পাকিস্তানে জুমার নামাজের সময় মসজিদের বাইরে আত্মঘাতী বোমা হামলা, নিহত ১৬

পাকিস্তানে জুমার নামাজের সময় মসজিদের বাইরে আত্মঘাতী বোমা হামলা, নিহত ১৬
সিজেডএন ডেস্ক

পাকিস্তানের কোহাট জেলায় জুমার নামাজের সময় একটি মসজিদের বাইরে ঘটা এক ভয়াবহ আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ১৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও অর্ধশতাধিক মানুষ। হতাহতদের মধ্যে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও রয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজন পুলিশ সদস্য এবং ১১ জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের রাজধানী পেশোয়ার থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে পুরোনো পুলিশ লাইনসের সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত ওই মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের জন্য প্রচুর মুসল্লি সমবেত হয়েছিলেন। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ঘটনাস্থলে একটি বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যারা আহত হয়েছেন তাদের সিংহভাগই ওই মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন।
ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজি) জুলফিকার হামিদ সংবাদমাধ্যম ডনকে জানান, ‘একটি গাড়িতে থাকা আত্মঘাতী হামলাকারী প্রথমে ভবনের ফটকে আঘাত করে বিস্ফোরণ ঘটায়। এরপর কয়েকজন হামলাকারী কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্টের (সিটিডি) ভবনের দিকে এগিয়ে গেলে সেখানে তাদের নিষ্ক্রিয় করা হয়। আর তিনজন হামলাকারী স্পেশাল ব্রাঞ্চ ভবনের দিকে চলে যায়।’
এ হামলার পরপরই চারদিকে চরম আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। কোহাট জেলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট (এমএস) তাহির আলী শাহ জিও নিউজকে জানান, হামলার পর হাসপাতালটিতে ১৫ জনের লাশ এবং ৫০ জনের বেশি আহত ব্যক্তিকে আনা হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জরুরি সেবা ও উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত সাড়া দেন। রেসকিউ ১১২২-এর মুখপাত্র বিলাল আহমদ ফয়জি জানান, ‘বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পরপরই উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। আহতদের দ্রুত নিকটস্থ বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতিও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরের এ ঘটনার পর গোটা এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।
সূত্র: দ্য ইকোনোমিকস টাইমস

পাকিস্তানের কোহাট জেলায় জুমার নামাজের সময় একটি মসজিদের বাইরে ঘটা এক ভয়াবহ আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ১৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও অর্ধশতাধিক মানুষ। হতাহতদের মধ্যে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও রয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজন পুলিশ সদস্য এবং ১১ জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের রাজধানী পেশোয়ার থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে পুরোনো পুলিশ লাইনসের সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত ওই মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের জন্য প্রচুর মুসল্লি সমবেত হয়েছিলেন। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ঘটনাস্থলে একটি বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যারা আহত হয়েছেন তাদের সিংহভাগই ওই মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন।
ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজি) জুলফিকার হামিদ সংবাদমাধ্যম ডনকে জানান, ‘একটি গাড়িতে থাকা আত্মঘাতী হামলাকারী প্রথমে ভবনের ফটকে আঘাত করে বিস্ফোরণ ঘটায়। এরপর কয়েকজন হামলাকারী কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্টের (সিটিডি) ভবনের দিকে এগিয়ে গেলে সেখানে তাদের নিষ্ক্রিয় করা হয়। আর তিনজন হামলাকারী স্পেশাল ব্রাঞ্চ ভবনের দিকে চলে যায়।’
এ হামলার পরপরই চারদিকে চরম আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। কোহাট জেলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট (এমএস) তাহির আলী শাহ জিও নিউজকে জানান, হামলার পর হাসপাতালটিতে ১৫ জনের লাশ এবং ৫০ জনের বেশি আহত ব্যক্তিকে আনা হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জরুরি সেবা ও উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত সাড়া দেন। রেসকিউ ১১২২-এর মুখপাত্র বিলাল আহমদ ফয়জি জানান, ‘বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পরপরই উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। আহতদের দ্রুত নিকটস্থ বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতিও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরের এ ঘটনার পর গোটা এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।
সূত্র: দ্য ইকোনোমিকস টাইমস

পাকিস্তানে জুমার নামাজের সময় মসজিদের বাইরে আত্মঘাতী বোমা হামলা, নিহত ১৬
সিজেডএন ডেস্ক

পাকিস্তানের কোহাট জেলায় জুমার নামাজের সময় একটি মসজিদের বাইরে ঘটা এক ভয়াবহ আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ১৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও অর্ধশতাধিক মানুষ। হতাহতদের মধ্যে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও রয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজন পুলিশ সদস্য এবং ১১ জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের রাজধানী পেশোয়ার থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে পুরোনো পুলিশ লাইনসের সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত ওই মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের জন্য প্রচুর মুসল্লি সমবেত হয়েছিলেন। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ঘটনাস্থলে একটি বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যারা আহত হয়েছেন তাদের সিংহভাগই ওই মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন।
ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজি) জুলফিকার হামিদ সংবাদমাধ্যম ডনকে জানান, ‘একটি গাড়িতে থাকা আত্মঘাতী হামলাকারী প্রথমে ভবনের ফটকে আঘাত করে বিস্ফোরণ ঘটায়। এরপর কয়েকজন হামলাকারী কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্টের (সিটিডি) ভবনের দিকে এগিয়ে গেলে সেখানে তাদের নিষ্ক্রিয় করা হয়। আর তিনজন হামলাকারী স্পেশাল ব্রাঞ্চ ভবনের দিকে চলে যায়।’
এ হামলার পরপরই চারদিকে চরম আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। কোহাট জেলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট (এমএস) তাহির আলী শাহ জিও নিউজকে জানান, হামলার পর হাসপাতালটিতে ১৫ জনের লাশ এবং ৫০ জনের বেশি আহত ব্যক্তিকে আনা হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জরুরি সেবা ও উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত সাড়া দেন। রেসকিউ ১১২২-এর মুখপাত্র বিলাল আহমদ ফয়জি জানান, ‘বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পরপরই উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। আহতদের দ্রুত নিকটস্থ বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতিও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরের এ ঘটনার পর গোটা এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।
সূত্র: দ্য ইকোনোমিকস টাইমস

মক্কা চুক্তিতে আরও দেশ যোগ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে: পাকিস্তান







