অনলাইন কেনাকাটার দাপট: ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে ১৮৮ বছরের পুরোনো প্রতিষ্ঠান

অনলাইন কেনাকাটার দাপট: ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে ১৮৮ বছরের পুরোনো প্রতিষ্ঠান
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

অনলাইন কেনাকাটার যুগে তাল মেলাতে না পেরে স্বেচ্ছায় দেউলিয়া ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহ্যবাহী ডিপার্টমেন্টাল স্টোর চেইন ডেভিড জোন্স। ১৮৮ বছরের পুরোনো প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক সংকটের জেরে এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে হাজার হাজার কর্মীর ভবিষ্যৎ।
প্রায় দেড় শতাব্দী ধরে অস্ট্রেলিয়ার মানুষের কাছে বিলাসবহুল কেনাকাটার এক অন্য নাম ছিল ডেভিড জোন্স। স্থানীয়ভাবে ডিজেস নামে পরিচিত এ ব্র্যান্ডের ব্ল্যাক-অ্যান্ড-হোয়াইট হাউন্ডসটুথ ডিজাইনের লোগোটি একসময় আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হতো। ১৯৫৪ সালে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সিডনি সফরের সময় এলিজাবেথ স্ট্রিট শোরুমের সপ্তম তলায় রানির সম্মানে বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছিল। তাছাড়া, বড়দিনে এখানকার জমকালো আলোকসজ্জা দেখতে পরিবার নিয়ে ভিড় করাটা ছিল সাধারণ মানুষের কাছে একটি উৎসবের মতো।
তবে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বদলে গেছে ক্রেতাদের কেনাকাটার ধরন। ম্যাকাউয়েরি বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিংয়ের শিক্ষক জেনা বোডেন বলেন, এটি একসময় অস্ট্রেলিয়ার গ্ল্যামার শপিংয়ের প্রতীক ছিল, যেন হ্যারডসের অস্ট্রেলীয় সংস্করণ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে শহরতলীর শাখাগুলো আকর্ষণ হারানোর পাশাপাশি অনলাইন কেনাকাটার ভিড়ে ব্র্যান্ডটি তার উজ্জ্বলতা হারিয়েছে।
দোকানগুলোতে ক্রেতা কমে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক টানাপোড়েনে ছিল প্রতিষ্ঠানটি। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায়, দেউলিয়া প্রক্রিয়ার ঘোষণা আসার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ওয়েস্টফিল্ড শপিং সেন্টারে মালিক জানায়, ডেভিড জোন্স অক্টোবর মাসের ঘরভাড়া দেয়নি, যা তাদের চুক্তির সরাসরি লঙ্ঘন। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়াজুড়ে প্রতিষ্ঠানটির ৩৮টি দোকান এবং প্রায় ৬ হাজার কর্মী রয়েছে, যার মধ্যে ১৭টি দোকানই অবস্থিত ওয়েস্টফিল্ড শপিং সেন্টারে।
এ পরিস্থিতিতে নিয়োগ করা হয়েছে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ম্যাকগ্রাথনিকোল এবং রিসিভার এফটিআই কনসাল্টিং প্রতিষ্ঠানকে। রিসিভার এফটিআই কনসাল্টিংয়ের ক্রিস্টোফার হিল জানান, এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবসা পুনর্গঠনের জন্য কিছুটা সময় পাবে প্রতিষ্ঠানটি। পর্যালোচনা চলাকালীন ডেভিড জোন্সের সব দোকান ও অনলাইন সেবা আপাতত চালু রাখা হবে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী এরিকা বার্থোল্ড একে একটি আইকনিক কোম্পানি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ভবিষ্যতের জন্য ব্যবসাকে নতুন করে গুছিয়ে তুলতে ব্র্যান্ডটির একটি সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি এই কঠিন সময়ে গ্রাহক, কর্মী ও অংশীদারদের সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান।
সূত্র: রয়টার্স

অনলাইন কেনাকাটার যুগে তাল মেলাতে না পেরে স্বেচ্ছায় দেউলিয়া ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহ্যবাহী ডিপার্টমেন্টাল স্টোর চেইন ডেভিড জোন্স। ১৮৮ বছরের পুরোনো প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক সংকটের জেরে এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে হাজার হাজার কর্মীর ভবিষ্যৎ।
প্রায় দেড় শতাব্দী ধরে অস্ট্রেলিয়ার মানুষের কাছে বিলাসবহুল কেনাকাটার এক অন্য নাম ছিল ডেভিড জোন্স। স্থানীয়ভাবে ডিজেস নামে পরিচিত এ ব্র্যান্ডের ব্ল্যাক-অ্যান্ড-হোয়াইট হাউন্ডসটুথ ডিজাইনের লোগোটি একসময় আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হতো। ১৯৫৪ সালে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সিডনি সফরের সময় এলিজাবেথ স্ট্রিট শোরুমের সপ্তম তলায় রানির সম্মানে বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছিল। তাছাড়া, বড়দিনে এখানকার জমকালো আলোকসজ্জা দেখতে পরিবার নিয়ে ভিড় করাটা ছিল সাধারণ মানুষের কাছে একটি উৎসবের মতো।
তবে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বদলে গেছে ক্রেতাদের কেনাকাটার ধরন। ম্যাকাউয়েরি বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিংয়ের শিক্ষক জেনা বোডেন বলেন, এটি একসময় অস্ট্রেলিয়ার গ্ল্যামার শপিংয়ের প্রতীক ছিল, যেন হ্যারডসের অস্ট্রেলীয় সংস্করণ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে শহরতলীর শাখাগুলো আকর্ষণ হারানোর পাশাপাশি অনলাইন কেনাকাটার ভিড়ে ব্র্যান্ডটি তার উজ্জ্বলতা হারিয়েছে।
দোকানগুলোতে ক্রেতা কমে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক টানাপোড়েনে ছিল প্রতিষ্ঠানটি। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায়, দেউলিয়া প্রক্রিয়ার ঘোষণা আসার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ওয়েস্টফিল্ড শপিং সেন্টারে মালিক জানায়, ডেভিড জোন্স অক্টোবর মাসের ঘরভাড়া দেয়নি, যা তাদের চুক্তির সরাসরি লঙ্ঘন। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়াজুড়ে প্রতিষ্ঠানটির ৩৮টি দোকান এবং প্রায় ৬ হাজার কর্মী রয়েছে, যার মধ্যে ১৭টি দোকানই অবস্থিত ওয়েস্টফিল্ড শপিং সেন্টারে।
এ পরিস্থিতিতে নিয়োগ করা হয়েছে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ম্যাকগ্রাথনিকোল এবং রিসিভার এফটিআই কনসাল্টিং প্রতিষ্ঠানকে। রিসিভার এফটিআই কনসাল্টিংয়ের ক্রিস্টোফার হিল জানান, এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবসা পুনর্গঠনের জন্য কিছুটা সময় পাবে প্রতিষ্ঠানটি। পর্যালোচনা চলাকালীন ডেভিড জোন্সের সব দোকান ও অনলাইন সেবা আপাতত চালু রাখা হবে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী এরিকা বার্থোল্ড একে একটি আইকনিক কোম্পানি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ভবিষ্যতের জন্য ব্যবসাকে নতুন করে গুছিয়ে তুলতে ব্র্যান্ডটির একটি সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি এই কঠিন সময়ে গ্রাহক, কর্মী ও অংশীদারদের সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান।
সূত্র: রয়টার্স

অনলাইন কেনাকাটার দাপট: ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে ১৮৮ বছরের পুরোনো প্রতিষ্ঠান
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

অনলাইন কেনাকাটার যুগে তাল মেলাতে না পেরে স্বেচ্ছায় দেউলিয়া ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহ্যবাহী ডিপার্টমেন্টাল স্টোর চেইন ডেভিড জোন্স। ১৮৮ বছরের পুরোনো প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক সংকটের জেরে এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে হাজার হাজার কর্মীর ভবিষ্যৎ।
প্রায় দেড় শতাব্দী ধরে অস্ট্রেলিয়ার মানুষের কাছে বিলাসবহুল কেনাকাটার এক অন্য নাম ছিল ডেভিড জোন্স। স্থানীয়ভাবে ডিজেস নামে পরিচিত এ ব্র্যান্ডের ব্ল্যাক-অ্যান্ড-হোয়াইট হাউন্ডসটুথ ডিজাইনের লোগোটি একসময় আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হতো। ১৯৫৪ সালে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সিডনি সফরের সময় এলিজাবেথ স্ট্রিট শোরুমের সপ্তম তলায় রানির সম্মানে বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছিল। তাছাড়া, বড়দিনে এখানকার জমকালো আলোকসজ্জা দেখতে পরিবার নিয়ে ভিড় করাটা ছিল সাধারণ মানুষের কাছে একটি উৎসবের মতো।
তবে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বদলে গেছে ক্রেতাদের কেনাকাটার ধরন। ম্যাকাউয়েরি বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিংয়ের শিক্ষক জেনা বোডেন বলেন, এটি একসময় অস্ট্রেলিয়ার গ্ল্যামার শপিংয়ের প্রতীক ছিল, যেন হ্যারডসের অস্ট্রেলীয় সংস্করণ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে শহরতলীর শাখাগুলো আকর্ষণ হারানোর পাশাপাশি অনলাইন কেনাকাটার ভিড়ে ব্র্যান্ডটি তার উজ্জ্বলতা হারিয়েছে।
দোকানগুলোতে ক্রেতা কমে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক টানাপোড়েনে ছিল প্রতিষ্ঠানটি। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায়, দেউলিয়া প্রক্রিয়ার ঘোষণা আসার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ওয়েস্টফিল্ড শপিং সেন্টারে মালিক জানায়, ডেভিড জোন্স অক্টোবর মাসের ঘরভাড়া দেয়নি, যা তাদের চুক্তির সরাসরি লঙ্ঘন। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়াজুড়ে প্রতিষ্ঠানটির ৩৮টি দোকান এবং প্রায় ৬ হাজার কর্মী রয়েছে, যার মধ্যে ১৭টি দোকানই অবস্থিত ওয়েস্টফিল্ড শপিং সেন্টারে।
এ পরিস্থিতিতে নিয়োগ করা হয়েছে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ম্যাকগ্রাথনিকোল এবং রিসিভার এফটিআই কনসাল্টিং প্রতিষ্ঠানকে। রিসিভার এফটিআই কনসাল্টিংয়ের ক্রিস্টোফার হিল জানান, এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবসা পুনর্গঠনের জন্য কিছুটা সময় পাবে প্রতিষ্ঠানটি। পর্যালোচনা চলাকালীন ডেভিড জোন্সের সব দোকান ও অনলাইন সেবা আপাতত চালু রাখা হবে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী এরিকা বার্থোল্ড একে একটি আইকনিক কোম্পানি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ভবিষ্যতের জন্য ব্যবসাকে নতুন করে গুছিয়ে তুলতে ব্র্যান্ডটির একটি সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি এই কঠিন সময়ে গ্রাহক, কর্মী ও অংশীদারদের সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান।
সূত্র: রয়টার্স

ইউরোপজুড়ে বিমানে বোমা হামলার হুমকি, একাধিক ফ্লাইটে বিশৃঙ্খলা







