫ মিটার ব্যাসের যানটির ওজন প্রায় ৬০ টন। এতে একটি শক্তিশালী বুস্টার রকেট ও একটি সুনির্দিষ্ট পেলোড মডিউল যুক্ত রয়েছে। যানটির বিশেষত্ব হলো, এটি একসঙ্গে অন্তত ৩ টন ওজনের মালামাল বা সর্বোচ্চ সাতজন যাত্রী নিয়ে মহাশূন্যে পাড়ি দিতে সক্ষম।
উৎক্ষেপণের মূল পর্ব শুরুর আগেই কারিগরি সব বিষয়ের নিখুঁত নিরাপত্তা যাচাই করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ওয়াং ইংছেং জানান, ‘পেলোড মডিউল ও বুস্টার রকেটের উইন্ড টানেল পরীক্ষা এবং জ্বালানি ধরে রাখার পরীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ইঞ্জিনের হট ফায়ার পরীক্ষা এবং ক্যাপটিভ ক্যারি পরীক্ষা চলছে।’
যাত্রার মূল উদ্দেশ্য ও কার্যপ্রণালী নিয়ে ওয়াং বলেন, ‘প্রথম উড্ডয়নে মহাকাশযানটি প্রায় ১০০ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছে নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে উল্লম্বভাবে অবতরণ করতে পারে কি না, তা যাচাই করা হবে। পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে মহাকাশযানটিতে মহাকাশে তৈরি ওষুধ, বুদ্ধিমান রোবটসহ বিভিন্ন ধরনের পেলোড বহন করা হবে। সেগুলো ব্যবহার করে মহাশূন্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।’
চীন যেভাবে দ্রুত গতিতে তাদের বেসরকারি মহাকাশ খাতকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, তাতে ‘লিহোং ২’-এর সাফল্য ভবিষ্যৎ মহাকাশ ভ্রমণ ও পর্যটনের দুয়ার অনেকটাই সহজ করে দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রথমবার উড়বে চীনের পুনর্ব্যবহারযোগ্য মহাকাশযান ‘লিহোং-২’
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

চীনা বাণিজ্যিক মহাকাশ সংস্থা ‘সিএএস স্পেস’ তাদের পুনর্ব্যবহারযোগ্য মহাকাশযান ‘লিহোং-২’ নিয়ে বড় ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সালের প্রথম নয় মাসের মধ্যেই যানটির প্রথম পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।
কুয়াংচৌভিত্তিক ‘সিএএস স্পেস ফ্রন্টিয়ার ল্যাবস’-এর জ্যেষ্ঠ নির্বাহী ওয়াং ইংছেং এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন। মহাকাশযান গবেষক ওয়াং ইংছেং বলেন, মহাকাশযানটির নকশার কাজ শেষ হয়েছে এবং প্রোটোটাইপের স্থলভিত্তিক পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে এগোচ্ছে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নতুন এ ধাপে যানটি মহাকাশ গবেষণা ও পর্যটনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রায় ১৮ মিটার লম্বা ও ৩ দশমিক ৩৫ মিটার ব্যাসের যানটির ওজন প্রায় ৬০ টন। এতে একটি শক্তিশালী বুস্টার রকেট ও একটি সুনির্দিষ্ট পেলোড মডিউল যুক্ত রয়েছে। যানটির বিশেষত্ব হলো, এটি একসঙ্গে অন্তত ৩ টন ওজনের মালামাল বা সর্বোচ্চ সাতজন যাত্রী নিয়ে মহাশূন্যে পাড়ি দিতে সক্ষম।
উৎক্ষেপণের মূল পর্ব শুরুর আগেই কারিগরি সব বিষয়ের নিখুঁত নিরাপত্তা যাচাই করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ওয়াং ইংছেং জানান, ‘পেলোড মডিউল ও বুস্টার রকেটের উইন্ড টানেল পরীক্ষা এবং জ্বালানি ধরে রাখার পরীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ইঞ্জিনের হট ফায়ার পরীক্ষা এবং ক্যাপটিভ ক্যারি পরীক্ষা চলছে।’
যাত্রার মূল উদ্দেশ্য ও কার্যপ্রণালী নিয়ে ওয়াং বলেন, ‘প্রথম উড্ডয়নে মহাকাশযানটি প্রায় ১০০ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছে নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে উল্লম্বভাবে অবতরণ করতে পারে কি না, তা যাচাই করা হবে। পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে মহাকাশযানটিতে মহাকাশে তৈরি ওষুধ, বুদ্ধিমান রোবটসহ বিভিন্ন ধরনের পেলোড বহন করা হবে। সেগুলো ব্যবহার করে মহাশূন্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।’
চীন যেভাবে দ্রুত গতিতে তাদের বেসরকারি মহাকাশ খাতকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, তাতে ‘লিহোং ২’-এর সাফল্য ভবিষ্যৎ মহাকাশ ভ্রমণ ও পর্যটনের দুয়ার অনেকটাই সহজ করে দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অবশেষে সামনে এল চীনের গোপন মহাকাশযান ‘শেনলোং’







