হাসপাতালে ইমরান খান

হাসপাতালে ইমরান খান
সিজেডএন ডেস্ক

পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পর দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কারাবন্দি ইমরান খানকে ইসলামাবাদের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভোরে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
এতে বলা হয়েছে, আদিয়ালা কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ইমরান খানকে শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির একটি বেঞ্চের নির্দেশের পর ইমরান খানকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। আদালত তাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসকদের দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর নির্দেশ দিয়েছিলো।
ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে। ২০২২ সালে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা হয়। এসব মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছেন তিনি ও তার দল।
আদালতের নির্দেশে হাসপাতালে চিকিৎসার পাশাপাশি ইমরান খানকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। কয়েক মাস ধরে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি তিনি।
ইমরান খানের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন তিনি। কারাগারে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পাওয়ায় তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি ১৫ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাকিস্তান সরকার।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা জানিয়েছেন, ইমরান খানের চিকিৎসায় একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞও যুক্ত থাকবেন। একই সঙ্গে তার জীবন, স্বাস্থ্য, মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষা করা সরকারের আইনি ও সাংবিধানিক দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেছেন তারা।
এদিকে, ইমরান খানের সমর্থকদের হাসপাতালের সামনে জড়ো না হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের বাইরে কোনো সংবাদ সম্মেলন না করার জন্যও তার দলকে সতর্ক করেছে আদালত।

পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পর দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কারাবন্দি ইমরান খানকে ইসলামাবাদের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভোরে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
এতে বলা হয়েছে, আদিয়ালা কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ইমরান খানকে শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির একটি বেঞ্চের নির্দেশের পর ইমরান খানকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। আদালত তাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসকদের দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর নির্দেশ দিয়েছিলো।
ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে। ২০২২ সালে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা হয়। এসব মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছেন তিনি ও তার দল।
আদালতের নির্দেশে হাসপাতালে চিকিৎসার পাশাপাশি ইমরান খানকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। কয়েক মাস ধরে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি তিনি।
ইমরান খানের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন তিনি। কারাগারে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পাওয়ায় তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি ১৫ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাকিস্তান সরকার।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা জানিয়েছেন, ইমরান খানের চিকিৎসায় একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞও যুক্ত থাকবেন। একই সঙ্গে তার জীবন, স্বাস্থ্য, মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষা করা সরকারের আইনি ও সাংবিধানিক দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেছেন তারা।
এদিকে, ইমরান খানের সমর্থকদের হাসপাতালের সামনে জড়ো না হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের বাইরে কোনো সংবাদ সম্মেলন না করার জন্যও তার দলকে সতর্ক করেছে আদালত।

হাসপাতালে ইমরান খান
সিজেডএন ডেস্ক

পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পর দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কারাবন্দি ইমরান খানকে ইসলামাবাদের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভোরে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
এতে বলা হয়েছে, আদিয়ালা কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ইমরান খানকে শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির একটি বেঞ্চের নির্দেশের পর ইমরান খানকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। আদালত তাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসকদের দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর নির্দেশ দিয়েছিলো।
ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে। ২০২২ সালে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা হয়। এসব মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছেন তিনি ও তার দল।
আদালতের নির্দেশে হাসপাতালে চিকিৎসার পাশাপাশি ইমরান খানকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। কয়েক মাস ধরে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি তিনি।
ইমরান খানের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন তিনি। কারাগারে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পাওয়ায় তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি ১৫ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাকিস্তান সরকার।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা জানিয়েছেন, ইমরান খানের চিকিৎসায় একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞও যুক্ত থাকবেন। একই সঙ্গে তার জীবন, স্বাস্থ্য, মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষা করা সরকারের আইনি ও সাংবিধানিক দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেছেন তারা।
এদিকে, ইমরান খানের সমর্থকদের হাসপাতালের সামনে জড়ো না হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের বাইরে কোনো সংবাদ সম্মেলন না করার জন্যও তার দলকে সতর্ক করেছে আদালত।

মুক্তি পেলে সেনাপ্রধানের সঙ্গে সংঘাতে জড়াবেন না ইমরান খান 






